ঘূর্ণিঝড় হামুন আঘাতে লণ্ডভণ্ড বাঁশখালী নিহত-১
ঘূর্ণিঝড় হামুন আঘাতে পুরো বাঁশখালী লণ্ডভণ্ড ও সরল গ্রামের কবির আহমেদ এর স্ত্রী (৭০) উর্ধ্বে বয়সী ১ মহিলা নিহত হয়েছে, এতে প্রায় ৫-৭ হাজার অধিক বসতঘর ও দোকান পার্ট তছনছ হয়ে যাওয়াতে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে।
২৪ অক্টোবর (মঙ্গলবার) সন্ধ্যা আনুমানিক সাড়ে ৭ টার দিকে ঘূর্ণিঝড় হামুন এর প্রভাবে প্রবল বাতাস শুরু হয়, এতে মুহূর্তেই গাছগাছালি ও বসতঘর লণ্ডভণ্ড হয়ে পড়েছে। উপজেলার পুঁইছড়ি, ছনুয়া,শেখেরখীল, চাম্বল, গণ্ডামারা, শীলকূপ, সরল, জলদি,পৌরসভা, বাহারচড়া, খানখানাবাদ, বৈলছড়ী, কালীপুর, সাধনপুর, পুকুরিয়াসহ বিভিন্ন এলাকা ঘুরে দেখা যায়, ঘূর্ণিঝড় হামুন এর প্রভাবে প্রবল বাতাসে প্রতিটি এলাকাতে অনেক বসতঘর তছনছ হয়ে যাওয়াতে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতির দৃশ্য।
ছনুয়া উপকূলীয় পাবলিক লাইব্রেরির প্রতিষ্ঠাতা চেয়ারম্যান আনোয়ারুল আজিম সাঈফী বলেন, ঘূর্ণিঝড় হামুন এর প্রভাবে প্রবল বাতাসের গতিবেগ যেনো ১৯৯৭ সনের বাতাসের গতিবেগকে হার মানিয়েছে, জীবনের কষ্টে গড়া পাবলিক লাইব্রেরির পুরো টিনের ছাউনি মুহূর্তে দুমড়ে মুচড়ে নিয়ে গেছে। এতে অন্তত ৫/৬ লক্ষাধিক টাকা ক্ষতি হয়ে গেছে। এছাড়াও ছনুয়া এলাকায় অনেক মানুষের বসতঘরও তছনছ হয়ে দিয়েছে। গণ্ডামারা ইউপি চেয়ারম্যান প্যানেল-১ মোঃ ওসমান গণী বলেন, ঘূর্ণিঝড় হামুন তাণ্ডবে গণ্ডামারা -বড়ঘোনায় অন্তত ৫ শতাধিক বসতঘর ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে।
শেখেরখীল ইউপি চেয়ারম্যান মাওলানা মোর্শেদুল ইসলাম ফারুকী জানান, প্রচণ্ড বাতাসে প্রায় ৫ শতাধিক বসতঘর তছনছ হয়ে গেছে, এবং ৫ হাজারের অধিক গাছ উপড়ে পড়ে গেছে। রাতে হঠাৎ করে বাতাসের গতিবেগ বৃদ্ধি পাওয়ায় পুরো বাঁশখালীতে বিদ্যুৎ সংযোগ বন্ধ হয়ে গেছে। এছাড়াও কালীপুরে অন্তত অর্ধশতাধিক বসতঘর ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে, তাছাড়া কালীপুরের ভাষাইন্যার দোকান ও পৌরসভার অলি মিয়ার দোকান এবং সাধনপরের বাণীগ্রাম এলাকায় প্রধান সড়কের উপর গাছ পড়ে দীর্ঘ ১২/১৪ ঘন্টা যাবৎ যানচলাচল বন্ধ ছিলো। একই ভাবে খানখানাবাদ, বাহারচড়ার রত্নপুর এবং ইলশাসহ বিভিন্ন একই ভাবে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে বলে জানান খানখানাবাদ ইউপি চেয়ারম্যান জসিম উদ্দিন হায়দার। সরল ইউনিয়নে একজন নিহত হয়েছে বলে স্থানীয় সুত্রে জানা গেছে।
এবিষয়ে পল্লী বিদ্যুৎ বাঁশখালী ডিজিএম রীশু কুমার ঘোষ জানান, ঘূর্ণিঝড়ের হামুন এর প্রভাবে প্রবল বাতাসে ৩৩ হাজার বিদ্যুৎ লাইনে প্রায় ৫০ টি খুঁটি উপড়ে পড়েছে,তন্মধ্যে প্রায় ৬ টি খুঁটি ভেঙে গেছে, এবং ১১ হাজার লাইনের প্রায় ৩০-৩৫ টি খুঁটি উপড়ে ফেলেছে, অনেক গুলো খুঁটি কেবিসহ পড়ে যাওয়ার তথ্য প্রাথমিক ভাবে আমরা পেয়েছি। এতে প্রায় ৪০-৫০ লক্ষাধিক টাকার ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে, এটা প্রাথমিক তথ্য, ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ আরো বেশি হতে পারে বলে ধারণা। যেহেতু ছনুয়া, নাপোড়া, শেখেরখীল, গণ্ডামারা, সরল, বৈলছড়ী এবং জলদি পৌরসভার বিভিন্ন এলাকায় ৩-৪ শতাধিক গাছ পড়ে এই পর্যন্ত অন্তত ১৩০ টি স্পটে বিদ্যুৎ লাইনের তার ছিড়ে তছনছ হয়ে তথ্য পেয়েছি। এইসব মিলিয়ে আরো বেশি ক্ষতির সম্ভাবনা আছে বলেও জানান ডিজিএম।
এমএসএম / এমএসএম
ধামইরহাটে প্রেস ক্লাবের সভাপতি এম এ মালেকের উপর হামলা, থানায় মামলা দায়ের
নবীনগরে চেয়ারম্যানের ওপর হামলা:দোকান ভাংচুর, থানায় মামলা
ধুনটে প্রাথমিক বিদ্যালয় গোল্ডকাপ ফুটবল টুর্নামেন্টের ফাইনাল ও পুরস্কার বিতরণ সম্পন্ন
শেরপুরে বাবর ফিলিং স্টেশনে মোবাইল কোর্ট অভিযান: জ্বালানি তেল জব্দ ও জরিমানা
যশোরে শাশুড়িকে জবাই করে বস্তাবন্দী পুত্রবধূ আটক
মোহনগঞ্জে ফ্রি ভেটেরিনারি ক্যাম্পে গরুকে এলএসডি টিকা, খামারিদের স্বস্তি
মেহেরপুরে অপসাংবাদিকতা প্রতিরোধে সেমিনার ও কর্মশালা অনুষ্ঠিত
সুনামগঞ্জ শহরের আলোচিত প্রায় অর্ধ কোটি টাকা স্বর্ণ ও ডলার চুরি মামলার রহস্য উদঘাটন আটক-৫
নতুন ব্রিজে নৌ পুলিশের অভিযানে ডাকাত সন্দেহে আটক ২
বরগুনা সরকারি মহিলা কলেজের সামনে কৃষ্ণচূড়ার অপরূপ সৌন্দর্য
প্রধানমন্ত্রীর স্বাস্থ্যবিষয়ক বিশেষ সহকারী হলেন জিয়াউদ্দিন হায়দার
প্রধান শিক্ষকের ভুলে এসএসসি পরীক্ষায় বসতে পারল না জান্নাতি, এক বছর নষ্টের অভিযোগ