বাগেরহাটে প্রভাবশালী ঘের ব্যবসায়ীদের লোনা পানি প্রবেলে ধান চাষের ব্যাপক ক্ষতির মুখে হাজার হাজার কৃষক
বাগেরহাটে গুটি কয়েক কথিত প্রভাবশালী চিংড়ী ঘের ব্যবসায়ীরা রাতের আধারে লবণ পানি প্রতিরক্ষা বাঁধে অবৈধ গেট করে লবণ পানি প্রবেশ করিয়ে শত শত কৃষকের উঠতি ফসলের ক্ষতি করেছে। বিগত সরকার সময়ের ন্যায় বর্তমান সরকার সময়েও ওই প্রভাবশালীরা বাগেরহাটে রেকর্ডীয় খালে অবৈধ বাঁধ দিয়ে মাছের চাষ করছে। আবার মাছের জন্য সাধারণ কৃষকের ফলন্ত ধানের ক্ষতি করে লবণ পানি প্রবেশ করিয়েছে। এ বিষয়ে আগে থেকে এখানের সংসদ সদস্য, জেলা প্রশাসক, পুলিশ সুপার ও পানি উন্নয়ন বোর্ড কর্তৃপক্ষকে জানিয়েও কোন প্রতিকার পায়নি কৃষকদের প্রতিনিধিরা। উপায়ন্তর না পেয়ে ক্ষতিগ্রস্ত বাগেরহাট সদর উপজেলার ডেমা ও কাড়াপাড়া ইউনিয়ন বাসীর পক্ষ থেকে শনিবার বাগেরহাট প্রেসক্লাবে সংবাদ সম্মেলন এবং প্রেসক্লাবের সামনের রাস্তায় মানববন্ধন কর্মসূচি করেছে।
সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্য ও মানববন্ধনে বলা হয়, বাগেরহাট সদর উপজেলার ডেমা ইউনিয়নের বিভিন্ন মাঠে কতিপয় প্রভাবশালীরা জোরপূর্বক লবণ পানি প্রবেশ করাচ্ছেন। এর ফলে ইউনিয়নের অন্তত ৮ হাজার একর জমির ধান নষ্ট হওয়ার শঙ্কা তৈরি হয়েছে। ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকরা অভিযোগ করেন, মাছ চাষের জন্য ডেমা ইউনিয়ন ঘিরে অনেকগুলো স্লুইস গেট জোর খাটিয়ে খুলে দিয়ে পানি উঠাচ্ছেন একাধিক মাছের ঘের ব্যবসায়ীরা। যার ফলে লবণ পানিতে অনেক ধান নষ্ট হয়ে গেছে এবং আরো ধান নষ্ট হওয়ার শঙ্কা রয়েছে। হতদরিদ্র কৃষকদের ধান রক্ষায় অতিদ্রুত লবণ পানি প্রবেশ বন্ধ করার দাবি জানান কৃষকরা।
কৃষকদের দাবীর সাথে একাত্মতা প্রকাশ করে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্র সংসদ-ডাকসু’র কার্যনির্বাহী সদস্য বেলাল হোসেন অপু বলেন, "আমার জন্মভূমি বাগেরহাটে। এখানের বেশিরভাগ মানুষ কৃষির উপর নির্ভরশীল। কিন্তু স্বল্প সংখ্যক প্রভাবশালী ব্যক্তিরা চিংড়ি চাষ করার জন্য জমিতে লবণ পানি প্রবেশ করাচ্ছেন। আবার কেউ কেউ নতুন করে লবণ পানি প্রবেশ করানোর চেষ্টা করছে। এতে কৃষকরা ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে। এভাবে চলতে থাকলে, ইউনিয়নের অন্তত ৮ হাজার একর জমির ধান নষ্ট হওয়ার শঙ্কা তৈরি হয়েছে। কৃষকদের বাঁচাতে লবণ পানি প্রবেশ বন্ধ করার জন্য প্রশাসনের হস্তক্ষেপ কামনা করছি।"
কৃষক আরাফাত হোসেন বলেন, ৫২ শতকের এক বিঘা জমিতে ধান চাষ করতে ৮ থেকে ১২ হাজার টাকা ব্যয় হয়। আর যারা নগদ টাকায় জমি রেখে ধান চাষ করে তাদের ব্যয় হয় আরও বেশি। এক মাসের মধ্যেই বেশিরভাগ ধান পেকে যাবে। এখন যদি লবণ পানি প্রবেশ করায়, তাহলে আমাদের মত কৃষকদের বাঁচার আর পথ থাকবে না। এ জন্য প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়ার স্থানীয় প্রশাসনের প্রতি তিনি জোর দাবি জানান। কৃষি বিভাগের তথ্য অনুযায়ী, বাগেরহাট জেলায় চলতি মৌসুমে ১ লাখ ৬৮ হাজার ১৭১ একর জমিতে বোরো চাষ করেছেন কৃষকেরা। সংবাদ সম্মেলনে স্থানীয় কৃষক এস এম আরাফাত হোসেন লিখিত বক্তব্য ও সংবাদকর্মীদের নানা প্রশ্নের জবাব দেন। এ সময় মোল্লা আব্দুর রব, ফজলে রাব্বি, নাজমুস হাসান, গোলাম মওলা, রবিউল ইসলাম, আলি রাজ ও মোঃ সোলায়মানসহ স্থানীয় এলাকাবাসী অংশগ্রহন করেন।
এমএসএম / এমএসএম
সুন্নী ওলামা মাশায়েখ পরিষদের বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি ও শাহাদাতে কারবালার তাৎপর্য শীর্ষক আলোচনা সভা
নানা আয়োজনে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের ৭৩তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উদযাপন
জয়পুরহাটে জাতীয় পল্লী উন্নয়ন দিবস উপলক্ষে বর্ণাঢ্য র্যালি ও আলোচনা সভা
টাঙ্গাইল পৌরসভার উদ্যোগে ডেঙ্গু প্রতিরোধে মশক নিধন অভিযান
মাদ্রাসা ছাত্রী ধর্ষণের দায়ে ধর্ষকের মৃত্যুদণ্ড
নেত্রকোণায় তিন উপজেলা ও তিন পৌর শাখার ছাত্রদলের নতুন আংশিক কমিটি অনুমোদন
বাগেরহাটের মোল্লহাটে তুচ্ছ ঘটনায় ছুরিকাঘাতে কৃষক নিহত
অভয়নগরে প্রথম জাতীয় পল্লী উন্নয়ন দিবস উদযাপন
বিলাইছড়িতে জনপ্রতিনিধি ও কর্মকর্তাদের সঙ্গে মতবিনিময় করলেন ইউএনও মো. জাকির হোসেন
মোহনগঞ্জে পল্লী উন্নয়ন দিবস উদযাপন
শালিখায় জাতীয় পল্লী উন্নয়ন দিবস উদযাপিত
মান্দায় জাতীয় পল্লী উন্নয়ন দিবস পালিত