ঢাকা শুক্রবার, ২৫ সেপ্টেম্বর, ২০২৬

চট্টগ্রামে সংকট না থাকা সত্ত্বেও সিন্ডিকেটের কারণে চালের দাম বেশও?


সাইফুদ্দিন রমিজ, চট্টগ্রাম ব্যুরো  photo সাইফুদ্দিন রমিজ, চট্টগ্রাম ব্যুরো
প্রকাশিত: ৩-৯-২০২৪ দুপুর ৪:৪৫

কোনোরকম সংকট না থাকা সত্ত্বেও বন্যার কারণে যানবাহন চলাচল বন্ধ থাকার পাশাপাশি ত্রাণ কাজে বিপুল পরিমাণ চাল লাগছে, এই দুই অজুহাতে ১০ দিনের ব্যবধানে ৫০ কেজির প্রতি বস্তায় চালের দাম বেড়েছে ২০০ থেকে ৪০০ টাকা পর্যন্ত। একইসঙ্গে দেশের উত্তর এবং দক্ষিণাঞ্চলের মোকামগুলোতে ধান ও চালের মজুত গড়ে তুলে সিন্ডিকেট ব্যবসায়ীরা কৃত্রিম সংকট দেখিয়ে দাম বাড়াচ্ছেন বলেও অভিযোগ উঠেছে। 

দেশে বন্যা দেখা দেয়ার আগে, অর্থাৎ গত ২০ আগষ্ট পর্যন্ত চট্টগ্রামের বাজারে সাধারণ মানের মোটা সিদ্ধ ৫০ কেজির প্রতি বস্তা চাল বিক্রি হয়েছে ২ হাজার টাকা দরে। কিন্তু এখন সেই চালের দাম বেড়ে বিক্রি হচ্ছে ২ হাজার ৪০০ টাকায়। একইভাবে ২ হাজার ২০০ টাকার গুটি স্বর্ণা ২ হাজার ৬০০ টাকা, ২ হাজার ৫০০ টাকার নূরজাহান স্বর্ণা ২ হাজার ৮০০ এবং ৩ হাজার ২৫০ টাকার ঝিরাশাইল ৩ হাজার ৪৫০ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে। সব ধরনের চালের দাম বস্তাপ্রতি বেড়েছে ২০০ থেকে ৪০০ টাকা পর্যন্ত।এদিকে, সিদ্ধ চালের মতো অবস্থা আতপ চালের বাজারেও। ১ হাজার ৯০০ টাকার ইরি আতপ ২ হাজার ৪০০ টাকা, ২ হাজার ৫০০ টাকার বেথি ২ হাজার ৮০০ টাকা এবং ৩ হাজার ২০০ টাকার কাটারী ৩ হাজার ৫০০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। 

চটগ্রাম পাহাড়তলী পাইকারী ব্যবসায়ী মো: নাছির উদ্দিন লিটন অভিযোগ করে দৈনিক সকালের সময় কে বলেন,পর্যাপ্ত মজুত থাকার পাশাপাশি সরবরাহ ব্যবস্থা স্বাভাবিক থাকা সত্ত্বেও শুধুমাত্র বন্যা এবং ত্রাণের অজুহাতে বাড়ানো হচ্ছে চালের দাম। রুবেল নামে আরেক ব্যবসায়ী দৈনিক সকালের সময় কে বলেন,ধান উৎপাদন এলাকা হিসেবে পরিচিত রাজশাহী, নওগাঁ, কুষ্টিয়া, দিনাজপুর, পাবনা এবং বগুড়ার মোকামে ধান-চাল মজুত রেখে বাজারে কৃত্রিম সংকট সৃষ্টির চেষ্টা চলছে বলে অভিযোগ উঠেছে। মোকাম মালিক এবং মিলাররা আগের চাহিদাপত্র অনুযায়ী চাল দিতে অস্বীকৃতি জানালেও, বাড়তি দাম পেলেই গুদামগুলোতে চালবাহী ট্রাক পাঠাচ্ছে। এক্ষেত্রে সিন্ডিকেট প্রথা ভাঙতে চাল আমদানির এলসি উন্মুক্ত করার দাবি ব্যবসায়ীদের। 

