ঢাকা রবিবার, ১৭ মে, ২০২৬

বাগেরহাটে প্রভাবশালী ঘের ব্যবসায়ীদের লোনা পানি প্রবেলে ধান চাষের ব্যাপক ক্ষতির মুখে হাজার হাজার কৃষক


আরিফুর রহমান, বাগেরহাট photo আরিফুর রহমান, বাগেরহাট
প্রকাশিত: ৫-৪-২০২৬ দুপুর ১:৫০

বাগেরহাটে গুটি কয়েক কথিত প্রভাবশালী চিংড়ী ঘের ব্যবসায়ীরা রাতের আধারে লবণ পানি প্রতিরক্ষা বাঁধে অবৈধ গেট করে লবণ পানি প্রবেশ করিয়ে শত শত কৃষকের উঠতি ফসলের ক্ষতি করেছে। বিগত সরকার সময়ের ন্যায় বর্তমান সরকার সময়েও ওই প্রভাবশালীরা বাগেরহাটে রেকর্ডীয় খালে অবৈধ বাঁধ দিয়ে মাছের চাষ করছে। আবার মাছের জন্য সাধারণ কৃষকের ফলন্ত ধানের ক্ষতি করে লবণ পানি প্রবেশ করিয়েছে। এ বিষয়ে আগে থেকে এখানের সংসদ সদস্য, জেলা প্রশাসক, পুলিশ সুপার ও পানি উন্নয়ন বোর্ড কর্তৃপক্ষকে জানিয়েও কোন প্রতিকার পায়নি কৃষকদের প্রতিনিধিরা। উপায়ন্তর না পেয়ে ক্ষতিগ্রস্ত বাগেরহাট সদর উপজেলার ডেমা ও কাড়াপাড়া ইউনিয়ন বাসীর পক্ষ থেকে শনিবার বাগেরহাট প্রেসক্লাবে সংবাদ সম্মেলন এবং প্রেসক্লাবের সামনের রাস্তায় মানববন্ধন কর্মসূচি করেছে।

সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্য ও মানববন্ধনে বলা হয়, বাগেরহাট সদর উপজেলার ডেমা ইউনিয়নের বিভিন্ন মাঠে কতিপয় প্রভাবশালীরা জোরপূর্বক লবণ পানি প্রবেশ করাচ্ছেন। এর ফলে ইউনিয়নের অন্তত ৮ হাজার একর জমির ধান নষ্ট হওয়ার শঙ্কা তৈরি হয়েছে। ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকরা অভিযোগ করেন, মাছ চাষের জন্য ডেমা ইউনিয়ন ঘিরে অনেকগুলো স্লুইস গেট জোর খাটিয়ে খুলে দিয়ে পানি উঠাচ্ছেন একাধিক মাছের ঘের ব্যবসায়ীরা। যার ফলে লবণ পানিতে অনেক ধান নষ্ট হয়ে গেছে এবং আরো ধান নষ্ট হওয়ার শঙ্কা রয়েছে। হতদরিদ্র কৃষকদের ধান রক্ষায় অতিদ্রুত লবণ পানি প্রবেশ বন্ধ করার দাবি জানান কৃষকরা।

কৃষকদের দাবীর সাথে একাত্মতা প্রকাশ করে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্র সংসদ-ডাকসু’র কার্যনির্বাহী সদস্য বেলাল হোসেন অপু বলেন, "আমার জন্মভূমি বাগেরহাটে। এখানের বেশিরভাগ মানুষ কৃষির উপর নির্ভরশীল। কিন্তু স্বল্প সংখ্যক প্রভাবশালী ব্যক্তিরা চিংড়ি চাষ করার জন্য জমিতে লবণ পানি প্রবেশ করাচ্ছেন। আবার কেউ কেউ নতুন করে লবণ পানি প্রবেশ করানোর চেষ্টা করছে। এতে কৃষকরা ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে। এভাবে চলতে থাকলে, ইউনিয়নের অন্তত ৮ হাজার একর জমির ধান নষ্ট হওয়ার শঙ্কা তৈরি হয়েছে। কৃষকদের বাঁচাতে লবণ পানি প্রবেশ বন্ধ করার জন্য প্রশাসনের হস্তক্ষেপ কামনা করছি।"

