ঢাকা বুধবার, ৭ অক্টোবর, ২০২৬

ঠাকুরগাঁও ২৫০ থেকে ৫০০ শয্যায় উন্নীত হচ্ছে জেনারেল হাসপাতাল


কামরুল হাসান, ঠাকুরগাঁও photo কামরুল হাসান, ঠাকুরগাঁও
প্রকাশিত: ২-৩-২০২৬ রাত ৮:৪১

বহুদিনের প্রতীক্ষা, দাবি আর প্রত্যাশার পর অবশেষে আশার আলো দেখছে উত্তরের জেলা ঠাকুরগাঁও। একটি পূর্ণাঙ্গ মেডিকেল কলেজ স্থাপনের সিদ্ধান্ত চূড়ান্ত হওয়ার পাশাপাশি বর্তমান ২৫০ শয্যার ঠাকুরগাঁও জেনারেল হাসপাতাল-কে ৫০০ শয্যায় উন্নীত করার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। গত রোববার স্থানীয় সরকারমন্ত্রী ও বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর হাসপাতাল পরিদর্শন শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে এ ঘোষণা দেন।
হাসপাতালের বিভিন্ন ওয়ার্ড, বহির্বিভাগ ও আশপাশের পরিবেশ ঘুরে দেখেন মন্ত্রী। চিকিৎসক, নার্স ও রোগীদের সঙ্গে কথা বলেন। পরিদর্শন শেষে সাংবাদিকদের তিনি বলেন, আগের তুলনায় হাসপাতালের পরিচ্ছন্নতা ও ব্যবস্থাপনায় উন্নতি হয়েছে। তবে অবকাঠামো ও জনবল বাড়ানো এখন সময়ের দাবি। তাঁর ভাষায়, “মেডিকেল কলেজ চালু হলে শুধু চিকিৎসা নয়, এই অঞ্চলের সামগ্রিক স্বাস্থ্যব্যবস্থায় গুণগত পরিবর্তন আসবে।”
মেডিকেল কলেজ স্থাপনের জন্য নির্দিষ্ট স্থান নির্বাচন করা হয়েছে জানিয়ে তিনি বলেন, প্রয়োজনীয় প্রশাসনিক প্রক্রিয়া এগিয়ে চলছে। পাশাপাশি ২৫০ শয্যার হাসপাতালকে ৫০০ শয্যায় উন্নীত করার কাজও পর্যায়ক্রমে বাস্তবায়ন করা হবে। হাসপাতালের প্রয়োজনীয় যন্ত্রপাতি ও জনবল সংকটের তালিকা দ্রæত পাঠাতে সংশ্লিষ্টদের নির্দেশ দেন তিনি। রোগীদের দুর্ভোগ কমাতে একটি লিফট স্থাপনের বিষয়েও আশ্বাস দেওয়া হয়েছে।
হাসপাতালের তত্ত¡াবধায়ক ডা. ফিরোজ জামান জুয়েল বলেন, এই ঘোষণা হাসপাতালের চিকিৎসক ও কর্মীদের জন্য বড় অনুপ্রেরণা। বর্তমানে সীমিত জনবল ও অবকাঠামো নিয়ে সেবা দিতে গিয়ে হিমশিম খেতে হয়। বিশেষ করে মেডিসিন ও সার্জারি বিভাগে রোগীর চাপ সামলানো কঠিন হয়ে পড়ে। তাঁর মতে, ৫০০ শয্যায় উন্নীত হলে সেবার পরিধি বাড়বে, পাশাপাশি আধুনিক যন্ত্রপাতি সংযোজনের সুযোগ তৈরি হবে। মেডিকেল কলেজ চালু হলে বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক তৈরির ক্ষেত্রও প্রসারিত হবে, যা দীর্ঘমেয়াদে জেলার স্বাস্থ্যখাতে ইতিবাচক প্রভাব ফেলবে।
হাসপাতালে চিকিৎসা নিতে আসা রোজিনা বেগম নামের এক গৃহিণী বলেন, সন্তানকে নিয়ে উন্নত চিকিৎসার জন্য কয়েকবার রংপুরে যেতে হয়েছে। এতে সময় ও অর্থ—দুই-ই নষ্ট হয়েছে। “এখানেই যদি ভালো ব্যবস্থা হয়, তাহলে আমাদের মতো সাধারণ মানুষের অনেক উপকার হবে,” বলেন তিনি। স্থানীয় ব্যবসায়ী মো. রাশেদুল ইসলামও একই প্রত্যাশার কথা জানান। তাঁর মতে, মেডিকেল কলেজ হলে ঠাকুরগাঁওয়ের অর্থনৈতিক কার্যক্রমও বাড়বে, কারণ বাইরে থেকে শিক্ষার্থী ও মানুষ আসবে। জেলার এক শিক্ষার্থী শফিকুল আলম বলেন, ডাক্তারি পড়ার স্বপ্ন অনেকেরই থাকে, কিন্তু দূরে গিয়ে পড়ার সুযোগ সবার হয় না। “এখানে মেডিকেল কলেজ হলে আমাদের মতো শিক্ষার্থীদের জন্য নতুন দুয়ার খুলে যাবে,” বলেন তিনি।
স্বাস্থ্যসেবার প্রসারে এ উদ্যোগ বাস্তবায়িত হলে শুধু ঠাকুরগাঁও নয়, আশপাশের জেলাগুলোর মানুষও উপকৃত হবে বলে মনে করছেন সচেতন মহল। এখন জেলাবাসীর প্রত্যাশা—ঘোষণার পর দ্রæত দৃশ্যমান অগ্রগতি। দীর্ঘদিনের লালিত স্বপ্ন যেন আর কাগজে-কলমে আটকে না থেকে বাস্তবে রূপ নেয়।

