কাপ্তাইয়ে এক গম্বুজ বিশিষ্ট নান্দনিক মসজিদ
দেশের মধ্যে বড় এক গম্বুজ বিশিষ্ট মসজিদ হিসেবে পরিচিতি পেয়েছে কাপ্তাই পানিবিদ্যুৎ কেন্দ্র জামে মসজিদ। যেটি ১৯৫৪ সালে শীতল পাথর দিয়ে নির্মাণ করা হয়। যার ফলে মসজিদটি গ্রীষ্মকালেও কোনো রকম বৈদ্যুতিক পাখা বা এসি ছাড়ায় শীতল অবস্থায় থাকে। নজরকাড়া নকশায় নির্মিত এই মসজিদটি বাংলাদেশের আধুনিক নির্মাণশৈলীর এক অনন্য নিদর্শন হিসেবে পরিচিতি লাভ করেছে। এছাড়া দেশের মধ্যে বড় এক গম্বুজ বিশিষ্ট মসজিদ হিসেবে এর সুনাম ও খ্যাতি রয়েছে।
সম্প্রতি মসজিদটিতে সরজমিনে গিয়ে দেখা যায়, রাঙামাটির কাপ্তাই প্রজেক্ট এলাকার নয়নাভিরাম এক স্থানে মসজিদটি স্থাপন করা হয়েছে। স্থানীয়দের মতে এই মসজিদটি বিগত অর্ধশত বছরে বাংলাদেশে নির্মিত বিরল স্থাপত্যের এক অনন্য নির্দশন।
মসজিদটির বিশেষ বৈশিষ্ট্য হলো, সেখানে ইবাদত করতে আসা মুসল্লিরা মসজিদের ভেতরে বসে প্রকৃতির অপরূপ পরিবেশের দৃশ্য উপভোগ করতে পারেন। কারণ এই মসজিদটি এমনভাবে তৈরি করা হয়েছে যাতে গরম আবহাওয়াতেও মসজিদটি শীতল অবস্থায় থাকে। এর দুপাশে রয়েছে প্রাকৃতিক বন ও কর্ণফুলী নদীর শীতল জলাধারা। এছাড়া বাইরের প্রকৃতির আলো মসজিদে প্রবেশ করে যার ফলে দিনের বেলায় মসজিদের কোন নিজস্ব আলোর প্রয়োজন পড়েনা। এই মসজিদে একসঙ্গে প্রায় দুই হাজার মুসল্লি জামাতে নামাজ আদায় করতে পারেন।
মসজিদটিতে নামাজ পড়তে আসা স্থানীয় বাসিন্দা ওমর ফারুক, মোঃ আবুল কালাম, শাহনেওয়াজ সহ কয়েকজন বলেন, এই মসজিদে নামাজ পড়তে আসলে মনটা খুব ভালো হয়ে যায়। মসজিদের সুন্দর পরিবেশে এগাগ্রচিত্তে মহান আল্লাহর এবাদত করা যায়। গরমের দিনেও এই মসজিদে নামাজ পড়ে খুবই শান্তি লাগে। সবসময় শীতল পরিবেশ বিরাজ করে।
মসজিদটির বিষয়ে জানার পর সেখানে নামাজ পড়তে আসা কাপ্তাইয়ের পাশ্ববর্তী উপজেলার বাসিন্দা আসলাম খান, শাহীনুর রহমান সহ কয়েকজন বলেন, এই মসজিদটির কথা শুনে আমরা দুর দুরান্ত থেকে এখানে নামাজ আদায় করতে এসেছি। এই মসজিদটি রাঙামাটি তথা বাংলাদেশে বিখ্যাত একটি মসজিদ হিসেবে পরিচিতি পেয়েছে। এর কারুকার্য, নির্মানশৈলী এতো সুন্দর যা আমাদের মনকে বিমোহিত করে।
কাপ্তাই পানি বিদ্যুৎ কেন্দ্র শ্রমিক ইউনিয়ন (সিবিএ) সভাপতি ও কাপ্তাই প্রজেক্ট এলাকার বাসিন্দা মোঃ বেলাল হোসেন জানান, পিডিবি এলাকার এই কেন্দ্রীয় জামে মসজিদটি সারা বাংলাদেশে সবচেয়ে বড় এক গম্বুজ বিশিষ্ট মসজিদ হিসেবে খ্যাত। এই মসজিদটি নির্মাণের সময় মসজিদের ফ্লোরে যেই শীতল পাথর ব্যবহার করা হয়েছে তা বর্তমানে বিরল। যার কারণে গরমেও মসজিদটি শীতল থাকে। এছাড়া এই মসজিদে একসময় একসাথে অনেক মানুষ নামাজ আদায় করতো তবে বর্তমানে মানুষ কিছুটা কম হয়। তবে মসজিদটির উন্নয়নে বিভিন্ন কার্যক্রম চলমান রয়েছে। এটি একটি ঐতিহ্যবাহী মসজিদ হিসেবে যেন সারা বাংলাদেশে আরো পরিচিতি লাভ করে সেজন্য তিনি প্রশাসন সহ সরকারের প্রতি অনুরোধ জানিয়েছেন।
এমএসএম / এমএসএম
কুড়িগ্রামে সারের কৃত্রিম সংকট নিয়ে বিক্ষুব্ধ কৃষকঃ প্রশাসনের হস্তক্ষেপে পরিস্থিতি স্বাভাবিক
সখিপুরে বাংলাদেশ শিক্ষক সমিতি (বিটিএ)-র ৩১ সদস্যবিশিষ্ট অ্যাডহক কমিটি গঠিত
মনপুরায় মেঘনায় ডাকাতির সময় দেশীয় অস্ত্রসহ ৬ জলদস্যু আটক, থানায় মামলা
ভাঙনের মুখে কলাতলী, আতঙ্কে মানুষ ৩৫০ জিও ব্যাগ নিয়ে পাশে রাজিব চৌধুরী
দুর্গাপুরে ৫৩তম গ্রীষ্মকালীন ক্রীড়া প্রতিযোগিতা ও পুরস্কার বিতরণ
তারাগঞ্জে ৫৩তম গ্রীষ্মকালীন ক্রীড়া প্রতিযোগিতার সমাপনী ও পুরস্কার বিতরণ
ঘোড়াঘাটে ৫৩ পরিবারের জন্য বরাদ্দকৃত বিল শর্ত ভেঙে তৃতীয় পক্ষকে ইজারা
খুলনা সিটি কর্পোরেশনের ৬০১ কোটি টাকার বাজেট ঘোষনা
জামাত-বিএনপি দুই ভাইয়ের ক্ষমতার দাপটে সিআরবিসিতে বৃদ্ধের দোকান ভাঙচুর
নড়াইলে সর্বজনীন পেনশন মেলা অনুষ্ঠিত
কুড়িগ্রামে গোডাউন ভেঙে শতাধিক বস্তা সার লুট হওয়ার অভিযোগ
ধর্ষণ চেষ্টা মামলার আসামী জামিনে বেড়িয়ে এসে বাদীকে হত্যা চেষ্টা