অতিরিক্ত দামেও মিলছে না গ্যাস সিলিন্ডার বিপাকে পড়ে মাটির চুলা ব্যবহার
তরলীকৃত পেট্রোলিয়াম গ্যাসের (এলপিজি) সরবরাহ সংকটে চরম বিপাকে পড়েছেন গ্রাহকরা। সরকার ঘোষিত দামে বাজারে এলপি গ্যাস সিলিন্ডার মিলছে না। এমনকি ১২ কেজির একটি সিলিন্ডার হাজার টাকা বেশি গুনেও পাওয়া যাচ্ছে না। এতে প্রতিদিনের বাসা-বাড়ি ও হোটেল-রেস্তোরাঁর রান্না নিয়ে মারাত্মক সমস্যা দেখা দিয়েছে। ১২ কেজির এলপিজি সিলিন্ডারের সরকার নির্ধারিত দাম ১ হাজার ৩০৬ টাকা হলেও বাস্তবে সে দামে সিলিন্ডার পাওয়া যাচ্ছে না। এমনকি ১ হাজার ৩০০ টাকার সিলিন্ডার ২ হাজার ৩০০ টাকা দিয়েও অনেক এলাকায় মিলছে না। এতে গ্রাহকদের ভোগান্তির পাশাপাশি বাড়ছে অসন্তোষও। গতকাল রোববার দুপুরে চুয়াডাঙ্গা জেলার বিভিন্ন এলাকার মার্কেট ও এলপিজি সিলিন্ডার বিক্রির দোকান ঘুরে এমন চিত্র দেখা গেছে৷
খুচরা বিক্রেতারা জানিয়েছেন, সরবরাহ কমায় তারা চাহিদা অনুযায়ী সিলিন্ডার পাচ্ছেন না তারা। অনেক ডিলারের দোকান ফাঁকা। কোনো কোনো দোকানে সীমিত সংখ্যক সিলিন্ডার থাকলেও তা মুহূর্তেই শেষ হয়ে যাচ্ছে। একদিকে ভোক্তাদের চাহিদা অনুযায়ী সরবরাহ না থাকা অন্যদিকে বাড়তি দামেও ডিলার পয়েন্ট থেকে সিলিন্ডার আনতে পারছেন না৷ সরবরাহ সংকটের কারণে গত এক মাসেরও বেশি সময় ধরে রান্নার কাজে ব্যবহৃত গ্যাস সিলিন্ডারের সংকট চলছে। অনেকে বাধ্য হয়ে বৈদ্যুতিক চুলা ও নিম্নআয়ের মানুষেরা মাটির চুলা ব্যবহার করছেন।
ভোক্তারা বলছেন, বর্তমান যুগে বাসা-বাড়িতে রান্নার একমাত্র ভরসা এলপি গ্যাস। সংকটের কারণে বাধ্য হয়ে কেউ কেউ অতিরিক্ত দামে কিনছেন, আবার অনেক পরিবার চরম ভোগান্তিতে পড়েছেন। বিশেষ করে নিম্ন ও মধ্যবিত্ত পরিবারগুলোর জন্য পরিস্থিতি আরও কঠিন হয়ে উঠেছে।
দর্শনা থানাধীন কুড়ুলগাছি এলাকার চা বিক্রেতা সালেকিন বলেন, চায়ের দোকানে সিলিন্ডার গ্যাস আমাদের লাগেই। এই এলাকার কোনো দোকান থেকে সিলিন্ডার কিনতে পারছি না। বাধ্য হয়ে মাটির চুলা ব্যবহার করছি।
আরেক দোকানি বলেন, অনেক খোঁজাখুঁজি করে গত শনিবার রাতে ১ হাজার ৫০০ টাকায় একটি সিলিন্ডার পেয়েছি৷ দাম তো অনেক বেশি৷ কিন্তু কিছু করার নেই। গ্যাস তো লাগবেই৷ এজন্য বাধ্য হয়ে বাড়তি দামে কিনতে হচ্ছে।
চুয়াডাঙ্গার সিগন্যাল এলাকার এলপিজি সিলিন্ডারের খুচরা ব্যবসায়ী সাগর বলেন, আমরা আগে ১২ কেজির সিলিন্ডার ১ হাজার ৩০০ টাকায় বিক্রি করেছি। এখন অনেকেই সিলিন্ডার চাচ্ছেন, আমরা দিতে পারছি না। পাইকারি বিক্রেতারা দাম বেশি নিচ্ছেন৷ কিন্তু গত দুদিন বেশি দামেও পাচ্ছি না। কোম্পানি থেকে সরকারি দামে এলপিজি সিলিন্ডার পাচ্ছেন কি না, এমন প্রশ্নে ওই বিক্রেতা বলেন, কোম্পানি আমাদের থেকে সরকার নির্ধারিত দাম রাখছে। আমরা প্রতি সিলিন্ডারে সর্বোচ্চ ১০০ থেকে ১৫০ টাকা লাভ করি। ঘরভাড়া, ভ্যান ভাড়া ও লেবার খরচ বাদ দিয়ে তেমন লাভ থাকে না।
চুয়াডাঙ্গা জেলার বিভিন্ন বাজার ঘুরে দেখা গেছে, এলপিজি সংকটের সুযোগ নিয়ে অনেক পাইকারি ব্যবসায়ী বাড়তি দাম রাখছেন। কোথাও কোথাও অস্বাভাবিক দাম রাখা হচ্ছে। তবে গ্যাস কি আসলে সংসট নাকী কৃত্রিম সংকট দেখিয়ে ফয়দা লুটছে ব্যবসায়ীরা সংশ্লিষ্ট কতৃপক্ষকে তা খতিয়ে দেখার দাবী উঠেছে।
এমএসএম / এমএসএম
আটোয়ারিতে প্রভাবশালী প্রকৌশলী মকবুল ইশারায় ভিটে মাটি ছাড়া ফজলুর পরিবার
বারহাট্টায় শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে যৌন সহিংসতা বন্ধে নীতিমালা বাস্তবায়নের দাবিতে মানববন্ধন
ঘিওর-বানিয়াজুরী আঞ্চলিক সড়কটি খানাখন্দে ভরা যানবাহন চলাচলে মারাত্মক হুমকি
কেশবপুরে অবৈধ ২ ক্লিনিক সিলগালা, কার্যক্রম বন্ধের নির্দেশ
ভূরুঙ্গামারীতে মাদক প্রতিরোধে ইসলামের আলোকে ধর্মীয় নেতৃবৃন্দ ও ইমামগণের ভূমিকা শীর্ষক আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত
তালায় ফারিয়ার প্রতিবাদ সমাবেশ ও মানববন্ধন অনুষ্ঠিত
জীবিকার তাগিদে মুন্সিগঞ্জের ৬০টি বেদে পরিবার বসবাস করছেন শিবচরে
ফতুল্লায় ফের বিস্ফোরণ, বাবা-তিন ছেলেসহ দগ্ধ ৪
বাগেরহাটের কচুয়ায় সরকারী রাস্তা বন্ধ করে ইমারত নির্মান, ইউএন’র নির্দেশে বন্ধ
রায়গঞ্জে ঔষধ কোম্পানির প্রতিনিধিদের অপমানের প্রতিবাদে মানববন্ধন
বাংলাদেশ সাংবাদিক কল্যাণ পরিষদ (বিএসকেপি)-এর সুনামগঞ্জ জেলা আহ্বায়ক কমিটি অনুমোদন
একটি তিস্তা নদীর কারণে একটি জনপদ কীভাবে পশ্চাৎপদ হয়ে পড়েছে, রংপুর বিভাগ তার উদাহরণ