ঢাকা সোমবার, ২ মার্চ, ২০২৬

ঠাকুরগাঁও ২৫০ থেকে ৫০০ শয্যায় উন্নীত হচ্ছে জেনারেল হাসপাতাল


কামরুল হাসান, ঠাকুরগাঁও photo কামরুল হাসান, ঠাকুরগাঁও
প্রকাশিত: ২-৩-২০২৬ রাত ৮:৪১

বহুদিনের প্রতীক্ষা, দাবি আর প্রত্যাশার পর অবশেষে আশার আলো দেখছে উত্তরের জেলা ঠাকুরগাঁও। একটি পূর্ণাঙ্গ মেডিকেল কলেজ স্থাপনের সিদ্ধান্ত চূড়ান্ত হওয়ার পাশাপাশি বর্তমান ২৫০ শয্যার ঠাকুরগাঁও জেনারেল হাসপাতাল-কে ৫০০ শয্যায় উন্নীত করার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। গত রোববার স্থানীয় সরকারমন্ত্রী ও বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর হাসপাতাল পরিদর্শন শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে এ ঘোষণা দেন।
হাসপাতালের বিভিন্ন ওয়ার্ড, বহির্বিভাগ ও আশপাশের পরিবেশ ঘুরে দেখেন মন্ত্রী। চিকিৎসক, নার্স ও রোগীদের সঙ্গে কথা বলেন। পরিদর্শন শেষে সাংবাদিকদের তিনি বলেন, আগের তুলনায় হাসপাতালের পরিচ্ছন্নতা ও ব্যবস্থাপনায় উন্নতি হয়েছে। তবে অবকাঠামো ও জনবল বাড়ানো এখন সময়ের দাবি। তাঁর ভাষায়, “মেডিকেল কলেজ চালু হলে শুধু চিকিৎসা নয়, এই অঞ্চলের সামগ্রিক স্বাস্থ্যব্যবস্থায় গুণগত পরিবর্তন আসবে।”
মেডিকেল কলেজ স্থাপনের জন্য নির্দিষ্ট স্থান নির্বাচন করা হয়েছে জানিয়ে তিনি বলেন, প্রয়োজনীয় প্রশাসনিক প্রক্রিয়া এগিয়ে চলছে। পাশাপাশি ২৫০ শয্যার হাসপাতালকে ৫০০ শয্যায় উন্নীত করার কাজও পর্যায়ক্রমে বাস্তবায়ন করা হবে। হাসপাতালের প্রয়োজনীয় যন্ত্রপাতি ও জনবল সংকটের তালিকা দ্রæত পাঠাতে সংশ্লিষ্টদের নির্দেশ দেন তিনি। রোগীদের দুর্ভোগ কমাতে একটি লিফট স্থাপনের বিষয়েও আশ্বাস দেওয়া হয়েছে।
হাসপাতালের তত্ত¡াবধায়ক ডা. ফিরোজ জামান জুয়েল বলেন, এই ঘোষণা হাসপাতালের চিকিৎসক ও কর্মীদের জন্য বড় অনুপ্রেরণা। বর্তমানে সীমিত জনবল ও অবকাঠামো নিয়ে সেবা দিতে গিয়ে হিমশিম খেতে হয়। বিশেষ করে মেডিসিন ও সার্জারি বিভাগে রোগীর চাপ সামলানো কঠিন হয়ে পড়ে। তাঁর মতে, ৫০০ শয্যায় উন্নীত হলে সেবার পরিধি বাড়বে, পাশাপাশি আধুনিক যন্ত্রপাতি সংযোজনের সুযোগ তৈরি হবে। মেডিকেল কলেজ চালু হলে বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক তৈরির ক্ষেত্রও প্রসারিত হবে, যা দীর্ঘমেয়াদে জেলার স্বাস্থ্যখাতে ইতিবাচক প্রভাব ফেলবে।
হাসপাতালে চিকিৎসা নিতে আসা রোজিনা বেগম নামের এক গৃহিণী বলেন, সন্তানকে নিয়ে উন্নত চিকিৎসার জন্য কয়েকবার রংপুরে যেতে হয়েছে। এতে সময় ও অর্থ—দুই-ই নষ্ট হয়েছে। “এখানেই যদি ভালো ব্যবস্থা হয়, তাহলে আমাদের মতো সাধারণ মানুষের অনেক উপকার হবে,” বলেন তিনি। স্থানীয় ব্যবসায়ী মো. রাশেদুল ইসলামও একই প্রত্যাশার কথা জানান। তাঁর মতে, মেডিকেল কলেজ হলে ঠাকুরগাঁওয়ের অর্থনৈতিক কার্যক্রমও বাড়বে, কারণ বাইরে থেকে শিক্ষার্থী ও মানুষ আসবে। জেলার এক শিক্ষার্থী শফিকুল আলম বলেন, ডাক্তারি পড়ার স্বপ্ন অনেকেরই থাকে, কিন্তু দূরে গিয়ে পড়ার সুযোগ সবার হয় না। “এখানে মেডিকেল কলেজ হলে আমাদের মতো শিক্ষার্থীদের জন্য নতুন দুয়ার খুলে যাবে,” বলেন তিনি।
স্বাস্থ্যসেবার প্রসারে এ উদ্যোগ বাস্তবায়িত হলে শুধু ঠাকুরগাঁও নয়, আশপাশের জেলাগুলোর মানুষও উপকৃত হবে বলে মনে করছেন সচেতন মহল। এখন জেলাবাসীর প্রত্যাশা—ঘোষণার পর দ্রæত দৃশ্যমান অগ্রগতি। দীর্ঘদিনের লালিত স্বপ্ন যেন আর কাগজে-কলমে আটকে না থেকে বাস্তবে রূপ নেয়।

এমএসএম / এমএসএম

বাঁশখালীতে অবৈধ ভাবে কাটছে মাটি,গভীর রাতে প্রশাসনের অভিযান ৩জনকে কারাদন্ড

ঠাকুরগাঁও ২৫০ থেকে ৫০০ শয্যায় উন্নীত হচ্ছে জেনারেল হাসপাতাল

শিক্ষা ও প্রশাসনিক দক্ষতায় অনন্য অবদানে সংবর্ধিত হলেন অধ্যক্ষ আব্দুর রহমান রিজভী

হাতিয়ায় নদী ভাঙ্গন রোধে কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবেঃ মাহবুবুর রহমান শামীম

যুবদল নেতার নেতৃত্বে প্রেসক্লাবে ঢুকে সভাপতির উপর হামলা

সুনামগঞ্জ সদর হাসপাতালে ডাস্টবিনে দেখাগেল নবজাতক শিশুর মৃতদেহ

নওগাঁয় সরকারি খাল খননের মাটি টেন্ডার ছাড়া রাতের আধাঁরে যাচ্ছে ইটভাটায়

ধামইরহাটে ব্র্যাকের সমন্বিত উন্নয়ন কর্মসূচির অবহিতকরণ সভা অনুষ্ঠিত

গাজীপুরে ১৭ লক্ষ টাকা মূল্যের হেরোইনসহ গ্রেফতার-১

আত্রাইয়ে উপজেলা বিএনপির ইফতার ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত

তুরাগে খালেদা জিয়ার রুহের মাগফিরাত কামনায় চাঁন মিয়া বেপারীর উপহার সামগ্রী বিতরণ

অনুমোদনহীন ঈদ মেলার আয়োজন বন্ধ করল প্রশাসন

ঠাকুরগাঁওয়ে ট্রাক্টরের ধাক্কায় নিহত-২ : আহত-১