এ সময় রবিউল হোসেন নামে এক ক্রেতা দৈনিক সকালের সময় কে বলেন, আগে বস্তা হিসেবে কিনতাম। এখন ৫ কেজি ১০ কেজি কিনতেই কষ্ট হয়।এখন কোনো চাঁদা দেয়া লাগে না, ভ্যাট দেয়া লাগেনা। তাহলে এখন কেনো চালের বাজার কমবে না।সরবরাহ রয়েছে তারপরেও কেন কমছে না চালের দাম বলে ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন তিনি।

চট্টগ্রাম পাহাড়তলী ব্যবসায়ী সমিতির সাবেক সাধারণ সম্পাদক  মো. নেজাম উদ্দীন দৈনিক সকালের সময় কে বলেন, অসাধু ব্যবসায়ীরা ধান-চাল মজুত করে বাজারে সংকট তৈরি করে চালের দাম বাড়িয়ে দিচ্ছেন।চালের বাজার নিয়ন্ত্রণে এলসি খুলে রাখা যেতে পারে। এতে করে দেশে চালের সংকট দেখা দিলে বা দাম বেড়ে গেলে বাইরে থেকে সহজেই চাল আমদানি করা যাবে। পাশাপাশি বাড়াতে হবে মনিটরিং। তা না হলে লাগামহীন হয়ে পড়তে পারে চালের বাজার।

উল্লেখ্য, চট্টগ্রামে চালের কোনো মোকাম না থাকলেও নগরীর পাহাড়তলী বাজারের ২০০ গুদামে প্রতিদিন ১০০ ট্রাকবোঝাই দেড় হাজার মেট্রিক টন এবং চাক্তাই বাজারের ১০০ গুদামে ১ হাজার ৩০০ মেট্রিক টন চাল আসছে।

T.A.S / T.A.S

ভারতের চোরাই মালসহ গ্রেফতার -১

ধামইরহাট উপজেলা ও পৌর বিএনপির উদ্যোগে সমাবেশ ও মিছিল

কুড়িগ্রামে ৭ম কাব ক্যামপুরি অনুষ্ঠিত

বিলাইছড়িতে নজরুল বর্ষ উপলক্ষে সাংস্কৃতিক প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণকারীদের পুরস্কার বিতরণ

গাসিকে নাগরিক সেবা ডিজিটালাইজেশন: হোল্ডিং ট্যাক্স ও ট্রেড লাইসেন্স অটোমেশনের সফটওয়্যার চালু

টাঙ্গাইল বন বিভাগের ১২ একর জমি দখলের অভিযোগ দুর্নীতির বরপুত্র শিক্ষা কর্মকর্তা নূর মোহাম্মদ এর বিরুদ্ধে

ঠাকুরগাঁওয়ে শারদীয় দুর্গোৎসব উপলক্ষে ভূল্লীতে মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত

ভূরুঙ্গামারীতে ‘স্পেস টু লিড’ প্রকল্পের ত্রৈমাসিক সমন্বয় সভা

উলিপুর সরকারি কলেজে নবীন বরন অনুষ্ঠিত

জামিনে বের হয়ে এসে মাদকব্যবসায়ি ফের গ্রেপ্তার

পাবনায় মাদকাসক্তির ক্ষতিকর প্রভাব ও করণীয় শীর্ষক কর্মশালা অনুষ্ঠিত

লাকসামে নওয়াব ফয়জুন্নেচ্ছা সরকারি কলেজের নবীন বরণ অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত

বগুড়ায় মাইক্রোবাস-ট্রাক সংঘর্ষে প্রবাসীসহ নিহত ২