খুলনা শিশু হাসপাতালে তীব্র দাবদাহে রোগীর চাপ বেড়েছে
সারাদেশে প্রচন্ড তাপ প্রবাহে নানান বয়সের মানুষ বিভিন্ন রোগে আক্রান্ত হচ্ছেন। খুলনাতেও এর ব্যতিক্রম নয়। গত কয়েকদিন তীব্র গরমে শিশুরা নানান রোগে আক্রান্ত হয়ে ভর্তি হচ্ছেন খুলনা শিশু হাসপাতালে। খুলনা শিশু হাসপাতাল শিশু বিষয়ক চিকিৎসার আস্থার জায়গা বলে আশে পাশের অঞ্চল থেকে ছুটে আসেন রোগীর অভিভাবকরা। গরম জনিত রোগে খুলনা শিশু হাসপাতালে আগত রোগীর সংখ্যা অন্যান্য সময়ের তুলনায় তুলনামূলক ভাবে বেশী। স্বাভাবিক সময়ে খুলনা শিশু হাসপাতালের বর্হিবিভাগে প্রতিদিন রোগীর চাপ অনেক থাকে। শুক্রবার ছুটির দিন হওয়া সত্ত্বেও বর্হিবিভাগে রোগীর সংখ্যা ছিলো ২৮৫ জন। শনিবার এ রোগীর সংখ্যা ছিলো ৫৯৪জন। যেখানে স্বাভাবিক সময়ে রোগীর সংখ্যা থাকে ৩৫০-৪৫০ জনের মতো। যা বর্তমানে বৃদ্ধি পেয়েছে। খোজ নিয়ে দেখা যায়, গরম জনিত নানান রোগে আক্রান্ত হয়েই শিশুরা এসেছে হাসপাতালে। অন্যদিকে, শুক্রবার নতুন করে ৩৮ জন রোগী ভর্তি হয়েছে। শনিবার নতুন করে ভর্তি হয়েছে আরো ৪৩ জন। বর্তমানে গত দুদিনের তথ্য মতে, শুক্রবার ২৪৯ জন রোগী এবং শনিবার ২৩৩ জন রোগী ভর্তি ছিলো। হাসপাতালে চিকিৎসা নিতে আসা শিশুর অভিভাবক শিউলি বেগম বলেন, তাঁর ৪ বছরের ছেলেকে ভর্তি করিয়েছেন তিনি। ঠান্ডা গরমে নিউমেনিয়া হয়েছে। ডাক্তার দেখিয়েছেন তিনি। চিকিৎসা বর্তমানে চলমান রয়েছে। ডাক্তার দেখাতে আসা শিশুর অভিভাবক আরমান হোসেন বলেন, তীব্র গরমে হঠাৎ করে তার সন্তান অসুস্থ হয়ে পড়েছে। বার বার হাঁচি-কাশি দিচ্ছে। এ সমস্যা বেশ কিছুদিন হওয়াতে দুশ্চিন্তায় পড়ে তিনি ডাক্তার দেখাতে নিয়ে এসেছেন। বাগেরহাট জেলার মোড়েলগঞ্জ উপজেলা থেকে আসা ফারজানা জাহান বলেন, তার সন্তানের কিছুদিন যাবৎ পেটে ব্যাথা সমস্যা। স্থানীয় ডাক্তার দেখালে তিনি খুলনা শিশু হাসপাতালে শিশু বিষয়ক অভিজ্ঞ ডাক্তার দেখাতে বলেছেন। আর গরমে খাবার পানি এবং খাবার গ্রহণে পরিস্কার পরিচ্ছন্নতা অবলম্বন করতে বলেছেন তিনি। এজন্যই খুলনাতে এসেছেন বাচ্চাকে নিয়ে তিনি। খুলনার বটিয়াঘাটা উপজেলা থেকে আসা তারিকুল ইসলাম বলেন, কয়েকদিন ধরে তার ছেলে সন্তান ঠান্ডা-গরমে বেশ অসুস্থ হয়ে পড়েছে। উপজেলায় উন্নত চিকিৎসা ব্যবস্থা না থাকাতে তিনি খুলনা শিশু হাসপাতালে এসেছেন। এ বিষয়ে খুলনা শিশু হাসপাতালের আরএমও ডা. সৈয়দ ইমতিয়াজ আহমেদ জানান, বর্তমানে প্রচন্ড গরমে শিশুরা নানান সিজনাল রোগে আক্রান্ত হচ্ছে। প্রতিদিনই চিকিৎসা দেয়া হচ্ছে অনেক শিশুকে। আমরা শিশুদের সর্বোচ্চ সেবা প্রদানে কাজ করছি। উল্লেখ্য, খুলনা শিশু হাসপাতালের শয্যা সংখ্যা ২৭০টি। কিন্তু প্রতিদিন প্রচুর পরিমানে শিশু রোগীর সংখ্যা বেশী থাকে। খুলনার আশে পাশের অঞ্চল থেকে প্রতিদিনই শত শত রোগী এ হাসপাতালে ডাক্তার দেখাতে আসেন ভরসার জায়গা থেকে। চিকিৎসা নিতে আসা রোগীর অভিভাবকরা সবসময়ই শয্যা সংখ্যা বাড়ানোর দাবী জানান।
এমএসএম / এমএসএম
চাঁপাইনবাবগঞ্জের শিবগঞ্জে এসএসসি পরীক্ষায় অকৃতকার্য হওয়ায় এক শিক্ষার্থীর বিষ পানে আত্মহত্যা
মার্কিন রাষ্ট্রদূতের উপস্থিতিতে গৌরনদীতে আন্তঃধর্মীয় সংলাপ
ঠাকুরগাঁওয়ে সংঘবদ্ধ প্রতারক চক্রের ‘গডফাদার’ গ্রেপ্তার ২৭ মামলার আসামি
মিরসরাইয়ে হোটেল কক্ষে পুলিশ সদস্যের ঝুলন্ত লাশ, পাশে রক্তাক্ত স্ত্রী
পাবনা ক্যাডেট কলেজে ৫২ জন অংশ নিয়ে জিপিএ-৫ পেয়েছে সবাই
নিশাত ডাক্তার হতে চায়
ফরিদগঞ্জে এসএসসিতে পাসের হার ৬৫.৭৯%, জিপিএ-৫ পেল ১১৬ জন, ফলাফলে এগিয়ে এ.আর. পাইলট সরকারি উচ্চ বিদ্যালয়
বিলাইছড়িতে জিপিএ ৫ পেয়েছে তানজিলা আহাম্মদ বৃষ্টি ; পাসের হার ৩২.৭৬ %
চাঁদপুরে এসএসসিতে পাসের হারে এগিয়ে হাইমচর, জিপিএ-৫-এ সদর
মুরাদনগরে স্বামীর হাতে স্ত্রী খুন
কাপ্তাইয়ে এসএসসির ফলাফলে ধস, পাশের হার ৫১.৮৮%, জিপিএ-৫ পেল ৪৬ জন
এসএসসি-২০২৬, রাজশাহী বোর্ডে পাস ও জিপিএ-৫, দুই সূচকেই বগুড়ার শ্রেষ্ঠত্ব