ঢাকা সোমবার, ২ নভেম্বর, ২০২৬

প্রধান শিক্ষকের নামে ৮০০ কেজি বই বিক্রির অভিযোগ


শ্রীমঙ্গল প্রতিনিধি photo শ্রীমঙ্গল প্রতিনিধি
প্রকাশিত: ১০-৯-২০২১ দুপুর ১১:৩৯

মৌলভীবাজারের শ্রীমঙ্গলে মাধ্যমিক শ্রেণির সরকারি ৮০০ কেজি বই কেজি দরে বিক্রি করার অভিযোগ পাওয়া গেছে। বইগুলো শ্রীমঙ্গল উপজেলার ভূনবীর দশরথ হাই স্কুল অ্যান্ড কলেজের বলে জানা গেছে।

জানা যায়, ভূনবীর দশরথ হাই স্কুল অ্যান্ড কলেজ থেকে মাধ্যমিক স্তরের জাতীয় শিক্ষাক্রম ও পাঠ্যপুস্তক বোর্ড প্রণীত যষ্ঠ থেকে দশম শ্রেনীর বইগুলো ভাঙ্গারি হিসেবে শ্রীমঙ্গলের একটি ভাসমান ফেরিওয়ালার কাছে বিক্রি করে দেন ওই স্কুলের প্রধান শিক্ষক ও উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষক সমিতির সভাপতি ঝলক চক্রবর্তী।

ফেরিওয়ালা বইগুলো শ্রীমঙ্গল শহরের হবিগঞ্জ সড়কের চিত্রালী সিনেমা হল সংলগ্ন ইউসুফ আয়রন মার্ট নামে একটি ভাঙ্গারি দোকানে বেশি দামে বিক্রি করে দেয়। গতকাল বৃহস্পতিবার (৯ সেপ্টেম্বর) দুপুরে ওই দোকানে গিয়ে শ্রমিকরা বইগুলো ওজন মাপার যন্ত্রে মেপে মেপে গুদামজাত করতে দেখা যায়। 

বইগুলোর মধ্যে রয়েছে- মাধ্যমিক স্তরের বাংলা, ইংরেজি, গণিত, সাধারণ বিজ্ঞান, ইসলাম ধর্ম ও নৈতিক শিক্ষা, হিন্দু ধর্ম ও নৈতিক শিক্ষা, গাহস্থ বিজ্ঞান, কৃষি শিক্ষা, পৌরনীতিসহ বিভিন্ন বিষয়ের বই। বইগুলো পরীক্ষা করে দেখা গেছে  এর মধ্যে  ২০২০ শিক্ষা বর্ষের নতুন বই ও ২০১৯ শিক্ষা বর্ষের পুরাতন কিছু উইপোকায় নষ্ট হওয়া কিছু বই।  

ইউসুফ আয়রন মার্টের মালিক ইউসুফ জানান, তিনি ফেরিওয়ালার কাছ থেকে ৮শ' কেজি বই ১২ টাকা দরে কিনেছেন।

বিদ্যালয়ে খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, ওই বিদ্যালয়ের প্রহরী রাম গোপাল দাশ এই বইগুলো ফেরিওয়ালার কাছে বিক্রি করে। তবে তিনি বলেন, প্রধান শিক্ষকের নির্দেশেই বইগুলো বিক্রি করেছেন।

রামগোপাল দাশ জানান, প্রধান শিক্ষক পুরাতন বইগুলো বিক্রয় করে কক্ষ পরিস্কার করার জন্য বলায় তিনি এসব বই বিক্রি করে দেন।

এ ব্যাপারে ভূনবীর দশরথ হাই স্কুল অ্যান্ড কলেজের প্রধান শিক্ষক ও মাধ্যমিক শিক্ষক সমিতির সভাপতি ঝলক চক্রবর্তী বলেন, স্কুলের দফতরিকে বলেছিলাম যে স্কুলের কিছু পুরাতন বই উইপোকায় কেটে ফেলেছে। সেসব নষ্ট বই ও কিছু ব্যবহৃত কাগজপত্র বিক্রি করে দেয়ার জন্য। দফতরি সেই বইগুলোর সঙ্গে ভুলক্রমে ২০২০ সালের বই বিক্রি করে দিয়েছে।

এ ব্যাপারে উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা দীলিপ বর্ধন সকালের সময়কে জানন , কোন বিদ্যালয় থেকে সরকারি বই এভাবে কেজি দরে বিক্রি করার নিয়ম নেই। যে বইগুলো অবন্টনকৃত থাকে সে বইগুলো উপজেলা মাধ্যমিক বই বিতরণ, গুদামজাতকরণ ও সংরক্ষণ কমিটির কাছে জমা দিতে হয়। পরে এগুলো দরপত্র আহ্বান করে বিক্রি করার নিয়ম রয়েছে।

শ্রীমঙ্গল উপজেলা নির্বাহী অফিসার মো. নজরুল ইসলাম বলেন, বিষয়টি শুনেছি। তবে সরকারি বই কেজি দরে বিক্রি করার নিয়ম নেই। কোন স্কুলের প্রধান শিক্ষক এভাবে বই বিক্রি করতে পারেন না। তদন্ত সাপেক্ষে এই ব্যাপারে ব্যবস্থা নেয়া হবে বলে তিনি জানান। 

জামান / জামান

মান্দায় ধান ব্যবসায়ীর ১৫ লাখ টাকা ছিনতাইয়ের অভিযোগ

টাঙ্গাইলে ডাল-পালা ছাঁটাইয়ের নামে সরকারি গাছ কেটে ফেলার অভিযোগ

পুঁটি মাছ ঘিরে নাসিরনগরের জেলে পাড়ায় কর্মযজ্ঞ, ঐতিহ্যের সঙ্গে জড়িয়ে আছে শত মানুষের জীবিকা

‘সব সচিব নিয়ম মানলে আমিও আসব’: টুঙ্গিপাড়ায় ইউপি সচিবের বক্তব্য নিয়ে তোলপাড়, তদন্ত কমিটি গঠন

জিয়ানগরে ৫২ বছর অবৈধ দখলে থাকা সম্পত্তি উদ্ধার করলেন ইউএনও

চাঁপাইনবাবগঞ্জে এসআরবির অভিযানে বিপুল পরিমাণ বিদেশি মদ ও সিরাপ উদ্ধার

মান্দায় নতুন একাডেমিক ভবনের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন

বিলাইছড়িতে বিশ্ব হাত ধোয়া দিবস উপলক্ষে র‍্যালি ও আলোচনা সভা

মুকসুদপুরে শিক্ষক ১৪ জন, এইচএসসি পরীক্ষার্থী একজন তিনিও ফেল: পাসের হার শূন্য

গাজীপুরে শ্রমিক-পুলিশ দফায় দফায় ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া

প্রেম ও বন্ধুত্বের প্রতি শ্রদ্ধা জানাতে বিভিন্ন সময়ে মোহনগঞ্জে আসেন অস্ট্রেলীয়ান ও ব্রিটিশ হাইকমিশনার

বাগেরহাটের মোড়েলগঞ্জে গৃহবধুর আত্মহত্যা, চিতলমারীর বাগান থেকে বৃদ্ধার মৃতদেহ উদ্ধার

আঙ্গারজুর আলীম মাদ্রাসায় শিক্ষক সংবর্ধনা ও গুণীজন সম্মাননা অনুষ্ঠিত