জমজমাট দিয়াবাড়ি পশুর হাট, কেনাবেচার ধুম
কুরবানীর ঈদকে সামনে রেখে জমে উঠেছে উত্তরা দিয়াবাড়ি পশুর হাট। গত দুদিন হাটে ক্রেতাসাধারণের উপস্থিতি কম থাকলেও আজ দুপুরের পর থেকে ভরপুর কুরবানীর পশু কেনা-বেচায় মেতে উঠেছে ব্যাপারি ও ক্রেতাসাধারণেরা।
আজ (শনিবার) বিকেলে উত্তরা ১৬ নম্বর সেক্টর কুরবানির পশুর হাট ঘুরে দেখা যায়, লোকে-লোকারণ্য গরুর হাট। দিনভর বেচাকেনা হওয়ায় এরই মধ্যে হাটের সীমানা প্রাচীরের অধিকাংশ গরুর খুটিই খালি পড়ে আছে। গরু বিক্রির পাশাপাশি জমে উঠেছে ছাগল বিক্রেতাদের আসরও। তবে, হাটে কুরবানীর পশুর দরদাম নিয়ে ক্রেতা-বিক্রেতাদের বক্তব্যে উঠে এসেছে মিশ্র প্রতিক্রিয়া।
ব্যাপারিরা বলছে, গরু লালন-পালনে খরচ বেশি হয়ে গেলেও এবার তেমন ভালো দাম পাওয়া যাচ্ছে না। ক্রেতারা কম দামে গরু কিনতে চাইছে বলে জানান হাটের অধিকাংশ গরুর ব্যাপারি। কুষ্টিয়ার গরু ব্যাপারি আলী আকবর দৈনিক সকালের সময়কে জানায়, বাজার ভালো আছে। কাস্টমার প্রচুর আসছে কিন্তু, বিক্রি ততটা হচ্ছে না। এখন পর্যন্ত ১টা বিক্রি করছি ৯৫ হাজার টাকায়। ওটার দাম ১ লক্ষ ১০ হাজার চাইছিলাম।
দিয়াবাড়ি হাটে ময়মনসিংহ থেকে বড় আকৃতির দুটি গরু নিয়ে আসা সবুজ ব্যাপারি জানায়, আমার একটা গরুর ওজন ৬৭৫ কেজি। আরেকটা প্রায় ২৭ মণ। দাম চাচ্ছি তিন লাখ বিশ হাজার আর চার লাখ করে। কিন্তু, এখনো বেঁচতে পারি নাই।
এদিকে, হাটে আসা ক্রেতারা বলছে- দ্রব্যমূল্যের উর্ধ্বমুখী বিবেচনায় গরুর দাম ঠিকই আছে। তবে সবকিছুর দাম বেশি হওয়ায় সাধ্যের মধ্যে কুরবানীর পশু কেনার চেষ্টা করছেন তারা। ইসিবি চত্বর থেকে দিয়াবাড়ি হাটে আসা তানিয়া তাজিম সকালের সময়কে জানায়, গরুর দাম চেয়েছে ১ লাখ ৭৫ হাজার টাকা। আমি ১ লাখ পঁচিশ হাজার টাকা দিয়ে গরুটা গরু কিনলাম। দাম দুপুরের দিকে কিছুটা কম ছিল। এখন বিকেল হওয়ার সাথে সাথে দাম বেশি চাইছে ব্যাপারিরা। তবুও কিনে ফেললাম। ২টা খাসি কিনেছি পঁয়ত্রিশ হাজার টাকায়।
খিলক্ষেতের নিকুঞ্জ থেকে হাটে আসা মোহাম্মদ আলী জানায়, বাজার দর মোটামুটি। গত বছরের তুলনায় একটু বেশিই মনে হচ্ছে। এটা হওয়াটাও স্বাভাবিক- কারণ সবকিছুর দামই তো বেড়েছে। আমি ১লাখ টাকার মধ্যে কিনতে চাচ্ছি কিন্তু, এখন ১ লাখ ত্রিশেও পাচ্ছি না। যেগুলো পছন্দ হয় সেগুলোর দাম বেশি মনে হচ্ছে।
অপরদিকে, হাট ঘুরে দেখা যায়- এ বছর কুরবানির ছাগল (খাসি) ব্যাপারিদের অবস্থা খুব একটা ভালো নয়। সারাবছর কষ্ট করে কুরবানির ঈদে বিক্রির আশায় হাটে ছাগল নিয়ে আসলেও ন্যায্য দাম পাচ্ছেন না তারা। এক্ষেত্রে মানুষের ক্রয় ক্ষমতার অবনতিকেই দুষছেন ব্যাপারিরা। দিয়াবাড়ি হাটের ছাগল ব্যাপারি আজহার সকালের সময়কে জানায়, ২০টার মধ্যে ১১টা বিক্রি করছি। ৭টা ছাগল বিক্রি করছি দুই থেকে তিন হাজার টাকা লাভে। আর বাকিগুলা সমান-সমান। তেমন একটা লাভ হচ্ছেনা।
এমএসএম / এমএসএম
বৃহত্তর উত্তরা সর্বোচ্চ উলামা আইম্মা পরিষদের কেন্দ্রীয় সম্মেলন ২০২৬ অনুষ্ঠিত
শহীদ মডেল স্কুল এন্ড কলেজ কামারপাড়া তুরাগের বার্ষিক ক্রীড়া প্রতিযোগিতার পুরস্কার বিতরণ অনুষ্ঠিত
রাজউকের মোবাইল কোর্ট অভিযানে রাজধানীর বিভিন্ন এলাকায় তিন ভবনে ব্যবস্থা, মিটার জব্দ
জন্মনিয়ন্ত্রণে ‘ভূতের বাতি’ সামগ্রীর তীব্র সংকটে সেবা ব্যাহত, বঞ্চিত কোটি কোটি দম্পতি
ফায়ারের ডিজির বিরুদ্ধে অপপ্রচারে লিপ্ত ফায়ার ফাইটার কামাল
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান-এর সঙ্গে বাংলাদেশ স্কাউটসের প্রতিনিধি দলের সৌজন্য সাক্ষাৎ
বিএমইউর সুপার স্পেশালাইজড হাসপাতালে মালামাল চুরির ঘটনায় গ্রেফতার ২
সাংবাদিকের ওপর হামলা হোটেল বায়ান্ন ইন্টারন্যাশনাল কর্মচারীদের
প্রশাসনিক ট্রাইব্যুনালে ফরেস্ট গার্ডদের মামলা পদোন্নতির সমাধান আদালতে
‘সংরক্ষিত আসনের জন্য আমাকে প্রস্তাব দেওয়া হয়েছিল, ফিরিয়ে দিয়েছি’
সন্ত্রাসী ভাড়া করে ক্যান্সার হাসপাতালের উপ-পরিচালককে ছুরিকাঘাত
পোড়া তেল ব্যবহার না করার আহ্বান বিএফএসএ চেয়ারম্যানের