রেইঞ্জারের নাকের ডগায় অবৈধ স্থাপনা দেখার কেউ নেই
চট্টগ্রামের বাঁশখালী পূর্ব জঙ্গল চাম্বলে রেইঞ্জারের নাকের ডগায় পাহাড় কেটে দেদারসে গড়ে তুলছে অবৈধ স্থাপনা, এতে রেঞ্জ কর্তা আনিস লাখ লাখ টাকা অবৈধ উপার্জন করলেও দেখার কেউ নেই।২০ নভেম্বর (মঙ্গলবার), সরেজমিনে পরিদর্শনে দেখা যায়, পূর্ব জঙ্গল চাম্বল ৯ নং ওয়ার্ড এলাকায় পাহাড়ি টিলা ধ্বংস করে বেশ কয়েকটি অবৈধ ভাবে নতুন স্থাপনা নির্মাণের চলমান দৃশ্য।
স্থানীয় সুত্রে জানা যায়, রেঞ্জ কর্মকর্তা আনিসুজ্জামান শেখ বাঁশখালীতে যোগদানের পর থেকে ইকোপার্ক পার্শ্ববর্তী ও পূর্ব জঙ্গল চাম্বলের ৯ নং ওয়ার্ড এলাকা এবং জঙ্গল নাপোড়ার পাহাড়ি টিলা গুলো ধ্বংস করে প্রভাবশালীরা একেরপর অবৈধ ভাবে গড়ে তুলছে। এতে একদিকে সাবাড় হচ্ছে পাহাড়, অপরদিকে ধ্বংসের মূখে পরিবেশ। এবিষয়ে অনেক বার বিভিন্ন পত্রিকায় নিউজ প্রকাশিত হলেও বন কর্তা আনিসের বিরুদ্ধে কোন ব্যবস্থা গ্রহণ করেনি কতৃপক্ষ। এতে আরো বেপরোয়া ভাবে সরকার জায়গা দেদারসে অবৈধ দখল দিয়ে যাচ্ছে আনিস।
বন বিটে দায়িত্বরত এক লোক লোক বলেন, ভাই আপনারা নিউজে আমাদের নাম দিলে আমাদের চাকরিতো থাকবেইনা, জীবনে বেঁচে থাকাও মুশকিল হবে, কারণ যারা পাহাড় কেটে ঘর নির্মাণ করছে এবং গাছ কেটে নিয়ে যায় তারা সবাই আনিস স্যারের মানুষ। রাতদিন স্যারের সাথে তারা যোগাযোগ করে। উনার সাথে আঁতাত করে পাহাড়ি টিলা দখল করে প্রতিযোগিতা মুলক অবৈধ বসতি স্থাপনা গড়ে তুলছে, এমন অভিযোগ সচেতন মহলের। প্রভাবশালীদের লেলিয়ে দিয়ে স্থানীয়দের উপর অত্যাচার, নির্যাতন চালায়,তাই ভয়ে কেউ কিছু বলতে সাহস পায়না বলেও জানায় তারা। এছাড়াও বাঁশখালীর চাম্বল, নাপোড়া ও পুঁইছড়ি পাহাড়ি বনাঞ্চল সাবাড় করার অভিযোগও রয়েছে ওই কর্মকর্তার বিরুদ্ধে।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক চাম্বল এলাকার এক করাত মিলের কয়েকজন শ্রমিক বলেন, শেখেরখীল, চাম্বল ও নাপোড়ার অনেক সামিলে নিয়মিত পাহাড়ি গাছ আসে। বাঁশখালীতে অনেক বছর যাবত কর্মরত থাকার সুবাদে সব জায়গাতেই চলে আনিস সাহেবের আধিপত্য। কেউ কিছুই করতে পারেনা, কারণ তার সাথে প্রভাবশালী সিন্ডিকেটের সম্পর্ক রয়েছে। কিছু বললেই উল্টো নির্যাতনের শিকার হয় সাধারণ মানুষ। গাছ কেটে পুরো বনাঞ্চল সাবাড় করার ফলে প্রতিনিয়ত বন্যহাতি লোকালয়ে ঢুকে পড়ছে বলেও দাবি স্থানীয়দের।
