ঢাকা শনিবার, ৩ অক্টোবর, ২০২৬

উপজেলায় নেই খাদ্য গুদাম, মধ্যস্বত্তভোগীদের হাতে বাজারের নিয়ন্ত্রণ


আবদুর রহিম, মনোহরগঞ্জ photo আবদুর রহিম, মনোহরগঞ্জ
প্রকাশিত: ১৫-৫-২০২৫ দুপুর ২:১৮
কুমিল্লার মনোহরগঞ্জে বোরো ধানের বাম্পার ফলনেও কৃষকের মুখে হাসি নেই। ধানের ন্যায্যমূল্য থেকে বঞ্চিত হচ্ছেন কুমিল্লার মনোহরগঞ্জের কৃষকরা। উপজেলায় খাদ্যগুদাম না থাকায় পার্শ্ববর্তী লাকসাম উপজেলায় গিয়ে ধান বিক্রয় করতে নানা বিড়ম্বনায় পড়ছেন এ এলাকার কৃষকরা। সরকারিভাবে ধান মনপ্রতি( ১৪৪০) টাকা নির্ধারণ করা হলেও বাজারে ৯০০ থেকে ৯৩০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে বিভিন্ন প্রজাতির ধান। এতে ন্যায্যমূল্য প্রাপ্তি নিয়ে বিপাকে পড়েছেন এখানকার কৃষকরা। স্বল্পমূল্যে মধ্যস্বতভোগীদের হাতেই যাচ্ছে কৃষকের এ ধান। স্থানীয় কৃষকদের সাথে কথা বলে জানা যায়, এ এলাকায় একমাত্র ফসল বোরোর উপর নির্ভরশীল তারা। সারা বছরের খোরাকির ধান ব্যবস্থা করে মজুরি খরচ ও আর্থিক সংকটে পড়ে ধান কাটার সঙ্গে সঙ্গেই বিক্রি করে ফেলেন অধিকাংশ কৃষক। বীজ বপন থেকে শুরু করে ঘরে তোলা পর্যন্ত সবকিছু উচ্চ মূল্যে পরিশোধে এ এলাকার কৃষকরা ধানের ন্যায্যমূল্য প্রাপ্তি নিয়ে হতাশ। কৃষকরা জানান স্থানীয় হাটে নেই ন্যায্যমূল্যের প্রভাব, যেখানে সরকার নির্ধারিত মূল্যের চেয়ে মনপ্রতি প্রায় (৫০০) টাকা কমমূল্যে বিক্রি করতে হয় ধান। এক মন ধান বিক্রি করে একজন শ্রমিকের মজুরি পরিশোধ করতে হিমশিম খাওয়ার কথা জানান তারা। 
উপজেলার হাটিরপাড়, দিশাবন্দ, ঝলম,লৎসর সহ কয়েক গ্রামের কৃষক  ফারুক, আবুছায়েদ, জিরাজুল ইসলাম,আবুল কালাম, ইউনুস আলীর সাথে এ বিষয়ে কথা হলে তারা বলেন ডিজেল, বিদ্যুতের দামের পাশাপাশি বেড়েছে সার, কীটনাশক ও শ্রমিকের মজুরি। সবমিলিয়ে বেড়েছে বোরো ধান উৎপাদনের খরচ। এবার ফলনও ভালো হয়েছে। কিন্তু হাটে পাওয়া যাচ্ছেনা ধানের ন্যায্যমূল্য। হাটে সরকারের  নির্ধারিত মূল্যে ধান বিক্রি হয় না। মধ্যস্বত্তভোগীদের নিকট স্বল্পমূল্যে ধান ছেড়ে দিতে হয় কৃষককে। তাছাড়া এ উপজেলায় খাদ্যগুদাম না থাকায় ১২ কি.মি. দুরে  লাকসাম উপজেলায় খাদ্যগুদামে গিয়ে ধান বিক্রয় করতে যাতায়াত, আর্থিক সময়, নানা বিড়ম্বনায় পড়তে হয়। ফলে তৃণমূলের অধিকাংশ কৃষক এর সুফল থেকে বঞ্চিত হয়।  মনোহরগঞ্জ বাজার ধান ব্যবসায়ী মোঃ আবদুল কাদের মোল্লা বলেন - ধানে ন্যায্য মূল্য না থাকায় কৃষকরা ক্ষতির  সম্মুখীন, উপজেলায় একটি খাদ্য গুদাম প্রয়োজন। 
উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা গোলাম সরোয়ার তুষার এর সাথে কথা হলে তিনি জানান, এবার এ উপজেলায় ৯ হাজার ৯শ ৯৫ হেক্টর জমিতে বোরো আবাদ করা হয়েছে। আবাদকৃত জমির ৯৫ শতাংশই হাইব্রিড জাতের ধান। এ উপজেলায় প্রায় ৭২ হাজার ৩শ ৯০ মেট্রিক টন ধান উৎপাদন হওয়ার কথা জানান তিনি। এবার সরকারিভাবে প্রতি কেজি ধানের মূল্য ৩৬ টাকা ও প্রতিমণ ধানের মূল্য নির্ধারণ করা হয়েছে ১ হাজার ৪শ ৪০ টাকা। যা আগের বছরের তুলনায় একটু বেশি।উপজেলা খাদ্য কর্মকর্তা ফরিদ আহমেদ বলেন, এ উপজেলায় সরকারিভাবে ৮শ ১১টন ধান ক্রয়ের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে। বিক্রয়কেন্দ্র খাদ্যগুদাম না থাকায় এখানকার কৃষকরা পার্শ্ববর্তী লাকসাম উপজেলায় গিয়ে ধান বিক্রয় করতে হয়। ফলে অধিকাংশ সময় ধান ক্রয়ের লক্ষ্যমাত্রা অর্জিত হয় না। দূরত্ব, খরচ ও যাতায়াত বিবেচনায় কৃষকরা মনোহরগঞ্জ থেকে লাকসাম উপজেলায় এসে ধান বিক্রয়ে অনাগ্রহ প্রকাশ করেন। তিনি বলেন, বরাদ্দের অতিরিক্ত চাহিদা থাকলেও সরকারিভাবে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের সুযোগ রয়েছে।

