সংখ্যালঘুদের নামের মামলা সুষ্ঠু তদন্তের দাবি
সারাদেশে গত বছরের ৫ আগস্টের পর থেকে সংখ্যালঘুদের উপর চলমান নির্মম অত্যাচার অত্যান্ত ভয়াবহ ও অবর্ননীয় ঘটনা ঘটছে। জোরপুর্বক সংখ্যালঘুদের ভূমি কেড়ে নেওয়া, বাড়িঘর ফুটপাট, হত্যা গুম নারী ধর্ষণ অগ্নিসংযোগ, চাঁদাবাজি চাকুরি থেকে বিচ্যুত করা হচ্ছে। আবার জোর পূর্বক দেশ ছাড়তে বাধ্য করা মিথ্যা ও হয়রানী মূলক মামলা দায়ের করে ভয়ংকর এক পরিস্থিতির মধ্যে দিয়ে সংখ্যালঘুরা তাদের অধিকার থেকে বঞ্চিত হচ্ছে।
হিউম্যান রাইটস কংগ্রেস ফর বাংলাদেশ মাইনরিটিস (এইচআরসিবিএম) এর আয়োজনে রোববার সকালে বাংলাদেশ ক্রাইম রিপোর্টার্স এসেসিয়েশন (ক্র্যাব) মিলনায়তনে এক সংবাদ সম্মেলণে সংগঠনটির কনভেনার এ্যাড. লাকী বাছাড় লিখিত বক্তব্যে এ কথা বলেন। সংবাদ সম্মেলনে আরো ছিলে, আশিষ কুমার অঞ্জন কর্ডিনেটর, সাজেন কৃষ্ণ,বল ট্রেজারার, রঞ্জন সরকার ও প্রকৌশলী জীবন কুমারসহ প্রমূখ।
লিখিত বক্তব্যে বলা হয়, গত ১ জানুয়ারি থেকে গত ২২ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত আমারা নারী ভিকটিম সহ ৯৪ টি সংখ্যালঘু নির্যাতনের সত্যতার প্রমাণ পেয়েছি। আর এসকল ঘটনার প্রমাণ আমাদের কাছে রয়েছে। আবার সারাদেশে শত শথ মিথ্যা মামলা ও হয়রানীমূলক মামলা দায়ের করে ভয়ংকার এক পরিস্থিতি সৃস্টি করেছে। কোথাও কোথাও চাঁদা না দেওয়ার কারণে মামলার দেওয়া হয়েছে। আমার মামলা করার হুমকি অথবা মামলায় নাম ঢুকানোর হুমকি দিয়ে চাঁদাবাজির প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে। তাছাড় যে ঘটনা ভুক্তভোগি কোথাও বলতে পারছে না, থানায় অভিযোগ করতে পারছে না, থানায় বা কোথায় অভিযোগ করলে বাড়িতে এসে জীবন নাশের হুমকি দেওয়া হচ্ছ। এজন্য যে যেভাবে পারছে চাঁদা দিয়ে তাদের সঙ্গে মিটিয়ে নিচ্ছে। এমন অবস্থায় ভয়াবহ এই চিত্রকে নিয়ন্ত্রণের উদ্দেশ্যেই স্থিতিশীর সমাজ গঠনের লক্ষে জন জীবনে স্বস্তি ফিরিয়ে আনতে পুলিশ প্রশাসনসহ সকল প্রশাসনিক কর্মকর্তার ভুমিকা অপরিসীম।
লিখিত বক্তব্যে লাকী বাছাড় আরো বলেন, আমাদের কাছে সারা বাংলাদেশ থেকে পরিপূর্ণ ১৫টি মামলার সকল ডকুমেন্ট আছে। তাকে ১৫টি মামলায় দেখাযায়, মোট সংখ্যালঘু ৬৬০ জন। এতে আরো অজ্ঞাতনামা রয়েছে ৩৮১৫ থেকে ৪৭৩৫ জন। আমাদের কাছে আরো অনেক মামলার প্রমান রয়েছে। যা নিয়ে কাজ চলমান রয়েছে। এধরণের মামলার কারণে সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের পরিবারের কোন পুরুষ বাড়িতে থাকতে পারছে না। ফলে অনেক পরিবার অনাহারে দিন কাটাচ্ছে। অধিকাংশ পরিবারগুলো মানবেতন জীবন যাপন করছে।
