ঢাকা শনিবার, ২৯ নভেম্বর, ২০২৫

ভোলাহাটে প্রধান শিক্ষকের পদত্যাগ দাবিতে মানববন্ধন ও বিক্ষোভ মিছিল


বি.এম রুবেল আহমেদ, ভোলাহাট photo বি.এম রুবেল আহমেদ, ভোলাহাট
প্রকাশিত: ৮-১০-২০২৪ দুপুর ৩:৩২

চাঁপাইনবাবগঞ্জের ভোলাহাট উপজেলার মুশরীভূজা ইউসুফ আলী স্কুল অ্যান্ড কলেজের প্রধান শিক্ষক আজগার আলীর বিরুদ্ধে আর্থিক অনিয়ম, উপবৃত্তির টাকা আদায়সহ নানা অনিয়ম-দুর্নীতির অভিযোগ ওঠেছে। এসব অনিয়ম-দুর্নীতির অভিযোগে তার পদত্যাগের দাবিতে মঙ্গলবার (৮ অক্টোবর) সকাল ১০টার দিকে প্রতিষ্ঠানসংলগ্ন জামতলা বাজারে মানববন্ধন ও বিক্ষোভ সমাবেশ করেছেন শিক্ষার্থীরা।

প্রতিষ্ঠানটির শিক্ষার্থীরা বলেন, মুশরীভূজা হাই স্কুল অ্যান্ড কলেজের অবৈধ প্রধান শিক্ষক আজগার আলী, সাবেক সভাপতি মো. আলাউদ্দিন ও কথিত সাদামনের মানুষ মো. জিয়াউল হকের যোগসাজশে ব্যক্তিগতভাবে লাভবান হওয়ার উদ্দেশ্যে বিগত বহু বছর ধরে বিদ্যালয়ের স্বার্থের পরিপন্থী কিছু কার্যকলাপ চালিয়ে বিদ্যালয়ের এবং কমলমতি শিক্ষার্থীদের ক্ষতিসাধন করে চলেছে।

তারা বলেন, ২০১৪ সালে মো. আজগার আলী ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক হিসেবে নিয়োগ পান। পরে গোপনে নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করে কমিটির ৪-৫ জন সদস্যের সম্পূর্ণ অগোচরে প্রধান শিক্ষক পদে নিয়োগ জালিয়াতির মাধ্যমে নিয়োগ হাতিয়ে নেন। বিষয়টি শিক্ষক প্রতিনিধির মাধ্যমে জানাজানি হলে বিদ্যালয়ের সিনিয়র শিক্ষক মো. আবদুল করিমকে জিজ্ঞাসা করলে তিনি সকল শিক্ষকের সামনে তা অস্বীকার করেন। কিন্তু করিম তার অবৈধ নিয়োগের বিরুদ্ধে ডিজি অফিসে অভিযোগ দায়ের করলে তদন্তের পর তার প্রধান শিক্ষকের চাকরি চলে যায়। তিনি তদবির করে বিশেষ বিবেচনায় পূর্ব পদে (সহকারী প্রধান শিক্ষক) চাকরি ফিরে পান। পরবর্তীতে সভাপতি পরিবর্তন হওয়ার সাথে সাথে সাদামনের মানুষ মো. জিয়াউল হক ও সভাপতির সাহায্যে অফিসে মিথ্যা তথ্য দাখিলের মাধ্যমে পুনরায় প্রধান শিক্ষকের পদ বাগিয়ে নেন, যা সম্পূর্ণ বেআইনি। 

শিক্ষার্থীরা আরো বলেন, ছাত্র-ছাত্রী ভর্তির সময় তিনি আমাদের প্রতিশ্রুতি দেন যে, বিনা পয়সায় আমাদের ভর্তি ও সম্পূর্ণ বই প্রদান করবেন। কিন্তু প্রধান শিক্ষক ৫১ জনের কাছ থেকে উপবৃত্তির ১ হাজার ৫০০ টাকা করে জোরপূর্বক আদায় করেন, যা সম্পূর্ণ বেআইনি ও শিক্ষার্থীদের সাথে প্রতারণা।