এমএসএম / এমএসএম

জয়পুরহাটে শিশু অধিকার দিবস ও শিশু মেলা-২০২৬ উদ্বোধন

‎সাভারে ওএমএস অনিয়ম অনুসন্ধানে গিয়ে হামলার শিকার ৪ সাংবাদিক, মিথ্যা মামলায় জেলের অভিযোগ

আদমদীঘিতে বিভিন্ন মামলায় নারীসহ তিনজন গ্রেফতার

পটুয়াখালীতে শুল্ক ফাঁকি দিয়ে আনা ২১ টন ভারতীয় জিরাসহ কার্গো বোট জব্দ

সখীপুরে স্বামী ও দেবরের নির্যাতনের শিকার গৃহবধূর সংবাদ সম্মেলন

সুনামগঞ্জে শিশু একাডেমির সুবর্ণজয়ন্তী ও শিশু সপ্তাহ উদযাপিত: প্রধানমন্ত্রীর উদ্বোধনী ভাষণ উপভোগ

ধুনটে ঔষধ সেবনের পর মাদ্রাসাছাত্রীর মৃত্যু

ধামইরহাটে আদালতের রায় অমান্য করে বসতবাড়িতে হামলা ও হয়রানীর বিরুদ্ধে ভুক্তভুগির সংবাদ সম্মেলন

পটিয়ার চক্রশালা কৃষি উচ্চ বিদ্যালয়ের আইসিটি ল্যাবে চুরি

মোহনগঞ্জে মাদক সেবনের দায়ে ৬ জনের কারাদণ্ড

নওগাঁয় ড্রিল মেশিন দিয়ে মাথা ফুটো করে হত্যা, আসামির যাবজ্জীবন

কালিহাতীতে চীন থেকে আমদানিকৃত ব্যতিক্রমী পণ্যের সমাহার নিয়ে ‘নিও চায়না মার্ট’

পাবনায় নিখোঁজের একদিন পর হলুদ ক্ষেত থেকে ব্যবসায়ীর আগুনে ঝলসানো লাশ উদ্ধার