মামলার বাদীকে ছাত্র-জনতার ওপর হামলাকারী সাদ্দাম বাহিনীর হুমকি
চট্টগ্রাম নগরীর বাকলিয়া থানার যুবলীগ নেতা পরিচয়ে আধিপত্য বিস্তার করত রাজাখালী চাক্তাই মোশাররফ হোসেন রোডের মৃত আলী আজমের ছেলে মো. সাদ্দাম৷ দলীয় কোনো পদ না থাকলেও চট্টগ্রাম মহানগর আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক আ জ ম নাছিরের অনুসারী হিসেবে নিজেকে পরিচয় দিতেন যুবলীগ নেতা হিসেবে৷
তিনি সন্ত্রাস, চাঁদাবাজি আর অবৈধ পণ্যের ব্যবসা করে বিগত সরকারের আমলে কোটি কোটি টাকার মালিক বনে যান৷ তার অবৈধ মাদক ব্যবসার অন্যতম সহযোগী আছদগঞ্জের ইসহাক মিয়ার ছেলে সুমন৷ বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সময় এ দুজনের বিরুদ্ধে সাধারণ শিক্ষার্থীদের ওপর নির্বিচারে হামলা চালানোর পাশাপাশি নিজস্ব পেটোয়া বাহিনী দিয়ে আন্দোলনকে প্রতিহত করতে অর্থের জোগান দেয়ার অভিযোগ উঠেছে। এসব অভিযোগে কোতোয়ালি থানায় একাধিক মামলাও দায়ের হয়েছে। সাদ্দামের বিরুদ্ধে চট্টগ্রাম আদালতেও মমলা করেছেন এক ভুক্তভোগী৷
তবে সাদ্দামের বড় ভাই বিএনপি সমর্থক হওয়ার সুবাদে স্থানীয় কতিপয় বিএনপি দলীয় নেতাকে ম্যানেজ করে এলাকায় আধিপত্য ধরে রেখেছে। পাশাপাশি তার বিরুদ্ধে থানায় মামলা করায় বাদীকে ভয়ভীতি প্রদর্শন ও প্রাণে মেরে ফেলার হুমকি দেয়ার অভিযোগ উঠেছে৷ এ সংক্রান্তে বাকলিয়া থানায় সাদ্দামসহ চারজনের বিরুদ্ধে জিডি এবং কোতোয়ালি থানার মামলা করেন ( মামলা নং ১০/৯, তারিখ ৫ সেপ্টেম্বর) মো. ইব্রাহিম।
এদিকে চাক্তাই রাজাখালী ও বাকলিয়া এলাকার বাসিন্দা ও একাধিক ব্যবসায়ী জানান, নগর আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ও সাবেক মেয়র আ জ ম নাছিরের অনুসারী থেকে যুবলীগ নেতার তকমা লাগিয়ে রাতারাতি কোটিপতি বনে যায় এক সময়ের দিনমজুর সাদ্দাম। এক সময় সাদ্দামের সহায় সম্পদ বলতে তেমন কিছুই ছিল না৷ তবে হঠাৎ করেই ট্রান্সপোর্ট ব্যবসার আড়ালে অবৈধ পণ্য সরবারহ করে গড়ে তুলেছে বিপুল অর্থবিত্ত। নিজের এই সাম্রাজ্য ধরে রাখতে গড়ে তুলেছে নিজস্ব পেটোয়া বাহিনী৷ স্থানীয় এক জনপ্রতিনিধির প্রত্যক্ষ আশ্রয়-প্রশ্রয়ে চাক্তাই, বাকলিয়ার ব্যবসায়ীদের ওপর নির্বিচারে জুলুম-অত্যাচার চালিয়েছে বলেও অভিযোগ উঠেছে৷
কোতোয়ালি থানায় দায়ের হওয়া একাধিক মামলার এজাহার সূত্রে জানা যায়, গত ৪ আগস্ট বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনে ছাত্র-জনতার ওপর চড়াও হয় কথিত যুবলীগ নেতা সাদ্দাম ও চিহ্নিত মাদক কারবারি সুমন বাহিনী। এ সময় তারা নগরীর কোতোয়ালি মোড় থেকে নিউমার্কেট মোড় পর্যন্ত ধাপে ধাপে ছাত্রদের মারধর করে। ৪ আগস্ট দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে পুলিশের ধাওয়ায় নিরাপদ আশ্রয়ে চলে যাওয়ার সময় সাদ্দাম, সুমনরা বেশ কয়েকজন ছাত্রকে বাঁশ, লাঠি দিয়ে মেরে জখম করে।
এসব অভিযোগের বিষয়ে জানতে মো. সাদ্দামের মুঠোফোনে একাধিকবার কল করা হলেও তিনি রিসিভ করেননি। অন্যদিকে সুমনের মোবাইলেও কল করা হলে সেটি বন্ধ পাওয়া যায়।
এ বিষয়ে কোতোয়ালি থানার দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মুঠোফোনে বলেন, আসামিদের বিরুদ্ধে একাধিক মামলা রয়েছে। ছাত্র আন্দোলনে মারামারির অভিযোগটি আমরা তদন্ত করে দেখছি। জড়িত থাকলে দ্রুত তাদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
এমএসএম / জামান
মধুখালীতে প্রাথমিক বিদ্যালয় গোল্ড কাপ ফুটবল টুর্নামেন্টের ফাইনাল অনুষ্ঠিত
রাণীশংকৈলে উত্তম কৃষি পদ্ধতির মাধ্যমে টেকসই, নিরাপদ ও মান-সম্মত খাদ্য উৎপাদন বিষয়ক কর্মশালা
সিংড়ায় ৪ হাজার কৃষকের মাঝে বিনামূল্যে আউশ ধানের বীজ বিতরণ
সংবাদ প্রকাশের পর অসহায় ছবদের আকন্দের ঘরে ছুটে গেলেন ইউএনও আরিফ উল্লাহ নিজামী
মনোহরগঞ্জে ঘূর্ণিঝড়ে বিদ্যুৎ বিচ্ছিন্ন উপজেলার ১১ টি ইউনিয়নে ২৮ হাজার পরিবার
কালিয়ায় পার্টনার প্রোগ্রামের আওতায় ফিল্ড টেকনোলজি ওরিয়েন্টেশন প্রোগ্রাম অনুষ্ঠিত
বাঘা থানার অভিযানে ইয়াবাসহ মাদক কারবারি আটক
নোয়াখালীতে মাইক বাজিয়ে আ.লীগের স্লোগান, পুলিশ দেখে পালালো যুবক
ভোলায় ইজিপিপি’র আওতায় খাল খনন কার্যক্রমের উদ্বোধন
হাতিয়ায় বজ্রপাতে এক যুবকের মৃত্যু
নড়াইলে সলতান স্মৃতি সংগ্রহশালা পরিদর্শন করলেন খুলনা বিভাগীয় কমিশনার
ভূরুঙ্গামারীতে “নতুন কুঁড়ি স্পোর্টস কমিটি”র সভা অনুষ্ঠিত