তারা অভিযোগ করে বলেন, বিলুপ্ত হওয়া কমিটির সভাপতি মো. আলাউদ্দিন ও সদস্য মো. জিয়াউল হকের সহযোগিতায় নিয়োগ বাণিজ্যের প্রায় দেড় কোটি টাকা বিনা হিসাবে লোপাট করেন। একটি টাকাও বিদ্যালয়ের কল্যাণ ব্যয় হয়নি। বিদ্যালয়টিতে কোনো শিক্ষক-কর্মচারীর চাকরি অবৈধ প্রধান শিক্ষকের কাছে নিরাপদ নয়। এছাড়াও নিয়োগ বাণিজ্য স্বেচ্ছারিতার মাধ্যমে প্রধান শিক্ষক আজগার আলী বিদ্যালয়ের আইনশৃংখলা পরিপন্থী নানা কার্যকলাপের মাধ্যমে বিদ্যালয়ের স্বার্থবিরোধী কাজে জড়িত।

আন্দোলনরত শিক্ষার্থীরা তাদের দাবি আমলে নিয়ে অবিলম্বে প্রধান শিক্ষকের পদত্যাগ, বিদ্যালয়ের শিক্ষার মানোন্নয়ন ও শৃঙ্খলা ফিরিয়ে আনার দাবি জানান। তবে ওই দিন প্রধান শিক্ষক বিদ্যালয়ে যাননি।

তবে অভিযোগের বিষয়ে জানতে চাইলে মুশরীভূজা ইউসুফ আলী স্কুল অ্যান্ড কলেজের প্রধান শিক্ষক আজগার আলী জানান, এসব অভিযোগের বিষয়ে আমি আমার ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে বক্তব্য দিব।

প্রতিষ্ঠানের সাবেক সভাপতি মো. আলাউদ্দিন বলেন, নিয়োগ দেয়ার জন্য টাকা নেয়া হয়েছে, এ বিষয়টি আমার জানা নেই। পরীক্ষার মাধ্যমে স্বচ্ছ প্রক্রিয়ায় নিয়োগ দেয়া হয়েছে।

ভোলাহাট উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও প্রতিষ্ঠানের সভাপতি তাহমিদা আক্তার বলেন, প্রধান শিক্ষক আমার কাছে পদত্যাগপত্র জমা দিলে আমি মন্ত্রণালয়ে পাঠিয়ে দেব। কোনো শিক্ষককে পদত্যাগ করানোর ক্ষমতা আমার হাতে নেই।

T.A.S / জামান

খাগড়াছড়িতে শুরু হলো তিন দিনব্যাপী ডিজিটাল মিডিয়া প্রশিক্ষণ

নড়াইল ২ আসনে গণঅধিকার পরিষদের মনোনয়ন পেলেন লায়ন মোঃ নুর ইসলাম

ঝিনাইদহ সিটি মোড়ে যুবদল কর্মীকে কুপিয়ে হত্যা

বগুড়ার শেরপুরে বিদ্যুৎস্পৃষ্ঠে এক যুবকের মৃত্যু

সুনামগঞ্জ রেড ক্রিসেন্ট নির্বাচন ছিল এক অশুভ শক্তির বিরুদ্ধে প্রতিবাদ: অধ্যক্ষ শেরগুল আহমদ

বুড়িচংয়ে নূরে রিসালাত মডেল মাদ্রাসায় হাফেজ ছাত্রদের পাগড়ী ও সম্মাননা প্রদান

গোদাগাড়ীতে ৫ কেজি গাঁজাসহ এক নারীকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ

ঝিনাইদহে ২ শতাধিক সুবিধাবঞ্চিত চক্ষু রোগীদের মাঝে বিনামূল্যে চশমা বিতরণ

দলের দুঃসময়ে গণতন্ত্র ফেরানোর জন্য কাজ করেছেন মীর হেলালঃ হাটহাজারীতে রুহুল কবির রিজভী

নবীগঞ্জে পৌর এলাকায় এক যুবকের লাশ উদ্ধার

নোয়াখালীতে কর্মরত সাংবাদিকদের সাথে বিএনপি প্রার্থীর মতবিনিময়, উন্নয়ন বিষয়ে আলোচনা

পাহাড়ে কোন সন্ত্রাসীদের ঠাঁই হবেনা

বেগম জিয়ার রোগমুক্তি ও সালাউদ্দিন কাদের চৌধুরীর স্মরণে আমিরাতে দোয়া মাহফিল