এমএসএম / এমএসএম

সুবর্ণচর উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষক সমিতি নব কমিটির পরিচিতি ও আলোচনা সভা

ভোলার গ্যাস বদলে দিতে পারে দেশের জ্বালানির ভবিষ্যৎ

‎মাছ ধরার ট্রলারে মিলল বিপুল পরিমাণ ভারতীয় শাড়ি-পাঞ্জাবি

পেকুয়ায় শহীদ ওয়াসিমের কবর জিয়ারত, রাশেদ খানের নানা প্রতিশ্রুতি

টঙ্গীতে অপরাধীদের আতঙ্ক ওসি মাকছুদুল আলম, ৪০ দিনে গ্রেপ্তার ৪১৯

ডামুড্যায় নিখোঁজের ৬ ঘণ্টা পর শিশুর বস্তাবন্দি মরদেহ উদ্ধার, বাড়িতে আগুন

‎অস্ট্রেলিয়া-বাংলাদেশ স্পেশালাইজড ইন্টারন্যাশনাল হাসপাতাল বিষয়ে এক মতবিনিময় সভা

ফেনীতে এশিয়ান মেধা উন্নয়ন বৃত্তি ও সংবর্ধনা প্রদান অনুষ্ঠিত

রায়পুরে স্থানীয় সরকার নির্বাচনে বিএনপির মনোনয়নপ্রত্যাশীদের সাক্ষাৎকার: বিদ্রোহী প্রার্থীদের বিরুদ্ধে কঠোর হুঁশিয়ারি

রায়গঞ্জে চালকল নিয়ে শঙ্কা, বিপাকে মিল মালিক-শ্রমিক

মিরসরাইয়ে ভূমি জবর দখলের প্রতিকার চেয়ে সংবাদ সম্মেলন

টঙ্গীতে প্রশাসক গোল্ডকাপ ২০২৬ অনুষ্ঠিত : হাড্ডাহাড্ডি লড়াইয়ে বাসনকে হারিয়ে টঙ্গীর জয়

বাউফলে স্প্রেড হিউম্যানিটির দ্বিতীয় প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উদযাপিত: ৫০টি পরিবারে খাদ্যসামগ্রী বিতরণ