এক বিশ্ববিদ্যালয় থেকে অপসারিত হয়ে অন্য বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিসি হতে তৎপর অধ্যাপক ড. আবু তাহের
বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরী কমিশনের (ইউজিসি) একজন প্রভাবশালী সদস্য তিনি। ক্লাসে দিতেন নীতি নৈতিকতার ছবক। অনিয়ম দেখলেই যিনি করতেন প্রতিবাদ, সেই তিনিই অপসারিত হয়েছিলেন উম্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয় থেকে। কারণ, তিনি নিজেই নিমজ্জিত ছিলেন অনিয়ম আর দুর্নীতিতে। বলছিলাম অধ্যাপক ড. আবু তাহেরের কথা। যাকে ২০১৬ সালের ১৫ ডিসেম্বর বাংলাদেশ উম্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়ের কোষাধ্যক্ষ পদ থেকে অনিয়ম ও দুর্নীতির দায়ে অপসারণ করা হয়।
শিক্ষা জীবনের কোনো পর্যায়ে প্রথম বিভাগ না থাকলেও একটিতে তৃতীয় বিভাগ ও আরেকটি দ্বিতীয় বিভাগ নিয়ে ১৯৯৫ সালে বিএনপি-জামায়াতের বদান্যতায় হয়েছিলেন চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক। সেই তিনিই এবার আলোচনায় আছেন চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য হওয়ার দৌড়ে। যা নিয়ে ক্যাম্পাসজুড়ে চলছে তোলপাড়।
ড. আবু তাহেরের শিক্ষাগত যোগ্যতার সনদ ও তৎকালীন শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের উপ-সচিব আবদুস সাত্তার মিয়া সাক্ষরিত এক চিঠির মাধ্যমে এই তথ্য জানা যায়। যে চিঠির স্মারক নাম্বার- শিম/শা :১৮/১২ বা:উ:বি -৩/৯৫ (অংশ)/৩৯৭ তাং- ১৫.১২.২০১৬ খ্রি:। যেগুলো এই প্রতিবেদকের হাতে এসেছে।
নাম প্রকাশ না করার শর্তে বিশ্ববিদ্যালয়ের একাধিক শিক্ষক জানান, যিনি এক বিশ্ববিদ্যালয় থেকে অপসারিত হয়েছেন দুর্নীতির দায়ে সেই তিনিই কিভাবে চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য হতে চান? তিনি শিক্ষক হিসেবে এতদিন কি পড়িয়েছেন শিক্ষার্থীদের? তিনিতো আদতে শিক্ষক হওয়ার যোগ্য ছিলেন না। কিভাবে তিনি শিক্ষক হয়েছেন সেটি বিশ্ববিদ্যালয়ে যারা প্রগতিশীল শিক্ষক আছি তারা জানি। বিষয়টি খতিয়ে দেখতে এবং অনিয়মের আশ্রয় নেয়া এসব শিক্ষক যেন উপাচার্য হতে না পারে সেজন্য শিক্ষামন্ত্রী ও প্রধানমন্ত্রীর দৃষ্টি আকর্ষণ করছেন প্রগতিশীল আওয়ামীপন্থী এসব শিক্ষকগণ।
জানা গেছে, ২০১৯ সালে ৩ নভেম্বর নিয়োগ পাওয়া বর্তমান উপাচার্য অধ্যাপক ড. শিরীণ আখতারের মেয়াদ পূরণ হয়েছে গত বছরের নভেম্বরে। স্বাভাবিকভাবে উপচার্যগণ চার বছরের জন্য নিয়োগপ্রাপ্ত হলেও ড. শিরীণ আখতারকে কোনো নির্দিষ্ট মেয়াদ দেয়া হয়নি। ফলে বিশ্ববিদ্যালয়ের ইতিহাসে সর্বোচ্চ দায়িত্ব পালন করা উপচার্য তিনি। তবে শিক্ষা মন্ত্রণালয় সূত্রে জানা গেছে আগামী জুনের আগে নতুন উপাচার্য নিয়োগের পরিকল্পনা নেই।
