ঢাকা বুধবার, ৮ এপ্রিল, ২০২৬

মনোহরগঞ্জে দুই শতাধিক নদী-খাল পানি শূন্য ভোগান্তিতে -মৎস্যজীবী-কৃষক


মনোহরগঞ্জ  প্রতিনিধি  photo মনোহরগঞ্জ প্রতিনিধি
প্রকাশিত: ২৫-২-২০২৬ দুপুর ১২:২৫

 কুমিল্লার মনোহরগঞ্জ উপজেলায় অন্তত ২০০টি নদী -খাল পানি শূন্য হয়ে পড়াতে  মৎস্যজীবী কৃষক ভোগান্তিতে পড়েছে । ক্রমেই  এসব নদী ও খালে নৌযান চলাচল ও মাছ শিকার বন্ধ হয়ে গেছে। এতে ভোগান্তিতে পড়েছেন এলাকার মৎস্যজীবী, কৃষক, জেলেরা ।  ডাকাতিয়া নদী -খালেদার খাল,আমতলী - ছিরিপুর খাল, কেশতলা হাড়িয়াহোসেনপু খাল,ভাটগাঁও - দিকচান্দা খাল, ভাটগাঁও - নরহরি পুর খাল, ডুমুরিয়া - হাটিরপাড়  খাল, ছিখটিয়া -গন্ডামারা খাল, লক্ষণপুর - নোয়াখালী খাল,শরিফ পুর  -হাসনাবাদ - নোয়াখালী খাল, হাওরা,চড্ডা, খরখরিয়া -বাইশগাঁও - নোয়াখালী খাল, হাটিরপাড় - গোয়ালীয়ারা -খানাতুয়া -মেল্লার খাল, দুপুর  হাজিপুরা - সংশপুর  খাল,পোমগাঁও - নরহরি পুর - মির্জাপুর খালসহ উপজেলার  দুই শতাধিক  নদী- খাল পানি শূন্য হয়ে পড়ে আছে। মনোহরগঞ্জ উপজেলার সদর,হাটিরপাড়, দিশাবন্দ,ঝলম দক্ষিণ,মৈশাতুয়া, বাইশগাঁও, হাসনাবাদ, লক্ষণপুর উওর ঝলম,  ইউনিয়নের ৫০০ শ মানুষ নদী-খালে মাছ শিকার করে জীবিকা নির্বাহ করেন। বর্তমানে দখলদায়িত্ব বন্যায় উপর থেকে নেমে আসা লোনা বালিয়ে নদী- খাল বরটা হয়ে যাওয়ায়,এবং পানি না থাকার কারণে নদী-খালে জাল ফেলার উপায় নেই। এতে পরিবারগুলো আর্থিকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়ে দুর্বিষহ জীবনযাপন করছে। ঝলম গ্রামের দিনশ বর্মন, চিদাম বর্মন, ভেড় জাল দিয়ে মাছ ধরেন। নদী-খালেপানি না থাকার কারণে তিনি তিন মাস হলো মাছ ধরতে পারছেন না। তিনি জানান, গ্রামের একটি সমিতি থেকে এক লাখ টাকা ঋণ করে জাল কিনেছিলেন। নদীতে মাছ ধরে বিক্রি করে সংসার চালান। নদী - খাল খনন না করায় এবং পানি না থাকার  কারণে নদী বা খালে জাল ফেলার উপায় নেই। 
ঝলম গ্রামের মৎস্যজীবী প্রিয় লাল সাহা , নিরমল বর্মন,  বিপ্লব বর্মন,লিটন বর্মন,  জানান, এলাকার শত শত মানুষ মাছ শিকার করে সংসার চালান। এখন পাঁচ মাস হলো নদী-খালে কোনো মাছ ধরতে পারছেন না। তারা বলেন, নির্বিঘ্নে পানিতে চলাচল না করতে পারলে মাছ বড় হবে না।নদী-খাল খনন না করা হলে মাছের উৎপাদনও ব্যাহত হবে। মাছ ধরতে না পেরে তাদের মতো অনেকেই সংসার চালাতে হিমশিম খাচ্ছেন। কৃষক আবুছায়েদ, আবদুলমান্নান, মিজানুররহমান, আবদুররব, বাবুল, নুরুল ইসলাম সহ কমপক্ষে ২০ জন কৃষক বলেন, বছরে এক মাত্র একটি ফসল আমাদের  বোরো ধানের আবাদ। নদী-খালে  পানি শুকিয়ে যাওয়ায় আতঙ্কে দিন কাটছে কৃষকের । চলতি মৌসুমে দ্বিগুণের বেশি অর্থ খরচ করে ক্ষেতের উৎপাদিত পণ্য ঘরে আনতে হবে। উপজেলায় ডাকাতিয়া একটি নদী  রয়েছে। দেশের দ্বিতীয় বৃহত্তম এই নদী । ওই ডাকাতিয়া রয়েছে অসংখ্য ছোট-বড় শাখা খাল। অনেক নদী -খাল প্রভাবশালীরা বাড়ি,- ঘর  বহুতল ভবন দোকান, মার্কেট করে ধকলে নিয়েছে এবং বন্যায় লোনা বালু, মাটিএসে ভরে গেছে। এতে নৌযান চলাচল বন্ধ হয়ে গেছে। স্থানীয় বাসিন্দা চিদাম বর্মন বলেন,বাজারে মাছ ব্যবসা করেন এবং পাশাপাশি ডিঙ্গি নৌকা নিয়ে ডাকাতিয়া নদীতে মাছ শিকার করতেন। এতে পরিবারের বেশ আর্থিক সচ্ছলতা ছিল।নদী- খালে পানি  মাছ না থাকায় কষ্টের দিন যাপন করছি। উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা গোলাম সরোয়ার তুষার বলেন - এ উপজেলা বোরো ধানের ওপর নির্ভরশীল। উপজেলায় কৃষি জমির পরিমাণ ১০ হাজার ২৯৫ হেক্টর। বোরো ধানের চাষ হয়েছে এরমধ্যে প্রায়  ৮০০০ হাজার হেক্টর জমিতে । বি আর ডি সিতে খাল খনখনে জন্য একটি তালিকা দেওয়া হয়েছে, তারা শীঘ্রই গুরুত্বপূর্ণ   খাল -খননের কাজ শুরু করবে। নদী-খাল খনন হলে ফসলি জমিতে উৎপাদন এ উপজেলায় অনেক ভেড়ে যাবে। উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) গাজালা পারভীন রুহি জানান, উপজেলার অধিকাংশ নদী-খাল ভরাট হয়েছে  বিষয়টি তিনি জেনেছেন। সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের সাথে কথা বলে নদী- খাল খননের ব্যবস্থা করা হবে ।

