মাননীয় সেনা প্রধান সমীপে
আর কত রক্ত, আর কত সময় দিলে সুন্দর হবে বাংলাদেশ?

এখনও জনগণের আস্থা ও বিশ্বাসের প্রথম ভরসার স্থল আন্তর্জাতিক খ্যাতি সম্পন্ন গর্বিত দেশপ্রেমিক সশস্ত্রবাহিনী। বর্তমান সেনাপ্রধান অত্যান্ত চৌকশ, জীবন বাজি রাখা, নির্লোভী, শপথের প্রতি প্রতিজ্ঞাবদ্ধ, জনতার প্রতি দায়বদ্ধ জেনারেল ওয়াকার-উজ-জামান। দেশের চরমক্রান্তি লগ্নে দেশ ও জনগণের উদ্দেশ্যে চমৎকার সাহসী বক্তব্যের কিছু অংশ স্মরণ করে শুরু করতে চাই। আপামর ছাত্র-জনতার ৩৬ জুলাই বিপ্লবের সফলতার সর্বোচ্চ সহযোগী ছিল সশস্ত্রবাহিনী। গত ২৫ ফেব্রুয়ারী ২০২৫, শহীদ সেনা দিবস উপলক্ষে অভিজাত রাওয়া ক্লাবে অতি গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তিবর্গদের উপস্থিতিতে আপনি দ্যার্থহীন কন্ঠে দেশ ও জনগণের হৃদম অনুভব করেই এবং দেশের সার্বিক পরিস্থিতি বিচার বিশ্লেষণের মধ্যে দিয়ে করণীয় পরামর্শ কঠোরভাবে তুলে ধরে বলেন “আপনারা কিছু মনে করবেন না, আজকে আমি একটু পরিষ্কার করে কিছু কথা বলতে চাই। আপনাদের হয়ত সবার এটা ভালো নাও লাগতে পারে কিন্তু বিশ্বাস করেন আমার এটা যদি গ্রহণ করেন আপনারা লাভবান হবেন, কোন ক্ষতি হবে না দেশের। আমার অন্যকোন আকাঙ্খা নাই। আমার একটাই আকাঙ্খা দেশ এবং জাতিকে একটা সুন্দর জায়গায় রেখে ছুটি করা। এন্ড এনাফ ওয়াজ লাস্ট সেভেন অর এইট মান্থস এন্ড এনাফ”। শান্তি প্রিয় জনগণের পক্ষে আপনার সুরে সুর মিলিয়ে বলতে চাই এন্ড এনাফ এন্ড এনাফ। রাষ্ট্র প্রতিনিধিরা যদি শপথ ভঙ্গ করে পথ দেখাবে কারা? জনতার আস্থার সেনা প্রধান সমীপে আপনার দৃষ্টি আকর্ষণ করছি জনতার প্রশ্ন আর কত রক্ত, আর কত সময় দিলে সুন্দর হবে বাংলাদেশ? হাজার বছরের লালিত স্বপ্ন অসীম ত্যাগের অর্জিত স্বাধীনতা তুমি কার, গণমানুষের নাকি ক্ষমতাধর ধনীদের? সর্বশেষ জুলাই বিপ্লব এবং বিপ্লব পরবর্তী হাজার হাজার হত্যা, পঙ্গুত্ব ধ্বংসের মধ্যে দিয়ে তোমার বয়স আজ ৫৪ বছর কিন্তু মানুষ হতে পারনি! হয়েছো হিংস্র থেকে হিংস্রতর! অনেক শাষণের পালাবদল হলেও প্রতিহিংসার রাজনীতির আগুনে জ্বলছে বাংলাদেশ। জনগণ আজও পরাধীন, অসীম ত্যাগের স্বাধীনতা তোমাকে আর কতদিন চড়া মূল্যে কিনতে হবে? আর কতদিন এ জাতিকে দিতে হবে চরম খেসারত? রাষ্ট্রের মহাজন যাদের অসম্ভব কষ্টের অর্থের ট্যাক্সে দেশ চলে সেই সব বীর জনতা এই ৭ মাসে কি চেয়েছে আর কি পাচ্ছে? রাষ্ট্রকে বৃদ্ধাঙ্গুল দেখিয়ে অপ্রত্যাশিত ভয়াবহ মব