ঢাকা বুধবার, ২২ এপ্রিল, ২০২৬

বাঘাইছড়ির দূর্গম পাহাড়ী এলাকায় শতাধিক গ্রামে খাবার পানির তীব্র সংকট


মনু মারমা, রাঙামাটি photo মনু মারমা, রাঙামাটি
প্রকাশিত: ২২-৪-২০২৬ দুপুর ২:২৯
রাঙ্গামাটির বাঘাইছড়ি উপজেলার দুর্গম পাহাড়ি এলাকায় শতাধিক গ্রামে খাবার পানির তীব্র সংকট দেখা দিয়েছে। বন উজাড় হওয়ায় এবং ছড়া ও ঝরনা শুকিয়ে যাওয়ায় এ পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়েছে বলে জানা গেছে।
স্থানীয় প্রশাসন সূত্রে জানা গেছে, বাঘাইছড়ি উপজেলা সদরের আশপাশের এলাকা জীবতলী, কচুছড়ি, ৪ কিলো নোয়া আদাম, মুসলিম ব্লক, প্রশিক্ষণ টিলা বাঙালী পাড়া, বটতলী, উগলছড়িসহ বিভিন্ন দুর্গম এলাকায় শতাধিক গ্রামে ৩০ হাজারের বেশি লোক এখন পানির সংকটে আছেন। 
এসব লোকজন যুগ যুগ ধরে ঝরনা, ছড়া ও ঝিরি থেকে পানি ব্যবহার করে জীবন যাপন করছেন। তবে এখন এসব এলাকার বেশির ভাগ প্রকৃতিক ঝিরি ঝরনা শুকিয়ে গেছে। অব্যাহতভাবে গাছ কাটার ফলে বৃষ্টিপাত কমে যাওয়ায় পানির স্তর নিচে নেমে গেছে। এই কারণে ঝিরি-ঝরনা শুকিয়ে গেছে বলে জানান এসব এলাকার বাসিন্দারা।
শুকনো মৌসুমের এসব গ্রামে তীব্র পানির সংকট দেখা দেয়। গ্রামের দুই থেকে তিন কিলোমিটার দূরে গিয়েও পানি পাচ্ছেন না বাসিন্দারা। দীর্ঘ কয়েক যুগ ধরে বসবাস করলেও পানির অভাবে এসব গ্রামের অনেক বাসিন্দা গ্রাম ছাড়ার কথা ভাবছেন।
জনস্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদপ্তর সূত্রে জানা গেছে, সমতল এলাকা চেয়ে এক থেকে দুই হাজার ফুট ওপরে অবস্থিত এসব গ্রামে নলকূপ কিংবা রিংওয়েল বসানোর কোনো ব্যবস্থা নেই। বাসিন্দাদের একমাত্র পানির উৎস ঝিরি-ঝরনা।
সম্প্রতি বাঘাইছড়ির নানা এলাকা ঘুরে দেখা গেছে, সাজেক ইউনিয়নের ৯ নম্বর পাড়া, ৮ নম্বর পাড়া শিয়ালদাই, হাচ্ছেপাড়া, অরুনপাড়া ও লংকরসহ নানা গ্রামে পানির জন্য হাহাকার বিরাজ করছে। এসব গ্রামে ৩০ থেকে ৫০টি পরিবারের বসবাস। গ্রামগুলোর পাহাড়ি ভূমিতে ১০ থেকে ১২ কিলোমিটার এলাকা জুড়ে জুম চাষ হয়। আশপাশের পাহাড়ে গাছ নেই বললেই চলে। 
সাজেকের শিয়ালদাই গ্রামের কারবারি ভুজন ত্রিপুরা ও লক্ষ্মীবালা চাকমা বলেন, গত বছর এ সময় কোনো পানির অভাব ছিল না। এ বছর মার্চ মাসের শেষের দিকে পানি সংকট শুরু হয়। আজ থেকে আট থেকে দশ বছর আগে গ্রামের আশপাশের ছড়াগুলোতে সারা বছর পানি পাওয়া যেত। জুম চাষ বাড়ায় ও বন উজাড় হয়ে যাওয়ায় দিন দিন পানি সংকট দেখা দিচ্ছে।
সাজেক ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান অতুলাল চাকমা বলেন, এখন আর আগের মতো পাহাড়ি ঝরনায় পানি নেই। সে কারণে পানির অভাব বেশি। আর এই মৌসুমে বৃষ্টিপাত না হওয়ায় সবদিকে পানি শুকিয়ে গেছে। 
উপজেলা জনস্বাস্থ্য প্রকৌশলী রুশো খীসা বলেন, এসব গ্রামে পানি সরবরাহ করতে হলে দাতা সংস্থার প্রয়োজন হবে। এসব জায়গায় আগে নিবিড় বন ছিল। তবে এখন বন উজাড় হয়ে যাওয়ায় পানির স্তর কমে গেছে।
বাঘাইছড়ি উপজেলা নির্বাহী অফিসার আমেনা মারজান বলেন, বৃষ্টিপাত কম হওয়ায় পাহাড়ি এলাকায় পানির সংকট দেখা দিয়েছে, বৃষ্টিপাত হলে এই সংকট কেটে যাবে।

এমএসএম / এমএসএম

পঞ্চগড় পৌরসভায় সৌরবাতি স্থাপনে দুর্নীতির সত্যতা পেয়েছে দুদক

বড়লেখায় কাল বৈশাখীর তান্ডব; স্কুলের কয়েক লাখ টাকার ক্ষয়ক্ষতি

পাবনায় পুলিশ-ম্যাজিস্ট্রেসি কনফারেন্স অনুষ্ঠিত

ঘোড়াঘাটে সাধনা ফিলিং স্টেশনে বিশ হাজার টাকা জরিমানা

বারহাট্টায় পাকা ধান ঘরে তোলা নিয়ে দুশ্চিন্তায় কৃষক

নরসিংদীতে পরিবেশ দূষণরোধে সচেতনতা কর্মশালা অনুষ্ঠিত

সার্কেল এএসপির অভিযানে ভূরুঙ্গামারীতে ৩ কেজি গাঁজাসহ নারী ও অটোরিকশা চালক আটক

বাঁশখালী আইনজীবী সমিতির নির্বাচন সম্পন্ন, আংশিক ফলাফল স্থগিত, সভাপতি এড. নাছের

পাবনায় ৩ লাখ ১৮ হাজার ৮৮৪ শিশুকে দেয়া হবে হাম-রুবেলা টিকা দেয়া হবে পাবনায় হাম আক্রান্তের সংখ্যা কমে আসছে: সিভিল সার্জন

বাঘাইছড়ির দূর্গম পাহাড়ী এলাকায় শতাধিক গ্রামে খাবার পানির তীব্র সংকট

চরভদ্রাসনে পুলিশের উপর হামলা, আসামী ছিনিয়ে নিলেন স্বজনরা

লাকসামে শীর্ষ মাদক কারবারি ফারুক গ্রেপ্তার

কাপ্তাই হ্রদে পানি স্বল্পতায় বন্ধ বিদ্যুৎ উৎপাদন কেন্দ্রের ৪টি ইউনিট