ঢাকা শনিবার, ১৭ অক্টোবর, ২০২৬

“মরিলেও মরা নহে, যদি লোকে ঘোষে”


এ্যাড. মুনজুর-এ-আলম (মুন্নু) photo এ্যাড. মুনজুর-এ-আলম (মুন্নু)
প্রকাশিত: ১৯-৪-২০২৬ বিকাল ৫:১২

মানুষ মরে গেলে পঁচে যায়, বেঁচে থাকলে বদলায়, সময় অসময়ে বদলায়। সৃষ্টির সেরা মানুষ জন্মের পর শিশুকাল থেকে কয়েক ধাপ পেরিয়ে বৃদ্ধে পরিণত হয়। নবীনকাল থেকে মানুষের মনে মনে অনেক ইচ্ছা আকাঙ্খার স্বপ্নদেখে। তাদের স্বপ্ন বাস্তবে রূপ দেওয়ার জন্য অনেক সাধনা করতে হয়। এই সাধনার মাধ্যমে মানুষ কেহ হয়েছে বড় বিজ্ঞানী কেহ হয়েছে খেলোয়ার কেহবা হয়েছে রাষ্ট্র নায়ক কেহবা উচ্চ শিক্ষায় শিক্ষিত হয়ে সন্মান জনক পদলাভ করেছেন। হাতের ঘড়ি থেকে শুরু করে মোবাইল ফোন, রেডিও, টি.ভি, জাহাজ, বিমান, রেল ইঞ্জিন ইত্যাদি অনেক কিছুই মানুষের সৃষ্টি। এই সৃষ্টির পিছনে মানুষের সাধনা ছিল। কথায় বলে সাধনায় কার্য্য সিদ্ধি হয়। যেমন সাধনা করে ঈশ্বর চন্দ্র বিদ্যাসাগর হয়েছেন। নারী জাগরনে নাম রেখেছেন বেগম রোকেয়া। এরুপ অসংখ্য নারী পুরুষ পৃথিবীতে জন্মগ্রহণ করে শ্রম সাধনা দিয়ে, খ্যাতি অর্জন করে মৃত্যু হলেও তাদের অবদান আজও মানুষের অন্তরে বাসা বেধে আছে। সম্রাট শাহজাহান, নবাব সিরাজউদ্দৌলা অনেক পূর্বে মৃত্যু বরণ করিলেও এখনও মানুষ তাদের নাম ঘোষে। আমাদের দেশে অনেক সংগ্রাম করে যাহারা খ্যাতি অর্জন করেছেন তাদের মধ্যে হোসেন শহীদ সোহরাওয়ার্দী, শের-এ-বাংলা আবুল কাশেম ফজলুল হক, মাওলানা আব্দুল হামিদ খান ভাষানী প্রমুখ অনেক সংগ্রামী ব্যক্তিকে যুগযুগ ধরে মানুষ স্বরণ করে আসছে। এছাড়া বাংলা ভাষা আন্দোলনে রফিক, শফিক, বরকত, জোব্বারদের আত্মত্যাগ এদেশের মানুষ ভুলতে পারবেনা। এরপর ইং ১৯৭১ সালের মুক্তিযোদ্ধা, ১৯৯০ সালে নূর হোসেন এর আত্মত্যাগ ২০২৪ সালে আবু সাঈদ এর আত্মত্যাগ ২০২৫ সালে শরীফ ওসমান বিন হাদীকে হত্যা করা হলেও তাদের মৃত্যু যুগযুগ ধরে অমর হয়ে থাকবে। এদেশের রাষ্ট্রপতি মেজর জেনারেল জিয়াউর রহমান এদেশকে ভালোবেশে এদেশের জনগণের সুখ-শান্তির জন্য দিনরাত শ্রম দিয়েছেন। নিজের জন্য কোন লোভ লালসা ছিলনা। হঠাৎ অকালে শহীদ হলেও জনগণের অন্তরে শহীদ জিয়ার নাম অমর হয়ে আছে। যেকারণে তাঁর জন্ম মৃত্যুর তারিখে এদেশের কোটি কোটি জনতা তাকে স্বরণ করে দোয়া করে। একইভাবে শহীদ জিয়ার সহধর্মিনী বেগম খালেদা জিয়া এদেশের চার বারের প্রধানমন্ত্রী জনগণের সুখ শান্তির জন্য দিনরাত শ্রম দিয়েছেন। নিজের কোন লোভ লালসা ছিল না। ন্যায্য দাবীতে অটল থাকায় এদেশের জনগণ তাঁকে আপোষহীন নেত্রী উপাধী দিয়েছেন। শেষজীবনে ফ্যাসিষ্ট সরকারের আক্রোশে জেলজুলুমের স্বীকার হয়েছেন। এমনকি সময় মত তাহার সুচিকিৎসা করতে দেওয়া হয় নাই। জেল জুলুম নির্যাতন সহ্য করে শেষ পর্যন্ত তিনি গত ইং ৩০ শে ডিসেম্বর/২০২৫ তারিখে মৃত্যুবরণ করিলে তার জানাজায় লক্ষ লক্ষ মানুষ শরীক হয়েছেন। দেশে বিদেশে লক্ষ লক্ষ লোক তাঁর আত্মার শান্তির জন্য দোয়া করে। বাংলাদেশের রাজধানী ঢাকা শহরে স্বামী জিয়াউর রহমানের কবরের বাম পার্শ্বে তার কবর হওয়ায় অদ্যবধি প্রতিদিন হাজার হাজার জনতা এই কবরস্থানে হাজির হয়ে এই দুই আত্মাকে স্বরণ করে দোয়া করেন। যুগযুগ ধরে এই দোয়ার মাধ্যমে তাদের অমর আত্মাকে স্বরণ করা হবে। যেকারণে বলতেই হয় মরিলেও মরা নহে, যদি লোকে ঘোষে। 

এমএসএম / এমএসএম

সীমান্তে রক্তপাত ও পুশইন আর মুখে বন্ধুত্বের বুলি: এই দ্বিচারিতার শেষ কোথায়?

বিশ্ব খাদ্য দিবস: খাদ্য নিরাপত্তা, পুষ্টি ও টেকসই উন্নয়ন

দুর্যোগ মোকাবিলায় প্রতিরোধ ও প্রস্তুতিই হোক অগ্রাধিকার

ভারতীয় হাইকমিশনারের বক্তব্যে ভেঙে গেল আ’লীগের পুরোনো বয়ান

মুক্তিযুদ্ধের চেতনা ও অসাম্প্রদায়িকতার আজীবন যোদ্ধা: অধ্যাপক ড. নিম চন্দ্র ভৌমিক

হজযাত্রীদের স্বাস্থ্য বীমা: কভারেজ সুবিধা ও বীমা বহির্ভূত ব্যয় পরিশোধের দায়

​বিশ্ব শিক্ষক দিবস: পেছনের গল্প এবং শিক্ষক সমাজের না বলা কথা

কিশোর গ্যাং: বাংলাদেশের তারুণ্য কোন পথে?

প্রবীণদের সুরক্ষায় প্রয়োজন সম্মিলিত প্রচেষ্টা

কন্যা শিশুদের সুরক্ষায় প্রয়োজন সম্মিলিত প্রচেষ্টা

আমি,আমরা কী পড়াচ্ছি, আর শিক্ষার্থীরা কী শিখছে?

লেখকের কষ্ট

বিশ্বমঞ্চে বাবা-মায়ের পদাঙ্কে তারেক রহমান