সাতক্ষীরা জেলা আওয়ামীলীগের কোন্দল চরমে
দলীয় বিভাজন কোন্দলে চরম পর্যায়ে পৌঁছে গেছে সাতক্ষীরা জেলা আওয়ামী লীগের নেতৃত্ব। ছোট বড় মিলে ১০/১২ টি গ্রুপ রয়েছে জেলা আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীদের নিয়ে। জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি হিসাবে সম্মেলনে নির্বাচিত হন মুনসুর আহমেদ ও নজরুল ইসলাম ত্রি বার্ষিক সম্মেলন হলেও ৪বছর ৬ মাস অতিবাহিত হয়ে গেছে। ইতিমধ্যে সভাপতি মুনসুর আহমেদ মারা গেলে ভারপ্রাপ্ত সভাপতি হন ফজলুল হক। বয়সের ভারে নুয়ে পড়া ফজলুল হক নিজে চলতে অক্ষম। এক কদম হাটার শক্তি নেই। সবসময় লোক দিয়ে হাঁটানো লাগে। অসুস্থতার কারণে সবসময় থাকেন জেলা শহরের ৫০ কিমি দূরে শ্যামনগর নিজ বাড়িতে।
সাধারণ সম্পাদক নজরুল ইসলাম তিনি দীর্ঘ বছর সাধারণ সম্পাদক দায়িত্ব পালন করছেন।সভাপতি ফজলুল হক অসুস্থ থাকার কারণে সভাপতি ও সাধারণ দুটি পদ নজরুল ইসলাম কে দায়িত্ব পালন করতে হয়।
১০/১২ টি গ্রুপ হওয়ার কারণে কেউ কারোর নেতৃত্ব মানতে চায় না। সবার এজেন্ডা বাস্তবায়নে ব্যস্ত। সরজমিনে দেখা গেছে, জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি ফজলুর হক ও তার ছেলে সাংসদ সদস্য আতাউল হক দোলন সহ বেশ কয়েক জন নেতাকর্মী নিয়ে একটি গ্রুপ। তাছাড়া আরও গ্রুপ রয়েছে জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক নজরুল ইসলাম গ্রুপ, জেলা আওয়ামী লীগের সহ সভাপতি সাবেক সংসদ মীর মোশতাক আহম্মেদ রবি গ্রুপ, জেলা আওয়ামী লীগের সহ সভাপতি আবু আহম্মেদ গ্রুপ, জেলা আওয়ামী লীগের সহ সভাপতি শেখ সাহিদ উদ্দিন, সাংগঠনিক সম্পাদক আক্তার হোসেন গ্রুপ, সংরক্ষিত মহিলা সংসদ সদস্য লায়লা পারভীন সেঁজুতি ও জেলা যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আ হ ম তারেক ভাই গ্রুপ,জেলা আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আসাদুজ্জামান বাবু, সদর উপজেলা সভাপতি রশিদ,সাধারণ সম্পাদক শাহাজাহান গ্রুপ সক্রিয় আছে। ৭১ বিশিষ্ট কমিটিতে ১০/১২ টি গ্রুপ হওয়ার কারণে দলীয় কোন্দল চরম পর্যায়ে পৌঁছে গেছে। নেতৃত্বের ভাটা পড়েছে।