শিলাবৃষ্টি-ঝড়ে গাছপালা,পাকা ধানের ব্যাপক ক্ষতি, বিদ্যুৎ লাইন বিচ্ছিন্ন
শরীয়তপুরে ঝড় ও শিলাবৃষ্টিতে গাছপালার ব্যাপক ক্ষতি হয়েছে।তীব্র তাপপ্রবাহের কারণে শ্রমিক সংকটে মাঠের পাকা ধান সময়মতো ঘরে তুলতে পারেনি কৃষক। এমন সংকটময় মুহূর্তে হঠাৎ জেলাজুড়ে শুরু হয়েছে শিলাবৃষ্টি। এর প্রভাবে মাঠে থাকা পাকা ধান ক্ষতিগ্রস্ত হবে বলে জানিয়েছে কৃষি অফিস। মৌসুমের প্রথম কালবৈশাখী ঝড়ে গাছপালা ভেঙে বিভিন্ন রাস্তাঘাট বন্ধ হয়ে গেছে। এছাড়া শরীয়তপুরের ডামুড্যা বিদ্যুৎ সমিতির আওতাধীন শরীয়তপুর শহরসহ বিভিন্ন উপজেলাতে বিদ্যুৎ লাইনের ব্যাপক ক্ষতি হয়েছে বলে জানিয়েছেন ডামুড্যা পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির ডিজিএম প্রকৌশলী জাহিদা খানম ।
সোমবার ( ৬ মে) দুপুর থেকে শরীয়তপুর ও তার আশেপাশে ব্যাপক আকারে ঝড় শুরু হয়। ঝড়ের সঙ্গে মুষলধারে শুরু হয়। একইসঙ্গে শীল পড়তে শুরু করে। ব্যাপক ঝড়ের কারণে গভীর রাতে অনেকে আতঙ্কিত হয়ে পড়েন।এদিকে ব্যাপক ঝড়ের কারণে শরীয়তপুরের ডামুড্যা উপজেলা সহ বিভিন্ন এলাকার বিদ্যুৎ সংযোগ বন্ধ রয়েছে। বিদ্যুতের অভাবে কাজ করতে না পারায় বিপাকে পড়েছেন।
ডামুড্যা পৌরসভার ১ নং ওয়ার্ডের কমিশনার এনায়েত করিম বলেন,ডামুড্যা পৌরসভার ০১ ওয়ার্ডের দুবখোলা গ্রামে গাছপালাসহ রাস্তার ব্যাপক ক্ষতি হয়েছে।
জেলার কৃষক ও কৃষি অফিস সূত্রে জানা গেছে, বৈশাখ মাসের শুরু থেকে দেশের অন্যান্য জেলার মতো শরীয়তপুরেও চলমান ছিল তীব্র তাপপ্রবাহ। তাপপ্রবাহের কারণে শ্রমিক সংকটে পড়ে জেলার কৃষকরা সময় মতো পাকা ধান ঘরে তুলতে পারেননি। কৃষি অফিসের তথ্য মতে, এ বছর জেলায় ২৫ হাজার ৫২৬ হেক্টর জমিতে বোরো ধানের উৎপাদন হয়েছে। এর মধ্যে মাত্র ৪৫ ভাগ ধান ঘরে তুলতে পেরেছেন কৃষকরা। বাকি ৫৫ ভাগের মধ্যে ২০ ভাগ ধান এখনও কাঁচা। সোমবার দুপুর থেকে ঝড়সহ শিলাবৃষ্টি শুরু হয়েছে জেলায়। ঝড়সহ শিলাবৃষ্টি কারণে মাঠে থাকা পাকা ধান শুয়ে পড়েছে মাটিতে। এতে ধান কাটতে অসুবিধা সৃষ্টি হয়। এ ছাড়া শিলাবৃষ্টির কারণে পাকা ধান ঝড়ে পড়ে যায়। ফলে ক্ষতিগ্রস্ত হয় কৃষকসহ চাষিরা। এদিকে ব্যাপক ঝড়ের কারণে ডামুড্যা উপজেলা সহ বিভিন্ন এলাকার বিদ্যুৎ সংযোগ বন্ধ রয়েছে।