জাস্টিস যেমন বেড়েছে তেমনি চরিত্রের পরিবর্তন ঘটেনি যেন মুদ্রার এপিট ওপিট, সব ধরনের অপরাধ যেন আজ ওপেন সিক্রেট। যা খুবই হতাশাজনক এবং লজ্জাজনক। অন্তবর্তী সরকার প্রধান এবং সেনা প্রধান সুরক্ষা দিতে ব্যর্থ হচ্ছে কি? মেটিকুলাসলি ডিজাইনে প্রতিবাদ, প্রতিরোধ, প্রতিশোধ নিতে গিয়ে দেশ যেন লাইফ সাপোর্টে চলে না যায়। গাজা, লিবিয়া, সিরিয়া, ইরাক, শ্রীলংকা, পাকিস্তান না হয়। স্বাধীনতা তুমি কি আজ কেবলই রাজনৈতিক দলগুলোর ক্ষমতায় যাওয়ার আর ভোগের সিড়ি ? স্বাধীনতা তুমি কি আমার ৮ বছরের শিশু কন্যা আছিয়াদের ধর্ষণের ভোগ্য পণ্য ? স্বাধীনতা তুমি কী বিশ্বমঞ্চে সন্ত্রাসবাদ, মাদক সাম্রাজ্য, জঙ্গিবাদ, মৌলবাদ, সাম্প্রদায়িকতা আর আধুনিক নীল চাষের এক নতুন ঠিকানা? স্বাধীনতা তুমি কোন সাহসে বীরোচিত ইতিহাসের রিসেট বাটনে চাপ দিতে চাও? স্বাধীনতা তুমি কি আজ সেই কুখ্যাত পরাজিত পাকিস্তানের দুঃশাসনকেও পারজিত করেছো বহুমাত্রায়? স্বাধীনতাকে যারা খুনি বানিয়েছে, অশিক্ষত করেছে, হিংস্র করেছে, জিম্মি করেছে, কসাই বানিয়েছে, গণতন্ত্রকে অন্যায়তন্ত্র করেছে, হরতাল অবরোধের ধ্বংসযোগ্য বানিয়েছে? ধর্ষক বানিয়েছে? অপরাধিদের গডফাদার বানিয়েছে? দুর্নীতিতে বিশ্বচ্যাম্পীয়ন বানিয়েছে? বিবেকহীন বানিয়েছে? স্বাধীনতা- সার্বভৌমত্ব রক্ষাকারী দেশপ্রেমিক সশস্ত্রবাহিনীকে অকার্যকর চ্যালেঞ্জ ছুড়ে দিয়েছে? স্বাধীনতাকে সর্বক্ষেত্রেই অনিরাপদ বানিয়েছে? এমন জঘন্য ক্ষমাহীন অপরাধের অপরাধিদের কঠিন জবাব দেওয়ার এখই উপযুক্ত সময়। ভাগেযোগে স্বাধীনতাকে জিম্মিকরে বাংলাদেশকে যারা হীন স্বার্থে ব্যবহার করেছে, করছে এবং করবে তাদের কবর রচনা করতে হবে। মাত্র ৩% সুবিধাবাদিদের জন্য স্বাধীনতা ধ্বংসের পথে যেতে পারে না। অপ্রিয় হলেও সত্যি ব্যক্তি, দল, সংগঠন, প্রতিষ্ঠান এবং সরকার কেন্দ্রিক আত্মসমালোচনা, পদত্যাগ করতে, অপবাদ নিতে, দুঃখিত বলতে এবং শুনতে খুব একটা অভ্যস্থ নয়, মুখে বললেও মানতে নারাজ। শিক্ষিতের হার বাড়লেও মানবতা বাড়ছে না! দ্বায়িত্বের চেয়ারগুলো বৃদ্ধি পেলেও দ্বায়িত্ববোধ সেভাবে বাড়ছে না! সু-নীতির জন্য হাজার কোটি টাকার কার্যক্রম চলছে কিন্তু দুর্নীতিকে রুখে দিতে পারছিনা! বেড়েছে আইন, কমেনি অপরাধ! প্রযুক্তি এবং সভ্যতার সর্বোচ্চ পর্যায়ে এসেও জাতীয়ভাবে আমাদের পবিত্র শপথ, পবিত্র কলম, পবিত্র পোষাক, পবিত্র চেয়ার আজ শ্রদ্ধাহীন, অবিশ্বাস, বিতর্কিত, চরমভাবে