ঢাকা সোমবার, ৮ জুন, ২০২৬

কোন ক্ষমতাবলে রাষ্ট্রপতি গুচ্ছে থাকার আদেশ দিয়েছেন সেটি স্পষ্ট নয়


জবি সংবাদদাতা photo জবি সংবাদদাতা
প্রকাশিত: ১৯-৪-২০২৩ রাত ১০:৩০

সমন্বিত ভর্তি প্রক্রিয়ায় জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় না থাকার বিষয়ে একাডেমিক কাউন্সিলের সিদ্ধান্ত উপেক্ষা করে কোন ক্ষমতাবলে রাষ্ট্রপতি আদেশ দিয়েছেন, তা স্পষ্ট নয় বলে মন্তব্য করেছেন জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষক সমিতি।

বুধবার (১৯ এপ্রিল) জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষক সমিতির সভাপতি অধ্যাপক ড. মো. আইনুল ইসলাম ও সাধারণ সম্পাদক অধ্যাপক ড. এ. কে. এম. লুৎফর রহমান স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে এসব কথা জানানো হয়। এর আগে গত সোমবার শিক্ষক সমিতির উদ্যোগে অনলাইনে এক জরুরী সাধারণ সভা অনুষ্ঠিত হয়।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, গত ১৫ মার্চ ৬৪তম বিশেষ একাডেমিক কাউন্সিল সভায় ২০২২-২৩ শিক্ষাবর্ষে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় গুচ্ছ ভর্তি পরীক্ষা পদ্ধতি থেকে বেরিয়ে নিজস্ব ব্যবস্থাপনায় এককভাবে ভর্তি পরীক্ষা নেয়ার সিদ্ধান্ত সর্বসম্মতিক্রমে গৃহীত হয়। তবে উক্ত সভার কার্যবিবরণী প্রকাশ করতে প্রশাসন কালক্ষেপণ শুরু করেন। শিক্ষকবৃন্দেও উপর্যুপরি দাবীর মুখে ৩০ মার্চ কার্যবিবরণী প্রকাশ করেন। ০৬ এপ্রিল ৬৫ তম বিশেষ একাডেমিক কাউন্সিলে কেন্দ্রীয় কমিটিসহ ইউনিট কমিটি গঠন করা হয় এবং নির্দেশনা অনুযায়ী ইউনিট কমিটি কাজও শুরু করে। 

এতে আরও বলা হয়, মহান জাতীয় সংসদ কর্তৃক প্রণীত ‘জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় আইন ২০০৫’ অনুযায়ী একাডেমিক কাউন্সিল ভর্তি পরীক্ষা গ্রহণের সর্বোচ্চ কর্তৃপক্ষ। কাজেই একাডেমিক কাউন্সিলে পাশ হলে তা বাস্তবায়নে আর কোন বাধা থাকে না। এ পর্যায়ে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন বিশ্ববিদ্যালয়ের আইন অনুযায়ী একাডেমিক কাউন্সিলের সিদ্ধান্ত বাস্তবায়নে আবারো কালক্ষেপণ শুরু করেন। বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য কেন্দ্রীয় ভর্তি কমিটির সভা ইচ্ছাকৃতভাবে বিলম্বিত করিয়ে ৭০০ শিক্ষকের মতামত ও চাওয়াকে অগ্রাহ্য করেন। এসময় বিভিন্নমহল মহামান্য রাষ্ট্রপতির আদেশের কথা বললেও আমরা সেটা বিশ্বাস করিনি, কারণ মহান জাতীয় সংসদ কর্তৃক পাশকৃত বিশ্ববিদ্যালয় আইন রহিতকরণ ব্যতিরেকে এ ধরনের প্রজ্ঞাপন জারি সম্ভব নয় বলে অনেকেই মনে করেছেন। যাহোক সেদিকে মনোযোগ না দিয়ে সমিতি বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনকে কেন্দ্রীয় কমিটির মিটিং দিয়ে নিজস্ব ব্যবস্থাপনায় ভর্তি পরীক্ষার বিজ্ঞপ্তি প্রকাশের জন্য অনুরোধ করে। 

