ফরিদগঞ্জে সবুজ মাঠে ধুলছে কৃষকের স্বপ্ন
চাঁদপুরের ফরিদগঞ্জে সর্বত্র যেদিকে চোখ যায় সেদিকেই শুধু বোরো ধানের ক্ষেত। এ যেন সবুজের সমারোহ। আর এই সবুজ ধান গাছে ধুলছে কৃষকের স্বপ্ন। সোনালী ধানের শীষ ঝলমল করছে মাঠের পর মাঠ। আগামী কয়েক সপ্তাহের মধ্যে ধান পাকার ধুম পড়বে সোনালি ধানে ভরে উঠবে কৃষক-কৃষাণীর শূন্য গোলা। পাশাপাশি তাদের মুখে ফুটে উঠবে হাসির ঝিলিক। মাঠের এই চোখ জুড়ানো দৃশ্য এখন পুরো ফরিদগঞ্জ উপজেলায় কৃষি অর্থনীতিতে নতুন প্রাণের সঞ্চার করেছে।
কৃষি সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন, রোগবালাইয়ের উপদ্রব কম থাকায় এবং সঠিক সময়ে সেচ ও সারের জোগান নিশ্চিত হওয়ায় এবার ফলন লক্ষ্যমাত্রা ছাড়িয়ে যেতে পারে।
উপজেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর সূত্রে জানা যায়, চলতি মৌসুমে ফরিদগঞ্জ উপজেলায়, ১০ হাজার ১৪০ হেক্টর জমিতে বোরো ধান চাষের লক্ষ্যমাত্র নির্ধারণ করা হয়। লক্ষ্যমাত্রার বিপরীতে এখানে ১০ হাজার ১৫০ হেক্টর জমিতে বোরো ধানের চাষ করা হয়েছে, যা লক্ষ্যমাত্রার চেয়ে ১০ হেক্টর বেশি। গত মৌসুমে বোরো ধানের আবাদ হয়েছিল ১০ হাজার ১২০ হেক্টর জমিতে।
সূত্র আরও জানায়, চলতি মৌসুমে ১ হাজার ১৫০জন কৃষকের মাঝে প্রণোদনাস্বরূপ সার, বীজ ্র রোগবালাই কীটনাশক ওষুধ বিতরণ করা হয়েছে।
ভাটিরগাঁও এলাকার কৃষক আব্দুর রাজ্জাক বলেন, বিস্তীর্ণ এলাকায় বোরো ধানের মাঠে সবুজের সমারোহ। প্রতিটি ধান ক্ষেতে ধানের শীষ উঁকি দিচ্ছে। কৃষকরা তাদের ধানের জমি পরিচর্যায় ব্যস্ত সময় পার করছেন।
বড়ালী গ্রামের কৃষক ফারুক হোসেন জানান, এ বছর তিনি তার ১০ বিঘা জমিতে বোরো ধানের চাষ করেছেন। এ সময় তিনি তার জমির সুস্থ-সবল সবুজ ধান গাছে হাত নাড়াচাড়া করছিলেন। এমন সুন্দর ধান ক্ষেত দেখে তার মনটা খুশিতে ভরে উঠেছে।
শাসনমেঘ এলাকার কৃষক মোশারফ হোসেন, সাহেবগঞ্জ এলাকার কাউসার হোসেনসহ আরো অনেকেই বলেন, এক বিঘা জমিতে ধান উৎপাদনে যে পরিমাণ অর্থ ব্যয় হয়, যে পরিশ্রম করা হয়, সে তুলনায় ধানের মূল্য পাচ্ছেন না কৃষকরা। ফলে অনেক চাষি তাদের জমিতে ধান চাষে আগ্রহ হারিয়ে ফেলছেন। সরকারের কাছে তাদের দাবি, যেমন করে সার, বীজ ও কীটনাশকের ঘাটতি মেটানো হয়েছে, তেমনি করে তাদের উৎপাদিত ধানের সঠিক মূল্য নির্ধারণ করলে প্রান্তিক চাষিদের দুঃখ-দুর্দশা মুছে যাবে।
গুপ্তের বিল এলাকার কৃষক সিরাজুল ইসলাম বলেন, এখন আমাদের একটাই প্রার্থনা বাকি দিনগুলো যেন আবহাওয়া এমন শান্ত থাকে। শিলাবৃষ্টি বা হঠাৎ কালবৈশাখী ঝড় যেন আমাদেও এ কষ্টের ফসল নষ্ট না করে দেয়।
উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা কল্লোল কিশোর সরকার বলেন,মাঠ পর্যায়ে কৃষকদের নানা ভাবে পরামর্শ দেওয়া হচ্ছে। কৃষকরা আমাদের পরামর্শ মেনে চলছেন আর প্রাকৃতিক দুর্যোগ না হলে আশা করি চলতি মৌসুমে আমাদের আমনের লক্ষ্যমাত্রা ছাড়িয়ে যাবে। এ ছাড়া কৃষকের নিবিড় পরিচর্যা, যথাসময়ে জমিতে সার ও কীটনাশক প্রয়োগের ফলে বোরো ধানের বাম্পার ফলনের আশা করছে কৃষি বিভাগ।
এমএসএম / এমএসএম
মগড়া নদী খননে উচ্ছেদ আতঙ্ক ও অর্থ অপচয়ের অভিযোগ
সুবর্ণচরে জাতীয় সমবায় দিবস উপলক্ষে আলোচনা সভা
আত্রাইয়ে নানা আয়োজনের মধ্য দিয়ে ৫৫তম জাতীয় সমবায় দিবস উদযাপন
ঘিওরে মাঠে মাঠে সোনালি ধান, ঘরে ঘরে নবান্নের প্রস্তুতি
সাঘাটায় শর্টসার্কিট থেকে আগুন, নিঃস্ব তিন ব্যবসায়ী
কুড়িগ্রামে যুবকের ছুরিকাঘাতে কেয়ারটেকার নিহত, আহত স্ত্রী
শালিখায় ৫৫তম জাতীয় সমবায় দিবস উদযাপন
চাঁদপুরে পুলিশের বিশেষ অভিযানে গ্রেপ্তার ৪৪, আটক ২৫ কিশোর
ধ্বংসপ্রাপ্ত দেশকে নতুন করে জাগাতে চাই: সংস্কৃতিমন্ত্রী নিতাই রায় চৌধুরী
শেরপুরে জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস উদযাপিত
সরিষাবাড়িতে বাসকের মত বিনিময় সভা অনুষ্ঠিত
রাজশাহীর বাঘা শাহী মসজিদ সংলগ্ন হজরত শাহদৌলার মাজারের সিন্দুক ভেঙে চুরি