ঢাকা মঙ্গলবার, ১০ মার্চ, ২০২৬

ভদ্রা নদীর ওপর নির্মিত হচ্ছে ৪৬১ মিটার ব্রীজ


আরিফুর রহমান photo আরিফুর রহমান
প্রকাশিত: ২০-৩-২০২৫ দুপুর ১:১

ভদ্রা নদীর ওপর প্রায় ৬৮ কোটি টাকা ব্যয়ে ব্রীজ নির্মানের কাজ চলছে।  ব্রীজটির নির্মান কাজ শেষ হওয়ার অপেক্ষায় রয়েছেন এলাকাবাসী। ভদ্রা নদী খুলনার ডুমুরিয়া উপজেলার শোভনা ইউনিয়নের কোলঘেষে বয়ে চলেছে। ব্রীজটির বদৌলতে যাতায়াত ব্যবস্থায় শোভনাবাসীর দুর্ভোগ দূর হবে।
এদিকে, ব্রীজ নির্মানের কাজ দুই বছর যাবৎ চলমান। কিন্তু নির্দিষ্ট সময়ে ব্রীজ নির্মান কাজ সম্পন্ন হওয়া নিয়ে এলাকাবাসীর মধ্যে দেখা দিয়েছে সংশয়। তবে সঠিক সময়ে নির্মান কাজ শেষ হবে বলে জানিয়েছেন প্রকল্প সংশ্লিষ্টরা।
জানা যায়, ডুমুরিয়া উপজেলার সদর থেকে প্রায় ১৪ কিলোমিটার দূরে শোভনা ইউনিয়নের কদমতলা ঘাট। কদমতলা ঘাট পাড় হয়েই কাঠালতলা ঘাট। কাঠালতলা—কদমতলা দুই পাড় মিলে আঠারোটি গ্রামজুড়ে শোভনা ইউনিয়ন গঠিত। শোভনা ইউনিয়নে প্রায় আঠাশ হাজার মানুষ বসবাস করেন। কাঠালতলা ঘাট পাড় হয়ে কদমতলা হয়ে ডুমুরিয়া সদরে এলাকাবাসীর প্রতিনিয়ত নানান কাজে যেতে হয়।
স্থানীয়রা জানান, কাঠালতলা ঘাট পাড় হয়ে আসতে মানুষের অনেক ভোগান্তি পোহাতে হয়। ট্রলারের জন্য ঘন্টার পর ঘন্টা দাড়িয়ে থাকতে হয়। বৃষ্টির দিনে এই দুর্ভোগ আরো বেড়ে যায়। অসুস্থ রোগীদের যাতায়াতে অনেক ভোগান্তি পোহাতে হয়। বৃষ্টির দিনে কৃষকদের ভদ্রা নদী পাড় হয়ে ফসল নিয়ে শহরে আসতে পারেন না। অনেক দাবীর পর এ ব্রীজ নির্মান কাজ শুরু হয়। ব্রীজটি নির্মান হলে এলাকাবাসীর দুর্ভোগ দূর হবে।
এদিকে, কদমতলা ঘাটে ট্রলারের অপেক্ষায় দাঁড়িয়ে থাকা মরিয়ম খাতুন বলেন, ছেলেকে নিয়ে ডাক্তার দেখাতে ডুমুরিয়া উপজেলায় গিয়েছিলাম। সকাল ৭টায় বের হয়ে ট্রলার ধরতে হয়েছে। নইলে ৯টার আগে আর ট্রলার পেতাম না। আর ডাক্তার দেখিয়ে এসে এখন সোয়া এক ঘন্টা দাড়িয়ে আছি ট্রলারের অপেক্ষায়। তবে ব্রীজ নির্মান হলে এ ভোগান্তি আর থাকবে না বলে তিনি আশা ব্যক্ত করেন।  
পল্লীশ্রী ডিগ্রী কলেজের শিক্ষার্থী ফজলে রাব্বী বলেন, ভদ্রা নদী পাড়াপাড়ে আমাদের অনেক ভোগান্তি পোহাতে হয়। ঘন্টার পর ঘন্টা ট্রলারের জন্য দাঁড়িয়ে থাকতে হয়। তবে ব্রীজটি আমাদের জন্য আর্শিবাদ সরুপ। দুই বছর যাবৎ ব্রীজ নির্মান কাজ চললেও দৃশ্যমান কাজ খুবই নগন্য। সংশ্লিষ্ট দপ্তরের দৃষ্টি আকর্ষন করে তিনি বলেন, এ ব্রীজ নির্মান কাজ কালক্ষেপণ না করে আরো দ্রুত সম্পন্ন করতে হবে।
স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তর সূত্রে জানা যায়, বাংলাদেশের নিজস্ব অর্থায়নে প্রায় ৬৮ কোটি টাকা ব্যয়ে ডুমুরিয়ার ভদ্রা নদীর ওপর এ ব্রীজ নির্মান কাজ চলছে। ২০২১ সালের ডিসেম্বরে ব্রীজটির ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করা হয়। নিয়ম অনুযায়ী ২০২২ সালে দরপত্র আহ্বান করা হয়। প্রকল্প বাস্তবায়নের কাজ পান দরদাতা কনফিডেন্স গ্রুপ। কনফিডেন্স গ্রুপ ২০২৩ সালের এপ্রিল মাসে ব্রীজ নির্মানের কাজ শুরু করে। আরো জানা যায়, এ প্রকল্পটি তিন বছর মেয়াদী। বর্তমানে ব্রীজ নির্মান কাজ দুই বছর অতিবাহিত হয়েছে। ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠানকে আর মাত্র এক বছরের মধ্যে প্রকল্পটি বাস্তবায়ন করতে হবে।
প্রকল্প বাস্তবায়নকারী ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠানের প্রজেক্ট ইঞ্জিনিয়ার আজিজুর রহমান সৈকত জানান, সকল প্রক্রিয়া সম্পন্ন করে আমরা ২০২৩ সালের এপ্রিলে ব্রীজ নির্মান কাজ শুরু করেছি। বর্তমানে গুরুত্বপূর্ন প্রায় ৩৫ ভাগ কাজ সম্পন্ন হয়েছে। বাকি কাজ আর এক বছরের মধ্যে সম্পন্ন হয়ে যাবে বলে তিনি জানান।
ডুমুরিয়া এলজিইডির নির্বাহী প্রকৌশলী মো.রবিউল ইসলাম বলেন, শোভনায় ৪৬১ মিটার ব্রীজ নির্মান কাজ বর্তমানে চলমান রয়েছে। এই প্রকল্পটির মেয়াদ তিন বছর। কাঠামোগত কাজ চলছে। তিনি আরো বলেন, ব্রীজ নির্মান কাজ সঠিক সময়েই সম্পন্ন হবে। এখন পর্যন্ত নির্মান কাজে কোন জটিলতা দেখা যায়নি।

