ঢাকা মঙ্গলবার, ২৩ জুন, ২০২৬

দৃষ্টিনন্দন বিভিন্ন বাহারি ফুলে সেজেছে পাবনা এলজিইডি’র ক্যাম্পাস


এম মাহফুজ আলম, পাবনা photo এম মাহফুজ আলম, পাবনা
প্রকাশিত: ১০-২-২০২৪ দুপুর ৩:৪২

পাবনা এলজিইডি ক্যাম্পাসে গড়ে তোলা হয়েছে বিভিন্ন বাহারি সব ফুলের বাগান। অফিসের প্রধান দিয়ে ঢুকতেই বামদিক থেকে আলিঙ্গণ করে বিচিত্র ও বর্ণাঢ্য ফুলের এই সমারোহ। বাহারি এসব ফুলের সৌন্দর্য উপভোগ করছেন কর্মকর্তা-কর্মচারী ও স্থানীয় প্রকৃতিপ্রেমীরা। এমনকি সুযোগ পেলেই এলজিইডি সংলগ্ন রাস্তা দিয়ে হেঁটে যাওয়া ফুলপ্রেমী পথিকরা সুবাস নিতে ভুলেন না। 
ঋতুপরিক্রমায় শীত বিরাজমান। মাঘের কনকনে শীতের সাদা ও ঘন কুয়াশা আর বাতাসের শনশন শব্দ, প্রকৃতি  ছেয়ে আছে প্রচন্ড শুষ্কতা আর রুক্ষতায়। কুয়াশার চাদরে আবৃত হয়ে আছে পুরো পাবনা। তীব্র শীতে মানুষ এখনো জড়সড়। এরইসাথে পাল্লা দিয়ে বাহারি রঙের নতুন ফুলে ফুলে সেজেছে পাবনা স্থানীয় সরকার প্রকৌশল বিভাগ(এলজিইডি) ক্যাম্পাস। ফুলের গন্ধে মাতোয়ারা পুরো অফিস ক্যাম্পাস, যা অনন্য এক ভিন্ন মাত্রা যোগ করেছে। প্রাকৃতিক শোভা যেন হাত বাড়িয়ে টেনে আনছে সবাইকে।
এলজিইডি অফিসের মূল ফটক দিয়ে ভেতরে প্রবেশ করতেই বামদিকে বাগানে দৃষ্টিনন্দন ফুলের। দ্যানথাচ,  দোপাটি,গাঁদা, ডালিয়া, চন্দ্রমল্লিকা, চামেলি, টগরসহ নানা ফুল।
এখানে সব ঋতুতেই বিশেষ করে শীত ও বসন্তে বাহারি ফুলের বাগান করার রেওয়াজ দীর্ঘদিনের। তবে বিগত এক দশকে দৃষ্টিনন্দন মৌসুমী ফুলের বাগান তৈরিতে ভাটা পড়ে। অফিসের কর্মকর্তা ও কর্মচারীরা জানান, নতুন নির্বাহী প্রকৌশলী সাহেব আসার পর থেকে এখানে বৈচিত্র আনার প্রচেষ্টা চলছে। পুরাতন আমলের সবকিছু  ঝেড়ে ফেলে সাজানো হয়েছে অফিসের সব দপ্তর। 
প্রতিদিন প্রকৃতির সুশোভিত ফুল ক্যাম্পাসে ঘুরতে আসেন সব বয়সের দর্শনার্থী। প্রকৃতির টানে ব্যস্ত সময়ে একটু অবসরের প্রয়োজনে বন্ধু-বান্ধব, পরিবার-পরিজন নিয়ে ঘুরতে আসেন এখানে। যেখানে প্রকৃতির মধ্যে যুক্ত হয়েছে এই ফুলের বাগান।
ঘুরতে আসা জিসান আল মাহমুদ নয়ন জানান, ফুল দেখে মনটা হালকা হয়ে গেছে। বন্ধুদের নিয়ে ঘুরতে এসেছেন রফিকুল ইসলাম ও রাকিবুল ইসলাম বলেন, প্রকৃতির এমন সৌন্দর্য উপভোগ করতে এখানে এসেছি। ইটপাথরের শহরে এমন দৃশ্য মন ভালো করে দেয়। তাই এখানে ঘুরতে এসেছি। ফুলের সঙ্গে ছবিও তুলেছি।
বাগানের মালি জানান, দ্যানথাচ, দোপাটি,গাঁদা, ডালিয়া, চন্দ্রমল্লিকা, চামেলি, টগরসহ নানা ফুল এখানে আছে। আরো আকাশি সাদা স্নোবল, কসমস, জুঁই, চামেলি, টগর, জিনিয়া, বেলি, জবা, রঙ্গন, রজনীগন্ধাসহ বিভিন্ন ধরণের ফুলের গাছ লাগানোর ইচ্ছা আছে। 
কথা হয় নির্বাহী প্রকৌশলী মোঃ আনিসুর রহমান মন্ডল সাথে। তিনি বলেন, গতানুগতিকতা থেকে বেরিয়ে  মূলগেট থেকে শুরু করে অফিস আঙিনায় সৌন্দর্য্য সুন্দর করে সাজাচ্ছি। আমি সবসময় সুন্দরের পূজারী। আমি থাকবো না, কিন্তু এসব সৌন্দর্য্য মানুষের মনে চিরস্থায়ী হয়ে গেঁথে থাকবে। পথিকরা আমাদের ক্যাম্পাসের ফুল বাগানের ফুল দেখে মুগ্ধ হলে আমরাও আনন্দ হয়। তিনি বলেন, ইচ্ছে আছে আরো নাম না জানা ফুলের চারা সংগ্রহ করা; কিন্তু তা পাওয়া যাচ্ছে না। ফুলকে ভবালো বাসেনা এমন মানুষ পাওয়া ভার।

এমএসএম / এমএসএম

মগনামা উচ্চ বিদ্যালয়ের বাউন্ডারি দেয়াল থেকে লোহার গ্রিল চুরি

কালকিনিতে বাস চাঁপায় প্রান গেল প্রবাসীর

আদমদীঘিতে নারীসহ তিনজন গ্রেপ্তার মাদক উদ্ধার

চাঁদপুর জেলায় ৩লাখ ৬৬ হাজার শিশুকে ভিটামিন ‘এ’ খাওয়ানো হবে

পটুয়াখালীতে ভূমিকম্প-অগ্নিকাণ্ডে করণীয় শেখাতে পিস স্কুলের ব্যতিক্রমী মহড়া

সুবর্ণচরে ফলজ, বনজ, ঔষধি গাছ বিতরণ উদ্বোধন

নাগরপুরে স্কুলের টিউবওয়েলে পানি পান করে শিক্ষার্থীরা অসুস্থ

অভিযোগের ১১ দিনেও মামলা নথিভূক্ত করেনি সাভার মডেল থানা পুলিশ

দাউদকান্দিতে আওয়ামী লীগের নৈরাজ্যের প্রতিবাদে বিএনপির বিক্ষোভ মিছিল

সুবর্ণচরে জব ফেয়ার ২০২৬ অনুষ্ঠিত

ধামরাইয়ে সওজের উচ্ছেদ অভিযানে হামলা, আহত-২

বগুড়ায় নারীর সাথে আপত্তিকর ছবি তুলে অটোচালকের টাকা ছিনতাই

উলিপুরে দ্রুত বাইপাস সড়কের নির্মান কাজ শুরুর দাবীতে মানববন্ধন