খুলনায় কোভিড পরীক্ষার আড়াই কোটি টাকা আত্মসাতের ঘটনা ধামাচাপার চেষ্টা
খুলনাতে করোনা টেষ্ট ফি বাবদ উত্তোলনকৃত অর্থ রাজস্বখাতে জমা না দিয়ে আত্মসাৎ করেছেন অসাধু কর্মকর্তা ও কর্মচারীরা। যেখানে নাম উঠে আসে ২৫০ শয্যা বিশিষ্ট জেনারেল হাসপাতাল’র টেকনোলজিষ্টের। এ দূর্নিতীর বিরুদ্ধে তদন্ত কমিটি গঠন করে দূর্নিতীর প্রমাণ পেয়েও চুপ রয়েছেন কর্মকর্তারা। রাজস্বখাতে জমা হয় নি আত্মসাৎকৃত টাকা। ধামাচাপার মধ্যে পড়ে আছে এ দূর্নিতীর ঘটনা। সরকারী অর্থ আত্মসাতের এ ঘটনার সাথে সাবেক ও বর্তমান কর্মকর্তা এবং কর্মচারীরা জড়িত রয়েছেন বলে অগ্রগতি নেই এ মামলার বলে অভিযোগ উঠেছে।
দূর্নিতীতে জড়িত থাকলেও কোন এক বিশেষ কারনে পার পেয়েছেন অসাধু কর্মকর্তা ও কর্মচারীরা। ২৫০ শয্যা বিশিষ্ট জেনারেল হাসপাতালের টেকনোলজিষ্ট প্রকাশ কুমার দাস ও অসাধু কর্মকর্তারা হাতিয়ে নিয়েছেন করোনা টেষ্ট ফি বাবদ আদায়কৃত ২ কোটি ৫৭ লক্ষ ৯৭ হাজার দুইশত টাকা। কাল ক্ষেপনে এ ধরনের দূর্নিতী ধামাচাপার মধ্যে পড়ে রয়েছে। কর্মকর্তা-কর্মচারীদের যোগসাজসে করোনা টেষ্ট ফি’র টাকা আত্মসাৎ করেন প্রকাশ কুমার দাস। পরবর্তীতে এ ঘটনায় দুদকে মামলাও হয়।
ঘটনাসূত্রে, ২০২০ সালের ২রা জুলাই থেকে টাকার বিনিময়ে করোনা টেষ্ট শুরু হয়। ২০২১ সালের জুলাই মাস পর্যন্ত ১ বছরে প্রকাশ কুমার দাস মোট ৪ কোটি ২৪ লাখ ৯৩ হাজার ৯০০ টাকা আদায় করেন। এর মধ্যে তিনি ১ কোটি ৬৬ লাখ ৯৬ হাজার ৭০০ টাকা সরকারি কোষাগারে জমা দিয়েছেন। বাকি ২ কোটি ৫৭ লাখ ৯৭ হাজার ২০০ টাকা তিনি আত্মসাৎ করেছেন।
তদন্ত প্রতিবেদন সূত্র বলছে, প্রতিদিনের রোগীর সংখ্যা এবং প্রাপ্ত টাকার হিসাব লিপিবদ্ধ করা হয়নি। একইভাবে মাসিক ও বাৎসরিক হিসাব লিপিবদ্ধ করা হয়নি। রেজিষ্টার খাতার রোগীর সংখ্যা ও টাকার পরিমানের সাথে রশিদের মাধ্যমে প্রাপ্ত রোগীর সংখ্যা ও টাকার পরিমান উল্লেখযোগ্য পরিমান গড়মিল পাওয়া গেছে তদন্তে। সরকারী রশিদের বাহিরে অবৈধ ভাবে প্রচুর টাকার লেনদেন হয়েছে। এখানে উল্লেখ থাকে যে, সরকারী রশিদের বাহিরে একটি ডুপ্লিকেট রশিদ বই নম্বর ১৭৯০১-১৮০০০ পাওয়া যায়। উত্তোলনকৃত সরকারী টাকা রাষ্ট্রীয় কোষাগারে অতি দ্রুত জমা দেওয়ার জন্য প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহনের জন্য জোর সুপারিশ করেন তদন্ত কমিটি।
তদন্ত সূত্রে, ২০২০-২০২১ সালের জুলাই মাস পর্যন্ত ১ বছরে প্রকাশ কুমার দাস মোট ৪ কোটি ২৪ লাখ ৯৩ হাজার ৯০০ টাকা আদায় করেন। এর মধ্যে তিনি ১ কোটি ৬৬ লাখ ৯৬ হাজার ৭০০ টাকা সরকারি কোষাগারে জমা দিয়েছেন। বাকি ২ কোটি ৫৭ লাখ ৯৭ হাজার ২০০ টাকা তিনি আত্মসাৎ করেছেন।
একাধিক সূত্র বলছে, প্রকাশ কুমার দাস একা এ টাকা আত্মসাৎ করে নি। ভুয়া জমা বই যেখানে ব্যবহার হয়েছে সব কিছুই একটি চেইনের মাধ্যমে হয়েছে। যার মধ্যে একাধিক ব্যক্তি জড়িত রয়েছে। এমনকি তৎকালিন সিভিল সার্জনের অগোচরে এমন পুকুরচুরি সম্ভব নয়।
এ দূর্নিতীর বিরুদ্ধে দুদকের খুলনা বিভাগীয় কার্যালয়ের উপ-সহকারী পরিচালক খন্দকার কামরুজ্জামান বাদী হয়ে দণ্ডবিধির ৪০৯ ও ৪২০ ধারা এবং ১৯৪৭ সালের দুর্নীতি প্রতিরোধ আইনের ৫(২) ধারায় সমন্বিত জেলা কার্যালয়ে মামলা দায়ের করেন। এ মামলার তদন্ত রিপোর্ট কমিশনে জমা দেওয়া হয়েছে বলে সর্বশেষ জানা যায়।
এমএসএম / এমএসএম
কোম্পানীগঞ্জের বসুরহাট বাজারে অবৈধ দখল উচ্ছেদে উপজেলা প্রশাসনের অভিযান
আদমদীঘিতে এসএসসি ও সমমান পরীক্ষায় জিপিএ-৫ প্রাপ্তদের সংবর্ধনা
পানছড়ি সীমান্তে বিজিবির অভিযানে এসএমজি ও ১শ রাউন্ড গুলি উদ্ধার
নড়াইলে অরুণিমা রিসোর্টে জুনিয়র গলফ টুর্নামেন্টের পুরস্কার ও গাছের চারা বিতরণ
গাজীপুরে ইবনে সিনা ফার্মাসিউটিক্যালসের কারখানায় আগুন
বাগেরহাটে ইউপি মেম্বরের সংবাদ সম্মেলন
ধামইরহাটে বরাবর সময় মত অফিস করেন না মহিলা বিষয়ক কর্মকর্তা
সিংড়ায় ছোট চৌগ্রামে চলাচলের রাস্তা বন্ধ করলো প্রতিপক্ষরা
নরসিংদীর চরাঞ্চলে যৌথ অভিযান, উদ্ধার ২১৭টি টেটা
আদালতের নির্দেশে ভূরুঙ্গামারীতে আপডেট ডায়াগনস্টিক সেন্টারের সিলগালা খোলার আদেশ
তেঁতুলিয়ায় বাংলাদেশ-৮৮’র বর্ণিল মিলনমেলা, বন্ধুত্বের উৎসবে মুখরিত ডাকবাংলো
রাবিতে মৎস্য উদ্যোক্তাদের প্রশিক্ষণ অনুষ্ঠিত