তারা আরও বলেন, জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় যখন চূড়ান্ত পর্যায়ে নিজস্ব ব্যবস্থাপনায় ভর্তি সার্কুলার দেয়ার পথে তখনই সুকৌশলে আনা হলো রাষ্ট্রের সর্বোচ্চ সম্মানিত ব্যক্তি মহামান্য রাষ্ট্রপতি, আমাদের আচার্য্য এর অভিপ্রায় বা আদেশ। এই আদেশ হাতে পাওয়ার পরই বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন তড়িঘড়ি করে ১৭ এপ্রিল ৬৬তম একাডেমিক কাউন্সিলের বিশেষ সভা ডাকেন। সমিতির কার্যনির্বাহী কমিটি উপাচার্যের সঙ্গে সাক্ষাৎ করে শিক্ষক সমিতিকে একটি সাধারণ সভা করে উক্ত বিষয়ে মতামত প্রদানের জন্য একাডেমিক কাউন্সিলের সভা দুইদিন পিছিয়ে দেয়ার অনুরোধ করলেও বিশ্ববিদ্যালয় বন্ধ হয়ে যাচ্ছে এই যুক্তিতে উপাচার্য সে সময়টুকু দিতে অপারগতা প্রকাশ করেন। এ পর্যায়ে সমিতি পক্ষ থেকে আপত্তি জানানো হয় এবং বলা হয় যে বিশ্ববিদ্যালয়ের ৭ শত শিক্ষককে সঙ্গে নিয়ে এ পর্যন্ত এসেছি কাজেই সাধারণ সভার মতামত না জানিয়ে এতে মত দেওয়া আমাদের পক্ষে সম্ভব নয়। কিন্তু প্রশাসন এ কথায় গুরুত্ব দেয়নি। বরং বলেছেন রাষ্ট্রপতির আদেশের উপর কোন বিতর্ক থাকা যাবে না তাহলে এটি অবমাননার সামিল হবে।

একাডেমিক কাউন্সিলের সভায় রাষ্ট্রপতির অভিপ্রায়ের আইনি পরিপ্রেক্ষিত বিশ্লেষণ করে একজন সহকর্মী বক্তব্য দেন। তিনি বলেন, এই আদেশ ‘জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় আইন ২০০৫’ এর পিতৃ আইনের উপর কাজ করতে পারে না এবং রাষ্ট্রপতি কোন আইনে এই আদেশ দিয়েছেন তা স্পষ্ট নয়। কিন্তু প্রশাসন সে বিশ্লেষণেও গুরুত্ব দেননি। 

জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষক সমিতির সাধারণ সম্পাদক আবুল কালাম মো. লুতফর রহমান বলেন, গত ৬৬তম একাডেমিক কাউন্সিলে আমরা বলেছি যে রাতের মধ্যে শিক্ষক সমিতি সাধারণ সভা করব এবং সিদ্ধান্ত নিয়ে প্রয়োজনে রাতেই উপাচার্যকে জানাবো। কিন্তু তিনি সে অনুরোধ রাখেননি। এত কিছুর পরেও এবং রাষ্ট্রপতির প্রজ্ঞাপনের বিষয়টি নিয়ে আইনগত প্রশ্ন থাকলেও রাষ্ট্রপতির অভিপ্রায় ও প্রজ্ঞাপনকে সম্মান জানিয়ে আমরা এবারের মত গুচ্ছ ভর্তি প্রক্রিয়ায় শর্তসাপেক্ষে অংশগ্রহণে মত দিয়েছি।

এমএসএম / এমএসএম

কাউনিয়ায় পুকুর নিয়ে বিরোধ: মাছ লুট ও হামলার অভিযোগে সংবাদ সম্মেলন

ডিআইইউ ও পাকিস্তানের ফাস্ট-এনইউসিইএসের মধ্যে সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষর

ঈদ-গ্রীষ্মের ছুটি শেষে আজ খুলেছে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান

সুইডেনের 'ইউনিভার্সিটি অব গাভলে' সফরে ইবি প্রতিনিধি দল

শেকৃবিতে সরকারি গাড়ির ব্যক্তিগত ব্যবহারের অভিযোগ প্রক্টর ও ট্রেজারারের বিরুদ্ধে

পাবলিক বনাম প্রাইভেট বিশ্ববিদ্যালয়: শিক্ষা ও গবেষণার মান নিয়ে বিতর্ক কতটুকু যৌক্তিক?

টানা ১৬ দিনের ছুটি শেষে ৭ জুন খুলছে স্কুল-কলেজ

ন্যাচার ইনডেক্স র‍্যাঙ্কিংয়ে জায়গা পায়নি পাবিপ্রবি

ঈদের ছুটিতে ঘরমুখো পবিপ্রবি: শিক্ষার্থীদের আনন্দ-অনুভূতির গল্প

ঢাকার বিভিন্ন পশুর হাটে চিকিৎসা সেবা দিচ্ছেন গবির ১৮ ভেটেরিনারি শিক্ষার্থী

ঈদ ও গ্রীষ্মকালীন উপলক্ষে ১৬ দিনের ছুটিতে যাচ্ছে পাবিপ্রবি

পোষা প্রাণী পালনে কেন আগ্রহী হচ্ছে নতুন প্রজন্ম?

সহকারী অধ্যাপক আমির হোসেন ডিআইইউ'র বর্ষসেরা শিক্ষক নির্বাচিত