ঢাকা শনিবার, ১০ জানুয়ারী, ২০২৬

সার নিয়ে কারসাজি, দুশ্চিন্তায় মেহেরপুরের কৃষকরা


তৌহিদুল ইসলাম তুহিন, মেহেরপুর photo তৌহিদুল ইসলাম তুহিন, মেহেরপুর
প্রকাশিত: ৪-১-২০২৬ দুপুর ১:৫৩

চাষাবাদের ভরা মৌসুমে মেহেরপুর জেলায় তীব্র সার সংকটে পড়েছেন কৃষকরা। প্রয়োজনীয় রাসায়নিক সার সংগ্রহ করতে গিয়ে দীর্ঘ সময় লাইনে দাঁড়িয়েও অনেক কৃষক খালি হাতে বাড়ি ফিরছেন। এতে চলতি মৌসুমের ফসল উৎপাদন নিয়ে চরম উদ্বেগ ও অনিশ্চয়তা দেখা দিয়েছে।
জেলার বিভিন্ন এলাকায় সরকার নির্ধারিত মূল্যের চেয়ে অতিরিক্ত দামে সার বিক্রির অভিযোগও উঠেছে। কৃষকদের দাবি, পর্যাপ্ত সরবরাহ না থাকায় ডিলার পয়েন্টগুলোতে প্রতিদিনই সৃষ্টি হচ্ছে দীর্ঘ লাইন ও বিশৃঙ্খলা।
মেহেরপুর সদর উপজেলার শেখপাড়া গ্রামের কৃষক বাবুল হোসেন জানান, তিনি চলতি মৌসুমে ১৩ বিঘা জমিতে পেঁয়াজ, ১০ বিঘা জমিতে ফুলকপি এবং আরও ১০ বিঘা জমিতে আলু চাষ করেছেন। কিন্তু প্রয়োজনীয় পটাশ সার সংগ্রহ করতে গিয়ে একাধিকবার ডিলারের গোডাউনে গিয়েও সার পাননি। তার অভিযোগ, গোডাউনে সার মজুত থাকলেও সরকার নির্ধারিত দামে তা বিক্রি করা হচ্ছে না। বাড়তি টাকা দিলে তবেই সার মিলছে।
তিনি বলেন, “পটাশ সার তো পাচ্ছিই না, অন্য সারের ক্ষেত্রেও বস্তাপ্রতি ৪০০ থেকে ৬০০ টাকা পর্যন্ত বেশি দিতে হচ্ছে। এতে উৎপাদন খরচ অনেক বেড়ে গেছে। লাভ তো দূরের কথা, খরচ উঠবে কি না, সেটাই এখন বড় চিন্তা।”
একই অভিযোগ করেছেন গাংনী ও মুজিবনগর উপজেলার কৃষকরাও। তাদের মতে, মৌসুমের শুরুতেই প্রয়োজনীয় সার না পেলে ফলন মারাত্মকভাবে ব্যাহত হতে পারে। অনেক কৃষক ধারদেনা করে চাষ শুরু করলেও সারের সংকটে তারা দিশেহারা হয়ে পড়েছেন।
তবে কৃষকদের অভিযোগ অস্বীকার করেছেন সার ব্যবসায়ীরা। তাদের দাবি, চাহিদার তুলনায় বরাদ্দ কিছুটা কম থাকায় সাময়িক চাপ সৃষ্টি হয়েছে, তবে প্রকৃত অর্থে সারের কোনো সংকট নেই। মেহেরপুরের সার ডিলার সাইদ আহমেদ বলেন, “চাহিদার তুলনায় বরাদ্দ কম হওয়ায় চাপ বেড়েছে। তবে বাজারে সারের প্রকৃত কোনো ঘাটতি নেই।”
এ বিষয়ে মেহেরপুর জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর জানিয়েছে, পরিস্থিতি মোকাবিলায় সার সরবরাহ ও বিক্রয় কার্যক্রম নিয়মিত মনিটরিং করা হচ্ছে। জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক সনজীব মৃধা বলেন, “কৃষকদের চাহিদা অনুযায়ী সার সরবরাহ নিশ্চিত করতে মাঠপর্যায়ে টিম গঠন করে মনিটরিং জোরদার করা হয়েছে। সরকার নির্ধারিত দামের চেয়ে বেশি দামে সার বিক্রির অভিযোগ প্রমাণিত হলে আইনানুগ কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে।”
কৃষি বিভাগ সূত্রে জানা গেছে, চলতি মৌসুমে মেহেরপুর জেলায় ডিএসপি ও এমওপি সারের মোট চাহিদা নির্ধারণ করা হয়েছে ৩১ হাজার ৬৬০ মেট্রিক টন। তবে কৃষকদের অভিযোগ, সময়মতো প্রয়োজনীয় সার না পাওয়ায় উৎপাদন নিয়ে তারা চরম অনিশ্চয়তার মুখে পড়েছেন।

এমএসএম / এমএসএম

চট্টগ্রাম ডিসি পার্কে মাসব্যাপী ফুল উৎসবের উদ্বোধন

লাকসামের অলি-গলিতে শীতের পিঠা বিক্রেতাদের মহা-ধুমধাম

শেরপুরে পিআইবির উদ্যোগে দুই দিনব্যাপী নির্বাচনকালীন সাংবাদিকতা বিষয়ক প্রশিক্ষণের উদ্বোধন

মনপুরায় আইনের জালে প্রভাবশালী ইউনিয়ন যুবলীগ সভাপতি গ্রেপ্তার, আ.লীগ নেতা আটক

শালিখায় ঝুকিপূর্ণ ভোট কেন্দ্র পরিদর্শন করলেন-জেলা প্রশাসক

গজারিয়া সেনাবাহিনীর অভিযানে আটক ৪

সিংগাইরে জমি বিক্রির পরও দখল বুঝিয়ে না দেয়ার অভিযোগ

চন্দনাইশে বেগম খালেদা জিয়ার মাগফিরাত কামনায় দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত

দাউদকান্দিতে চলন্ত বাসে ভয়াবহ আগুন: নিহত ৪, দগ্ধ অন্তত ৩৫

নাগেশ্বরীতে প্রাথমিক শিক্ষক নিয়োগ পরীক্ষায় ডিভাইসহ ৬জন গ্রেফতার

‎গাইবান্ধায় সহকারী শিক্ষক নিয়োগ পরীক্ষায় নকলের চেষ্টা: কথা বলার ডিভাইসসহ পরীক্ষার্থী আটক

বাউফলে ট্রাকের চাপায় অটোরিকশা চালক নিহত, আহত ২

কুড়িগ্রামে প্রাথমিকে শিক্ষক নিয়োগ পরীক্ষায় প্রশ্নপত্র ফাঁসের অভিযোগে আটক ১০