ঢাকা রবিবার, ১৯ এপ্রিল, ২০২৬

ঐতিহ্যের ধারক পায়গ্রাম কসবা মাধ্যমিক বিদ্যালয়: গৌরবময় অতীত, নীরব বর্তমান।


কাজী জাকির হোসেন  photo কাজী জাকির হোসেন
প্রকাশিত: ১৯-৪-২০২৬ বিকাল ৫:৩৬

দীর্ঘ এক শতাব্দীরও বেশি সময় ধরে শিক্ষা ও সংস্কৃতির আলো ছড়িয়ে আসা ঐতিহ্যবাহী পায়গ্রাম কসবা মাধ্যমিক বিদ্যালয় আজ স্মৃতি ও বাস্তবতার এক মিশ্র প্রতিচ্ছবি হয়ে দাঁড়িয়ে আছে।
১৮৮৬ সালে সবুজ বৃক্ষরাজীতে ঘেরা মনোরম পরিবেশে প্রতিষ্ঠিত এই বিদ্যালয়টি দ্রুতই অঞ্চলের শিক্ষার কেন্দ্রবিন্দুতে পরিণত হয়। বিদ্যালয়ের পেছন দিয়ে বয়ে যাওয়া ভৈরব নদ এর প্রাকৃতিক সৌন্দর্যকে আরও সমৃদ্ধ করেছিল। ১৯০৬ সালে তৎকালীন কলিকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ের অনুমোদন এনে দেন প্রখ্যাত শিক্ষাবিদ ও বিশ্বনন্দিত ব্যক্তিত্ব খান বাহাদুর কাজী আজিজুর হক। তিনি খুলনা-যশোর অঞ্চলে শিক্ষার প্রসারে অসামান্য ভূমিকা রাখেন এবং তাঁর প্রচেষ্টায় এ অঞ্চলের জন্য একাধিক মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের স্বীকৃতি অর্জিত হয়।
একসময় বিদ্যালয়ের বিশাল খেলার মাঠ ছিল ক্রীড়া ও সাংস্কৃতিক কর্মকাণ্ডের প্রাণকেন্দ্র। ফুটবল, ক্রিকেট, ভলিবলসহ বিভিন্ন টুর্নামেন্ট, নাটক ও মেলা নিয়মিত অনুষ্ঠিত হতো এখানে। শিক্ষার্থীদের পদচারণা, দর্শকদের ভিড় এবং উৎসবমুখর পরিবেশে মুখর থাকত পুরো এলাকা।
কিন্তু সাম্প্রতিক বছরগুলোতে সেই প্রাণচাঞ্চল্য অনেকটাই স্তিমিত হয়ে গেছে। বর্তমানে মাঠটি অধিকাংশ সময় নির্জন পড়ে থাকে। মাঝে মাঝে সেখানে গবাদি পশু চরতে দেখা যায় এবং একপাশে বসে মৌসুমি ফলের অস্থায়ী বাজার। এতে করে বিদ্যালয়ের স্বাভাবিক পরিবেশ ও ঐতিহ্য ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে বলে মনে করছেন স্থানীয়রা।তবে স্থানীয়দের কাছে বিদ্যালয় ও এর আশপাশ এখনো আবেগের জায়গা। প্রতিদিন বিকেলে অনেকেই স্কুলঘাটে এসে আড্ডা দেন, স্মৃতিচারণ করেন এবং ভৈরব নদীর পাড়ে সময় কাটান। সূর্যাস্তের সময় মাঠ পেরিয়ে নদীর ওপারে ডুবে যাওয়া সূর্য আর মাগরিবের আজানের ধ্বনি মিলিয়ে সৃষ্টি হয় এক শান্তিময় পরিবেশ।বিদ্যালয় সংলগ্ন ঐতিহাসিক মসজিদে নামাজ আদায়ের পর অনেকেই আবার মাঠে ফিরে আসেন। সন্ধ্যার অন্ধকারে অস্থায়ী বাজারের আলো নদীর জলে প্রতিফলিত হয়ে তৈরি করে মনোমুগ্ধকর দৃশ্য। আকাশে ভেসে থাকা লালচে চাঁদ যেন নীরবে সাক্ষী হয়ে থাকে সময়ের পরিবর্তনের।পায়গ্রাম কসবা মাধ্যমিক বিদ্যালয় আজও গর্বের প্রতীক—অসংখ্য শিক্ষার্থীর স্মৃতি, সাফল্য ও শিকড়ের সঙ্গে জড়িয়ে থাকা এক অনন্য প্রতিষ্ঠান। তবে হারিয়ে যাওয়া সেই
প্রাণচাঞ্চল্য ফিরিয়ে আনতে প্রয়োজন সম্মিলিত উদ্যোগ।
স্থানীয়দের দাবি, বিদ্যালয়ের খেলার মাঠ ও আশপাশের পরিবেশ রক্ষায় দ্রুত পদক্ষেপ নেওয়া জরুরি। তারা প্রশাসনের দৃষ্টি আকর্ষণ করে মাঠের আশপাশে গড়ে ওঠা দোকানপাট ও মৌসুমি ফলের বাজার উচ্ছেদের আহ্বান জানিয়েছেন, যাতে করে বিদ্যালয়ের স্বাভাবিক পরিবেশ ও ঐতিহ্য পুনরুদ্ধার করা সম্ভব হয়।

এমএসএম / এমএসএম

কুড়িগ্রামে ১০ চোরাই মোটরসাইকেল উদ্ধার, গ্রেপ্তার ৯

গোপালগঞ্জে হাম-রুবেলা টিকাদান কর্মসূচি শুরু ২০ এপ্রিল

আদমদীঘিতে চোরাই অটোভ্যানসহ চোরচক্রের সদস্য গ্রেপ্তার

সীমান্তের ওপারে ২০০ দেশী গরু, বিএসএফ জানলেও জানেনা বিজিবি

কুড়িগ্রামের ভাষা সৈনিক অ্যাডভোকেট আব্দুল করিম স্মরণে ফুল কোর্ট রেফারেন্স ও স্মরণ সভা অনুষ্ঠিত

ঠাকুরগাঁওয়ের সীমান্তে পৃথক অভিযানে মাদক ও অবৈধ অনুপ্রবেশের অভিযোগে আটক-২

তৃণমূলের আস্থার প্রতীক মাসুদ হোসেন মোল্লা—মাধবপাশা ইউনিয়নে চেয়ারম্যান পদে শক্তিশালী প্রার্থী হিসেবে আত্মপ্রকাশ

ঐতিহ্যের ধারক পায়গ্রাম কসবা মাধ্যমিক বিদ্যালয়: গৌরবময় অতীত, নীরব বর্তমান।

ভালো নেই সাবেক জেলা পরিষদ চেয়ারম্যান রবীন্দ্র লাল চাকমা

আত্রাইয়ে ইমাম সম্মেলন অনুষ্ঠিত

যশোরে হাম-রুবেলা টিকাদান কর্মসূচি, টিকা পাবে ২৬ হাজারের বেশি শিশু

রাণীশংকৈলে ছাদের শাটারিং খুলতে গিয়ে শ্রমিকের মৃত্যু

গোপালগঞ্জে ১ লাখ ২০ হাজার শিশুকে হাম-রুবেলা টিকা দিবে স্বাস্থ্য বিভাগ -২০২৬