ঢাকা বুধবার, ২৪ জুন, ২০২৬

পানির জন্য হাহাকারাবস্থা

পাট জাগ দেয়া নিয়ে চিন্তিত পাবনাঞ্চলের কৃষক


এম মাহফুজ আলম, পাবনা photo এম মাহফুজ আলম, পাবনা
প্রকাশিত: ২৮-৭-২০২৪ দুপুর ২:৩

যখন দেশের অনেক এলাকা বন্যা ও বৃষ্টির পানিতে প্লাবিত; তখন উত্তর-পশ্চিমাঞ্চলের পাবনা অঞ্চল পানির অভাবে মানুষ দিশেহারা। বিশেষ করে পানির অভাবে পাট জাগ নিয়ে অত্যন্ত চিন্তিত পাট চাষীরা। পাট কাটার সময় হলেও পানির অভাবে পাট কাটতে পারছেন না কৃষকরা। এ অবস্থায় মাঠের মধ্যেই পাট শুকিয়ে যাওয়ার আশঙ্কা।
এ বছর রেকর্ড পরিমাণ জমিতে পাট আবাদ হয়েছে। বৃষ্টি না হওয়ায় পাট চাষ শুরু থেকেই শেষ পর্যন্ত পাটচাষিদেও ভোগান্তিতে পড়তে হচ্ছে। তারপরও অক্লান্ত পরিশ্রমের মাধ্যমে সঠিক পরিচর্যার ফলে পাট আবাদ  বেশ ভালোই হয়েছে। এছাড়া পাট সঠিকভাবে পচাতে না পারলে আঁশের মান নষ্ট হওয়ার আশঙ্কা থাকে।
পানির অভাবে পাট কাটতে পারছেন না এ অঞ্চলের পাট চাষীরা। আষাঢ়-শ্রাবণ বর্ষাকালেও খাল-বিল, নদী-নালা, পুকুর, জলাশয় পানিশূন্য। খাল-বিল ও হ্রদে পানি না থাকায় পাট পচাতে কৃষকদের হিমশিম খেতে হচ্ছে। গত কয়েক বছর ধরে এ ধরণের সমস্যা চলছে বলে কৃষিকর্মকর্তা ও চাষিরা জানান।
পাবনা সদর উপজেলার মালঞ্চি গ্রামের কৃষক হারান আলী জানান, গত বছর তিনি চার বিঘা জমিতে পাট চাষ করেছিলেন। চাষের খরচ বেশি, বিক্রিতে ভালো দাম না পাওয়া এবং পানির অভাবে প্রতি বছর পাট পচাতে বিড়ম্বনায় আমরা ধীরে ধীরে পাট চাষ কমাতে বাধ্য হচ্ছি। এ বছর তিনি ২ বিঘা জমিতে পাট চাষ করেছেন। এসব কারণে এ অঞ্চলের কৃষকরা ক্রমান্বয়ে পাট চাষ কমিয়ে দিচ্ছেন।
সদর উপজেলার নারানপুর অঞ্চলের পাট চাষি জহুরুল ইসলাম জানান, দিন দিন সার ও কীটনাশক, শ্রমিকদের মজুরির দাম বৃদ্ধি পাওয়ায় পাট চাষ আশানুরূপ লাভজনক হচ্ছে না। এছাড়া পাট পচাতে জায়গার অভাব ও পানির অভাব রয়েছে।
একই এলাকার কৃষক বাবুল হোসেন জানান, পানির অভাবে সেচ মেশিন দিয়ে পানি দিয়ে পাট জাগ (পচা) দেয়ার ব্যবস্থা করতে হচ্ছে; যা ব্যয়বহুল ও কষ্টকর যেটি সবার জন্য কষ্টকর।
পাবনা জেলার পাট উন্নয়ন বিশেষজ্ঞরা জানান, এ জেলার মাটি পাট উৎপাদনের জন্য খুবই উর্বর। তাই কৃষি বিভাগের কর্মকর্তাদের সার্বিক তত্ত্বাবধানে কৃষকরা পাট উৎপাদনে বেশ আগ্রহী। কৃষকদের বীজ, সার, প্রশিক্ষণ ও পরামর্শ প্রদানের মাধ্যমে কৃষকরা পাট চাষে উদ্বুদ্ধ হন।”
পাবনা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক ডঃ জামাল উদ্দিন বলেন, পাবনা জেলার ৯টি উপজেলায় ৪৩,৭৬২ হেক্টর জমিতে চাষ করা হয়েছে এবং উৎপাদনের লক্ষ্যমাত্রা ধরা হয়েছে ৫,৯৬,১১৩ টন।
এর মধ্যে রয়েছে তোষা পাট ৪৩,৫০০ হেক্টর, মেস্তা ২৫০ হেক্টর এবং দেশি পাট ১২ হেক্টর। পাটের আবাদ  মোটামুটি ভালো হয়েছে। কিন্তু পানির সমস্যার কারণে কৃষকদের হিমশিম খেতে হচ্ছে। সেচযন্ত্রের মাধ্যমে পানি উত্তোলন করে পাট পচানোর সুপারিশ করা হয়েছে; যদিও এটি পাটের গুণমান উন্নত করে না। এই মানের পাটের ভালো দাম থেকে বঞ্চিত হচ্ছেন কৃষকরা। এ ছাড়া বিকল্প উপায় নেই।”

এমএসএম / এমএসএম

তারাগঞ্জে শিশু সানজিদা হত্যা মামলার রহস্য উদঘাটন

কুমিল্লায় ১০ লাখের বেশি শিশুকে খাওয়ানো হবে ভিটামিন ‘এ’ ক্যাপসুল

মগনামা উচ্চ বিদ্যালয়ের বাউন্ডারি দেয়াল থেকে লোহার গ্রিল চুরি

কালকিনিতে বাস চাঁপায় প্রান গেল প্রবাসীর

আদমদীঘিতে নারীসহ তিনজন গ্রেপ্তার মাদক উদ্ধার

চাঁদপুর জেলায় ৩লাখ ৬৬ হাজার শিশুকে ভিটামিন ‘এ’ খাওয়ানো হবে

পটুয়াখালীতে ভূমিকম্প-অগ্নিকাণ্ডে করণীয় শেখাতে পিস স্কুলের ব্যতিক্রমী মহড়া

সুবর্ণচরে ফলজ, বনজ, ঔষধি গাছ বিতরণ উদ্বোধন

নাগরপুরে স্কুলের টিউবওয়েলে পানি পান করে শিক্ষার্থীরা অসুস্থ

অভিযোগের ১১ দিনেও মামলা নথিভূক্ত করেনি সাভার মডেল থানা পুলিশ

দাউদকান্দিতে আওয়ামী লীগের নৈরাজ্যের প্রতিবাদে বিএনপির বিক্ষোভ মিছিল

সুবর্ণচরে জব ফেয়ার ২০২৬ অনুষ্ঠিত

ধামরাইয়ে সওজের উচ্ছেদ অভিযানে হামলা, আহত-২