ঢাকা শনিবার, ১৮ এপ্রিল, ২০২৬

চৌদ্দগ্রামের বাতিসা ইউনিয়ন স্বাস্থ্য কেন্দ্রে চিকিৎসক না থাকায় সেবাবঞ্চিত ৪০ হাজার মানুষ


মুহা. ফখরুদ্দীন ইমন, চৌদ্দগ্রাম photo মুহা. ফখরুদ্দীন ইমন, চৌদ্দগ্রাম
প্রকাশিত: ১৭-১০-২০২৪ দুপুর ৩:২৩

প্রত্যন্ত গ্রামের মানুষের স্বাস্থ্যসেবার কথা চিন্তা করে দেশের প্রতিটি ইউনিয়ন স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কেন্দ্রে চিকিৎসক পদায়ন দিয়েছে স্বাস্থ্য বিভাগ। গ্রামের মানুষ যেন ভোগান্তি ছাড়াই সহজে স্বাস্থ্যসেবা নিতে পারে, এজন্য সরকারের এই উদ্যোগ। কিন্তু কুমিল্লার চৌদ্দগ্রাম উপজেলার বাতিসা ইউনিয়ন স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কেন্দ্রের দায়িত্বপ্রাপ্ত চিকিৎসকের অনিয়মিত উপস্থিতির কারণে ব্যাহত হচ্ছে সরকারের এ মহৎ উদ্দেশ্য। স্বাস্থ্যসেবা থেকে বঞ্চিত হচ্ছে নারী-শিশুসহ অত্র ইউনিয়নের প্রায় ৪০ হাজার সাধারণ মানুষ।

বুধ ও বৃহস্পতিবার সকালে বাতিসা ইউনিয়ন স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কেন্দ্রে সরেজমিন দেখা গেছে, স্বাস্থ্য কেন্দ্রে কয়েকজন রোগী স্বাস্থ্যসেবা নিতে ভিড় করে আছেন। অথচ বেলা ১১টা বেজে গেলেও সেখানে নেই কোনো চিকিৎসক। চিকিৎসকের কক্ষে ঝুলছে বড় একটি তালা।

খবর নিয়ে জানা গেছে, এখানে চিকিৎসক হিসেবে কর্মরত আছেন মেডিকেল অফিসার ডা. ফারজানা আক্তার। সাংবাদিকের উপস্থিতি দেখে আশপাশের লোকজন এসে অভিযোগ করে বলেন, ইউনিয়ন স্বাস্থ্য কর্মকর্তা দীর্ঘদিন ধরে স্বাস্থ্য কেন্দ্রে অনুপস্থিত থাকার কারণে এখানকার সাধারণ মানুষ স্বাস্থ্যসেবা থেকে বঞ্চিত হচ্ছেন। প্রত্যন্ত অঞ্চলের হাজার হাজার মানুষকে পড়তে হচ্ছে নানা বিভ্রান্তিকর পরিস্থিতিতে। দূর-দূরান্ত থেকে আসা সাধারণ রোগীরা সেবা নিতে এসে নানান হয়রানির শিকার হচ্ছেন। এজন্য কর্তৃপক্ষের উদাসীনতাকেই দায়ী করছেন এলাকাবাসী।

বুধবার সেবা নিতে আসা তাহমিনা বেগম নামে এক অসুস্থ নারী অভিযোগ করে সাংবাদিকদের বলেন, এক ঘণ্টারও বেশি সময় ধরে অপেক্ষা করছি। কোনো চিকিৎসক অথবা কোনো কর্মকর্তার দেখা পাইনি। বাধ্য হয়ে চিকিৎসা ছাড়া হতাশা নিয়ে বাড়ি ফিরে যেতে হচ্ছে।

লক্ষণ চন্দ্র শীল নামে অপর এক রোগী জানান, বিগত দুই মাসে তিনি একাধিকবার স্বাস্থ্য কেন্দ্রে এসেও কোনো চিকিৎসকের দেখা পাননি। পরে তিনি অন্য একটি চিকিৎসা কেন্দ্র থেকে চিকিৎসাসেবা গ্রহণ করেন।