কৃষক আরাফাত হোসেন বলেন, ৫২ শতকের এক বিঘা জমিতে ধান চাষ করতে ৮ থেকে ১২ হাজার টাকা ব্যয় হয়। আর যারা নগদ টাকায় জমি রেখে ধান চাষ করে তাদের ব্যয় হয় আরও বেশি। এক মাসের মধ্যেই বেশিরভাগ ধান পেকে যাবে। এখন যদি লবণ পানি প্রবেশ করায়, তাহলে আমাদের মত কৃষকদের বাঁচার আর পথ থাকবে না। এ জন্য প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়ার স্থানীয় প্রশাসনের প্রতি তিনি জোর দাবি জানান। কৃষি বিভাগের তথ্য অনুযায়ী, বাগেরহাট জেলায় চলতি মৌসুমে ১ লাখ ৬৮ হাজার ১৭১ একর জমিতে বোরো চাষ করেছেন কৃষকেরা। সংবাদ সম্মেলনে স্থানীয় কৃষক এস এম আরাফাত হোসেন লিখিত বক্তব্য ও সংবাদকর্মীদের নানা প্রশ্নের জবাব দেন। এ সময় মোল্লা আব্দুর রব, ফজলে রাব্বি, নাজমুস হাসান, গোলাম মওলা, রবিউল ইসলাম, আলি রাজ ও মোঃ সোলায়মানসহ স্থানীয় এলাকাবাসী অংশগ্রহন করেন।

এমএসএম / এমএসএম

বোয়ালখালী সাংবাদিক ফোরাম - চট্টগ্রামের আত্মপ্রকাশ

বর্ণাঢ্য আয়োজনের মধ্যদিয়ে এপেক্স ক্লাব অফ গোপালগঞ্জ-এর ৫ম দায়িত্ব হস্তান্তর অনুষ্ঠান-২০২৬ অনুষ্ঠিত

রাজস্থলীতে এ্যাম্ভুল্যান্সের চালক ডিউটি অবহেলায় রোগীবহন ভোগান্তি স্বীকার

ভূরুঙ্গামারীতে সার্কেল এএসপি নেতৃত্বে ভারতীয় প্রাসাধনী ও বাসুমতি চাল জব্দ

নবীনগরে ছাত্রের মায়ের সঙ্গে অনৈতিক সম্পর্কের অভিযোগে মাদ্রাসা প্রিন্সিপাল গ্রেপ্তার

রাজারহাটে ৪৭তম জাতীয় বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মেলা ২০২৬ এর সমাপনী অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত

ছেলের লাঠির আঘাতে বাবার মৃত্যু

জিয়ার শাহাদাত বার্ষিকী উপলক্ষে তারেক মঞ্চের মতবিনিময় সভা, ১২ জুন পূর্ণাঙ্গ কমিটি ঘোষণা

সেচ ব্যবস্থা উন্নয়নে বড় পরিকল্পনা বিএনপির: প্রধানমন্ত্রী

চাঁদপুরে খোর্দ্দ খাল পুনঃখনন কর্মসূচির উদ্বোধন করলেন প্রধানমন্ত্রী

সুবর্ণচরে জামায়াত নেতার বাড়িতে ৯৯ বস্তা সরকারি চাল উদ্ধার

আমি সবার এমপি, সবার কল্যাণে কাজ করবো : প্রতিমন্ত্রী ফরহাদ হোসেন আজাদ

কক্সবাজারে ট্রাফিক পুলিশ ও দালালদের চাঁদার রাজত্ব