গত ২ নভেম্বর স্থানীয়দের অভিযোগের প্রেক্ষিতে ওই এলাকার ইউপি মেম্বার ও গ্রাম পুলিশ গত ২ নভেম্বর স্থানীয় ইউপি সদস্য ও গ্রাম পুলিশ মালেকসহ ঘটনাস্থলে গিয়ে নতুন স্থাপনা নির্মাণ কাজে বাঁধা দিলে কিছুক্ষণের জন্যে কাজ বন্ধ রাখা হলেও বন কর্তা আনিসের কারিশমাতেই পুনরায় নির্মাণ কাজ চালিয়ে যাচ্ছে। বনের জায়গা রক্ষা করা বন কর্মকর্তার দায়িত্ব, কিন্তু আনিস সাহেবকে বিষয়টি অবহিত করার পরেও তিনি পদক্ষেপ না নিলে আমাদের করার কিছুই নেই বলে জানান গ্রাম পুলিশ।
এবিষয়ে রেঞ্জ কর্মকর্তা আনিসুজ্জামান শেখ এর কাছ থেকে জানতে চাইলে তিনি সত্যতা স্বীকার করে প্রতিবেদককে বলেন, এগুলো আজকে উচ্ছেদ করা হবে বললেও কখনো শীলকূপের চেয়ারম্যানের বাহনা আবার কখনো চাম্বল চেয়ারম্যানের বাহনা দেখিয়ে আজকাল করে সময় ক্ষেপণ করে যাচ্ছে। অদ্যবদি পর্যন্ত ওই অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদের কোন পদক্ষেপও নেননি কর্মকর্তা আনিস।
এবিষয়ে শীলকূপের চেয়ারম্যান কায়েস সরওয়ার সুমন বলেন, এই বিষয়ে আমিতো কিছুই জানিনা, এসময় তিনি উল্টো প্রশ্ন করে বলেন, বন বিভাগের জায়গা রক্ষা করা কি আমার দায়িত্ব নাকি বন কর্মকর্তার দায়িত্ব?
এবিষয়ে উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) আব্দুল খালেক পাটোয়ারী বলেন, বন বিভাগের জায়গাতে অবৈধ ভাবে গড়ে তোলা স্থাপনা উচ্ছেদ করতে বন বিভাগের লোকজন সহযোগিতা চাইলে সহযোগিতা করা হবে বলে জানান তিনি।
এমএসএম / এমএসএম
বাংলাদেশ মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের সিন্ডিকেটে সদস্য হলেন ডা. লিটন এমপি
বাকেরগঞ্জে ৩২ পিস ইয়াবাসহ মাদক ব্যবসায়ী সিজন গাজী আটক
কাপ্তাইয়ে ৪ উপজেলার গণমাধ্যমকর্মীদের নিয়ে সিসিএইচপি’র জেন্ডার বিষয়ক কর্মশালা
মান্দায় প্রতিপক্ষের লাঠির আঘাতে বৃদ্ধের মৃত্যু, আটক ৪
কেশবপুরে বিএনপি নেতার বিরুদ্ধে টাকা দাবির অভিযোগে সংবাদ সম্মেলন
দেড় ঘণ্টা পর চট্টগ্রামের সঙ্গে সারা দেশের রেল যোগাযোগ স্বাভাবিক
সলঙ্গায় রয়েল রুপালী হোটেলের পেছনে ও প্রবেশপথে ময়লার ভাগাড়, দুর্ভোগে ক্রেতা-পথচারী
সন্ত্রাসবিরোধী আইনের মামলায় সন্দেহভাজন হিসেবে নির্মাণ শ্রমিক লীগ নেতা গ্রেপ্তার
সিংড়ায় চলতি বছরে অর্ধ শতাধিক মটর সেচ ও ট্রান্সফরমার চুরি
রাজারহাটে লাল কেঁচো দিয়ে জৈবসার উৎপাদনে সফল উদ্যোক্তা সাজু মন্ডল
নোয়াখালীতে আ.লীগ-ছাত্রদল সংঘর্ষ: গ্রেপ্তার ২৫, সুধারাম থানার ওসি ক্লোজড
সুন্দরবনে নতুন আতঙ্ক 'পরগাছা': শ্বাসরোধ হয়ে মারা যাচ্ছে প্রাণভোমরা সুন্দরী গাছ