সাতকানিয়ায়-প্রাথমিক বিদ্যালয়ের গাছ বেঁচে পকেটে নেয়ার অভিযোগ
চট্টগ্রামের সাতকানিয়ায় নিয়ম বহির্ভূত ভাবে একটি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ৩টি গাছ বিক্রি করে নগদ অর্থ হাতিয়ে নেয়ার অভিযোগ ওঠেছে প্রতিষ্ঠানের প্রধান ও সাতকানিয়া উপজেলা প্রাথমিক সহকারী শিক্ষা অফিসারের বিরুদ্ধে। উপজেলার মধ্যম কাঞ্চনা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে কর্তৃপক্ষের অনুমোদন ছাড়াই এই কান্ড ঘটায় উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার।
রবিবার ( ১২ই নভেম্বর ) সকালে উপজেলার কাঞ্চনা ইউনিয়নের নন্দীর বাড়ি সংলগ্ন সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে গেলে অনুমোদনহীন গাছকাটার গোড়ালি গুলির চিহ্ন ভেসে ওঠে।
নিয়ম অনুযায়ী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা কর্তৃক গঠিত একটি কমিটির মাধ্যমে বন বিভাগের অনুমোদন সাপেক্ষে গনমাধ্যমে প্রকাশ্যে নিলামের মাধ্যমে এই সরকারি গাছ কর্তন করার কথা থাকলেও এসবের কোন কিছুর বালাই না করে সরাসরি স্কুল প্রধান শিক্ষকের মাধ্যমে গাছগুলি নামে মাত্র টাকা দিয়ে পছন্দনীয় ব্যক্তিকে তোলে দেয়ার অভিযোগ ওঠেছে উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার কাশেদুলের বিরুদ্ধে।
অথচ!আইন অনুযায়ী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা কর্তৃক গাছকাটার কমিটির সদস্য সচিব হবেন মাদার্শা বন বিভাগের রেঞ্জার। এদিকে খোঁজ নিয়ে জানা গেছে সরকারি গাছকাটার বিষয়ে কোন কিছু জানেননা রেঞ্জার মামুন মিয়া।অপরদিকে অনুমোদন নিয়ে গাছ কাটা হয়েছে কিনা জানতে চাওয়া হলে সাতকানিয়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মিল্টন বিশ্বাস ইংরেজি ভাষায় বলেন-প্রাকৃতিক দূর্যোগের সময় প্রচুর গাছ ক্ষতিগ্রস্ত হয়ে পড়েছে, কিছু প্রতিষ্ঠান প্রধান এই বিষয়ে আমাকে অবহিত করেছে তা রেঞ্জারের মাধ্যমে নিলামের জন্য ইতিমধ্যে প্রক্রিয়াধীন। এরপরেও আপনি যেটা বলছেন সেটার যথাযথ ডকুমেন্টস না দেখে আপাতত আমি কিছু বলতে পারছিনা।
এবিষয়ে সাতকানিয়া উপজেলা সহকারী প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার কাশেদুলকে কল করা হলে ফোনে সংযোগ পাওয়া যায়নি। অপরদিকে স্কুল কমিটির কোন যোগসাজশে এই কান্ড ঘটানো হলো কিনা এমন প্রশ্নের জবাবে স্কুল প্রধান শিক্ষক নেজাম উদদীন জানান-গ্রুপিং এর কারণে স্কুলে কোন কমিটি নেই তবে এডহক(আহবায়ক) কমিটি আছে।
এডহক কমিটির সভাপতি উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার এবং সদস্য সচিব প্রধান শিক্ষক হিসেবে আমি।তিনি আরো বলেন গাছগুলি ১৫হাজার টাকায় বিক্রি করে স্কুলের পাকা সিড়িঁ নির্মাণ করা হয়েছে এবং টিউবওয়েলের তলা পাকা করা হয়েছে।তবে সরেজমিনে গেলে নাম প্রকাশ্যে অনিচ্ছুক স্থানীয়রা জানান তিনটা গাছের প্রকৃত বাজার মূল্য ৭০হাজার টাকা কিন্তু তারা বিক্রি করেছেন ২৬হাজার টাকা দিয়ে। কিন্তু স্কুল কর্তৃপক্ষ গনমাধ্যমে ২৬হাজার টাকার কথাও স্বীকার না করে বলেছেন মাত্র ১৫হাজার টাকায় তা বিক্রি করা হয়েছে। স্কুলের প্রধান শিক্ষক নেজাম উদদীন আরো বলেন, স্লীপ ফান্ডের দুই অর্থ বছরের বরাদ্দও আমরা এখনো তুলতে পারিনি কারণ কমিটি নেই তাই।
এমএসএম / এমএসএম
অনিবন্ধিত পোর্টালের অপসাংবাদিকতা ও চাঁদাবাজির অভিযোগ
রাজউকের অভিযানের পরও নারিন্দায় নকশাবহির্ভূত নির্মাণ
কুমিল্লা সাংবাদিক ফোরামের বর্ণিল হেমন্ত সন্ধ্যা: গান, কবিতা ও পিঠাপুলির মেলবন্ধন
মিরসরাইয়ে চোরাচালানের সময় দুটো ট্রাক সহ ৩০১ বস্তা ইউরিয়া সার আটক
লাকসামে মজলিশপুর ধর্মাংকুর বৌদ্ধ বিহারে কঠিন চীবর দানোৎসব অনুষ্ঠিত
ধামইরহাটে উপজেলা ও পৌর যুবদলের উদ্যোগে কর্মীসভা অনুষ্ঠিত
রাজস্থলীতে এইচএসসিতে দুই সরকারি কলেজের চরম বিপর্যয়: পাসের হার ২৭ ও ২৬ শতাংশ, নেই কোনো জিপিএ-৫
কুমিল্লা বোর্ডে এইচএসসিতে পাসের হার ৪৮.০৪ শতাংশ, ১৫ প্রতিষ্ঠানে শূন্য পাস
গাজীপুরে সাংবাদিক রিপনের ওপর হামলা ও অপহরণের প্রতিবাদে টঙ্গীতে মানববন্ধন
বাকেরগঞ্জে জামায়াত ছেড়ে শতাধিক নেতাকর্মী নিয়ে ইসলামী আন্দোলনে শাহিন শিকদারের যোগদান
রাজশাহীর বাঘায় আলোচিত রুমিয়া বেগম হত্যা মামলায় বাবা-ছেলে গ্রেপ্তার
উজিরপুরে ঐতিহ্যবাহী নৌকা বাইচ অনুষ্ঠিত