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক জেলা আওয়ামী লীগের একজন সম্পাদক মন্ডলীর সদস্য বলেন, আমরা দিশেহারা এখন সাতক্ষীরা রাজনীতিতে। নৌকায় ভর করেছে নাঙ্গল জেলা আওয়ামী লীগের গ্রুপিং এর কারণে সম্প্রতি সদ্য উপজেলা পরিষদের নির্বাচনে আওয়ামী লীগের মনোনীত প্রার্থী এসএম শওকত হোসেন কে টোপকিয়ে জেলা জাতীয় পার্টির যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মশিউর রহমান বাবু নাঙ্গল প্রতীকে সদ্য নির্বাচিত হন। শুধুমাত্র দলীয় দ্বন্দ্বের কারণেই এই পরাজয় সাতক্ষীরা জেলা আওয়ামী লীগের। কেউ কাউকে মানে না।যে যার মত হিসাব নিকাশ করতে ব্যস্ত।যার কারণে আমরা সাংগঠনিক ভাবে অনেক দূর্বল হয়ে পড়েছি।সদর আসনে সদর উপজেলা চেয়ারম্যান জাতীয় পার্টির দখলে চলে গেছে এখানে অনেক কিছু পরিষ্কার আওয়ামী লীগের অবস্থান কতটুকু সাতক্ষীরা। অতি দ্রুত জেলা আওয়ামী লীগের সম্মেলন করে নতুন নেতৃত্বে এনে জেলা আওয়ামী লীগ শক্তিশালী করার বিকল্প নেই।
আরেকজন সম্পাদক মন্ডলীর সদস্য বলেন, জেলা আওয়ামী লীগের বিভাজনে চরমে অনেকে দল থেকে মুখ ফিরিয়ে নিচ্ছে। যে যার মত খুশি করে চলেছে লাগাম টানার কেউ নেই।শক্তিশালী নেতৃত্ব না থাকলে যেটা হয় আজ জেলা আওয়ামী লীগ তার প্রতিচ্ছবি।আমাদের সকলের উচিত ব্যক্তি এজেন্ডা বাদ দিয়ে সংগঠন শক্তিশালী করা।যে একটা চেয়ার পাচ্ছে সে গ্রুপ সৃষ্টি করছে। সম্প্রতি কিছু নির্বাচন,মেডিকেল কলেজ ছাত্রলীগ কমিটি গঠন নিয়ে সেটা প্রকাশ পেয়েছে।
সম্পূর্ণ ব্যক্তিগত রাজনীতিতে রূপ নিয়েছে জেলা আওয়ামী লীগ।
এভাবেই চলতে থাকলে সাতক্ষীরা জেলা আওয়ামী লীগের রাজনীতির ভবিষ্যৎ নিয়ে প্রশ্ন তুলছেন আওয়ামী লীগের ত্যাগী কর্মীরা।
এমএসএম / এমএসএম
তিস্তা মহাপরিকল্পনার কাজ দ্রুত শুরু হবে, রংপুর অঞ্চলের দুই কোটি মানুষের ভাগ্য পরিবর্তনে কাজ চলছে কুড়িগ্রামে- ত্রাণমন্ত্রী
শেরপুরে ডেঙ্গু রোগ প্রতিরোধে জনসচেতনতা মূলক কার্যক্রম অনুষ্ঠিত
ময়মনসিংহে ন্যাশনাল ডক্টরস ফোরামের জাকাত প্রকল্পে সেলাই মেশিন বিতরণ
দরিদ্রতা কমিয়ে আনাই প্রধান লক্ষ্য- সফিকুর রহমান কিরণ
বিশ্বের সবচেয়ে বড় কড়াইয়ে কুড়িগ্রামে এক লাখ মানুষের ইফতার
শ্রীপুরে আমলসার ইউনিয়নে ঈদুল ফিতর উপলক্ষে ভিজিএফের চাউল বিতরণ
বরগুনায় ফসলি জমির মাটি ইটভাটায়, অপসারণের দাবি স্থানীয়দের
ঈদ সামনে রেখে কুতুবদিয়ায় অগ্নি প্রতিরোধে ফায়ার সার্ভিসের সচেতনতামূলক প্রচারণা
চট্টগ্রাম বন্দরে ইনল্যান্ড মাষ্টার পদে পদোন্নতিতে অনিয়মের অভিযোগ
পাকশী থেকে ২ টি ওয়ান শুটার গান ও ৭ রাউন্ড তাজা কার্তুজ উদ্ধার
আদমদীঘিতে ১১০ পিস ট্যাপেন্টাডলসহ গ্রেপ্তার -২
গজারিয়া ফাউন্ডেশনের উদ্যোগে ঈদ উপহার বিতরণ