সরোজমিনে ডামুড্যা উপজেলার বিভিন্ন অলিতে গলিতে ঘুরে দেখা যায়, ঝড়ের কারণে গাছপালা পড়ে অনেক অলিগলি বন্ধ হয়ে রয়েছে। গাছের পাতা পরে ঢেকে রয়েছে উপজেলার বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ স্থান। ওই সমস্ত স্থানগুলোতে ঝাড়ু দিয়ে পরিষ্কারের কাজ চলছে। ঝাড়ু দেওয়ার পরে স্থানে স্থানে স্তুপ করে রাখা হয়েছে বিভিন্ন গাছ সহ অন্যান্য গাছের পাতা।
ডামুড্যা পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির ডিজিএম প্রকৌশলী জাহিদা খানম বলেন,বেশ কিছু গ্রাহক বিদ্যুৎ সরবরাহের বাইরে আছেন। আমাদের সহকর্মীগণ ঝড় থামার পরে রাত হতেই মাঠে আছেন এবং বিদ্যুৎ সরবরাহ নিশ্চিত করার জন্য নিরলস ভাবে কাজ করে যাচ্ছেন। লাইনের উপরে ব্যাপক পরিমাণ গাছপালা পরে থাকা, বৈদ্যুতিক খুঁটি ভেঙে যাওয়াসহ সরঞ্জাম ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ায় তা পুন:স্থাপনের জন্য কিছু সময় লেগে যাবে। এ কারণে সকলের কাছে ধৈর্য ও সহযোগিতা কামনা করছি।
শরীয়তপুর কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের অতিরিক্ত উপপরিচালক (শস্য) মো. রফিকুল ইসলাম বলেন, তীব্র তাপপ্রবাহের কারণে এ বছর বোরো ধানের মৌসুমে শ্রমিক সংকট চলছে। অন্যান্য জেলার অবস্থাও একই রকম। তাপপ্রবাহ ও শ্রমিক সংকটের কারণে কৃষকরা মাঠের পাকা ধান ঘরে তুলতে পারেননি। অধিকাংশ মাঠে এখনও পাকা ধান রয়েছে। ঝড়সহ শিলাবৃষ্টির কারণে মাঠে থাকা পাকা ধান ক্ষতিগ্রস্ত হবে। এতে কৃষকরা লোকসানে পড়তে পারে।
এমএসএম / এমএসএম
জয়পুরহাটে শীতার্ত শিক্ষার্থীদের পাশে ছাত্রশিবির: শতাধিক শিক্ষার্থীর মাঝে শীতবস্ত্র বিতরণ
জলমহালে অংশীদারিত্ব নিয়ে প্রতারণা, নিরাপত্তা চেয়ে থানায় সাধারণ ডায়রী
শেরপুরে বিএনপির বিদ্রোহী প্রার্থী মাসুদকে দল থেকে বহিষ্কার
শিশু বরণ থেকে স্মার্ট ক্লাসরুম, জামালগঞ্জ বিদ্যালয়ে শিক্ষার নতুন ভোর
শিবচর পুলিশের অভিযানে এক্সপ্রেসওয়ে থেকে লুট হওয়া ৪৬২ গ্যাস সিলিন্ডার উদ্ধার
চাঁদপুরে পিকআপ ভ্যান-অটোরিকশা সংঘর্ষে যুবক নিহত
জেসমিন আরা শরীয়তপুর জেলা পর্যায়ে শ্রেষ্ঠ গার্ল গাইড শিক্ষক নির্বাচিত
ভোলাহাটে জনসচেতনতামূলক প্রশিক্ষণ অনুষ্ঠিত
মাদকবিরোধী অভিযানে ৫০ পিস ইয়াবাসহ একজন গ্রেপ্তার
কুড়িগ্রামে প্রবেশন কার্যক্রম আধুনিকায়নে সেমিনার অনুষ্ঠিত
লোহাগড়ায় সেনাবাহিনীর বিশেষ অভিযানে ইয়াবাসহ মাদক কারবারি গ্রেপ্তার
আত্রাইয়ে লেডিস ক্লাবের উদ্যোগে বেদে ও সুবিধাবঞ্চিতদের মাঝে শীতবস্ত্র বিতরণ