খুলনার সবজির বাজারে স্বস্তি বেড়েছে আলু-পেয়াজের দাম
খুলনায় আলু ও পেঁয়াজের বাজার আবার অস্থির হয়ে পড়েছে। দাম বেড়ে যাওয়ায় ক্রেতাদের মধ্যে ক্ষোভ ও হতাশা দেখা যাচ্ছে। অন্যদিকে খুলনার সবজির বাজারে তরকারীর দাম কিছুটা কমেছে। গুরুর গোসের দাম কমাতে দাম কমেছে মুরগীর বাজারেও। তবে আলুর দাম কমেনি। সেই সাথে আকাশচুম্বি দাম পেয়াজের। আলু ও পেয়াজে ব্যবসায়ীরা করছে সিন্ডিকেট বলে ক্রেতাদের অভিযোগ। সোমবার খুলনার টুটপাড়া জোড়াকল বাজার, নিউমার্কেট, ময়লাপোতা সন্ধ্যা বাজার এবং নতুন বাজার ঘুরে দেখা যায়, দেশী-ইন্ডিয়ান রকম ভেদে পেয়াজ বিক্রয় হচ্ছে ১৬০-১৮০ টাকা কেজি দরে। আলু বিক্রয় হচ্ছে ৫০-৫৫ টাকা কেজি দরে। ফুলকপি ৩০-৩৫ টাকা, বিটকপি ৩০-৩৫ টাকা, বাঁধাকপি ৩০ টাকা, ঝিঙে ৪০ টাকা, শিম ৪০-৫০ টাকা, বরবটি ৪০ টাকা, করলা ৪০-৪৫ টাকা, পেঁপে ৩০ টাকা, ঢেঁড়স ৪০ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে। এসকল সবজি কিছুদিন আগে কিনতে গেলেও ৫০-৮০ টাকা পর্যন্ত গুনতে হয়েছে ক্রেতাদের। বেগুনের দাম কয়েকদিনের ব্যবধানে কমেছে অনেক। কিছুদিন পর্বেও বেগুন কেজি প্রতি ১০০ টাকায় বিক্রয় হয়েছে। নগরীর নতুন বাজারের সবজি বিক্রেতা আজাদ বলেন, পেয়াজ আমদানি বলে পাইকারী বাজারে কিছুটা দাম বেড়েছে। কিন্তু বাজারে শীতের সবজি উঠেছে। সবজির দাম কমেছে। কিন্তু নতুন আলু আর পেঁয়াজের কালির দাম একটু বেশী। রূপসা বাজারের সবজি বিক্রেতা কামরুল গাজী বলেন, বাজারে শীতের সবজি এসেছে আরও প্রায় দুই মাস আগে। প্রথম দিকে দাম বেশী থাকলেও এখন কমে গেছে। তবে পুরনো আলুর দাম এখনো কমেনি। ৫০-৫৫ টাকায় আগের আলু বিক্রি হচ্ছে। আর নতুন আলু ৫০-৬০ টাকায় বিক্রয় হচ্ছে। রূপসা বাজারের একজন ক্রেতা ফরহাদ হোসেন বলেন, পেয়াজের দাম বৃদ্ধি পাওয়ায় অল্প ক্রয় করেছি। দু-একদিন আগে হঠাৎ করে পেয়াজের দাম কেজি প্রতি ৬০-৭০ টাকা বৃদ্ধি পায়। নতুন বাজারের ক্রেতা কাজল বলেন, শীতের সবজির দাম এখন অনেক কম। তাই এ সময় সবজি একটু বেশি কেনা হয়। তবে পেয়াজ এবং আলুর দাম কমানো উচিত বলে তিনি জানান। প্রশাসনের উচিত বাজার দর নিয়ন্ত্রন করা উচিত। নাম প্রকাশে একজন আড়ৎ কর্মচারী বলেন, বড় ব্যবসায়ী