ঢাকা মঙ্গলবার, ১২ মে, ২০২৬

চরাঞ্চলে যোগাযোগ ব্যবস্থার কারণে মৌলিক সেবার অপর্যাপ্ততা রয়েছে


মজিবর রহমান, গাইবান্ধা photo মজিবর রহমান, গাইবান্ধা
প্রকাশিত: ১৯-১-২০২৪ দুপুর ১:৩৫
 তিস্তা যমুনা ও ব্রহ্মপুত্র নদসহ ভাঙনের কবলে পড়ে গাইবান্ধা সদর, সুন্দরগঞ্জ, ফুলছড়ি ও সাঘাটা উপজেলার চরাঞ্চলে গড়ে উঠেছে ছোট-বড় ১৬৫টি চর,ডুবোচর। এসব চরে বসবাস করে প্রায় চার লক্ষ্য মানুষ। বিস্তৃত চরাঞ্চল তীব্র নদীভাঙন, বন্যা ও প্রাকৃতিক দুর্যোগ মোকাবেলা করে এখানকার মানুষকে টিকে থাকতে হয়। তাদের প্রধান পেশা হচ্ছে কৃষি। এই কৃষির উপর নির্ভর করেই তারা খেয়ে-পড়ে বেঁচে থাকেন।
 
ব্রহ্মপুত্র ও যমুনা নদীর কারণে একবারে বিচ্ছিন্ন গাইবান্ধার ফুলছড়ি উপজেলার ফজলুপুর, এরেন্ডাবাড়ি, ফুলছড়ি ও গজারিয়া ইউনিয়ন। এসব এলাকায় রাস্তাঘাট নেই বললেই চলে। দুর্গম এ চরাঞ্চলে বর্ষা মৌসুমে যোগাযোগের একমাত্র মাধ্যম নৌকা আর শুকনো মৌসুমে চরাঞ্চলের মানুষ পায়ে হেঁটে বা ঘোড়ার গাড়িতে করে চলাচল করে।  এসব চরের মালামাল বহনের একমাত্র ভরসা ঘোড়ার গাড়ি। আর এ গাড়ি চালিয়ে স্বাবলম্বী হয়েছে প্রায় চার হতে পাঁচ শতাধিক পরিবার। উল্লেখিত ইউনিয়নগুলোর খাটিয়ামারি, জিগাবাড়ি, পেপুলিয়া, গাবগাছি, গলনা, জিয়াডাঙ্গা, সাতারকান্দি, রসুলপুর, খাটিয়ামারি, ফুলছড়ি, টেংরাকান্দি, বাজে ফুলছড়িসহ প্রায় ৫০টি এলাকায় কোনো যানবাহন চলাচলের উপায় না থাকায় চরের মানুষজন বালুময় পথে মাইলের পর মাইল পায়ে হেঁটে বিভিন্ন স্থানে যাতায়াত করেন। 
 
চরাঞ্চলে যোগাযোগ ব্যবস্থার কারণে শিক্ষা, কৃষি ও স্বাস্থ্যসহ মৌলিক  সেবার অপর্যাপ্ততা রয়েছে। দুর্বল শিক্ষাব্যবস্থা ও ব্যবস্থাপনা, দুর্গম ও জটিল যোগাযোগ ব্যবস্থা, ঝুঁকিপূর্ণ মাতৃস্বাস্থ্য, খাদ্যাভাব ও কৃষি উৎপাদনে সীমিত সুযোগ, কর্মসংস্থানের অভাব ও পণ্য বাজারজাতকরণের অসুবিধা রয়েছে যার প্রধানতম কারণ হচ্ছে যাতায়াত ব্যবস্থা। দেশ উন্নতির দিকে এগিয়ে যাচ্ছে। কিন্তু বিশাল জনগোষ্ঠী বাদ পড়েই রয়েছে। শিক্ষা, স্বাস্থ্য, অন্যান্য দিক থেকে চরের মানুষ এগোতে পারছে না যোগাযোগের কারনে।
 
