ঢাকা বুধবার, ৮ জুলাই, ২০২৬

তানোরে আলু গাছে পচন, দিশেহারা কৃষক


সোহানুল হক পারভেজ, তানোর photo সোহানুল হক পারভেজ, তানোর
প্রকাশিত: ১০-২-২০২৫ দুপুর ২:৫

রাজশাহীর তানোরে হঠাৎ করে আলুর গাছে পচন রোগ দেখা দেওয়ায় দিশেহারা হয়ে পড়েছে আলু চাষিরা। পচন রোগ রোধে মাঠে পাচ্ছেন না কৃষি অফিসের কোন লোকজনকে। ফলে বাধ্য হয়ে পচন রোগ দূর করতে বালাইনাশক দোকানীর পরামর্শে একের পর এক কীটনাশক ব্যবহার করেও দূর করতে পারছেন না পচন রোগ। এতে করে চরম হতাশ হয়ে পড়েছে তানোরের আলু চাষিরা। পচন রোগ রোধ করা না গেলে চরমভাবে ফলন বিপর্যয়ের আশঙ্কা চাষিদের মধ্যে।

উপজেলার কামারগাঁ, সিধাইড়, যশপুর, নারায়নপুর মাঠে ও তানোর পৌর এলাকার সেন্দুকাই বিস্তীর্ণ আলু খেতে দেখা দিয়েছে এ পচন রোগের ছড়াছড়ি। এছাড়াও যোগীশো মাঠেও প্রচুর পরিমানে ছড়িয়ে পড়েছে পচন রোগের মহামারী। কামারগাঁ ইউনিয়নের শরিফ উদ্দিনের ৭বিঘা, গৌউরের ৩বিঘা, শাহাদাতের ২৮কাঠা জমিতে পচন রোগ ধরেছে। কিন্তু তারা মাঠ পর্যায়ে কোন কৃষি কর্মকর্তাদের পরামর্শ পাচ্ছেন না।

তারা বলেন, তাদের মাঠে প্রায় দুইশ’ বিঘা জমির আলুগাছে পচন রোগ দেখা দিয়েছে। রোগে আলুগাছ মরে যাচ্ছে। এতে ফলনহানির আশঙ্কায় দিশেহারা হয়ে পড়েছি। অথচ কৃষি বিভাগ নির্বিকার রয়েছে। কৃষকদের সচেতন করতে তাদের দৃশ্যমান তেমন কোনো পদক্ষেপ দেখা যাচ্ছে না। আবার অনুমান নির্ভর হয়ে কৃষকরা বিভিন্ন কোম্পানির কীটনাশক ব্যবহার করেও গাছ রক্ষা করতে পারছে না।

সরেজমিনে উপজেলার কামারগাঁ ইউপি’র মাঠে আলুখেতে দেখা গেছে, অধিকাংশ আলুর গাছে পচন রোগে আক্রান্ত হয়ে আলুগাছ পচে (মরে) যাচ্ছে। কৃষকরা অনুমান নির্ভর হয়ে উচ্চ দামে বিভিন্ন কোম্পানির কীটনাশক ব্যবহার করে আলুগাছ রক্ষা করতে পারছেন না। যার কারণে চাষীদের পকেট হচ্ছে খালি, অপর দিকে পকেট ভরছে দোকানীদের।

কামারগাঁ মাঠের আলু চাষি শরিফ উদ্দিন বলেন, এবার তিনি ৭ বিঘা জমিতে আলুচাষ করেছেন। পচন রোগে ইতিমধ্যে তার আলুখেতের সিংহভাগ গাছ পচে নষ্ট হয়ে যাচ্ছে।

একই মাঠের কৃষক আতাউর বলেন, পচন রোগে আক্রান্ত তার আলুখেতে বিভিন্ন কোম্পানির কীটনাশক ব্যবহার করেছেন, কিন্তু তাতে কোনো কাজ হচ্ছে না।