নিম্নগামী হচ্ছে যা খুবই বিপদজ্জনক! জনগণের উন্নয়নকে এখনো অধিকার নয়, উপহার বলে প্রচার করা হয়! যোগ্যতা মাপা হয় গুণাবলি নয়/অর্থ-ক্ষমতা- পদবী আর তোষামদী দিয়ে! জাতীয় ইস্যুতে কেনো গণভোট প্রতিষ্ঠা করতে পারেনি? এ দেশে নন্দিত এবং নিন্দিত উভয় উপেক্ষিত! জনগণের চেতনা বৃদ্ধি পেলে কর্তা বাবুদের বেদনা বৃদ্ধি পায়! নেতার সংখ্যা বেড়েছে নীতিবান নেতার সংখ্যা সেভাবে বাড়ছে না। ব্রিটিশ অনুশাসন থেকে আজও কেনো বের হয়ে আসতে পারিনি? জাতীয় ও গুরুত্বপূর্ণ স্পর্শকাতর বিষয়ে আমরা পত্রিকার হেডলাইন আর টক শো-তে সমালোচনার ঝড় তুললেও সমাধান কোথায়? সময় এসেছে ৫৪ বছরে যারা জনতার চোখে প্রমাণিত রাষ্ট্রীয় অপরাধী জনতার রায়ে অবশ্যই তাদের লাল কার্ড দেখাতে হবে! বর্তমান নতুন প্রজন্মের কাছে এ দেশের ইতিহাস, ঐতিহ্য, রাজনীতির সকল ক্ষেত্রের সফলতা ও বিফলতার চিত্র নতুনভাবে তুলে ধরতে হবে। স্বাধীনতার ৫৪ বছরে আছে বহু নাটকীয়তা। নায়ক, খলনায়ক কারা, কাদের কারণে দেশ এগিয়েছে এবং পিছিয়েছে। মুক্তিযুদ্ধের চেতনা কি? মুক্তিযুদ্ধের সাথে জনগণের, জনপ্রতিনিধিদের, সরকারী কর্মকর্তাদের, ছাত্র সমাজের এবং উন্নয়নের সম্পর্ক কি এবং কি হওয়া উচিত? নতুন প্রজন্মের কাছে পুঁথিগত এবং প্রযুক্তিগত ভাবে বিষয়গুলি পরিস্কার করতে হবে, গোপন করে স্বপ্ন পূরণ সম্ভব নয়। প্রজন্মকে এবং অর্ধেক নারী সমাজকে জানতে হবে প্রকৃত ইতিহাস। বিষয়টি সত্যিই বিস্ময়কর দেশের একমাত্র চালিকা শক্তি ভি.ভি.আই.পি শহর রাজধানী ঢাকার দুই সিটিতে ১২০টি ওয়ার্ড, ২০টি সংসদীয় আসন, ৩৬টি মন্ত্রণালয়. দপ্তরগুলোর প্রধান কার্যালয়, ছয় হাজার গণমাধ্যম এবং প্রতি বছর উন্নয়নে বিলিয়ন বিলিয়ন ডলার ইনভেস্টমেন্ট থাকা স্বত্বেও আন্তর্জাতিক তথ্য মতে রাজধানী সর্বক্ষেত্রে আজ সর্বোচ্চ বিপদজ্জনক এবং অনিরাপদ? কর্মচারীদের স্যার না ডাকলে মাইন্ড করি! চাকুরী সুরক্ষা আইন কাদের জন্য? কেনো পুলিশ ও বিচার বিভাগ জনবান্ধব হয়ে ওঠেনি? স্বাধীন গণমাধ্যম ছাড়া জনতার গণতন্ত্র পরাধীন, রাষ্ট্রের চতুর্থ স্তম্ভ পিপুলস ভয়েস গণমাধ্যম এখনও সাংবিধানিক অধিকার কেনো পায়নি? জাতীয় শিক্ষানীতি আন্তর্জাতিক মানে কেনো নিতে পারেনি? বিভাগীয় শাসন ব্যবস্থা কেনো চালু হলোনা? উপজেলা কোর্ট কেনো বন্ধ হলো? বিভাগীয় হাইকোর্ট কেনো বন্ধ হলো? স্বাধীনতার ৫৪ বছরেও রাষ্ট্র একদিনের স্বাধীনতার সুখ দিতে পারেনি। এ দেশের ৫০ ভাগ মানুষ ঈদের