ঢাকা সোমবার, ১৭ আগস্ট, ২০২৬

বিএনপি ভাঙচুর করার জন্য অবরোধ ডেকেছে : ওবায়দুল কাদের


নিজস্ব প্রতিবেদক photo নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: ৩-১১-২০২৩ দুপুর ২:৪০

আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের বলেছেন, বিএনপির কিছু ভাড়া করা লোক আছে, তাদের দলের ভিতরে ট্রেনিংপ্রাপ্ত কিছু দুষ্কৃতকারী আছে, যাদের দিয়ে বাস পোড়াবে, বাসে আগুন দেবে, ভাঙচুর করবে, এসব অপকর্ম করার জন্য অবরোধ ডাকা হয়েছে।

আজ (শুক্রবার) জেলহত্যা দিবস উপলক্ষে ধানমন্ডি ৩২ নম্বরে বঙ্গবন্ধুর প্রতিকৃতিতে শ্রদ্ধা জানানো শেষে তিনি সাংবাদিকদের এসব কথা বলেন।

তিনি বলেন, ২৮ তারিখ আবারও প্রমাণ হয়েছে সাম্প্রদায়িক শক্তির সবচেয়ে নির্ভরযোগ্য ঠিকানা হচ্ছে বিএনপি। এরাই জাতির প্রধান দুশমন। এ দেশের গণতন্ত্র, মুক্তিযুদ্ধ, স্বাধীনতাকে নিরাপদ করতে বিএনপির নেতৃত্বে সাম্প্রদায়িক অপশক্তিকে প্রতিহত করতে হবে, পরাজিত করতে হবে।

সেতুমন্ত্রী বলেন, সেদিন বিএনপি ২৪ জন সাংবাদিকের ওপর নৃশংসভাবে হামলা করেছিল, কিভাবে একজন পুলিশ সদস্যকে হত্যা করেছিল, হাসপাতালে হামলা চালিয়েছিল, প্রধান বিচারপতির বাড়িতে হামলা চালানো হয়েছিল। পার্কিং করা বাসে হেলপার শুয়েছিল, ঘুমন্ত হেলপারকে গাড়িসহ পুড়িয়ে দেওয়া হয়। এসব অপকর্মের যারা নেতৃত্ব দিয়েছে তাদের আটক করা কি দমনমূলক? অপরাধ করলে বিচার হবে না? ২৪ জন সাংবাদিকের ওপর সেদিন যে অত্যাচার করেছে তারা কি দায় এড়াতে পারবে? এটার বিচার হবে না? অপরাধ করলে বিচার হবে। 

তিনি আরও বলেন, তারা আরও অবরোধ দিক। গতবারের অবরোধ রয়ে গেছে। এখনো প্রত্যাহার করার কোনো লক্ষণ নেই। এরা টায়ার্ড হয়ে গেছে। জেলে না হয়, পালিয়ে হিন্দি সিরিয়াল দেখবে।  

ওবায়দুল কাদের বলেন, আমাদের আজ প্রশ্ন, এটা জাতির বিবেকেরও প্রশ্ন, বাংলার মাটিতে এই হত্যা, ষড়যন্ত্র, এই রাজনীতির শেষ কোথায়? আমাদের কাছে মনে হয়, ’৭৫ থেকে যে হত্যাকাণ্ড, সব হত্যাকাণ্ড সংঘটিত হয়েছে একাত্তরের পরাজয়ের প্রতিশোধ হিসেবে। সেই পরাজিত শক্তি বারবার জাতির মর্মমূল, জাতির চেতনায় বারবার আঘাত হেনে চলছে। এরা সাম্প্রদায়িক বিষবাষ্প সরাচ্ছে। আজ তারা শেল্টার পেয়েছে। এদের বিশ্বস্ত ঠিকানা হচ্ছে বিএনপি।

আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক বলেন, ১৯৭৫-এর ১৫ আগস্ট এবং ৩ নভেম্বর যেসব ঘটনা ঘটেছে সেগুলো কোনো স্বাভাবিক মৃত্যু নয়৷ ১৫ আগস্ট এবং ৩ নভেম্বর একই সূত্রে গাথা, একটি ষড়যন্ত্রের ধারাবাহিকতা। ’৭৫-এর ১৫ আগস্ট বঙ্গবন্ধুকে সপরিবারে নিঃশেষ করার চক্রান্ত হয়, শুধুমাত্র শেখ হাসিনা ও শেখ রেহানা বিদেশে ছিলেন বলে তারা রেহাই পেয়েছেন। এরপর ৩ নভেম্বর জেলের অভ্যন্তরে মুক্তিযুদ্ধের চারজন বিশিষ্ট সংগঠক, বঙ্গবন্ধুর সহচর, আমাদের চারজন জাতীয় নেতাকে হত্যা করা হয়েছিল। এরপর ২০০৪ সালের একুশে আগস্ট, সেটার প্রধান টার্গেট ছিল বঙ্গবন্ধুর কন্যা, আওয়ামী লীগের সভাপতি প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। 

এরআগে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের প্রতিকৃতিতে ফুল দিয়ে শ্রদ্ধা নিবেদন করেছে আওয়ামী লীগ। 

এমএসএম / এমএসএম

বিএনপির স্থায়ী কমিটিতে নতুন চার নেতা, ড্যাবের শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন

মির্জা ফখরুল ও অলি আহমদের মনোনয়নপত্র বাছাই আজ

খালেদা জিয়ার জন্মবার্ষিকী উপলক্ষে জয়পুরহাটে জেলা যুবদলের দোয়া মাহফিল

আজ ১৫ আগস্ট, বঙ্গবন্ধু হত্যার ৫১ বছর

শেখ মুজিবের মৃত্যুবার্ষিকী : ধানমন্ডি ৩২ ঘিরে কঠোর নিরাপত্তা ব্যবস্থা

সংস্কার বাস্তবায়ন না হলে সরকারকে ক্ষমতায় থাকতে দেব না : নাহিদ ইসলাম

রাষ্ট্রপতি প্রার্থী অলি আহমদের মনোনয়নপত্র ইসিতে জমা

‘যে পথে আপা হেঁটেছিল, সেই পথে আপনারা হাঁটছেন’

বিরোধীদল স্বৈরাচার শেখ হাসিনার ভাষায় কথা বলছে: মির্জা ফখরুল

কেন্দ্রীয় ছাত্রদলের নতুন নেতৃত্বে আলোচনায় মোস্তাফিজুর রহমান

কর্নেল ওলি আহমদকে রাষ্ট্রপতি প্রার্থী ঘোষণা ১১ দলীয় জোটের

জুলাই গণঅভ্যুত্থান সফল না হলে জেল অথবা মৃত্যু ছিল অবধারিত: জামাল হোসেন

এনসিপি বলতে যা আছে তা জামায়াতের শিশু সংগঠন: রাশেদ খাঁন