ঢাকা মঙ্গলবার, ২৬ মে, ২০২৬

দোহার-নবাবগঞ্জে মরিচে এখন অনেক ঝাঁজ


আল-আমিন, দোহার photo আল-আমিন, দোহার
প্রকাশিত: ১০-৮-২০২১ রাত ৮:৩৬
দোহার-নবাবগঞ্জে কাাঁচামরিচে এখন অনেক ঝাঁজ। দোহারের জয়পাড়া বাজার, মেঘুলা বাজার, নারিশা বাজার, মুকসুদপুর বাজার, কার্তিকপুর বাজার আর নবাবগঞ্জের বান্দুরা বাজার, নবাবগঞ্জ বাজার, বাগমারা বাজার এবং কোমরগঞ্জ বাজার ঘুরে দেখা গেছে কাঁচামরিচের দাম আকাশ্চুম্বী। সাধারণের ধরাছোঁয়ার বাইরে দাম। নিত্যপ্রয়োজনীয় কাঁচামরিচের মূল্য এখন বাজারভেদে ২০০-২৪০ টাকা।
 
দোহারের অন্যতম বড় বাজার জয়পাড়া বাজারে ক্রেতাদের নাগালের বাইরেই চলে যাচ্ছে মরিচসহ গাজর, শসা, পেঁয়াজের দাম। জয়পাড়া বাজারে সাপ্তাহিক দুটি হাট সহ প্রতিদিন নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যদ্রব্য বেচাকেনা হয়ে থাকে। সেই সুবাদে বিভিন্ন অঞ্চল হতে দোহারের জয়পাড়া বাজারে ভিড় করেন ক্রেতা-বিক্রেতা। ক্রেতাদের চাহিদার সুযোগ নিয়ে ক্রমেই বিভিন্ন দ্রব্যের দাম বেড়েই চলছে, যার ভুক্তভোগী সাধারণ জনগণ। ভালােমানের এক কেজি কাঁচামরিচ কিনতে এখন গুনতে হচ্ছে ২২০ টাকা। তবে নিম্নমানের কাঁচামরিচ ২০০ টাকা কেজিতে পাওয়া যাচ্ছে।
 
মঙ্গলবার (১০ আগস্ট) সরেজমিন দোহার-নবাবগঞ্জ উপজেলার বাজার ঘুরে আগের তুলনায় কা‍ঁচামরিচের সরবরাহ বেশি দেখা গেছে। এ কারণে দাম খানিকটা কম। একদিন আগেও প্রতি কেজি কাঁচামরিচ ২০০ থেকে ২২০ টাকা দরে বিক্রি হলেও বর্তমানে তা কমে ১৬০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে।
 
ক্রেতা জৈনদ্দিন বলেন, কয়েক দিন আগে যে কাঁচামরিচ আমরা ১০০ থেকে ১২০ টাকা কেজি কিনলাম, সেটাই এখন বেড়ে ২৫০ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে। এ অবস্থায় মরিচ কেনা দূরে থাক, হাত দেয়ায় মুশকিল হয়ে পড়েছিল। দাম আগের অবস্থায় ফিরলে আমাদের জন্য সুবিধা হবে।
 
কাঁচামরিচ বিক্রেতা কবির হোসেন ও লাল মিয়া বলেন, দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে অনাবৃষ্টি ও অতিবৃষ্টির কারণে কাঁচামরিচের উৎপাদন ব্যাহত হয়েছে। তাই সরবরাহ কমে গেছে। এ কারণে দাম চড়া।
 
মরিচচাষি হেলাল বলেন, ‘আমাদের খরচ বেশি। উৎপাদন কম হইছে। এখন দাম বাড়লে কী হবে, এখন তো বাইরের মরিচ সব। আমাগো মরিচের টাইমে তো দামই পাই নাই। এরকম হইলে আগামী বছর আর মরিচ চাষ করুম না।’
 
ইউসুফপুর বাজারে নিত্যপণ্য কিনতে আসা শিরু বেগম বলেন, ১ কেজি কাঁচামরিচ যে কিনব সে সাহস করতে পারি না। গত এক সপ্তাহ ধরে কাঁচামরিচের আকাশছোঁয়া দামে বাজারে ঝাঁজ শুরু হয়েছে। তাই তরকারি খাওয়া কমাই দিছি।
 
এ বিষয়ে দোহার উপজেলা কৃষি অফিসার মো. ইয়াকুব মামুন জানান, দোহার উপজেলায় অন্তত ১৫ থেকে ১৮ হাজার হেক্টর জমি মরিচ উৎপাদনের কাজে ব্যবহার করেন কৃষকরা। মরিচচাষিরা বিগত ২ থেকে ৩ মাস আগেই উৎপাদনে ব্যস্ত ছিলেন। তাই তখন দোহারে বৃষ্টি হওয়ায় মরিচ উৎপাদন কম হওয়া ও মরিচ পচে যাওয়ায় কৃষকদের ক্ষতি হয়েছে। 
 
তিনি আরো বলেন, মরিচের মূল্য বাড়ালেও দোহার-নবাবগঞ্জের কৃষকদের কোনো লাভ হচ্ছে না। এজন্য কৃষকদের সবজি চাষে উৎসাহ প্রদানে আমরা মাঠপর্যায়ে কাজ করে যাচ্ছি। তাছাড়া দোহারে কাঁচামরিচের উৎপাদন কম হওয়ায় দাম একটু বেশি রয়েছে।

এমএসএম / জামান

দুর্নীতির অভিযোগে বদলি হওয়া কর্মকর্তার পক্ষে সাফাই গেয়ে আরেক কর্মকর্তার পোস্ট, এরকম অপরাধ কে না করে আমিও করি"

আদমদীঘিতে গাাঁজার গাছসহ একজন গ্রেপ্তার

ঈদে পর্যটকের ঢলের অপেক্ষায়, হোটেল-রিসোর্টে চলছে শেষ মুহূর্তের প্রস্তুতি

হামে আক্রান্ত শিশুদের রক্ষাই সরকারের প্রথম অগ্রাধিকার: কুমিল্লায় স্বাস্থ্যমন্ত্রী

বৃষ্টি উপেক্ষা করে চন্দ্রায় যাত্রীদের উপচে পড়া ভিড়

রায়পুরে কিশোরী ধর্ষণকাণ্ডে আসামিকে পালাতে সহযোগিতায় ছাত্রদল নেতা জেলহাজতে

কৃষকের টেকসই উন্নয়নে সর্বোচ্চ প্রচেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে সরকার - কুমিল্লায় মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ এবং কৃষি মন্ত্রী

ঝিনাইদহে কথিত আন্তর্জাতিক মানবাধিকার সংস্থা'র চেয়ারম্যান মাহমুদুল হাসানের রিমান্ড মঞ্জুর

প্রধানমন্ত্রীর উপহারের চাল পেয়ে উচ্ছ্বসিত মনিগ্রাম ইউনিয়নবাসী

গোপালগঞ্জে ত্রিমুখী সংঘর্ষে চালক নিহত, আহত ৫০

‎সুনামগঞ্জ ডিবি পুলিশের অভিযানে ভারতীয় বিপুল পরিমান জিরা ফুসকাসহ আটক-১

তেঁতুলিয়ায় এমপি নওশাদ জমিরের পক্ষে প্রধানমন্ত্রীর অর্থ সহায়তা বিতরণ

ফুলবাড়ীয়ায় স্বপন ডাক্তারের আদরে বেড়ে ওঠা ৩৫ মণের ষাঁড় ‘সাদাময়না