স্থানীয় ভুক্তভোগীরা বলছেন, সরকার সাধারণ মানুষের দোড়গোড়ায় চিকিৎসাসেবা পৌঁছে দেয়ার অঙ্গীকার করলেও কিছু অসাধু কর্মকর্তা ও কর্মচারীর দায়িত্বহীনতার কারণে সরকারের সে পরিকল্পনা ভেস্তে যেতে বসেছে। কিছু অসাধু কর্মকর্তা-কর্মচারীর দায়িত্বহীনতা এবং যথাযথ কর্তৃপক্ষের সঠিক তদারকির অভাবে এলাকার দরিদ্র মানুষেরা সরকারের দেয়া স্বাস্থ্যসেবা থেকে বঞ্চিত হচ্ছে। চিকিৎসাসেবা না দিয়ে ইউনিয়ন স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কেন্দ্রের ওষুধ নিজেরাই হজম করছেন বলেও অভিযোগ করে সচেতন মহল।

এ বিষয়ে চৌদ্দগ্রাম উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. মো. গোলাম কিবরিয়া টিপু বলেন, বাতিসা ইউনিয়ন স্বাস্থ্য কেন্দ্রের চিকিৎসক ফারজানা আক্তার (মেডিকেল অফিসার) মানসিকভাবে কিছুটা অসুস্থ থাকায় ছুটিতে রয়েছেন। সাধারণ রোগীদের ভোগান্তির কথা ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে জানানো হয়েছে। জনবল সংকট ও নিয়োগ বন্ধ থাকায় চাইলেই শূন্য জায়গাটি পূরণ করা সম্ভব হচ্ছে না।

অভিযুক্ত চিকিৎসক ফারজানা আক্তারের বক্তব্য জানতে তার মুঠোফোনে একাধিকবার কল দিলেও তিনি রিসিভ না করায় এ বিষয়ে তার বক্তব্য নেয়া সম্ভব হয়নি।

T.A.S / জামান

মহেশখালী চ্যানেলে হবে ১৫ হাজার কোটি টাকা ব্যয়ে সেতু

রায়গঞ্জে উপজেলা পর্যায়ে প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত ইমাম সম্মেলন অনুষ্ঠিত

মনপুরায় ওমরাহ প্যাকেজে অনিয়ম: অতিরিক্ত টাকা আদায় ও হয়রানির অভিযোগ

খালিয়াজুরীতে নারী মাদক ব্যবসায়ীকে ভ্রাম্যমান আদালতে ৩ মাসের বিনাশ্রম কারাদন্ড ও অর্থদন্ড প্রদান

তীব্র তেল সংকটে ঝিনাইদহ; চরম ভোগান্তিতে সাধারণ কৃষক

তানোর উপজেলায় ঘন ঘন লোডশেডিংয়ে বিপর্যস্ত জনজীবন

পৃথক অভিযানে মাদকসহ ২ জন গ্রেফতার

চৌগাছায় গলায় ফাঁস দিয়ে এক নারীর আত্মহত্যা

জেলা প্রশাসন ও পুলিশের যৌথ অভিযানে নরসিংদীতে ৯ হাজার লিটার অবৈধ ডিজেল উদ্ধার

নেত্রকোণার খালিয়াজুরীতে শ্রমিক দল নেতার মাদক সেবনে ছবি ভাইরাল হওয়ায় চাঞ্চল্য সৃষ্টি

ভূরুঙ্গামারীতে মুভমেন্ট ফর পাংচুয়ালিটি বর্ষপূর্তি উদযাপন

মাদক কারবারীদের বাড়ীতেই ভ্রাম্যমান আদালত বসিয়ে সাজা দিলেন ইউএনও

কেশবপুরে লোডশেডিংয়ে জনজীবনে চরম ভোগান্তি