ঢাকা শুক্রবার, ২৯ আগস্ট, ২০২৫

টানা ৫ দিন যাবৎ বিদ্যুৎ বন্ধ বাঁশখালীতে তীব্র পানি সংকট


বাঁশখালী প্রতিনিধি photo বাঁশখালী প্রতিনিধি
প্রকাশিত: ২৯-১০-২০২৩ দুপুর ৪:৭

ঘূর্ণিঝড় হামুন তাণ্ডবে বিদ্যুৎ লাইন তছনছ হয়ে যাওয়াতে টানা ৫দিন যাবৎ বিদ্যুৎ সরবরাহ বন্ধ থাকার ফলে বিশুদ্ধ খাদ্য পানির তীব্র সংকটে পড়েছে চট্টগ্রামের বাঁশখালীর অধিকাংশ গ্রামের মানুষ।

২৯ অক্টোবর (রবিবার) উপজেলার পশ্চিম পুঁইছড়ি, ছনুয়া, শেখেরখীল, চাম্বল, গণ্ডামারা, বড়ঘোনা, শীলকূপ, সরল, বাহারচড়া, কাথরিয়া, খানখানাবাদ, কালীপুর, সাধনপুর, পুকুরিয়াসহ বিভিন্ন এলাকা ঘুরে দেখা যায়, ওইসব এলাকায় বসবাসরত মানুষ তীব্র খাদ্য পানি সংকটে পড়েছে। বিভিন্ন এলাকায় কৃষি সেচের জন্যে বৈদ্যুতিক ডীপকল স্থাপনের ফলে উপকূলীয় এলাকার গভীর নলকূপ (চাপাকল) গুলোতে বৈদ্যুতিক মোটর (সাবমার্সিবল পাম্প) ছাড়া পানি উত্তোলন করা অসম্ভব। স্থানীয়রা বিশুদ্ধ পানি সরবরাহ করতে ডিজেল চালিত জেনারেটর ও কম্প্রেসার মেশিনের সহায্যে কিছু কিছু এলাকায় পানি উত্তোলন করা হলেও তা পর্যাপ্ত না হওয়ায় খাদ্য পানি সংকট নিরসন করা সম্ভব হচ্ছে না।

এরই মধ্যে ঘূর্ণিঝড় হামুনের আঘাতে লণ্ডভণ্ড হয়ে গেছে বৈদ্যুতিক লাইনসহ পুরো বাঁশখালীর প্রত্যন্ত অঞ্চল। এতে টানা পাঁচদিন যাবৎ বিদ্যুৎ সরবরাহ বন্ধ থাকার ফলে পানি উত্তোলন করা যাচ্ছে না। হামুন তাণ্ডবের পাঁচদিন অতিবাহিত হয়ে গেলেও অদ্যবদি পর্যন্ত প্রত্যন্ত গ্রামে বিদ্যুৎ লাইনের উপড়ে যাওয়া খুঁটি ও তার পড়ে আছে বিভিন্ন স্পটে। দুই দিন যাবৎ পুরোপুরি বিচ্ছিন্ন ছিলো মোবাইল নেটওয়ার্ক। তা এখনো পর্যন্ত স্বাভাবিক হয়নি। এতে একধরনের মোবাইল  যোগাযোগও বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়েছে।
এছাড়াও সরকারি অফিস, আদালত, হাসপাতালের দাপ্তরিক কাজ ও ব্যবসা প্রতিষ্ঠান গুলোর কার্যক্রমও অচলাবস্থা।

স্থানীয়দের দাবি, ঘূর্ণিঝড় হামুন তাণ্ডবে ব্যাপক ক্ষতিগ্রস্থ হয়েছে বাঁশখালী উপজেলার বিভিন্ন এলাকা।