তিনি বলেন, কৃষি বিভাগের (উপসহকারী কর্মকর্তা) মাঠকর্মীদের কোন নাগাল পাচ্ছেন না কৃষকরা। ফলে তারা বাধ্য হয়ে অনুমান নির্ভর কীটনাশক ব্যবহার করছেন। এতে কীটনাশক ব্যবসায়ীরা লাভবান হলেও কপাল পুড়ছে কৃষকের।

চলতি মৌসুমে যে সকল চাষীরা জমি ইজারা নিয়ে আলুচাষ করেছেন তাদের প্রতি বিঘায় এখন পর্যন্ত প্রায় ৬০ হাজার টাকা ও নিজস্ব জমিতে প্রতি বিঘায় প্রায় ৫০ হাজার টাকা খরচ হয়েছে। এবারে আলুর লক্ষমাত্রা ছিল ১৩ হাজার ১১৫ হেক্টর জমিতে। কিন্তু চাষ হয়েছে ১৩ হাজার ৩৮৫ হেক্টর জমিতে। উৎপাদন লক্ষমাত্রা ৪ লাখ ২৮ হাজার ৩২০ মে:টন।

এসব বিষয়ে জানতে চাইলে তানোর উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা সাইফুল্লাহ আহম্মেদ বলেন, তার জানা মতে কোথাও আলুগাছে পচন রোগ ধরেনি, আলুর গাছ ভালো অবস্থায় আছে, আলুগাছে পচন রোগ দেখা দিলে কৃষকরা যদি তাদের কাছে পরামর্শ নিতে না আসে তাহলে তো তাদের করণীয় কিছু নাই।

তিনি বলেন, তার জানা মতে এখনো তানোরের কোথাও আলুগাছে পচন রোগে আক্রান্ত হওয়ার কোনো খবর তার কাছে নাই।

এমএসএম / এমএসএম

​জয়রামপুরে ট্রেনের স্টপেজের দাবিতে ১ ঘণ্টা রেল অবরোধ, উত্তাল রেলপথ ​ইউএনও’র আশ্বাসে অবরোধ প্রত্যাহার

আদমদীঘিতে গাঁজাসহ আটক তিনজনের জেল-জরিমানা

ধামইরহাটে প্রকাশ্যে কৃষিঋণ বিতরণ ও গ্রাহক সমাবেশ অনুষ্ঠিত

সংবাদ প্রকাশের পর লোহাগাড়া প্রশাসনে নড়াচড়া, বদলি দুই কর্মকর্তা

চাঁদপুরে সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে সিলেবাস বাণিজ্য, অর্থ আদায়ের অভিযোগ

বিলাইছড়িতে টানা বর্ষণে পাহাড় ধসের আশঙ্কায় প্রশাসনের মাইকিং

দুমকীতে ৬৬ কেজি গাঁজা সহ পিকআপ জব্দ

টঙ্গীতে সংখ্যালঘু পরিবারের বাড়িতে হামলা-ভাঙচুর: তাঁতীদলের নেতা খোকনসহ ৩ জন কারাগারে

তজুমদ্দিনে মিথ্যা অপবাদে নারী-পুরুষের গলায় জুতার মালা দিয়ে হেনস্তা, মামলা দায়ের গ্রেপ্তার-৪

গাজীপুরে র‌্যাবের অভিযানে ৩৩.৫ কেজি গাঁজাসহ দুই মাদক ব্যবসায়ী গ্রেপ্তার

বেনাপোলে মানব পাচার প্রতিরোধে সচেতনতা মূলক সভা অনুষ্ঠিত

জয়পুরহাটে ট্রাক অটোরিক্সা মুখোমুখি সংঘর্ষে নিহত ২, আহত ৫

বাঘায় জমি বিরোধে বাড়িতে হামলা-লুটপাট, জোরপূর্বক ঘর নির্মাণের অভিযোগ