ফুলছড়ি উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান জি এম সেলিম পাভেজ সকালের সময় এর প্রতিনিধি কে বলেন, চরাঞ্চল হচ্ছে অপার সম্ভাবনার একটা জায়গা। চরাঞ্চলগুলোতে প্রায় ৩০ ধরনের ফসলের চাষ হয়। এখানে যে কৃষক ৩০ শতাংশ জমিতে বছরে দুইবার ফসল ফলানোর সুযোগ পান, তার দারিদ্র্য বলে কিছু থাকে না। কারণ চর হচ্ছে শস্যভাণ্ডার। পলি মাটির জন্য এখানে জমিতে বেশি ফসল ফলে।
 
সীমিত সম্পদের তুলনায় অধিক জনসংখ্যার এই চর গুলো নিকট ভবিষ্যতে খাদ্য সংকট মোকাবিলায় যে চরাঞ্চলের ওপর নির্ভরশীল হতে হবে, এই কথা এখনই দ্ব্যর্থহীনভাবে বলা যায়। কিন্তু যে মানুষগুলো চরাঞ্চলের চরম আবহাওয়া সহ্য করে আমাদের জন্য খাদ্যের যোগান দিচ্ছেন, তাদের জীবনমান উন্নয়ন সুস্পষ্ট কোনো পরিকল্পনা লক্ষ্য করা যায় না। আমি ফুলছড়ি উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান নির্বাচিত হওয়ার পর থেকে প্রায় ৫০ টি ছোট বড় রাস্তা নির্মাণ করেছি আমাদের এই চরাঞ্চলের মানুষের পরিবর্তন ঘটবে যদি যোগাযোগ ব্যবস্থা প্রসারিত হয়।প্রাকৃতিকভাবেই এক মনোরম পরিবেশের সৃষ্টি হয় ফসলের সবুজ পাতায় পাতায়। এসব চরে যদি পরিকল্পনা অনুযায়ী যোগাযোগ ব্যবস্থা রাস্তা, ঘাট ব্রিজ কালভারট করে এগিয়ে নেওয়া যায়, তাহলে আমুল পরিবর্তন হবে চরবাসীর জীবনে ।

এমএসএম / এমএসএম

ত্রিশালে নজরুল জন্মজয়ন্তী উপলক্ষে প্রাক-প্রস্তুতি সভায় সংস্কৃতি মন্ত্রী

লালমাই পাহাড়ের ‘সিলগালা’ কূপ ঘিরে রহস্য- ২০০৪ সালে গ্যাসের সন্ধান, কৌতূহলে স্থানীয়রা

দৌলতখানে সাজেদা ফাউন্ডেশনের 'স্টপ দ্য স্টিগমা ২.০' প্রকল্পের লার্নিং শেয়ারিং মিটিং অনুষ্ঠিত

কালকিনিতে জেলেদের চাল নিয়ে ইউপি চেয়ারম্যানের চালবাজী!

সুন্দরবনে চোরাশিকারীদের কবল থেকে ২ হরিণ উদ্ধার, বনে অবমুক্ত

হাতিয়ায় নিখোঁজ শিশুর ভাসমান লাশ উদ্ধার

রেক্টিফাইড স্পিরিট পানে বিষক্রিয়া ও মৃত্যু প্রতিরোধে মেহেরপুরে সেমিনার অনুষ্ঠিত

মধুখালীতে নওপাড়া ইউনিয়নের সাবেক চেয়ারম্যান হাবিবুর রহমান আটক

ধামইরহাট পৌরসভার রূপকল্প ও উন্নয়ন পরিকল্পনা বিষয়ে কর্মশালা অনুষ্ঠিত

শার্শায় ট্রাক ও মোটরসাইকেলের মুখোমুখি সংঘর্ষে নিহত ২

পিরোজপুরে শিশু শ্রম ও বাল্যবিবাহ প্রতিরোধে অবহিতকরণ সভা ও পরিচ্ছন্নতা অভিযান

গ্রাম পুলিশ নিয়ে মাদকবিরোধী অভিযানে ইউপি সদস্য

পবিত্র ঈদুল আজহাকে সামনে রেখে প্রস্তুত নড়াইলের বিশাল আকৃতির গরু ‘বাহুবলি’