এমএসএম / এমএসএম

বগুড়ায় ফ্যামিলি কার্ডের উদ্বোধন: ৪৯৬ নারী পেলেন টাকা

দুর্নীতি প্রতিরোধে করণীয় বিষয়ক প্রশিক্ষণ কর্মশালা অনুষ্ঠিত

মাদারীপুরে আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে সংঘবদ্ধ হামলায় কুপিয়ে হত্যা

নবীগঞ্জে বদর দিবস উপলক্ষ্যে আলোচনা ও ইফতার মাহফিল

আদমদীঘিতে জাতীয় দুর্যোগ প্রস্ততি দিবস উদযাপন

শালিখায় জাতীয় দুর্যোগ প্রস্তুতি দিবস উদযাপন উপলক্ষে র‍্যালি,আলোচনা সভা ও মহড়া অনুষ্ঠিত

শ্রীপুরে আন্তর্জাতিক দুর্যোগ প্রস্তুতি দিবস পালিত

ধামইরহাটে জাতীয় দুর্যোগ প্রস্ততি দিবস উপলক্ষে ভূমিকম্প ও অগ্নিকান্ড মহড়া

ঘুষ ছাড়া মেলেনা খারিজ হাটিকুমরুলে" সেবাবঞ্চিত ভুক্তভোগীদের অভিযোগ

রায়গঞ্জে অনুমোদনহীন ৬ ইটভাটায় ১৯ লাখ ৫০ হাজার টাকা জরিমানা

শরণখোলায় ছাগল গিলে নিস্তেজ ১২ ফুটের অজগর উদ্ধার, পুনরায় সুন্দরবনে অবমুক্ত

‎পবিত্র রমজান মাসে মহিষখলা বাজারে কয়লা-পাথরবাহী ট্রাকের দাপট, ধুলা-শব্দদূষণে অতিষ্ঠ এলাকাবাসী

জুড়ীতে রমজান ও ঈদুল ফিতর উপলক্ষে খাদ্য সামগ্রী বিতরণ