বিষয়টি আঁচ করতে পেরে ড. আবু তাহের তাই উঠেপড়ে লেগেছেন বর্তমান উপাচার্যের বিরুদ্ধাচরনে। কারণ ২০২৪ সালের জুনে তিনিও (ড. আবু তাহের) অবসর ছুটিতে যাবেন বলে জানা গেছে। ফলে প্রধানমন্ত্রী কার্যালয় থেকে শুরু করে রাষ্ট্রপতি কার্যালয়ে নিয়মিত যোগাযোগ বাড়িয়েছেন ধুরন্দর এই শিক্ষক। ক্ষেপিয়ে তুলেছেন চবি শিক্ষক সমিতির নেতৃবৃন্দদের, আর ছোটখাটো ইস্যু পেলেই ইউজিসি থেকে চিঠি পাঠিয়ে বিব্রত করছেন উপাচার্যকে পাশাপাশি ক্ষুন্ন করছেন বিশ্ববিদ্যালয়ের ভাবমূর্তি।
চবি উপাচার্য অধ্যাপক ড. শিরীণ আখতারের সাথে যোগাযোগ করলে বিষয়টি তাঁর জানা নেই বলে এই প্রতিবেদককে জানান। তাছাড়া বিষয়টি নিয়ে তিনি কথা বলতে অপারগতা প্রকাশ করেন।
জানা যায়, আওয়ামীপন্থী শিক্ষক দাবি করা অধ্যাপক তাহেরের বাড়ি জামায়াত অধ্যুষিত সাতকানিয়ার দেওদিঘী এলাকায়। কর্মজীবনের শুরুতে তিনি ১৯৮৫ সালে বিসিএস পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হয়ে সরকারি কমার্স কলেজে শিক্ষকতা শুরু করেন। পরে চাকরিতে ইস্তফা দিয়ে ১৯৯৫ সালে চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ে ব্যবস্থাপনা বিভাগে শিক্ষক হিসেবে যোগদান করেন। তিনি ২০০৪ সালে উক্ত বিভাগে অধ্যাপক পদে উন্নীত হন বিএনপি-জামায়াতের আমলেই। যদিও অধ্যাপক হওয়া নিয়ে সেই সময় বিতর্ক তৈরী হয়েছিল তাঁর পিএইচডি'র বিষয়বস্তুু নিয়ে। যেখানে তৎকালীন বিএনপিপন্থী উপাচার্যের আশীর্বাদ থাকায় সহজে উতরে যান।
বিষয়টি নিয়ে জানতে চাইলে অধ্যাপক ড. আবু তাহের দৈনিক সকালের সময় কে জানান,এসব বিষয় আমি জানিনা একটি কুচক্রী মহল আমার বিরুদ্ধে মিথ্যা তথ্য দিয়ে বিভ্রান্ত সৃষ্টি করছে,এ সময় তিনি প্রতিবাদকে সরাসরি দেখা করার আমন্ত্রণ জানিয়ে ফোন কেটে দেন।
এমএসএম / এমএসএম
খেলাধুলার বিকল্প নেই, তরুণদের মাঠমুখী করতে হবে: এমপি ডা. মাহবুবুর রহমান লিটন
রাজশাহীতে বিভাগীয় বৃক্ষমেলার উদ্বোধন করলেন ভূমিমন্ত্রী মিনু
নরসিংদীতে সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারী কল্যাণ পরিষদের উদ্যোগে মিলনমেলা অনুষ্ঠিত
জুড়ীতে এক নারীর দা'য়ের কোপে আরেক নারীর পা বিচ্ছিন্ন
মাদারীপুরে ছয়তলা বিশিষ্ট ডায়াবেটিক হাসপাতালের নতুন ভবন উদ্বোধন
ফারুয়া ইউনিয়নে হেডম্যান রিনলম বম পালম এর নেতৃত্বে ২০০ পরিবারের মাঝে এান বিতরণ
ভূরুঙ্গামারীতে ফ্যামিলি কার্ডের তথ্য সংগ্রহকারী ও সুপারভাইজার পদে বাছাই পরীক্ষা ও ভাইভা শুরু, চলবে ২৬ জুলাই পর্যন্ত
নড়াগাতীতে ইউপি সদস্য মনি মিয়া হত্যা: খুনিদের ফাঁসির দাবিতে মানববন্ধন ও বিক্ষোভ
হাটহাজারী মৎস্য অধিদপ্তরে নিজস্ব নৌকা না থাকায় অন্যের উপর ভর করে চলে
মধুখালীতে স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স পরিদর্শন করেন ফরিদপুর জেলা সিভিল সার্জন ডা.মাহমুদুল হাসান
কোনাবাড়ীতে বৃত্তিপ্রাপ্ত কৃতি শিক্ষার্থীদের সংবর্ধনা
নিয়োগে অনিয়ম: বলির পাঠা আঞ্চলিক নির্বাচন কর্মকর্তা