ঢাকা বৃহষ্পতিবার, ১৮ জুন, ২০২৬

ফসলের ক্ষেতে বন্য হাতির হানা: উদ্বিগ্ন কৃষক


হারুন অর রশিদ, নালিতাবাড়ী photo হারুন অর রশিদ, নালিতাবাড়ী
প্রকাশিত: ২০-৪-২০২৫ বিকাল ৫:৪

শেরপুরের নালিতাবাড়ী উপজেলার পাহাড়ি এলাকায় বোরো ধানক্ষেতে হানা দিয়েছে বন্যহাতির পাল। গত কয়েকদিন ধরে একদল বন্যহাতি পাহাড়ি এলাকার কৃষকের সবজি ও বোরো ধানক্ষেত খেয়ে ও পা দিয়ে মাড়িয়ে বিনষ্ট করে চলেছে। ফসল রক্ষায় এক সপ্তাহ ধরে মশাল জ্বালিয়ে নির্ঘুম রাত কাটছে সীমান্তবাসীর।

রোববার (২০ এপ্রিল) সকালে ওই এলাকায় গিয়ে জানা গেছে, গত কয়েকদিনে উপজেলার রামচন্দ্রকুড়া ইউনিয়নের পানিহাটা, ফেকামারী ও তালতলা এলাকায় এই তান্ডব চালায়। 
এলাকাবাসী জানায়, পাহাড়ি বন্যহাতির একটি দল ভারতের মেঘালয় রাজ্যের চেরেংপাড়া পাহাড়ি অঞ্চলে আস্তানা করেছে। দিনে পালিয়ে থাকে গহিন অরণ্যে। সন্ধ্যা ঘনিয়ে এলে নেমে আসে রামচন্দ্রকুড়া ইউনিয়নের পানিহাটা এলাকার ফসলি মাঠে। ফসল রক্ষায় রাত জেগে মশাল জ্বালিয়ে, পটকা ফুটিয়ে ও ঘণ্টা বাজিয়ে হৈ-হুল্লোড় করে পাহারা দিতে হচ্ছে চাষিদের। এরপরও থামছে না হাতির তান্ডব। এতে উদ্বিগ্ন কৃষকের পড়েছে মাথায় হাত।

ওই এলাকার কৃষাণী জসমিনা জানান, তার আবাদি ৫০ শতক জমি হাতিরদল খেয়ে ও পা দিয়ে মাড়িয়ে বিনষ্ট করেছে। এখন তিনি কি খেয়ে বাঁচবেন তা নিয়ে চিন্তায় পড়ে গেছেন।
একই এলাকার কৃষক হারেজ আলী বলেন, তার নিজের ৩৫ শতকসহ এলাকার আব্দুস সাত্তারের ৩৫ শতক, কাজীমুদ্দীনের ২৫ শতক বোরো ধান ক্ষেত খেয়ে পা দিয়ে মাড়িয়ে নষ্ট করেছে। এ সময় কৃষক হারুন অর রশিদের ৫৫ শতক জমির মিষ্টি লাউ এবং মুর্শিদ আলীর ২০ শতক মিষ্টি লাউ ক্ষেত খেয়ে একেবারে শেষ করে দিয়েছে।

ক্ষতিগ্রস্থ কৃষকরা আরও জানান, তাদের আবাদি জমির ধান এখন প্রায় পেকে এসেছে। আর কয়েকদিন পড়েই কাটা যেতো এসব পাকা ধান। এমন সময়ে বন্যহাতি এসে ধান খেয়ে ফেলেছে। তাদের এখন বিরাট ক্ষতি হয়ে গেল। 

কৃষাণী আশালতা নেংওয়া, বিজার কুবি, হোসেন আলীসহ অনেকেই জানান, বিকাল হলেই বাবুরা (হাতির পাল) নেমে আসে পাহাড় থেকে। প্রতি বছর তাদের আবাদি জমি খেয়ে সাবাড় করছে। সোলার ফেন্সিং দিয়ে তাদের কোনো উপকারে আসছে না। সোলার ফেন্সিং ধুমড়েমুচড়ে হাতির দল চলে আসে আবাদি জমিতে। কার্যকরী ব্যবস্থা নিতে সরকারের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন তাঁরা।

রামচন্দ্রকুড়া ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি ফজলুল হক দেলোয়ার বলেন- সরকারিভাবে স্থায়ী উদ্যোগ গ্রহণ করে হাতি মানুষের সহবস্থান পাহাড়ে সৃষ্টি করতে পারলে মানুষও রক্ষা পাবে হাতিও নিরাপদ থাকবে।

বনবিভাগের মধুটিলা ফরেস্ট রেঞ্জের কর্মকর্তা মো. দেওয়ান আলী বলেন, হাতি প্রতিরোধে এলিফ্যান্ট রেসপন্স টিমের (ইআরটি) সদস্যরা কাজ করছেন। এখন পর্যন্ত হাতি যেসব কৃষকদের ফসল নষ্ট করেছে তাদেরকে বন বিভাগের কাছ থেকে ক্ষতিপূরণ পেতে আবেদন করতে বলা হয়েছে।

এমএসএম / এমএসএম

বাগেরহাটের মোংলায় বিদ্যালয় পরিচালনা পর্ষদ গঠন নিয়ে দু’পক্ষের সংঘর্ষ, অফিস ভাঙচুর

মধুখালী নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট প্রতিক দত্তর অভিযানে মধুমতি নদীতে অবৈধ ড্রেজার জব্দ

চুয়াডাঙ্গা কালেক্টরেট স্কুল অ্যান্ড কলেজ পরিদর্শন করলেন জেলা প্রশাসক লুৎফুন নাহার

আদমদীঘিতে তিন দিনব্যাপী জাতীয় ফল মেলার উদ্বোধন

কৃষি ও পুষ্টি উন্নয়নে টুঙ্গিপাড়ায় পার্টনার কংগ্রেস

সিংড়া উপজেলা পর্যায়ে স্টেক হোন্ডারদের সাথে সমন্বয় সভা অনুষ্ঠিত

কাউনিয়ায় বিএনপি নেতা মোশাররফ হোসেন রকসির পিতার জানাজা ও দাফন সম্পন্ন

কৃষকের ৩০০ মণ ধানসহ বাংলো ঘর পুড়ে ছাই

উলিপুরে এসডিজি অর্জনে দিনব্যাপী কর্মশালা অনুষ্ঠিত

দর্শনা থানাপাড়ায় যুবদল নেতা রিংকুর ব্যক্তিগত উদ্যোগে কলের পাড় নির্মাণ, জনসাধারণের স্বস্তি

যশোরে রিয়াজ হত্যাকাণ্ডে মামলা-পুলিশের অভিযানে প্রেপ্তার ৩

নতুন দায়িত্ব পেলেন সমাজকল্যাণমন্ত্রী জাহিদ হোসেন

তথ্য সংগ্রহে গিয়ে বেধড়ক হামলার শিকার দুই সাংবাদিক