উক্ত সংবাদ সম্মেলনে একজন ভুক্তভোগি জানান, আমাদের ১৮৪/২০ মামলার নম্বর ১৫২৬/১৭৫০ দাগের দোকান ঘর বা কোর্টের নিষেধাজ্ঞায় এবিএম শহিদুজ্জামান নামে চলমান রয়েছে। এমতবস্থায় আবু সাঈদ ১৫২৩ ও ১৫২৪ দা ২৪ নং খতিয়ানে নিজের জমি দাবী করে আমাদরে ৪১/২৪ নং নিষেধাজ্ঞায় দোকান দাবি করে তা দখল করা হয়েছে। এঘটনায় থানায় মামলা করতে গেলেও পুলিশ কোন অভিযোগ গ্রহণ করেনি। আদালতের নিষেধাজ্ঞা থাকার পরও তারা তাদের জমি দাবি করে গত ১৯ ফেব্রুয়ারি বেলা ১১ টার দিকে আবু সাঈদ ও তার ২ ছেলে মিজান ও আরিফসহ ৩শতাধিক গুন্ডা সন্ত্রাসী লোকজন নিয়ে দোকান ও বাসায় হামলা চালায়। এসময় আমাদের দোকানে থাকা ৭/৮জন লোক আহক হন। আর ২ জন গুরুতর আহত হলে তাকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। দোকানগুলো দখল করার সময় মিজান বার বার বলতে ছিল, এসপি অর্ডার করেছে, সার্কেল এসপি অর্ডার দিয়েছেন আর থানা থেকে বলা হয়েছে এসব দোকান ঘর দখল করার জন্য।
তাই ক্ষতিগ্রস্থদের এবং সংখ্যালঘু সম্প্রদায়কে প্রয়োজনীয় সহায়তা দেওয়ার জন্র বর্তমান সরকারের প্রতি আহব্বান জানানো হয়েছে। আর সংখ্যালঘু নির্যাতনের সঠিক ও যথাযথ বিচার বিভাগীয় তদন্ত প্রকৃত দোষীদের দ্রুত আইনের আওতায় এনে শাস্তি নিশ্চিতকরণে মিথ্যা ও হয়রানীমুলক মামলা প্রত্যাহারের দাবি জানানো হয়েছে।
এমএসএম / এমএসএম
গুলশান লেক ও ইউআরপি ভবন এলাকায় পরিদর্শন কার্যক্রম অনুষ্ঠিত
ইডিসিএলে অস্থিতিশীলতা তৈরির চক্রান্তের অভিযোগ, নিরপেক্ষ তদন্তের দাবি
ওএমএসে ফিরেছে গতি রাজধানীতে স্বস্তির বার্তা
ইডি শাহজালালের তৎপরতায় তদারকিতে গতি, চাপে প্রোটোকল কোম্পানিগুলো
লিগ্যাল এইডের সহযোগিতায় শিশু সন্তানকে ফিরে পেলো কিশোরী মা
মিরপুর কলেজের দেয়াল ধস: তদন্ত কমিটি গঠনের ঘোষণা ও ক্ষতিগ্রস্তদের সহায়তার আশ্বাস ফেরদৌসী আহমেদ এমপির
মিরপুরে দেয়াল ধসে ২ জন নিহত
ন্যায্যভিত্তিক সমাজ গঠনে বিভাজনের বদলে ঐক্যের আহ্বান
নলতায় ফারজানার লাশ দেখে অজ্ঞান হন হত্যা মামলার সাক্ষী হামিদুল মোড়ল
টেন্ডার শেষ হওয়ার আগেই বরাদ্দ, নাফরিজা শ্যামার ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন
১৬ ডিসেম্বর তৃতীয় টার্মিনাল উদ্বোধনের প্রস্তুতি: ORAT কার্যক্রম শুরুর তাগিদ
বিশ্ব প্রকৃতি সংরক্ষণ দিবসে ঢাকায় দ্বিতীয় মিয়াওয়াকি আরবান ফরেস্ট উদ্বোধন