এমএসএম / এমএসএম

সীতাকুণ্ডে কারখানার শেড ধসে দুই শ্রমিক নিহত

মুন্ডুমালা শাহিন ফিলিং স্টেশনে তেল নিতে আসা বাইক চালকদের যুবলীগ নেতার নেতৃত্বে মারপিট

মদনে জাতীয় বিজ্ঞান মেলার উদ্বোধন

গোপালগঞ্জে মাদকবিরোধী অভিযানে ইয়াবাসহ যুবক গ্রেফতার

আদমদীঘিতে বাংলা নববর্ষ উযাপনের লক্ষে প্রস্ততিমুলক সভা

‎চরের কান্না—চিকিৎসার অভাবে পথে হারিয়ে যায় কত জীবন

টুঙ্গিপাড়ায় গ্যাস ও তেল বেশি দামে বিক্রি: ভ্রাম্যমাণ অভিযানে দুই ব্যবসায়ীকে ৩০ হাজার টাকা জরিমানা

রায়গঞ্জে এসএসসি পরীক্ষার্থীদের বিদায় ও নবীনবরণ অনুষ্ঠিত

যশোরে বিএনপি নেতার বিরুদ্ধে অপপ্রচারের প্রতিবাদে মানববন্ধন

কাউতুলী-ঘাটুরা রাস্তা প্রশস্তকরণে জেলা পরিষদ প্রশাসকের পরিদর্শন

সাবেক আ.লীগ এমপির তেল পাম্পে অনিয়ম: গোপনে ২,৬০০ লিটার বিক্রি, জরিমানা ৫০ হাজার

শান্তিগঞ্জে নির্বিঘ্নে বোরো ধান কর্তন উপলক্ষে প্রস্তুতিমূলক সভা অনুষ্ঠিত

রাজশাহী মেডিকেলে হামের উপসর্গে আরও ৩ শিশুর মৃত্যু