ঢাকা বুধবার, ৪ মার্চ, ২০২৬

কুমিল্লায় বোরকা পড়ে জামাল হত্যা

অস্ত্র মামলায় রিমান্ডে চেয়ারম্যানের ভাই মাসুদ


এইচ এম মহিউদ্দিন, স্টাফ রিপোর্টার photo এইচ এম মহিউদ্দিন, স্টাফ রিপোর্টার
প্রকাশিত: ১০-৭-২০২৩ দুপুর ৩:৮

কুমিল্লার দাউদকান্দিতে বোরকা পড়ে চাঞ্চল্যকর যুবলীগ নেতা জামাল হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় দেবিদ্বার উপজেলা চেয়ারম্যান আবুল কালাম আজাদের ছোট ভাই মো মাসুদের দুই দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেছে আদালত। 

সোমবার সিনি. জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট ৭নং আমলী আদালতের বিচারক আব্বাস উদ্দিন এই আদেশ দেন। একই সাথে মাসুদ জামাল হত্যাকাণ্ডের ১০ নাম্বার আসামী। মাসুদ আলমের রিমান্ড মঞ্জুরের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন জামাল হত্যাকাণ্ড মামলার বাদী পক্ষের আইনজীবী এড. মাসুদ সালাউদ্দিন। 

 বাদী পক্ষের আইনজীবী এড. মাসুদ সালাউদ্দিন বলেন, ' ১৬৪ ধারায় শুটার দেলু, ছাত্রলীগ নেতা মাজহারুল ও গাড়ি চালক সুমন হোসেনের স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দিতে হত্যাকাণ্ডে অস্ত্র সরবরাহে মাসুদের সংশ্লিষ্টতার বিষয়টি পরিষ্কার হয়। সেখানে তারা বলেছেন, মাসুদ তার স্ত্রীর মাধ্যমে আলমারীতে অস্ত্র রেখেছেন। আবার সেগুলো আলমারী থেকে নিয়ে মহাসড়কের পাশে ঝোঁপে লোকিয়ে রেখেছেন। আমরা আশা করি, অস্ত্র মামলার গ্রেফতারের মাধ্যমে বাংলাদেশে অস্ত্র সরবরাহের মাফিয়ারা বেড়িয়ে আসবে। কিভাবে কোন পথে অবৈধ অস্ত্র দেশে প্রবেশ করছে, কারা এসব নিয়ে আসতেছে; তা পরিষ্কার হবে'। 

তিনি আরো বলেন, 'এছাড়া জামাল হত্যাকাণ্ডে কারা অর্থ সহায়তা করেছেন এই বিষয় গুলো বেড়িয়ে আসবে। মাসুদের রিমাণ্ডের মাধ্যমে জামাল হত্যাকাণ্ডের সকল তথ্য বেড়িয়ে আসবে বলে মনে করি'।অস্ত্র মামলার প্রধান আসামী ছাত্রলীগ নেতা মাজহারুল ইসলাম সৈকত স্বীকারোক্তি মূলক জবানবন্দিতে মাসুদের অস্ত্র সরবরাহে সংশ্লিষ্টতার বিষয়টি আদালতকে বলে। মাজহারুল আদালতকে জানায়, 'জামাল হত্যাকাণ্ডের পর অস্ত্র গুলো মাসুদের বাড়ি সে রেখে আসে৷ তারপর মাসুদ ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের পাশে ব্যাগে করে অস্ত্র গুলো লোকিয়ে রাখে'। 

অপরদিকে শুটার দেলু ও গাড়ি চালক সুমন হোসেন জামাল হত্যাকাণ্ডে অস্ত্র সরবরাহের বিষয়টি জবানবন্দিতে আদালতকে বলেছে। প্রসঙ্গত, দেবিদ্বার উপজেলা চেয়ারম্যান আবুল কালাম আজাদের ছোট ভাই মাসুদ যুবলীগ নেতা জামাল হোসেন হত্যা মামলার ১০ নাম্বার আসামী। পরবর্তীতে একই ঘটনায় চান্দিনা থানার অস্ত্র মামলায় তাকে গ্রেফতার দেখায় আদালত। কুমিল্লার দাউদকান্দির গৌরিপুর বাজারে গত ৩০ এপ্রিল রাত ৮টার দিকে তিতাস উপজেলা যুবলীগের যুগ্ম আহ্বায়ক জামাল হোসেন খুন হন। তিনজন বোরকা পরে এসে তাকে গুলি করে হত্যা করেন।
নিহত জামাল হোসেন তিতাস উপজেলার জিয়ারকান্দি ইউনিয়নের নোয়াগাঁও গ্রামের ফজলুল হকের ছেলে। তিতাস উপজেলায় বাড়ি হলেও তিনি ব্যবসায়িক সূত্রে পাশের দাউদকান্দি উপজেলার গৌরিপুর বাজারের পাশে ভাড়া বাসায় থাকতেন।

এমএসএম / এমএসএম

কুমিল্লায় পৃথক অভিযানে আড়াই কোটি টাকার ভারতীয় পণ্য জব্দ

ঈশ্বরদীতে এক মাদকসেবীর অপ্রত্যাশিত মাদকবিরোধী প্রচারণায়চাঞ্চল্যের সৃষ্টি করেছে

গাজীপুরে সার সংক্রান্ত নীতিমালা সংশোধনের দাবিতে মানববন্ধন

মুক্তিযোদ্ধা কমপ্লেক্সের দোকান ভাড়ার টাকা আত্মসাতের অভিযোগ: তোপের মুখে জেলা কমান্ডার মাহফুজ

ধামরাইয়ে পাঁচ ইটভাটায় ২৪ লাখ টাকা জরিমানা, গুঁড়িয়ে দেয়া হলো চিমনি

তারাগঞ্জে ভ্রাম্যমান আদালতে জরিমানা

ঠাকুরগাঁওয়ে প্রায় ২ লাখ টাকার টাপেন্টাডলসহ যুবক গ্রেফতার

ঠাকুরগাঁওয়ে খালে পড়ে মোটরসাইকেল আরোহীর মৃত্যু

পোশাকে দ্বিগুন লাভ, চাঁদপুরে ৪ প্রতিষ্ঠানের জরিমানা

চট্টগ্রামে হাজী সেলিম ফাউন্ডেশনের ইফতার ও নগদ অর্থ সহায়তা

কুড়িগ্রামের প্রত্যন্ত গ্রামে প্রকৃতি ও মানুষের মঙ্গল কামনায় বট ও পাকুড়ের বিয়ে

রাণীশংকৈলে মহিলা মাদক ব্যবসায়িসহ গ্রেপ্তার ৩

তানোরে বিদ্যুত সংযোগ দেয়ার নামে টাকা আদায়ের অভিযোগ