ঢাকা রবিবার, ১২ জুলাই, ২০২৬

প্রধান শিক্ষকের নামে ৮০০ কেজি বই বিক্রির অভিযোগ


শ্রীমঙ্গল প্রতিনিধি photo শ্রীমঙ্গল প্রতিনিধি
প্রকাশিত: ১০-৯-২০২১ দুপুর ১১:৩৯

মৌলভীবাজারের শ্রীমঙ্গলে মাধ্যমিক শ্রেণির সরকারি ৮০০ কেজি বই কেজি দরে বিক্রি করার অভিযোগ পাওয়া গেছে। বইগুলো শ্রীমঙ্গল উপজেলার ভূনবীর দশরথ হাই স্কুল অ্যান্ড কলেজের বলে জানা গেছে।

জানা যায়, ভূনবীর দশরথ হাই স্কুল অ্যান্ড কলেজ থেকে মাধ্যমিক স্তরের জাতীয় শিক্ষাক্রম ও পাঠ্যপুস্তক বোর্ড প্রণীত যষ্ঠ থেকে দশম শ্রেনীর বইগুলো ভাঙ্গারি হিসেবে শ্রীমঙ্গলের একটি ভাসমান ফেরিওয়ালার কাছে বিক্রি করে দেন ওই স্কুলের প্রধান শিক্ষক ও উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষক সমিতির সভাপতি ঝলক চক্রবর্তী।

ফেরিওয়ালা বইগুলো শ্রীমঙ্গল শহরের হবিগঞ্জ সড়কের চিত্রালী সিনেমা হল সংলগ্ন ইউসুফ আয়রন মার্ট নামে একটি ভাঙ্গারি দোকানে বেশি দামে বিক্রি করে দেয়। গতকাল বৃহস্পতিবার (৯ সেপ্টেম্বর) দুপুরে ওই দোকানে গিয়ে শ্রমিকরা বইগুলো ওজন মাপার যন্ত্রে মেপে মেপে গুদামজাত করতে দেখা যায়। 

বইগুলোর মধ্যে রয়েছে- মাধ্যমিক স্তরের বাংলা, ইংরেজি, গণিত, সাধারণ বিজ্ঞান, ইসলাম ধর্ম ও নৈতিক শিক্ষা, হিন্দু ধর্ম ও নৈতিক শিক্ষা, গাহস্থ বিজ্ঞান, কৃষি শিক্ষা, পৌরনীতিসহ বিভিন্ন বিষয়ের বই। বইগুলো পরীক্ষা করে দেখা গেছে  এর মধ্যে  ২০২০ শিক্ষা বর্ষের নতুন বই ও ২০১৯ শিক্ষা বর্ষের পুরাতন কিছু উইপোকায় নষ্ট হওয়া কিছু বই।  

ইউসুফ আয়রন মার্টের মালিক ইউসুফ জানান, তিনি ফেরিওয়ালার কাছ থেকে ৮শ' কেজি বই ১২ টাকা দরে কিনেছেন।

বিদ্যালয়ে খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, ওই বিদ্যালয়ের প্রহরী রাম গোপাল দাশ এই বইগুলো ফেরিওয়ালার কাছে বিক্রি করে। তবে তিনি বলেন, প্রধান শিক্ষকের নির্দেশেই বইগুলো বিক্রি করেছেন।

রামগোপাল দাশ জানান, প্রধান শিক্ষক পুরাতন বইগুলো বিক্রয় করে কক্ষ পরিস্কার করার জন্য বলায় তিনি এসব বই বিক্রি করে দেন।

এ ব্যাপারে ভূনবীর দশরথ হাই স্কুল অ্যান্ড কলেজের প্রধান শিক্ষক ও মাধ্যমিক শিক্ষক সমিতির সভাপতি ঝলক চক্রবর্তী বলেন, স্কুলের দফতরিকে বলেছিলাম যে স্কুলের কিছু পুরাতন বই উইপোকায় কেটে ফেলেছে। সেসব নষ্ট বই ও কিছু ব্যবহৃত কাগজপত্র বিক্রি করে দেয়ার জন্য। দফতরি সেই বইগুলোর সঙ্গে ভুলক্রমে ২০২০ সালের বই বিক্রি করে দিয়েছে।

এ ব্যাপারে উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা দীলিপ বর্ধন সকালের সময়কে জানন , কোন বিদ্যালয় থেকে সরকারি বই এভাবে কেজি দরে বিক্রি করার নিয়ম নেই। যে বইগুলো অবন্টনকৃত থাকে সে বইগুলো উপজেলা মাধ্যমিক বই বিতরণ, গুদামজাতকরণ ও সংরক্ষণ কমিটির কাছে জমা দিতে হয়। পরে এগুলো দরপত্র আহ্বান করে বিক্রি করার নিয়ম রয়েছে।

শ্রীমঙ্গল উপজেলা নির্বাহী অফিসার মো. নজরুল ইসলাম বলেন, বিষয়টি শুনেছি। তবে সরকারি বই কেজি দরে বিক্রি করার নিয়ম নেই। কোন স্কুলের প্রধান শিক্ষক এভাবে বই বিক্রি করতে পারেন না। তদন্ত সাপেক্ষে এই ব্যাপারে ব্যবস্থা নেয়া হবে বলে তিনি জানান। 

জামান / জামান

নেত্রকোণায় ‘বোধ’ পত্রিকার ৫১২তম সাহিত্য আড্ডা ও কবি তানভীর জাহান চৌধুরীর জন্মদিন উদযাপন

শান্তিগঞ্জে বিশ্ব জনসংখ্যা দিবস উপলক্ষে আলোচনা সভা

কালিহাতীতে ৩৪০ গ্রাম হেরোইনসহ মাদক কারবারি গ্রেপ্তার

কোটি টাকার বিনিময়ে নিষিদ্ধ ছাত্রলীগ থেকে ছাত্রদলে ‘ফেন্সি মাহাবুব’, ১৯ দিনেই অব্যাহতি

​রাণীনগরে লক্ষাধিক টাকার নিষিদ্ধ জাল জব্দ,দুই ব্যবসায়ীর অর্থদণ্ড

কুড়িগ্রামে যুবশক্তির নবগঠিত পূর্ণাঙ্গ আহ্বায়ক কমিটির সংবাদ সম্মেলন অনুষ্ঠিত

অবৈধভাবে গাছ কর্তনের অভিযোগে বাগান ম্যানেজারের বিরুদ্ধে মামলা

টানা বৃষ্টিতে বারহাট্টার জনদুর্ভোগ চরমে

চট্টগ্রাম বিভাগে বন্যা : প্রাণহানি বেড়ে ৫০, ক্ষতিগ্রস্ত ৮০ হাজার বসতবাড়ি

নাচোলে বিশ্ব জনসংখ্যা দিবস পালিত

সরকার নির্ধারিত দামের বেশি মূল্যে সার বিক্রি, ভাউচার না দেওয়ায় ডিলারকে ১ লাখ টাকা জরিমানা

চট্টগ্রামে বন্যা পরিস্থিতি অপরিবর্তিত, চার উপজেলায় পানিবন্দি ৮ লাখ মানুষ

মানববন্ধনের পর ইসলামপুরে নদীভাঙন এলাকা পরিদর্শনে পানি উন্নয়ন বোর্ড