নেশাগ্রস্ত অবস্থায় হাতুড়িপেটায় মারা যায় আইয়ুব
বটিয়াঘাটায় ইজিবাইকচালক আইয়ুব আলী মোল্লা হত্যা মামলার আসামি আলাউদ্দিন চৌধুরী ওরফে রানা আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছেন। এ সময় রানার দেয়া ফৌজদারি কার্যবিধির ১৬৪ ধারার স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি সিনিয়র জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালত-১-এর বিচারক মো. মনিরুজ্জামান রেকর্ড করেন। এর আগে শনিবার মামলার তদন্ত কর্মকর্তা বটিয়াঘাটা থানার এসআই মো. আবু জাফর আসামি রানাকে আদালতে হাজির করেন। সে পিরোজপুর জেলার মঠবাড়িয়া থানার শাপলা এলাকার মৃত আলী আকবর চৌধুরীর ছেলে।
আদালতে জবানবন্দিতে আসামি রানা জানান, গত বৃহস্পতিবার বিকেল সাড়ে ৩টার দিকে জনৈক আলাউদ্দিনকে সাথে নিয়ে আইয়ুব আলী তার ভাড়ায়চালিত ইজিবাইক বিক্রি করার উদ্দেশ্যে বের হন। পরে উপজেলার দাউনিফাঁদ এলাকার মো. রিয়াজুল শেখের গ্যারেজে নিয়ে ইজিবাইকটি কেটে সাড়ে ২১ হাজার টাকায় বিক্রি করেন। বিক্রির টাকার ভাগ-বাটোয়ারা নিয়ে মনোমালিন্য হলে আলাউদ্দিন একপর্যায়ে তাদের অপর দুই বন্ধুকে ৭০০ টাকার গাঁজা নিয়ে আসতে বলেন। সে মোতাবেক তারা ৪ বন্ধু মিলে ছয়ঘরিয়া-গুপ্তমারী বালুর মাঠ এলাকায় গাঁজার আসর বসান। আসরে নেশাগ্রস্ত হয়ে চার বন্ধু বেসামাল হয়ে পড়লে একে অপরকে সবাই থ্রেট দিতে শুরু করে। একপর্যায়ে নেশাগ্রস্ত আলাউদ্দিন হাতুড়ি দিয়ে আইয়ুব আলীর মাথায় একে একে ৪টি আঘাত করলে ঘটনাস্থলেই তিনি প্রাণ হারান। অজ্ঞাত অপর দুই বন্ধুও নেশাগ্রস্ত অবস্থায় একে অপরকে নাকে মুখে ঘুষোঘুষি করতে করতে দৌড়ে পালিয়ে যায়।
মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা মো. আবু জাফর জানান, আইয়ুবের লাশ পাওয়ার পর বটিয়াঘাটা উপজেলায় সোর্স নিয়োগ করা হয়। উপজেলার বিরাট গ্রামের মোনতাজ আলী মোল্লার ছেলে আইয়ুব ওই এলাকার মাসুদের ইজিবাইক চালাতেন। মাসুদ শুক্রবার সকালে ভিকটিমের ব্যাপারে ফোন দেন রানাকে। অপর প্রান্ত থেকে জানানো হয়, তার কোনো খবর নেই। এরপর ফোন বন্ধ রাখেন তিনি। রানার ওপর সন্দেহ হয় বাইক মালিকের। কারণ তারা একে অপরের খুব ঘনিষ্ঠ। এর আগে ঘটনার দিন রাতে পুরনো ইজিবাইক ক্রয় করার কথা বলে মলিকের মোড়ে নুর ইঞ্জিনিয়ারিং ওয়ার্কসপ থেকে ১১০০ টাকার বিনিময়ে সমস্ত ইজিবাইক পার্ট পার্ট করে কেটে ফেলে সে। এরপর সেগুলো আবার বিক্রি করে দেয় রানা। মলিকের মোড় থেকে ঘটনাটি জানাজানি হলে পালিত মায়ের বাড়ি থেকে গ্রেফতার করা হয় রানাকে।
মামলার বিবরণে জানা যায়, আইয়ুবের কাছে ২৬ হাজার টাকা পেতেন আলাউদ্দীন রানা। টাকা দিতে বিলম্ব হওয়ায় তাকে হত্যার পরিকল্পনা করে সে। পরিকল্পনা অনুযায়ী ২৩ সেপ্টেম্বর বিকেল ৩টার দিকে আইয়ুবকে মোবাইল করে রানা। ফোন পেয়ে মলিকের মোড়ে উপস্থিত হন আইয়ুব। এরপর পানখালী গ্রামের দিকে যাওয়ার উদ্দেশ্যে দুজন রওনা হন। রাতে একসঙ্গে খাওয়া-দাওয়াও করেন তারা। রাত পৌনে ১১টার দিকে ছয়ঘড়িয়া খালপাড় মসজিদসংলগ্ন সুলতান আক্তারের খালি প্লটে নিয়ে যায় ভিকটিমকে। এরপর একটি ভারী হাতুড়ি দিয়ে তার মাথায় আঘাত করতে থাকে রানা। মৃত্যু নিশ্চিত ভেবে রানা ইজিবাইক চালিয়ে ঘটনাস্থল ত্যাগ করে। পরে নিহতের ইজিবাইক মলিকের মোড়ে এনে ভেঙেচুরে তা বিক্রি করে রানা। এ ঘটনায় নিহতের মা শুক্রবার আলাউদ্দিন চৌধুরী রানার নাম উলেখ করে বাটিয়াঘাটা থানায় মামলা দায়ের করেন।
এমএসএম / জামান
জ্বালানি তেলের চাপ নিয়ন্ত্রনে ধামইরহাট সীমান্তে বিজিবি ও গোয়েন্দা সংস্থার কঠোর নজরদারি
ধামইরহাটে ব্র্যাকের উদ্দোগে বিনামুল্যে চক্ষু চিকিৎসা
টুঙ্গিপাড়া ফিলিং স্টেশনে তেল কম দেওয়ায় ৩০ হাজার টাকা জরিমানা, বাজার মনিটরিং জোরদার
যশোর জেলা পুলিশের মাসিক অপরাধ সভা অনুষ্ঠিত, আইন-শৃঙ্খলা জোরদারে নানা নির্দেশনা
নাচোলে বন্ধ থাকা পেট্রোল পাম্প চালুর দাবিতে প্রতিবাদ ও মানববন্ধন অনুষ্ঠিত
বাগেরহাটে তথ্য অধিকার ও জবাবদিহিতা বিষয়ক আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত
নরসিংদীতে অ্যাথলেটিকস প্রশিক্ষণের উদ্বোধন, অংশ নিচ্ছে ৪০ শিক্ষার্থী
আত্রাইয়ে জাতীয় ও আন্তর্জাতিক ক্রীড়া দিবস উদ্যাপন উপলক্ষে র্যালি ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত
রাজশাহীতে পরিত্যক্ত আ.লীগ কার্যালয়ের জায়গায় ‘অর্পিত সম্পত্তি’র সাইনবোর্ড
রায়গঞ্জে ইটভাটায় অভিযানে দুই ভাটায় ৯ লাখ টাকা জরিমানা
শ্রীমঙ্গলে পুলিশের জালে ৪ ছিনতাইকারী
যশোরে বিচারকের বিরুদ্ধে মামলা ওয়ারেন্ট থাকায় আদালত চত্বরেই বাদী আটক