দিনেও এক কেজি গরু অথবা খাসির মাংস কিনতে পারে না! মোবাইলে পরিশোধ যোগ্য ২ হাজার টাকা ঈদ উৎসব ভাতা চালু করতে পারেনি! কেনো ষাট উর্দ্ধ জ্যেষ্ঠ প্রিয় পিতা-মাতাদের জন্য ৩ হাজার টাকা বয়স্ক ভাতা চালু করতে পারেনি? জনগণ নীরবে মেনে নিয়েছে মাথাপিছু ভয়ংকর ঋণের বোঝা দুই লক্ষ টাকা! এ জাতির বড় দূর্বলতা শিক্ষিত-অশিক্ষিত ভীষণ আবেগী, অন্ধ বিবেচনা, অল্পতে তুষ্ট, সহজ-সরল, অপচয়ী, প্রতিবাদহীন, শৃঙ্খলাহীন আর এই দুর্বলতাকে পুঁজি করে যারাই রাষ্ট্র ক্ষমতায় গিয়েছে সেবার নামে করেছে শোষণ আর অন্যদিকে পুঁজিবাদিরা হাজার হাজার কোটি ডলারের মুনাফা অর্জন করলেও জাতীয় দুর্যোগ-দুর্ঘটনা, মানবিক সেবায় শুধুই ছলনা! অবিশ্বাস্য হলেও সত্যি স্বাধীনতা পরবর্তী আজ পর্যন্ত যেটুকু উন্নয়ন হয়েছে তার চেয়ে দশগুন বেশি ভাগেযোগে আলাদ্বীনের চেরাগ বানিয়ে জনতার অর্থ লুটপাটের মাধ্যমে দেশে বিদেশে পাচার হয়েছে এবং হচ্ছে যা দিয়ে স্থায়ীভাবে সুন্দর হতো বাংলাদেশ। জনগণের বিপুল অংকের অর্থ ব্যয়ে অতি আকর্ষনীয় নামী দামি দেশে যেসব ভিআইপি নামধারীরা, রাষ্ট্রদূত এবং কর্তাবাবুরা ট্রেনিংএ যায় এবং সে দেশের দেশপ্রেম, আইনের শাসন আর গণতন্ত্রের দর্শন থেকে আমরা কি শিক্ষা নিচ্ছি আর কি শিক্ষা দিচ্ছি? জাতীয়-আন্তর্জাতিক ষড়যন্ত্রের প্রভাবে সৃষ্টি হচ্ছে বহুবিধ সমস্যা একদিকে, ব্যাপক শ্রেণী বৈষম্য, শোষণ বেড়েই চলেছে অন্যদিকে জীবন যাত্রা দূরুহ হয়ে উঠছে যা বিপদজনক বিদ্রোহের এবং দুর্ভীক্ষের রূপ নিতে পারে, বিষয়টি এড়িয়ে যাওয়ার সুযোগ নেই। সর্বশেষ যেজন্য বিপ্লব কোটা, বৈষম্য, সংস্কার কেন প্রশ্নবিদ্ধ? দেশ এবং জনগণের সর্বোচ্চ প্রয়োজনেই করতে হবে সর্বোচ্চ আয়োজন। রাষ্ট্রকে নির্দিধায় যেকোন সমালোচনা শয্য করতে হবে এবং ভালোকে স্বাগত জানাতে হবে। রাষ্ট্র যন্ত্রের সকল ক্ষেত্রে যেমন থাকতে হবে সময় উপযোগী সুযোগ-সুবিধা তেমনি নিশ্চিত করতে হবে কঠোর জবাবদিহিতা। আমাদের বিদেশ নীতি হবে সবার সাথে বন্ধুত্বপূর্ণ আর সমস্বার্থ, সেবাই হবে শ্রেষ্ঠ কর্ম এবং ধর্ম। সমৃদ্ধ অর্জনের মূল তন্ত্র হবে সহযোগীতা, বন্ধন, উন্নয়ন, শান্তি এই চার ঐক্যের প্রতীক। রাজনীতি থেকে নিষিদ্ধ নিষিদ্ধ খেলা, সংখ্যালগু-সংখ্যাগুরু বিভেদের খেলা, ধর্ম নিয়ে অপরাজনীতির খেলা সহ ভয়াবহ প্রতিহিংসা বিদ্বেষের রাজনীতি চাষ চিরতরে বিলুপ্ত করতে হবে। জনগণের অসম্ভব কষ্টের রক্তে ভেজা ঘামে অর্জিত অর্থ যেন কোন ভাবেই