বহু অপকর্মের হোতা মতিন পুলিশের হাতে গ্রেফতার
মুক্তিযোদ্ধা কে পিটিয়ে গুরুত্ব আহত এবং অবৈধভাবে তার বসত বাড়ি জায়গা জোর পূর্বক দখল করে বাড়ি থেকে উচ্ছেদ করা, নদীতে মাছ ধরা জেলেদের কাজ থেকে মাছ নেওয়া, এলাকায় আধিপত্য বিস্তার সহ বহু অপকর্মের হোতা আওয়ামী লীগ নেতা মতিন পুলিশের হাতে গ্রেফতার হওয়ায় এলাকায় স্বস্তি ফিরে এসেছে। মুখ খুলতে শুরু করেছে এলাকা সাধারণ মানুষ।
গ্রেপ্তারকৃত নেতার নাম মতিন মোল্যা (৩৫)। তিনি ফরিদপুরের আলফাডাঙ্গা উপজেলার টগরবন্দ ইউনিয়নের সাতবাড়িয়া গ্রামের বাসিন্দা তৈয়বুর রহমানের ছেলে। মতিন মোল্যা টগরবন্দ ইউনিয়নের ৫ নম্বর ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন বলে জানা গেছে।
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে আগামী ১৩ নভেম্বর ঢাকা যাওয়ার আহ্বান জানিয়ে পোস্ট দেওয়ায় মতিন কে গ্রেপ্তার করে থানা পুলিশ।
শুক্রবার (৭ নভেম্বর) দিবাগত রাত ২টার দিকে সাতবাড়িয়া গ্রাম থেকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়। পরে বৃহস্পতিবার দুপুরে একটি বিস্ফোরক দ্রব্য আইনে মামলায় তাকে কারাগারে পাঠানো হয়েছে।
খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, ক্ষমতাচ্যুত সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার বিরুদ্ধে মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলার রায় ঘোষণার সম্ভাব্য তারিখ ১৩ নভেম্বরকে কেন্দ্র করে রাজধানীসহ সারাদেশে উত্তেজনা বিরাজ করছে।
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ছে নানা ধরনের গুজব ও অপপ্রচার—যার মধ্যে রয়েছে গণসমাবেশ ঘটিয়ে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি, লকডাউন ঘোষণার গুজব, গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনায় হামলার আশঙ্কা এবং যানবাহনে অগ্নিসংযোগের প্রচারণা। এই ১৩ তারিখে ঢাকা যাওয়ার আহ্বান জানিয়ে গত বৃহস্পতিবার “মতিন মোল্যা” নামের একটি ফেসবুক আইডি থেকে লেখেন, “১৩ তারিখে আমরা সবাই ঢাকা যাব। দলের দুর্দিনে আমরা দলের পাশেই আছি।” ওই পোস্টের ছবিতে মতিন মোল্যা সহ আরও ১৬ জন ব্যক্তির ছবি ছিল। পোস্টটি ছড়িয়ে পড়ার একদিন পরই শুক্রবার দিবাগত গভীররাতে মতিন মোল্যাকে গ্রেপ্তার করা হয়।
নাম প্রকাশ করতে অনিচ্ছুক ব্যাক্তি বলেন, আমরা ভয়ে মুখ খুলতে পারি নাই, এই গ্রামেই একজন বীর মুক্তিযোদ্ধা বসত বাড়ি জোর পূর্বক দখল করেছে এবং তার পরিবারকে মারধর করে ঘরবাড়ি ভাংচুর ও লুটপাট করে মতিন ও তার সাঙ্গু বাহিনী। তারা প্রশাসন কে সে ভয় পায় না, এখনও ঐ পরিবার সহ এলাকার অনেক মানুষ আতংকে রয়েছে।
আলফাডাঙ্গা থানা সূত্র জানায়, মতিন মোল্যাকে গত ১৮ জানুয়ারি আলফাডাঙ্গা থানায় দায়ের করা একটি বিস্ফোরক দ্রব্য আইনের মামলায় অজ্ঞাতনামা আসামি হিসেবে গ্রেপ্তার দেখানো হয়েছে। আলফাডাঙ্গা পৌর সদরের বুড়াইচ এলাকার ইদ্রিস সর্দারের ছেলে বিএনপির সমর্থক লাভলু সর্দার বাদী হয়ে মামলাটি দায়ের করেছিলেন। এতে আওয়ামী লীগের ১৭০ জন নেতাকর্মীর নাম উল্লেখসহ আড়াই থেকে তিন হাজার জনকে অজ্ঞাতনামা আসামি করা হয়। এই মামলাতেই তাকে আটক দেখানো হয়।
ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে আলফাডাঙ্গা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. শাহজালাল আলম বলেন, “সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ঢাকা যাওয়ার আহ্বান জানিয়ে পোস্ট দেওয়ায় মতিন মোল্যা নামে এক ব্যক্তিকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। আজ শনিবার আদালতের মাধ্যমে তাকে কারাগারে পাঠানো হয়েছে।” তিনি জানান, উস্কানিমূলক পোস্ট এবং বিশৃঙ্খলা সৃষ্টির আশঙ্কার কারণে এই পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে।
এমএসএম / এমএসএম
তারাগঞ্জে বিভিন্ন কর্মসূচিতে এমপি ব্যারিস্টার শাকিলা ফারজানা
বিতর্কিত এসআই নেয়ামতের বিরুদ্ধে ঘুষ-চাঁদাবাজির মামলা, পিবিআইকে তদন্তের নির্দেশ
গৌরনদীতে গভীর রাতে সৌদি প্রবাসীর বাড়ির দেয়াল ও সিসিটিভি ক্যামেরা ভাঙচুর
রূপসার ফখরুল হত্যার ঘটনায় ‘কাটাপ্পা’ গ্রেপ্তার
কাছাইট গ্রামের কৃতি সন্তান বীর মুক্তিযোদ্ধা মতিউর রহমান মহারাজ আর নেই
শিক্ষার্থীদের বইমুখী করতে পেকুয়ায় গ্রন্থপাঠ কার্যক্রম
অভয়নগরে জাতীয় মৎস্য পক্ষ উদযাপন, চার চাষিকে পুরস্কার
শ্রীনগরে মদ্যপ অবস্থায় কৃষক দল নেতার নাচগানের ভিডিও ভাইরাল
পটুয়াখালীতে ‘জাতীয় মৎস্য পক্ষের উদ্বোধন
নেত্রকোণার কলমাকান্দায় ছয় দফা দাবিতে দুই বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের মানববন্ধন-সহস্রাধিক শিক্ষার্থী-অভিভাবকের অংশগ্রহণ
উলিপুরে জাতীয় মৎস পক্ষের উদ্বোধন
মাছের পোনা অবমুক্তকরণের মাধ্যমে গোপালগঞ্জে জাতীয় মৎস্য সপ্তাহ-২০২৬ এর উদ্বোধন