ঢাকা মঙ্গলবার, ১৮ আগস্ট, ২০২৬

ঝিনাইদহ চক্ষু হাসপাতালের সহকারী পরিচালকের বিরুদ্ধে পাহাড়সম অভিযোগ


শামীমুল ইসলাম শামীম, ঝিনাইদহ photo শামীমুল ইসলাম শামীম, ঝিনাইদহ
প্রকাশিত: ২-৯-২০২৪ দুপুর ২:৩

ঝিনাইদহ চক্ষু হাসপাতাল ও অন্ধ পুনর্বাসন কেন্দ্রের সহকারী পরিচালক মিলন হোসেনের বিরুদ্ধে নানা অনিময় ও দুর্নীতির অভিযোগ উঠেছে। হাসপাতালের ৮০ জন কর্মকর্তা-কর্মচারী তার বিরুদ্ধে দুর্নীতির নানা অভিযোগ সমাজসেবা কার্যালয়ের উপ-পরিচালকের বরাবর লিখিত ভাবে দিলেও অদৃশ্য কারণে আজ পর্যন্ত কোন ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি। এতে চরম ক্ষুব্ধ হাসপাতালের কর্মকর্তা-কর্মচারীরা।
অভিযোগে জানা যায়, মিলন হোসেন ১৯৯৯ সালে চক্ষু হাসপাতালে হিসাব রক্ষক হিসেবে যোগদান করেন। অন্যান্য কর্মকর্তাদের পদোন্নতী না হলেও কর্তৃপক্ষকে ম্যানেজ করে কয়েকদফায় নিজের পদোন্নতী করিয়েছেন। সম্প্রতি তিনি সহকারী পরিচালক পদে পদোন্নতী পেয়েছেন।
হাসপাতালের কর্মকর্তা-কর্মচারীদের অভিযোগ মিলন হোসেন হাসপাতালের চশমা ক্রয়, সাইনবোর্ড নির্মাণ, মোটর সাইকেলের সেড নির্মাণে ব্যাপক দুর্নীতি করেছেন। নির্দিষ্ট সময়ে তিনি অফিসে আসেন না। কর্মচারীদের সাথেও র্দূব্যবহার করেন তিনি। হাসপাতালে সরবরাহকৃত ঔষধ, উপকরণ, লেন্স ক্রয় থেকে শুরু করে সকল কেনাকাটায় অনিয়ম করেন তিনি। হিসাব রক্ষক থাকাকালে অতিরিক্ত দ্বায়িত্ব পালনের নামে প্রতিমাসে ২৫০০ টাকা নিতেন। নিজের আত্মীয় স্বজনদের বিনামুল্যে চিকিৎসা করান।
হাসপাতালের সিনিয়র কনসালটেন্ট সার্জন ডা: মোঃ আব্দুল হালিম বলেন, মিলন হোসেন ঝিনাইদহের সদ্য সাবেক জেলা প্রশাসক এস এম রফিকুল ইসলামের সাথে যোগসাজস করে বিজ্ঞপ্তি ছাড়াই মোটা টাকার বিনিময়ে জনবল নিয়োগ দিয়েছেন। আমাদের কোন পদন্নতী না হলেও তিনি পদোন্নতী বাগিয়ে নিয়েছেন। সম্প্রতি হাসপাতালের কর্মকর্ত-কর্মচারীরা তার বিরুদ্ধে কথা বললে তিনি ছুটির অজুহাতে এখন অফিসে আসেন না। আমরা চাই সমাজসেবা কার্যালয়ে যে লিখিত অভিযোগ দিয়েছি তার সুষ্ঠু তদন্ত করে তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হোক।
সিনিয়র ল্যাব সহকারী তরিকুল ইসলাম বলেন, এর আগে মিলনের দুর্নীতির ধরে ফেলায় ২ জন কর্মচারীকে বহিস্কার করা হয়। এতদিন তার বিরুদ্ধে আমরা কথা বলতে পারিনি। আমরা হাসপাতালের ৮০ জন কর্মকর্তা-কর্মচারী অভিযোগ দিয়েছি। কিন্তু অদৃশ্য কারণে আজ পর্যন্ত কোন ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি। আমরা যে অভিযোগ দিয়েছি তার সুর্নিদিষ্ট প্রমাণ আমাদের কাছে আছে। হাসপাতালের সাধারণ সম্পাদক ও সমাজসেবা কার্যালয়ের উপ-পরিচালক তার বিরুদ্ধে কেন তদন্ত করছে না তা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। আমরা চাই আমাদের দেওয়া অভিযোগের সুষ্ঠু তদন্ত করা হোক।
অভিযোগের ব্যাপারে মিলন হোসেন বলেন, আমার বিরুদ্ধে যে অভিযোগ দিয়েছে তার কোন সত্যতা নেই। আমার বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র করা হচ্ছে।
এ ব্যাপারে সমাজসেবা কার্যালয়ের উপ-পরিচালক আব্দুল কাদের বলেন, যেহেতু জেলা প্রশাসক ওই হাসপাতালের সভাপতি। বর্তমানে জেলা প্রশাসক নেই এ জন্য তদন্ত কমিটি বা ব্যবস্থা নিতে পারছি না। নতুন জেলা প্রশাসক এলেই অভিযোগের বিষয়ে ব্যবস্থা নিব।

এমএসএম / এমএসএম

লোকালয় থেকে উদ্ধারকৃত অজগর কাপ্তাই জাতীয় উদ্যানে অবমুক্ত

উত্তরাঞ্চলের শিক্ষা ব্যবস্থায় আরেকটি মাইলফলক

সুবর্ণচরে নারী, শিশু, ব্রাককর্মীসহ ৩ মরদেহ উদ্ধার

ঠাকুরগাঁওয়ের রুহিয়া উচ্চ বিদ্যালয় পরিদর্শনে ইউএনও শিক্ষার মান উন্নয়ন ও ৪টি ক্লাব গঠনের নির্দেশ

কুড়িগ্রামে জমিজমা নিয়ে সংঘর্ষ, স্বামী-স্ত্রীসহ আহত ৫

হানিট্রাপের অভিযোগ সেনাসদস্যের সম্মানহানি তদন্ত দাবি

চাঁদপুর যাত্রী টার্মিনাল প্রকল্প নিয়ে প্রকাশিত সংবাদের প্রতিবাদ জানিয়েছে মায়ার লিমিটেড ও কবিরস সিন্ডিকেট জেভি

ভূরুঙ্গামারী থানা জেলার শ্রেষ্ঠ, সেরা সার্কেল এএসপি মুনতাসির ও ওসি আজিম

শাহরাস্তিতে সরকারি গাছ কাটার টাকা ফেরত দিলেন বিএনপি নেতা

মেহেরপুরে ৭০ মেধাবী শিক্ষার্থীকে জেলা পরিষদের বৃত্তি প্রদান

কেডিএর সেবা ও মাস্টার প্ল্যান নিয়ে অভয়নগরে মতবিনিময়

খাদ্যে ভেজাল, ভুয়া ‘ডা.’ পদবী ব্যবহার : চাঁদপুরে তিন প্রতিষ্ঠানের জরিমানা

সিংড়ায় ট্রাফিক আইন অমান্য করায় ৪ জনকে জরিমানা