ঢাকা শুক্রবার, ১৯ জুন, ২০২৬

অতিরিক্ত দামেও মিলছে না গ্যাস সিলিন্ডার বিপাকে পড়ে মাটির চুলা ব্যবহার


হারুন অর র‌শিদ রাজু, দামুড়হুদা photo হারুন অর র‌শিদ রাজু, দামুড়হুদা
প্রকাশিত: ১৮-১-২০২৬ বিকাল ৭:১

তরলীকৃত পেট্রোলিয়াম গ্যাসের (এলপিজি) সরবরাহ সংকটে চরম বিপাকে পড়েছেন গ্রাহকরা। সরকার ঘোষিত দামে বাজারে এলপি গ্যাস সিলিন্ডার মিলছে না। এমনকি ১২ কেজির একটি সিলিন্ডার হাজার টাকা বেশি গুনেও পাওয়া যাচ্ছে না। এতে প্রতিদিনের বাসা-বাড়ি ও হোটেল-রেস্তোরাঁর রান্না নিয়ে মারাত্মক সমস্যা দেখা দি‌য়ে‌ছে। ১২ কেজির এলপিজি সিলিন্ডারের সরকার নির্ধারিত দাম ১ হাজার ৩০৬ টাকা হলেও বাস্তবে সে দামে সিলিন্ডার পাওয়া যাচ্ছে না। এমনকি ১ হাজার ৩০০ টাকার সিলিন্ডার ২ হাজার ৩০০ টাকা দিয়েও অনেক এলাকায় মিলছে না। এতে গ্রাহকদের ভোগান্তির পাশাপাশি বাড়ছে অসন্তোষও। গতকাল রোববার দুপুরে চুয়াডাঙ্গা জেলার বিভিন্ন এলাকার মার্কেট ও এলপিজি সিলিন্ডার বিক্রির দোকান ঘুরে এমন চিত্র দেখা গেছে৷
খুচরা বিক্রেতারা জানিয়েছেন, সরবরাহ কমায় তারা চাহিদা অনুযায়ী সিলিন্ডার পাচ্ছেন না তারা। অনেক ডিলারের দোকান ফাঁকা। কোনো কোনো দোকানে সীমিত সংখ্যক সিলিন্ডার থাকলেও তা মুহূর্তেই শেষ হয়ে যাচ্ছে। একদিকে ভোক্তাদের চাহিদা অনুযায়ী সরবরাহ না থাকা অন্যদিকে বাড়তি দামেও ডিলার পয়েন্ট থেকে সিলিন্ডার আনতে পারছেন না৷ সরবরাহ সংকটের কারণে গত এক মাসেরও বেশি সময় ধরে রান্নার কাজে ব্যবহৃত গ্যাস সিলিন্ডারের সংকট চলছে। অনেকে বাধ্য হয়ে বৈদ্যুতিক চুলা ও নিম্নআয়ের মানুষেরা মাটির চুলা ব্যবহার করছেন।
ভোক্তারা বলছেন, বর্তমান যু‌গে বাসা-বাড়িতে রান্নার একমাত্র ভরসা এলপি গ্যাস। সংকটের কারণে বাধ্য হয়ে কেউ কেউ অতিরিক্ত দামে কিনছেন, আবার অনেক পরিবার চরম ভোগান্তিতে পড়েছেন। বিশেষ করে নিম্ন ও মধ্যবিত্ত পরিবারগুলোর জন্য পরিস্থিতি আরও কঠিন হয়ে উঠেছে।
দর্শনা থানাধীন কুড়ুলগাছি এলাকার চা বিক্রেতা সালেকিন বলেন, চায়ের দোকানে সিলিন্ডার গ্যাস আমাদের লাগেই। এই এলাকার কোনো দোকান থেকে সিলিন্ডার কিনতে পারছি না। বাধ্য হয়ে মাটির চুলা ব্যবহার করছি।
আরেক দোকানি বলেন, অনেক খোঁজাখুঁজি করে গত শনিবার রাতে ১ হাজার ৫০০ টাকায় একটি সিলিন্ডার পে‌য়ে‌ছি৷ দাম তো অনেক বেশি৷ কিন্তু কিছু করার নেই। গ্যাস তো লাগবেই৷ এজন্য বাধ্য হয়ে বাড়তি দামে কিনতে হচ্ছে।
চুয়াডাঙ্গার সিগন্যাল এলাকার এলপিজি সিলিন্ডারের খুচরা ব্যবসায়ী সাগর বলেন, আমরা আগে ১২ কেজির সিলিন্ডার ১ হাজার ৩০০ টাকায় বিক্রি করেছি। এখন অনেকেই সিলিন্ডার চাচ্ছেন, আমরা দিতে পারছি না। পাইকারি বিক্রেতারা দাম বেশি নিচ্ছেন৷ কিন্তু গত দুদিন বেশি দামেও পাচ্ছি না। কোম্পানি থেকে সরকারি দামে এলপিজি সিলিন্ডার পাচ্ছেন কি না, এমন প্রশ্নে ওই বিক্রেতা বলেন, কোম্পানি আমাদের থেকে সরকার নির্ধারিত দাম রাখছে। আমরা প্রতি সিলিন্ডারে সর্বোচ্চ ১০০ থেকে ১৫০ টাকা লাভ করি। ঘরভাড়া, ভ্যান ভাড়া ও লেবার খরচ বাদ দিয়ে তেমন লাভ থাকে না।
চুয়াডাঙ্গা জেলার বিভিন্ন বাজার ঘুরে দেখা গেছে, এলপিজি সংকটের সুযোগ নিয়ে অনেক পাইকারি ব্যবসায়ী বাড়তি দাম রাখছেন। কোথাও কোথাও অস্বাভাবিক দাম রাখা হচ্ছে। ত‌বে গ্যাস কি আস‌লে সংসট নাকী কৃ‌ত্রিম সংকট দে‌খি‌য়ে ফয়দা লুট‌ছে ব্যবসায়ীরা সং‌শ্লিষ্ট কতৃপ‌ক্ষকে তা খ‌তি‌য়ে দেখার দাবী উঠে‌ছে।

