ঢাকা মঙ্গলবার, ২৭ অক্টোবর, ২০২৬

ঐতিহ্যের ধারক পায়গ্রাম কসবা মাধ্যমিক বিদ্যালয়: গৌরবময় অতীত, নীরব বর্তমান।


কাজী জাকির হোসেন  photo কাজী জাকির হোসেন
প্রকাশিত: ১৯-৪-২০২৬ বিকাল ৫:৩৬

দীর্ঘ এক শতাব্দীরও বেশি সময় ধরে শিক্ষা ও সংস্কৃতির আলো ছড়িয়ে আসা ঐতিহ্যবাহী পায়গ্রাম কসবা মাধ্যমিক বিদ্যালয় আজ স্মৃতি ও বাস্তবতার এক মিশ্র প্রতিচ্ছবি হয়ে দাঁড়িয়ে আছে।
১৮৮৬ সালে সবুজ বৃক্ষরাজীতে ঘেরা মনোরম পরিবেশে প্রতিষ্ঠিত এই বিদ্যালয়টি দ্রুতই অঞ্চলের শিক্ষার কেন্দ্রবিন্দুতে পরিণত হয়। বিদ্যালয়ের পেছন দিয়ে বয়ে যাওয়া ভৈরব নদ এর প্রাকৃতিক সৌন্দর্যকে আরও সমৃদ্ধ করেছিল। ১৯০৬ সালে তৎকালীন কলিকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ের অনুমোদন এনে দেন প্রখ্যাত শিক্ষাবিদ ও বিশ্বনন্দিত ব্যক্তিত্ব খান বাহাদুর কাজী আজিজুর হক। তিনি খুলনা-যশোর অঞ্চলে শিক্ষার প্রসারে অসামান্য ভূমিকা রাখেন এবং তাঁর প্রচেষ্টায় এ অঞ্চলের জন্য একাধিক মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের স্বীকৃতি অর্জিত হয়।
একসময় বিদ্যালয়ের বিশাল খেলার মাঠ ছিল ক্রীড়া ও সাংস্কৃতিক কর্মকাণ্ডের প্রাণকেন্দ্র। ফুটবল, ক্রিকেট, ভলিবলসহ বিভিন্ন টুর্নামেন্ট, নাটক ও মেলা নিয়মিত অনুষ্ঠিত হতো এখানে। শিক্ষার্থীদের পদচারণা, দর্শকদের ভিড় এবং উৎসবমুখর পরিবেশে মুখর থাকত পুরো এলাকা।
কিন্তু সাম্প্রতিক বছরগুলোতে সেই প্রাণচাঞ্চল্য অনেকটাই স্তিমিত হয়ে গেছে। বর্তমানে মাঠটি অধিকাংশ সময় নির্জন পড়ে থাকে। মাঝে মাঝে সেখানে গবাদি পশু চরতে দেখা যায় এবং একপাশে বসে মৌসুমি ফলের অস্থায়ী বাজার। এতে করে বিদ্যালয়ের স্বাভাবিক পরিবেশ ও ঐতিহ্য ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে বলে মনে করছেন স্থানীয়রা।তবে স্থানীয়দের কাছে বিদ্যালয় ও এর আশপাশ এখনো আবেগের জায়গা। প্রতিদিন বিকেলে অনেকেই স্কুলঘাটে এসে আড্ডা দেন, স্মৃতিচারণ করেন এবং ভৈরব নদীর পাড়ে সময় কাটান। সূর্যাস্তের সময় মাঠ পেরিয়ে নদীর ওপারে ডুবে যাওয়া সূর্য আর মাগরিবের আজানের ধ্বনি মিলিয়ে সৃষ্টি হয় এক শান্তিময় পরিবেশ।বিদ্যালয় সংলগ্ন ঐতিহাসিক মসজিদে নামাজ আদায়ের পর অনেকেই আবার মাঠে ফিরে আসেন। সন্ধ্যার অন্ধকারে অস্থায়ী বাজারের আলো নদীর জলে প্রতিফলিত হয়ে তৈরি করে মনোমুগ্ধকর দৃশ্য। আকাশে ভেসে থাকা লালচে চাঁদ যেন নীরবে সাক্ষী হয়ে থাকে সময়ের পরিবর্তনের।পায়গ্রাম কসবা মাধ্যমিক বিদ্যালয় আজও গর্বের প্রতীক—অসংখ্য শিক্ষার্থীর স্মৃতি, সাফল্য ও শিকড়ের সঙ্গে জড়িয়ে থাকা এক অনন্য প্রতিষ্ঠান। তবে হারিয়ে যাওয়া সেই
প্রাণচাঞ্চল্য ফিরিয়ে আনতে প্রয়োজন সম্মিলিত উদ্যোগ।
স্থানীয়দের দাবি, বিদ্যালয়ের খেলার মাঠ ও আশপাশের পরিবেশ রক্ষায় দ্রুত পদক্ষেপ নেওয়া জরুরি। তারা প্রশাসনের দৃষ্টি আকর্ষণ করে মাঠের আশপাশে গড়ে ওঠা দোকানপাট ও মৌসুমি ফলের বাজার উচ্ছেদের আহ্বান জানিয়েছেন, যাতে করে বিদ্যালয়ের স্বাভাবিক পরিবেশ ও ঐতিহ্য পুনরুদ্ধার করা সম্ভব হয়।