বৃথা না যায়। রাস্তা থেকে রাজ প্রাসাদ পর্যন্ত আইনের উর্ধ্বে থাকবে না কেই। দেশপ্রেম, মেধা-প্রতিভা, দক্ষতা, অভিজ্ঞতা, যোগ্যতা, সাহস আর সততার হবে যথার্থ মূল্যায়ন। ৫৪ বছরের সকল ফ্যাসিস্ট, ফ্যাসিজম, স্বৈরাচার, অপশক্তি, অপসিন্ডিকেট, মব জাস্টিস ভয়াবহ অপ্রতিরোধ্য দুর্নীতিকে জিরো টলারেন্সে রুখে দিতে জনতার সেনাপ্রধান আপনার সরাসরি ভূমিকায় অন্তর্বর্তী সরকার সর্বদলীয় মতামতে অতি প্রয়োজনীয় সংস্কারের মধ্যে দিয়ে সকল দলের অংশগ্রহণে একটি আন্তর্জাতিক মানের জনবান্ধব, ঈদ উৎসব মুখর, মানবিক, নিরাপদ, আস্থা ও বিশ্বাসের, জনতার পবিত্র ভোটের মধ্যে দিয়ে নির্বাচিত জনপ্রতিনিধিদের নিয়ে নতুন শপথে, নতুন বাংলাদেশ গড়ার নতুন যাত্রাপথ শুরু হবে এবং অন্তত এবারের জন্য একটি জাতীয় সরকারের গঠনের মধ্যে দিয়ে। কে যোগ্য কে অযোগ্য, কে ভালো কে মন্দ, জনগণ কাকে চায়, জনগণের রায়েই হবে চুড়ান্ত ফয়সালা। এখানে বিতর্কের কোন সুযোগ নেই। সকল কিছুর উর্ধেই দেশ ও জনকল্যানই হবে প্রধান মূখ্য বিষয়। স্বাধীনতার ৫৪ বছরে এসেও এ দেশের জনগণ বার বার হয়েছে বলির পাঠা, প্রতারিত, বঞ্চিত, পথ হারা, দিক হারা, নের্তৃত্ব হারা, আপনার মাধ্যমে সকল রাজনৈতিক দলের কাছে অতি গুরুত্বপূর্ণ শান্তি প্রিয় জনতার প্রশ্নের বার্তাগুলো পৌঁছে যাক। রাজনীতি, রাষ্ট্রক্ষমতা ও পরিচালনায় বিখ্যাত হওয়ার চেয়ে, বিশ্বস্ত হওয়া সর্বত্তম সফলতা। ভালোবাসায় যেমন ধন কমেনা। ক্ষমায় কখনো ক্ষমতা কমেনা। বিনয়ে তেমনি মর্যাদা কমেনা। নেতা নয় নীতি চিরস্থায়ী, রাষ্ট্রের মহাজন জনগণের টাকায় সব সাহেব, সব উন্নয়ন হয়, ভোগে নয় ত্যাগেই প্রকৃত সুখ? যদি, কিন্তু, কেন আর কোন প্রশ্ন নয়। দেশ মহাজন দৃঢ় ভাবে বিশ্বাস করে নতুন দেশ বিনির্মাণে রাষ্ট্র পরিচালনায় যারাই থাকবে পবিত্র ভোট, পবিত্র শপথ, পবিত্র কলম, পবিত্র পোশাক, পবিত্র চেয়ার আর কখনই শ্রদ্ধাহীন, বিতর্কীত, অমানবিক, অবিশ্বাসী, অনিরাপদ হবে না। স্বাধীনতা, সার্বভৌমত্ব ও আভ্যন্তরিন নিরাপত্তা রক্ষার সর্বোচ্চ স্বার্থে সিদ্ধান্ত যত কঠিনই হোক তা বাস্তবায়ন করতে হবে। জনতার শেষ ভরসা আপনি যদি ব্যর্থ হন, পথ হারাবে বাংলাদেশ। আর যদি সফল হন বাংলাদেশও সফল হবে। ইতিহাসের পাতায় চির স্মরণীও, বরণীও, বিখ্যাত হয়ে থাকবেন।
লেখক : সাংবাদিক, সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক
জাতীয় সাংবাদিক সংস্থা, কেন্দ্রীয় কমিটি।
এমএসএম / এমএসএম