এমএসএম / এমএসএম

৩ ব্রোকারেজ হাউজ-কে ডিএসই’র ফিক্স সার্টিফিকেশন প্রদান

বাগেরহাটের মোংলায় বিদ্যালয় পরিচালনা পর্ষদ গঠন নিয়ে দু’পক্ষের সংঘর্ষ, অফিস ভাঙচুর

মধুখালী নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট প্রতিক দত্তর অভিযানে মধুমতি নদীতে অবৈধ ড্রেজার জব্দ

চুয়াডাঙ্গা কালেক্টরেট স্কুল অ্যান্ড কলেজ পরিদর্শন করলেন জেলা প্রশাসক লুৎফুন নাহার

আদমদীঘিতে তিন দিনব্যাপী জাতীয় ফল মেলার উদ্বোধন

কৃষি ও পুষ্টি উন্নয়নে টুঙ্গিপাড়ায় পার্টনার কংগ্রেস

সিংড়া উপজেলা পর্যায়ে স্টেক হোন্ডারদের সাথে সমন্বয় সভা অনুষ্ঠিত

কাউনিয়ায় বিএনপি নেতা মোশাররফ হোসেন রকসির পিতার জানাজা ও দাফন সম্পন্ন

কৃষকের ৩০০ মণ ধানসহ বাংলো ঘর পুড়ে ছাই

উলিপুরে এসডিজি অর্জনে দিনব্যাপী কর্মশালা অনুষ্ঠিত

দর্শনা থানাপাড়ায় যুবদল নেতা রিংকুর ব্যক্তিগত উদ্যোগে কলের পাড় নির্মাণ, জনসাধারণের স্বস্তি

যশোরে রিয়াজ হত্যাকাণ্ডে মামলা-পুলিশের অভিযানে প্রেপ্তার ৩

নতুন দায়িত্ব পেলেন সমাজকল্যাণমন্ত্রী জাহিদ হোসেন