ও মজুতদারেরা আলু-পেঁয়াজ আটকে রেখে বাজারে সরবরাহ-ঘাটতি তৈরি করছেন। সেই সাথে পেয়াজ আমদানী বন্ধের সুযোগেও দাম বাড়িয়েছে অনেকে। ৫০-৬০ টাকা আলুর কেজি ক্রেতাকে বলতেও আমাদেরও লজ্জা লাগে, কিন্তু উপায় নেই। তবে পেঁয়াজ-আলু ছাড়া বাজারে পণ্যের দাম লাগামের মধ্যে আছে বলে তিনি জানান। সন্ধ্যা বাজারের মাছ বিক্রেতারা বলেন, শীতের এই সময়তে বাজারে মাছের সরবরাহ একটু বেশি থাকে। খালবিল, ঘের শুকিয়ে আসায় এই সময়ে মাছ ধরে বিক্রি করে দেন চাষীরা। এসময় ১২০-২৫০ টাকার মধ্যে নানা প্রকার মাছ পাওয়া যায়। রুই, কাতলা, মৃগেল, শোল, টাকি, টেংরা, পার্শেসহ নানা মাছে এখন বাজার ভরপুর। তবে ইলিশ মাছের দাম কমেনি। এখনো বাজারে দামের দিক থেকে শীর্ষে রয়েছে ইলিশ মাছ। ময়লাপোতা , রুপসা ও গল্লামারী বাজারের গোশের দোকান ও মুরগীর দোকান ঘুরে জানা যায়, গুরুর গোশত বিক্রয় হচ্ছে কেজি প্রতি ৬২০-৬৫০ টাকা দরে। ব্রয়লার মুরগী বিক্রয় হচ্ছে ১৬৫-১৭০ টাকা কেজি দরে। কক বিক্রয় হচ্ছে ২২০-২৪০ টাকা কেজি দরে ও দেশী মুরগী বিক্রয় হচ্ছে কেজি প্রতি ৩০০-৩৫০ টাকার মধ্যে।
এমএসএম / এমএসএম
নাচোলে "প্রাথমিক স্বাস্থ্যসেবায়" করণীয়, আর্থিক সহায়তা প্রদান ও পরামর্শ সভা অনুষ্ঠিত
রায়গঞ্জে জরাজীর্ণ ঘরের বাসিন্দা হাজেরা খাতুন পেলেন প্রশাসনিক সহায়তা
মৌলভী ধানাইড় সাইদুর রহমান নূরানী হাফেজিয়া মাদ্রাসা ও এতিমখানায় ওয়াজ মাহফিল অনুষ্ঠিত
বোদায় সরকারি সেবা প্রাপ্তিতে অনগ্রসরদের অধিকতর অন্তর্ভুক্তি শীর্ষক কর্মশালা অনুষ্ঠিত
লামায় এনআইসি লেক গোল্ডকাপ ক্রিকেট টুর্নামেন্টের জমকালো উদ্বোধন
তেঁতুলিয়া থেকে পায়ে হেটে,টেকনাফে উদ্দেশ্যে টি এম খালিদ মাহমুদ প্রিজম
নন্দীগ্রামে সরকারী গাছ কাটা মামলার তদন্তকালে পুলিশের সামনেই বাদীকে হত্যা চেষ্টা
শতভাগ নিরপেক্ষ ভাবে নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবেঃ গোপালগঞ্জ জেলা প্রশাসক
আক্কেলপুরে গণভোটে উদ্বুদ্ধকরণে সচেতনতামূলক সভা অনুষ্ঠিত
শ্রীহট্ট অর্থনৈতিক অঞ্চলের ৩৫টি গাছ প্রকাশ্য নিলামে বিক্রি
সৌদি গিয়ে প্রাণ গেল পটুয়াখালীর প্রবাসী রফিকুলের
কেশবপুরে কলেজ শিক্ষকের বিরুদ্ধে খুলনার আদালতে যৌতুক ও নির্যাতনের মামলা