এমএসএম / এমএসএম

কুড়িগ্রামে কোচ-অটোরিকশা সংঘর্ষে শিশুর মৃত‌্যু, গুরুত্বর আহত-৩

খালিয়াজুরীতে গরুর শেডে কাজ করতে গিয়ে বিদ্যুৎস্পৃষ্টে যুবকের মৃত্যু

নেত্রকোণার সীমান্তে বিজিবি’র চোরাচালান বিরোধী অভিযানে ভারতীয় মদ ও কম্বল জব্দ

গলাচিপায় যমকালো আয়োজনে গনঅধিকার পরিষদের ৫ম প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী পালিত হয়েছে

রৌমারীর ব্রহ্মপুত্র নদের গর্ভে কাঁচা ধান ও বসতবাড়ি-দিশেহারা ২০টি ক্ষতিগ্রস্ত পরিবার

মির্জাগঞ্জে উপজেলা আইনশৃঙ্খলা কমিটির মাসিক সভা অনুষ্ঠিত

নাচোলে কৃষকের স্বপ্ন ধূলিসাৎ রাতের আঁধারে সাড়ে ৩ লক্ষ টাকার আমের গাছ ও পেঁপে কেটে ফেলেছে দুর্বৃত্তরা

নাচোলে কৃষকের স্বপ্ন ধূলিসাৎ রাতের আঁধারে সাড়ে ৩ লক্ষ টাকার আমের গাছ ও পেঁপে কেটে ফেলেছে দুর্বৃত্তরা

রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় নিজ গ্রামে বীর মুক্তিযোদ্ধা সাংবাদিক শফিকুর রহমানের দাফন

মান্দায় উন্মুক্ত লটারির মাধ্যমে আরআরএমইপি প্রকল্পের নারী শ্রমিক নিয়োগ কার্যক্রম শুরু

খালিয়াজুরীতে ধনু নদে অবৈধ মাছের ঘের, ব্যাহত নৌ চলাচল ও জেলেদের জীবিকা

ধনবাড়ীতে দারুল উলূম মাদ্রাসার প্রথম হাফেজ গোলাম রাব্বানীর সংবর্ধনা ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত

কমলগঞ্জে পাতাকুঁড়ি সংস্থার বিরুদ্ধে সঞ্চয়ের টাকা নিয়ে বিভ্রান্তিকর হিসাব ও গ্রাহক হেনেস্তার অভিযোগ