ঢাকা মঙ্গলবার, ২২ সেপ্টেম্বর, ২০২৬

ব্লাড ক্যান্সারে আক্রান্ত শিশু ফাহিমকে বাঁচাতে সরকার সহ বৃত্তবাদের এগিয়ে আসার আহবান পরিবারের


রাজারহাট (কুড়িগ্রাম) প্রতিনিধি photo রাজারহাট (কুড়িগ্রাম) প্রতিনিধি
প্রকাশিত: ২১-৪-২০২৬ দুপুর ১২:১১

ঘর আলো করে জন্ম নিয়েছিল ছোট্ট শিশু ফাহিম আহমেদ। তার হাসি-আনন্দে ভরে উঠেছিল পুরো পরিবার। কিন্তু সেই আলো বেশিদিন স্থায়ী হয়নি। হঠাৎ করেই নেমে আসে বিষাদের ছায়া—ফাহিমের শরীরে ধরা পড়ে মরণব্যাধী ব্লাড ক্যান্সার।

কুড়িগ্রাম জেলার রাজারহাট উপজেলার চাকিরপশার ইউনিয়নের তালুক আষারু গ্রামের বাসিন্দা মিজানুর রহমান ও ফেন্সি আক্তার দম্পতির একমাত্র সন্তান পাঁচ বছরের ফাহিম। প্রায় এক বছর আগে রাজধানীর পিজি হাসপাতালে পরীক্ষার পর তার শরীরে ব্লাড ক্যান্সার শনাক্ত হয়। এরপর থেকেই সন্তানকে বাঁচাতে শুরু হয় পরিবারের মরিয়া সংগ্রাম।

মোবাইল মেকানিক বাবা মিজানুর রহমান চিকিৎসার খরচ জোগাতে নিজের দোকানসহ সব মালপত্র বিক্রি করে দেন। পরবর্তীতে একটি এনজিও থেকে ৫ লাখ টাকা ঋণ নেন। তাতেও কুলাতে না পেরে বসতবাড়ি ব্যাংকে বন্ধক রেখে আরও ৬ লাখ টাকা সংগ্রহ করেন।

আত্মীয়স্বজন ও কিছু সহৃদয় মানুষের সহায়তায় এখন পর্যন্ত প্রায় ২৫ লাখ টাকা ব্যয় হয়েছে ফাহিমের চিকিৎসায়। দীর্ঘ ১০ মাস চিকিৎসার পর বর্তমানে কিছুটা সুস্থতার দিকে এগোচ্ছে সে।

চিকিৎসকদের মতে, নিয়মিত আরও দেড় বছর চিকিৎসা চালিয়ে যেতে পারলে ফাহিম স্বাভাবিক জীবনে ফিরতে পারবে। কিন্তু সেই পথেই এখন বড় বাধা হয়ে দাঁড়িয়েছে অর্থসংকট। বর্তমানে কেমোথেরাপি ও প্রয়োজনীয় ইনজেকশনের খরচ জোগাড় করাই কঠিন হয়ে পড়েছে পরিবারের জন্য।

চিকিৎসা সম্পন্ন করতে এখন প্রয়োজন প্রায় ৫ থেকে ৬ লাখ টাকা—যা এই পরিবারের পক্ষে জোগাড় করা অসম্ভব হয়ে দাঁড়িয়েছে।

ফাহিমের দাদা আব্বাছ আলী বলেন, “নাতির চিকিৎসার জন্য বাড়িঘর, দোকানপাট—সব শেষ হয়ে গেছে। এখন আর কিছুই নেই। নিজেদের চলাই কষ্টকর হয়ে পড়েছে, চিকিৎসা করানো তো আরও কঠিন।

ফাহিমের বাবা মিজানুর রহমান বলেন, “আমার ছেলেটা এখন অনেকটাই সুস্থতার দিকে। আরও কিছুদিন চিকিৎসা চালাতে পারলে পুরোপুরি ভালো হয়ে যাবে। কিন্তু আমাদের আর কিছুই অবশিষ্ট নেই। সমাজের বিত্তবান ও সহৃদয় মানুষের কাছে সাহায্যের আবেদন জানাচ্ছি।”
মা ফেন্সি আক্তার চোখের পানি মুছতে মুছতে বলেন, “অন্য বাচ্চারা খেলতে যায়, স্কুলে যায়। আমার ছেলে আমাকে জিজ্ঞেস করে—মা, আমি কবে খেলতে যাব, কবে স্কুলে যাব? তখন বুকটা ভেঙে যায়।”

দাদি মমতার বেগম বলেন, “নাতিটাকে বাঁচাতে সব শেষ করে ফেলেছি। এখন আপনাদের সহায়তা ছাড়া আর কোনো উপায় নেই।”

ছোট্ট ফাহিমও তার সরল কণ্ঠে জানায়, “আমার অসুখ। আপনারা আমার জন্য দোয়া করবেন, আমি যেন স্কুলে যেতে পারি।”

ফাহিমের চিকিৎসা অব্যাহত রাখতে সহায়তার জন্য সমাজের সকল শ্রেণি-পেশার মানুষের প্রতি আহ্বান জানিয়েছে তার পরিবার।
সহায়তার জন্য (বিকাশ/নগদ): ০১৭৬৭২৮০০১১

এমএসএম / এমএসএম

পানছড়িতে বিএনপি ও অঙ্গ-সহযোগী সংগঠনের সমন্বয়ে সাংগঠনিক সভা

রাজশাহী প্রেসক্লাব সভাপতি সাইদুর রহমান'র মৃত্যু: সর্বস্তরে শোক ও শ্রদ্ধা"

নেত্রকোণার পূর্বধলায় বাসে তল্লাশি,৪০ বোতল ফেনসিডিলসহ যুবক আটক

রাঙামাটি চ্যাম্পিয়ন লিগ টুর্নামেন্টে চ্যাম্পিয়ন হওয়ায় বিলাইছড়ি উপজেলা ফুটবল দলকে সেনা জোনের সংবর্ধনা ও অর্থ প্রদান

তেলের মূল্যবৃদ্ধির প্রতিবাদে ‎কুমিল্লা মহানগরী জামায়াতের বিক্ষোভ সমাবেশ ও মিছিল

কুমিল্লা সীমান্তে ৭৪ লাখ টাকার ভারতীয় শাড়ি জব্দ

বালাগঞ্জে ব্রীজ নির্মাণে মুখোমুখি গ্রামবাসী

হাকিমপুরে সাজাপ্রাপ্ত ও পরোয়ানাভুক্তসহ ৫ আসামি গ্রেপ্তার

ভুয়া খারিজ-ডিসিআর দিয়ে খতিয়ান খোলার চেষ্টা, আটক ব্যক্তি মুচলেকায় মুক্ত—মূল অপরাধী অধরা

দেবিদ্বারে মা ও আট মাসের ভাতিজিকে হত্যার অভিযোগ, অভিযুক্ত যুবক আটক

বারহাট্টায় আগুনে পুড়ে যাওয়া বাড়ি পরিদর্শন করলেন এমপি আনোয়ারুল হক

গাজীপুরে সন্ত্রাসবিরোধী আইনে আওয়ামী লীগের ১১ নেতাকর্মী গ্রেপ্তার

মাদক, জুয়া ও ইভটিজিংয়ে জড়িতরা সমাজের শত্রু, তাদের ছাড় নয়: এমপি আব্দুল মহিত তালুকদার