৫ যুগ ধরে রাস্তা পায়নি ধামইরহাটের জাহানপুর ইউনিয়েনের মাস্টারপাড়া ও মজিবরপাড়া
দেশের বিভিন্ন অঞ্চলের ন্যায় নওগাঁর ধামইরহাটে উন্নয়ন অগ্রযাত্রায় অতীতের চেয়ে অনেক এগিয়ে। তবুও যেন নিন্দার শেষ নেই। আসলে দু-একটি জায়গায় নাকাল অবস্থাও দেখা গেছে। প্রকৃতপক্ষে এর জন্য দায়ী দায়িত্বশীল স্থানীয় জনপ্রতিনিধিরা, বিশেষ করে সংশ্লিষ্ট ইউপি চেয়ারম্যান ও মেম্বাররা। রাস্তা না থাকায় রোগীদের দ্রুত চিকিৎসা, ছেলে-মেয়েদের মানসম্মত লেখাপড়ায়ও বিঘ্ন ঘটছে। এমন একটি নিদারুণ কষ্টের ঘটনা উপজেলার জাহানপুর ইউনিয়নে।
সরেজমিন দেখা গেছে, উপজেলার জাহানপুর ইউনিয়নের ৪নং ওয়ার্ডভুক্ত মাস্টারপাড়া ও মজিবরপাড়ায় বসবাস করে দুই শতাধিক পরিবার। জমির আইল বা ডগর দিয়েই চলাচল করত ওই এলাকার বাসিন্দারা। কালের বিবর্তনে জনসংখ্যা বৃদ্ধি পেলেও আজ অবধি কোনো রাস্তা পায়নি দুটি পাড়ার জনগণ। পেয়েছে শুধু মেম্বার-চেয়ারম্যানদের প্রতিশ্রুতি। বর্তমান বর্ষাকালে এক পসলা বৃষ্টি হলেই দেড় ফুটের সরু চিকন আইল দিয়ে হাঁটতে গিয়ে মাস্টারপাড়া ও মজিবরপাড়ার লোকজন পড়ে চরম ভোগান্তিতে।
স্থানীয় ভুক্তভোগী মিজানুর রহমান জানান, আমরা ১৯৫৬ সাল থেকে এই গ্রামে বসবাস করছি। রাস্তা না থাকায় চরম ভোগান্তি পোহাতে হচ্ছে, বর্ষায় কাদা-পানিতে বাড়ির বািইরে বের হওয়া যায় না, রাস্তা না থাকায় গ্রামের মেয়েদের বিয়ে-শাদিও ঠিকমতো দেয়া যায় না।
ওই রাস্তা দিয়ে চলাচলকারী কাজীপাড়া উচ্চ বিদ্যালয়ের এসএসসি পরীক্ষার্থী আব্দুল্লাহ আল আরমান ও মঙ্গলবাড়ী শহীদ আব্দুল জোব্বার মাধ্যমিক বালিকা বিদ্যালয় ও কলেজের শিক্ষার্থী মির্জাতুন নাহার জানান, বর্ষাকালে বই নিয়ে স্কুলে যাওয়া যায় না, কাদাপানিতে ভিজে যায়, ক্লাস মিস হয়।
স্থানীয় ৮০ বছর বয়সী হুরমত আলী কাঁদো কাঁদো কণ্ঠে বলেন, বাবারা একটা ভ্যান-রিকসা তো দূরের কথা, হোন্ডা (মোটরসাইকেল) নিয়েও যাওয়া যায় না। দুটি গ্রামের লোকজনের বাইরের হওয়ার মতো কোনো রাস্তা নেই। বর্ষাকালে এলাকা পানিতে নিমজ্জিত হলে গৃহবন্ধী থাকতে হয় পরিবারের সবাইকে। ফলে তারা খুবই কষ্টে জীবনযাপন করেন।
৪নং ওয়ার্ডের মেম্বার রশিদুল সাংবাদিকদের উপস্থিতি জেনেও উপস্থিত হননি। তবে স্থানীয় ইউপি চেয়ারম্যান ওসমান আলী বলেন, এ এলাকায় জমির মাালিক গোলজার, আকবর আলী, কুদ্দুস ও সামসুলসহ সবাইকে সাথে নিয়ে বৈঠক করেছি। আমি ৮০ হাজার টাকার মতো জমিওয়ালাদের দিতেও চেয়েছি কিন্তু তারা কেউ রাস্তা দিতে সম্মত হয় না। এজন্যই দীর্ঘদিনের পুরোনো দুটি পাড়ার মাঝখানে রাস্তাটি করা সম্ভব হয়নি।
এ ব্যাপারে ধামইরহাট উপজেলা প্রকৌশলী মো. আলী হোসেন বলেন, প্রথমে জনপ্রতিনিধিদের মাধ্যমে দৃশ্যমান রাস্তার অবকাঠামো তৈরি হতে হবে। স্থানীয় ৪০ দিনের কর্মসূচি দিয়েও সেটা করা যেতে পারে। তারপর উপজেলা প্রকৌশল দপ্তর সরেজমিন পরিদর্শণ করে একটি আইডির মাধ্যমে রাস্তার উন্নয়নকাজ করে দেয়া সম্ভব। নচেত সম্ভব নয়।
এমএসএম / জামান
গজারিয়ায় ৯ই মে গণহত্যা দিবস উপলক্ষে আলোচনা সভা ও দোয়া মাহফিল
পটুয়াখালী বুদ্ধি প্রতিবন্ধী স্কুলে হুইলচেয়ার দিয়ে স্বর্গীয়া মা'র অসিহত পূরন...
ধুনটে অসহায়দের স্বপ্নে নতুন আলো, মিলল গবাদিপশু ও অর্থ সহায়তা
মনপুরায় কোস্ট গার্ডের অভিযানে মাছ জব্দ, বিক্রির অভিযোগে তোলপাড়
চুনারুঘাটে সেতুর অভাবে জীবনের ঝুঁকি নিয়ে চলছে পারাপার
শ্যামনগরে সুন্দরবন সুরক্ষায় আর্থস্কাউট স্কুল ক্যাম্পেইন
গাংনী পৌরসভা নির্বাচনে মেয়র পদপ্রার্থী হিসেবে অ্যাডভোকেট সাকিল আহমাদের নাম ঘোষণা
শ্রীমঙ্গলে পুলিশ সপ্তাহ ২০২৬ শুরু, বর্ণাঢ্য র্যালি ও চেকপোস্ট কার্যক্রম শুরু
উলিপুরে খাল খনন কর্মসূচির উদ্বোধন
ধামরাইয়ে গাঁজাসহ নারী মাদক কারবারি গ্রেপ্তার
৫ বছরে দেশে ২০ কোটি গাছ রোপণ করা হবে ত্রানমন্ত্রী
তিস্তার চর থেকে হারিয়ে যাচ্ছে কাউনের সবুজ মাঠ