প্রধান উপদেষ্টার চীন সফর ও আমাদের প্রত্যাশা

আর কত রক্ত, আর কত সময় দিলে সুন্দর হবে বাংলাদেশ?

বিশ্ব নেতৃত্বের পালাবদল ও গণতন্ত্রের অবনমন

নিরাপদ ও স্বস্তিদায়ক হোক ঈদযাত্রা

বাঙালি সংস্কৃতিতে দোল উৎসব সার্বজনীনতা লাভ করে কবিগুরুর কল্যাণে

আগে রিটার্ন এ শো করুন তারপর শো অফ করুন

শিল্পকলা একাডেমির স্বায়ত্তশাসন ও সৈয়দ জামিল আহমেদ-এর শাসনামল

ডিজিটাল যুগে নারী: প্রযুক্তির মাধ্যমে ক্ষমতায়ন

নিয়ন্ত্রণহীন আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি; চরম উৎকন্ঠায় জনজীবন

বিটকয়েন বা ভার্চুয়াল কারেন্সি; আগামীর মুদ্রা ব্যবস্থার জন্য মঙ্গল নাকি অমঙ্গল!

মহা শিবরাত্রির ইতিহাস ও জগতের মঙ্গল কামনা

জিনিস যেটা ভালো , দাম তার একটু বেশি