বাতাসে অনেক বসতঘর উড়িয়ে নিয়ে গেছে, গাছচাপা পড়েছে আরো অনেক বসতঘর। পার্শ্ববর্তী উপজেলা গুলোতে তেমন ক্ষয়ক্ষতি হয়নি, শুধুমাত্র একটি উপজেলার এফেক্টেট এলাকার ক্ষতিগ্রস্থ বিদ্যুৎ সরবরাহ টানা ৫দিন যাবৎ বন্ধ থাকলেও বিদ্যুৎ সরবরাহ চালু না হওয়ায় পুরো বাঁশখালী যেনো একধরনের অচলাবস্থা হয়ে গেছে। খাদ্য পানি সংকট নিরসনে দ্রুত বিদ্যুৎ সরবরাহ চালু করার জন্যে কতৃপক্ষের হস্তক্ষেপ কামনা করেছে স্থানীয়রা।

বাঁশখালী পল্লী বিদ্যুৎ ডিজিএম রীশু কুমার ঘোষ বলেন, ঘূর্ণিঝড় হামুনের আঘাতে লণ্ডভণ্ড হয়ে গেছে ৩৩ হাজার লাইন ও ১১ হাজার লাইনের বৈদ্যুতিক খুঁটি। প্রধান সড়কের বাণীগ্রাম থেকে নাপোড়া পর্যন্ত অন্তত ৩ শতাধিক গাছ বিদ্যুৎ লাইনের উপড়ে পড়েছে, এছাড়াও প্রত্যন্ত এলাকার বিদ্যুৎ লাইনের বিদ্যুৎ লাইনের উপর গাছ উপড়ে পড়ার ফলে বিদ্যুৎ খুঁটি ভেঙে গেছে, হেলে পড়েছে আরো অনেক বিদ্যুৎ খুঁটি।
টাওয়ার ভেঙেছে দুটি, ট্রান্সফরমার ভেঙেছে ৪৫টি এবং প্রায় ৯ শতাধিক গ্রাহকে বৈদ্যুতিক মিটারও ভেঙে গেছে বলেও সুত্রে জানা গেছে। বিদ্যুৎ সংযোগ দিতে এরই মধ্যে ৩০০ শ্রমিক নিয়ে দিনরাত কাজ চালিয়ে যাচ্ছি। বাঁশখালীর ৩৩ কেভি সাবস্টেশন পরিপূর্ণ মেরামতের পর প্রথমে উপজেলা প্রশাসনের দপ্তর গুলোতে বিদ্যুৎ সংযোগ দেওয়ার চেষ্টা করছি। পর্যায়ক্রমে অন্যত্র দেওয়া হবে। তবে পুরো বাঁশখালীতে বিদ্যুৎ ব্যবস্থা স্বাভাবিক করতে আরো ১০ থেকে ১১ দিন সময় লাগতে পারে মনে করেন ডিজিএম।

এমএসএম / এমএসএম

গাজীপুরে অন্তহীন অভিযোগে অভিভাবকদের তোপের মুখে প্রধান শিক্ষক!

ভূঞাপুরে টাইফয়েড টিকাদান বিষয়ে ওরিয়েন্টেশন সভা

রাণীশংকৈলে পুলিশের ওপেন হাউস ডে অনুষ্ঠিত

সবুজে ঢেকে যাক কালকিনি: পরিবেশ রক্ষায় আনসার-ভিডিপি’র অঙ্গীকার

অভয়নগরে আইনশৃঙ্খলা কমিটির সভা

শ্রীমঙ্গলে সড়ক দুর্ঘটনায় নিহত -১

তানোরে ব্যাক ডেট ও জালিয়াতি নিয়োগের তদন্তে হাজির হননি ভারপ্রাপ্ত অধ্যাক্ষ

পটুয়াখালীর রাঙ্গাবালীতে স্কুল শিক্ষকের ওপর হামলার প্রতিবাদে ক্লাস বর্জন করে আন্দোলন

চট্টগ্রামে নেক্সাস ফেস্ট-২০২৫ সম্পন্ন

পিআর পদ্ধতিতে ভোট হলে মনোনয়ন বাণিজ্য বন্ধ হবে: জামায়াতের অধ্যাপক মজিবুর রহমান

শ্রীপুরে পরিবেশ বিপর্যয় রোধে করণীয় শীর্ষক আলোচনা সভা

অনার্সের খাতা দেখেন কলেজ হোস্টেলের গার্ড !

মানিকগঞ্জে ইয়াবাসহ দুই মাদক কারবারী আটক