রাজশাহীতে জনস্বাস্থ্য প্রকৌশলীর অপসারণের দাবিতে মানববন্ধন-বিক্ষোভ
রাজশাহীতে জনস্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদপ্তরের নির্বাহী প্রকৌশলী হারুন-অর-রশিদ এর অপসারণ দাবিতে মানববন্ধন, বিক্ষোভ মিছিল ও বিভাগীয় কমিশনারকে স্মারকলিপি দিয়েছে রাজশাহী ঠিকাদার সমিতি।
বুধবার (৩ সেপ্টেম্বর) বেলা ১২ টায় নগরীর কাজীহাটার রাজশাহী জনস্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদপ্তরের সামনে এ মানববন্ধন ও বিক্ষোভ কর্মসূচি পালন করেন তারা।
মানববন্ধন ও বিক্ষোভ কর্মসূচি শেষে তারা রাজশাহীর বিভাগীয় কমিশনারের কাছে "জনস্বাস্থ্য প্রকৌশলী হারুন-অর-রশিদ এর দুর্নীতি ও ফ্যাসিস্ট আওয়ামী
ঠিকাদারের সাথে যোগসাজস অনিয়মের প্রতিবাদ ও প্রত্যাহার" চেয়ে স্মারকলিপি প্রদান করেন।
স্মারকলিপিতে তারা বলেন, পূর্বের ন্যায় আওয়ামী পন্থিদের প্রতি এখনো তার দুর্বলতা আছে। নিজের বেল্টের পরিচিত ঠিকাদারকে তিনি বিগত ফ্যাসিস্ট সরকারের আমলে অনেক কাজ দিয়েছেন। এখনও সেই প্রবণতাই চলমান রয়েছে। ঠিকাদার মনিরকে একাধিকবার কাজ দেবার পেছনে এই নির্বাহী প্রকৌশলীর নিজ স্বার্থ আছে। নিজের পকেট ভারি করার অসৎ অভিপ্রায়ে আবারো পূর্বের সেই ঠিকাদারকে দশটি গ্রুপের কাজ দিয়েছেন তিনি। সরকারের নির্দেশনা অনুযায়ী যে সকল ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠান তাদের পূর্ববর্তী প্রাপ্ত কাজ
কার্যাদেশনুযায়ী নির্দিষ্ট সয়মের মধ্যে শেষ করতে পারেননি, অর্থ্যাৎ পূর্বের কাজ এখনো চলমান রয়েছে ঐসকল ঠিকাদারকে নতুন করে কোন কাজ দেয়া যাবেনা। কিন্তু এই কর্মকর্তা
সরকারি নির্দেশনা অমান্য করে একই ঠিকাদারকে আবারো কাজ দিয়েছেন। গোদাগাড়ী উপজেলায় ২০২২ সালের ১৮ কোটি টাকার মূল্যমানের প্লানটেশন কাজ এখনো শেষ হয়নি। প্রকৌশলীর সাথে
সখ্যতা থাকায় নানা অজুহাতে কাজটি তিনি শুরু করেন ২০২৫ সালে। পূর্বে প্রাপ্ত সেকাজ শেষ চলমান থাকাবস্থায় ঐ একই ঠিকাদারকে এই প্রকৌশলী দাপ্তরিক ক্ষমতার অপব্যবহার করে দশ গ্রুপের আরো একটি কাজের কার্যাদেশ দিয়েছেন। যেটা সরাসরি সরকারি নির্দেশনাকে বৃদ্ধাঙ্গুলি দেখানোর সমতুল্য।
পবা-পুঠিয়া ও দুর্গাপুর উপজেলাতে চলমান কাজে যেসকল প্লাস্টিকের পাইপ ব্যবহার করা হচ্ছে সেগুলোর মান ও থিকনেস নিয়েও স্থানীয়দের পক্ষ থেকে উঠছে নানামূখী প্রশ্ন। শুরু থেকেই তার বিরুদ্ধে রয়েছে অফিস টাইম অমান্য করার প্রবণতা। তিনি অফিস টাইম সকালে না এসে দুপুরের পর প্রবেশ করেন। দাপ্তরিক ফাইলপত্র অফিসে না
দেখে, প্রতিরাতে নিজ বাসার বেডরুমে বসে দেখেন। বাসায় বসে দাপ্তরিক ফাইল দেখার সময় তাকে সঙ্গ দেয়ার জন্য কোন না কোন অফিস স্টাফকে পাশে থাকতে হয়। তিনি পুরুষ বা নারী সেটিও লক্ষ করেন না। অফিসে আসার সময় তিনি সাথে নিয়ে আসেন বাসায় পোষা বিদেশী কুকুর। কুকুরটির জন্য বিপাকে পড়তে হয় কর্মরতরা সহ সেবাগ্রহীতাদের। আবার বিল আটকে রেখে কাজ করা ঠিকাদারদের হয়রানির অভিযোগও রয়েছে তার বিরুদ্ধে। তারা আরো উল্লেখ করেন, নগরীর ভাটাপাড়া এলাকার আওয়ামী লীগের নেতা ইকতার হোসেনের ছেলে নিষিদ্ধ ছাত্রলীগের নেতা জনি ও ডলার এই প্রকৌশলীর কাছের লোক। বিভিন্ন ঠিকাদারী কাজে এই দুইজন সুপারভাইজার হিসেবে নিয়মিত কাজ করে।
এসব অভিযোগের বিষয়ে বক্তব্য জানতে অফিসে পাওয়া যায়নি প্রকৌশলী হারুন-অর-রশিদকে। পরে মুঠোফোনেও তাকে না পাওয়ায় তার বক্তব্য জানা যায়নি।
এমএসএম / এমএসএম
রেলওয়ে সমবায় ঋণদান সমিতির নির্বাচন বাতিল
বিএসসিতে অনিয়ম-দুর্নীতির অভিযোগ, ইউসুফ-জিয়াসহ ৪ জনকে মন্ত্রণালয়ের শুনানিতে তলব
হবিগঞ্জে এনসিপির গাড়িবহরে হামলা, সারজিসসহ আহত অনেকে
জনগনের উপরে যারা ক্ষমতা দেখান তারা জনগনের শত্রু, দেশের শত্রু, সরকারের শত্রু : জহির উদ্দিন স্বপন
বারহাট্টায় মাদক বিরোধী ক্যাম্পেইন অনুষ্ঠিত
কুমিল্লায় প্রায় ৫২ কোটি টাকার উদ্ধারকৃত মাদকদ্রব্য ধ্বংস করল বিজিবি
মানিকগঞ্জে সোহান হত্যা মামলায় দুই জনের মৃত্যুদণ্ড
ধামরাইয়ে পানিতে ডুবে ৭বছরের শিশুর মৃত্যু
লামায় জেলা পরিষদ কর্তৃক কৃষকদের মাঝে ফলজ ও বনজ চারা বিতরণ
উপকূলের পরিবেশ পুনরুদ্ধারে শ্যামনগরে ১০ লাখ বীজ রোপণ উদ্যোগ
কৃষিপণ্য উৎপাদন ও রপ্তানির সক্ষমতা বাড়াতে কাজ করছে সরকার: কৃষি মন্ত্রী
চকরাজাপুর উচ্চ বিদ্যালয়ের অভিভাবক সদস্য মিটিং অনুষ্ঠিত