অনুমোদন ছাড়ায় চলছে মেহেরপুরে একমাত্র ডায়মন্ড আটো রাইস মিল
ইতিহাস ঐতিহ্যের স্মৃতিগাঁথা ঐতিহাসিক মুজিবনগর খ্যাত মেহেরপুর জেলার একমাত্র ডায়মন্ড অটো রাইস মিলটি শুরু থেকেই অদ্যবদি কোন ধরণের অনুমোদন ছাড়াই চলছে! মেহেরপুর - চুয়াডাঙ্গা প্রধান সড়ক সংলগ্ন ব্রিটিশ আমেরিকা টোবাকো কোম্পানির ২য় প্রতিষ্ঠানের অপরদিকে অবস্থিত। স্থানীয় জনগণের কাছ থেকে জানা যায়, এই মিলটির সত্বাধীকারী সাবেক সেনাবাহীর সৈনিক হাবিবুর রহমান হাবিব তার নামে রয়েছে বিস্তর অভিযোগ। জেলার একমাত্র ডায়মন্ড নামে অটো রাইস মিলটি শুরু থেকেই প্রতারণা করে চলেছে। প্রথমত এই কোম্পানিটি পরিবেশ বান্ধব নিয়মনীতির মধ্যে তৈরি হয়নি। এই কোম্পানির কোন ধরণের অনুমোদন নেই। মেহেরপুর পৌরসভা একাধিকবার নোটিশ করা শর্তেও ট্রেড লাইসেন্স করে নাই। পরিবেশের ছাড়পত্র নেই। যেখানে প্রতিষ্ঠান করেছে আশে-পাশের উর্বর চাষ যোগ্য জমি গুলো ব্যাপক ক্ষতি সাধন হচ্ছে। জানা যায় খুলনা থেকে পরির্দশনে লোকবল আসলে তার প্রতিষ্ঠানে ঢুকতে দেইনি। এরপর মেহেরপুর পাট বীজ অফিসের কর্মকর্তা ও ডিসি অফিসের ম্যাজিস্ট্রেট সহ একটি টিম প্রতিষ্ঠানে গেলে প্রথমত তাদের প্রতিষ্ঠানে ঢুকতে দেইনি। এক পর্যায়ে প্রতিষ্ঠানে ঢুকে দেখে এই মিলে নানা অনিয়ম। পরিদর্শন টিম তাদের কাছে কোম্পানির বৈধ্য কাগজপত্র দেখতে চাইলে তারা দেখাতে পারেনি। সেখানে দেখা যায় ইন্ডিয়ান পলিব্যাগ নুরজাহান অবৈধ ব্যাগ ব্যবহার করে মোটা চাল চিকন করে মিনিকেট নামে মার্কেটে ছাড়ছে। এছাড়াও তারা শতভাগ পাটের বস্তা ব্যবহার না করে, উল্টো পলিব্যাগ ব্যবহার করছে। যে সব পাটের ব্যাগ ব্যবহার করছে ২৫ কেজি চালের বস্তা সঠিক মাপ দিচ্ছে না। তেমনি লক্ষ লক্ষ টাকা পৌর কর ও কাস্টমস্ ভাট ট্যাক্স দিচ্ছে না। ডায়মন্ড অটো রাইস মিলকে ১০,০০০/- টাকা জরিমানা করা হয় এবং দ্রুত বৈধ কাগজ পত্র নিয়ে অফিসে যেতে বলে। তখন এই হাবিব মুঠো ফোনে পাট কর্মকর্তাকে অকথ্য ভাষায় গালিগালাজ ভৎষনা করে। আরো ডিসি অফিসের ম্যাজিস্ট্রেট সহ ছোট নাজিরকে অপমানজনক কথা বলে। ডিসি বরাবর দুটি অভিযোগ দায়ের পরিদর্শনকারীরা। এই মিলের সত্বাধীকারী হাবিব বেশি লাভ ও লোভ দেখিয়ে দেশের বিভিন্ন জায়গা থেকে চাল কিনে পরে আর টাকা দেয় নাই। বরং বছর পর বছর ঘুরিয়ে উল্টো তাদের হুমকি সহ তাদের বিরুদ্ধে কাউন্টার মামলা করে। মেহেরপুরের রফিকুল নামে এক ব্যবসায়ী প্রায় দুবছর ঘুরছে সে কোম্পানির কাছে ১৫ লক্ষ ২১ হাজার টাকা পাবে। নওগাঁর এক ব্যবসায়ী আবদুস সালাম টেডার্স ৫২ লক্ষ টাকা পাবে। মেহেরপুর সদরের রাজনগরের এক ব্যবসায়ী কালু ন২৪ লক্ষ টাকা পাবে। এই মিলটির নামে বড় অংকের লোন করা আছে বলে জানা যায় যা শুভংকরের ফাঁকির লক্ষণ। হাবিবের প্রতিষ্ঠানের পাশে অন্যান্য জমির মালিকের কথা প্রতারক হাবিব এই অবৈধ মিল কোন ক্ষমতা বলে চালাচ্ছে। মেহেরপুর পৌরসভা, কাস্টমস্, পরিবেশ অধিদপ্তর, পাট ও বীজ অধিদপ্তর, সর্বপরি জেলা প্রশাসন আইনি পদক্ষেপ নিতে পারছে না কেন? শান্তি প্রিয় জনগণ এবং ভুক্ত-ভুগীদের দাবি এই প্রতারক অবৈধ প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে শাস্তিমূলক কঠোর ব্যবস্থা গ্রহণ করে প্রমাণ করতে হবে প্রশাসন সুনীতির জন্য, জনতার জন্য।
এমএসএম / এমএসএম
সাভার প্রেসক্লাবের বৃক্ষ ও তাঁত মেলার উদ্বোধন
বালু উত্তোলনে অভিযান: মনপুরায় দুই ড্রেজার আটক, একটি পেল ছাড়
বিলাইছড়িতে আন্তর্জাতিক যুব দিবস পালিত
নন্দীগ্রামে উপজেলা প্রেসক্লাবের প্রথম সভা অনুষ্ঠিত
শালিখায় সিএনআরএস-এর উদ্যোগে আন্তর্জাতিক যুব দিবস পালিত
উলিপুরে ড্রাইভার হামিদুল হত্যার আসামীদের গ্রেফতারের দাবীতে মানববন্ধন অনুষ্ঠিত
বড়লেখায় আন্তর্জাতিক যুব দিবসে যুব সমাবেশ ও র্যালি
বাগেরহাটে ব্র্যাকের যুব উদ্যোক্তা প্রকল্পের সমাপনি সভা অনুষ্ঠিত
পটুয়াখালীতে নারিকেল বাগান প্রকল্পের উদ্বোধন
বাঘায় ১৫০ বোতল ইস্কাফ সিরাপসহ দুই মাদক কারবারি গ্রেপ্তার
গোদাগাড়ীতে অনিয়মের সত্যতা, সেবা ক্লিনিক সিলগালা
দৌলতপুরে অবৈধ সিগারেট কারখানায় অভিযান