ঢাকা বৃহষ্পতিবার, ৫ নভেম্বর, ২০২৬

সার নিয়ে কারসাজি, দুশ্চিন্তায় মেহেরপুরের কৃষকরা


তৌহিদুল ইসলাম তুহিন, মেহেরপুর photo তৌহিদুল ইসলাম তুহিন, মেহেরপুর
প্রকাশিত: ৪-১-২০২৬ দুপুর ১:৫৩

চাষাবাদের ভরা মৌসুমে মেহেরপুর জেলায় তীব্র সার সংকটে পড়েছেন কৃষকরা। প্রয়োজনীয় রাসায়নিক সার সংগ্রহ করতে গিয়ে দীর্ঘ সময় লাইনে দাঁড়িয়েও অনেক কৃষক খালি হাতে বাড়ি ফিরছেন। এতে চলতি মৌসুমের ফসল উৎপাদন নিয়ে চরম উদ্বেগ ও অনিশ্চয়তা দেখা দিয়েছে।
জেলার বিভিন্ন এলাকায় সরকার নির্ধারিত মূল্যের চেয়ে অতিরিক্ত দামে সার বিক্রির অভিযোগও উঠেছে। কৃষকদের দাবি, পর্যাপ্ত সরবরাহ না থাকায় ডিলার পয়েন্টগুলোতে প্রতিদিনই সৃষ্টি হচ্ছে দীর্ঘ লাইন ও বিশৃঙ্খলা।
মেহেরপুর সদর উপজেলার শেখপাড়া গ্রামের কৃষক বাবুল হোসেন জানান, তিনি চলতি মৌসুমে ১৩ বিঘা জমিতে পেঁয়াজ, ১০ বিঘা জমিতে ফুলকপি এবং আরও ১০ বিঘা জমিতে আলু চাষ করেছেন। কিন্তু প্রয়োজনীয় পটাশ সার সংগ্রহ করতে গিয়ে একাধিকবার ডিলারের গোডাউনে গিয়েও সার পাননি। তার অভিযোগ, গোডাউনে সার মজুত থাকলেও সরকার নির্ধারিত দামে তা বিক্রি করা হচ্ছে না। বাড়তি টাকা দিলে তবেই সার মিলছে।
তিনি বলেন, “পটাশ সার তো পাচ্ছিই না, অন্য সারের ক্ষেত্রেও বস্তাপ্রতি ৪০০ থেকে ৬০০ টাকা পর্যন্ত বেশি দিতে হচ্ছে। এতে উৎপাদন খরচ অনেক বেড়ে গেছে। লাভ তো দূরের কথা, খরচ উঠবে কি না, সেটাই এখন বড় চিন্তা।”
একই অভিযোগ করেছেন গাংনী ও মুজিবনগর উপজেলার কৃষকরাও। তাদের মতে, মৌসুমের শুরুতেই প্রয়োজনীয় সার না পেলে ফলন মারাত্মকভাবে ব্যাহত হতে পারে। অনেক কৃষক ধারদেনা করে চাষ শুরু করলেও সারের সংকটে তারা দিশেহারা হয়ে পড়েছেন।
তবে কৃষকদের অভিযোগ অস্বীকার করেছেন সার ব্যবসায়ীরা। তাদের দাবি, চাহিদার তুলনায় বরাদ্দ কিছুটা কম থাকায় সাময়িক চাপ সৃষ্টি হয়েছে, তবে প্রকৃত অর্থে সারের কোনো সংকট নেই। মেহেরপুরের সার ডিলার সাইদ আহমেদ বলেন, “চাহিদার তুলনায় বরাদ্দ কম হওয়ায় চাপ বেড়েছে। তবে বাজারে সারের প্রকৃত কোনো ঘাটতি নেই।”
এ বিষয়ে মেহেরপুর জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর জানিয়েছে, পরিস্থিতি মোকাবিলায় সার সরবরাহ ও বিক্রয় কার্যক্রম নিয়মিত মনিটরিং করা হচ্ছে। জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক সনজীব মৃধা বলেন, “কৃষকদের চাহিদা অনুযায়ী সার সরবরাহ নিশ্চিত করতে মাঠপর্যায়ে টিম গঠন করে মনিটরিং জোরদার করা হয়েছে। সরকার নির্ধারিত দামের চেয়ে বেশি দামে সার বিক্রির অভিযোগ প্রমাণিত হলে আইনানুগ কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে।”
কৃষি বিভাগ সূত্রে জানা গেছে, চলতি মৌসুমে মেহেরপুর জেলায় ডিএসপি ও এমওপি সারের মোট চাহিদা নির্ধারণ করা হয়েছে ৩১ হাজার ৬৬০ মেট্রিক টন। তবে কৃষকদের অভিযোগ, সময়মতো প্রয়োজনীয় সার না পাওয়ায় উৎপাদন নিয়ে তারা চরম অনিশ্চয়তার মুখে পড়েছেন।

এমএসএম / এমএসএম

সম্পদ বিলিয়ে আজ অনুতপ্ত ৮৫ বছরের শামসুল, বললেন ‘ভুল করেছি’

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের বাগেরহাটে আগমনকে ঘিরে বিএনপি ও সাধারণ কর্মীদের মধ্যে উৎসাহ উদ্দীপনা

পটুয়াখালীতে আনসারের উচ্চতর প্রশিক্ষণের সমাপনী : গণপ্রতিরক্ষা সক্ষমতা বৃদ্ধির আহ্বান মহাপরিচালকের

তরিকুল ইসলামের ৮ম মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে শালিখায় দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত

শিবগঞ্জে ১৪৪ ধারা ভঙ্গ করে বিরোধপূর্ণ জমিতে বাড়ি নির্মাণের অভিযোগ

কালাইয়ে ফাঁকা স্ট্যাম্পে স্বাক্ষর নেওয়ার অভিযোগ, থানায় লিখিত অভিযোগ

বাউফলে ইদ্রিস মোল্লা ডিগ্রি কলেজের এডহক কমিটির সভাপতিকে সংবর্ধনা

রৌমারীতে স্বামীর স্বীকৃতির দাবিতে ৫ দিন ধরে অনশন স্ত্রীর, বিচার প্রতারণায় পরিবার

নবীগঞ্জে মাদ্রাসাবিরোধী অপপ্রচার ও ষড়যন্ত্রের প্রতিবাদে সমাবেশ

গুরুদাসপুরে কৃষকের বাড়িতে দফায় দফায় অগ্নিকাণ্ড, আতঙ্কে পরিবার

রায়পুরে চরবংশিতে ছুরিকাঘাত, বিএনপি নেতাসহ আহত ৪

বড়লেখায় ১৮ চা বাগানে শ্রমিক ইউনিয়ন নির্বাচনে প্রশাসনের প্রস্তুতি শুরু, ভোটার ৪ হাজার

আত্রাইয়ে ৫৬ জন শিক্ষার্থীকে পবিত্র কুরআনের সবক প্রদান