ঢাকা বৃহষ্পতিবার, ২৩ এপ্রিল, ২০২৬

খোলা আকাশের নিচে চিকিৎসা বর্জ্য, বিষাক্ত ধোঁয়ায় পাঁচ বছর ধরে অতিষ্ঠ সোনাইমুড়ী


নিজস্ব সংবাদদাতা photo নিজস্ব সংবাদদাতা
প্রকাশিত: ২৩-৪-২০২৬ দুপুর ১১:৫৮

নোয়াখালীর সোনাইমুড়ী-চাটখিল আঞ্চলিক মহাসড়কের কোল ঘেঁষে রয়েছে সোনাইমুড়ী পৌরসভার ময়লার ভাগাড়। পাহাড়ি টিলা সদৃশ্য বর্জ্যের স্তুপে দেওয়া হয়েছে আগুন। ধোঁয়ায় চারপাশের এলাকা আচ্ছন্ন হয়ে আছে। আশপাশের বাসিন্দারা দুর্গন্ধ, বিষাক্ত ধোঁয়া আর মশা-মাছির উপদ্রবে অতিষ্ট। শিশুদের রোগবালাই আর নিজেদের অসুস্থতা পিছু ছাড়ছেনা স্থানীয়দের। বিগত প্রায় পাঁচ বছর থেকে অস্বাস্থ্যকর এই পরিবেশে বসবাস করতে বাধ্য হচ্ছেন তারা। দফায় দফায় উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও পৌর প্রশাসক বরাবর অভিযোগ দিয়েও সুরাহা মেলেনি। 

পৌর বর্জ্য ব্যবস্থাপনায় রয়েছে নানা অনিয়ম। খোলা যায়গায় ময়লা ফেলায় ধ্বংস হচ্ছে পরিবেশ-প্রতিবেশ। ময়লার স্তুপে দেওয়া আগুনের ধোঁয়া ঘটাচ্ছে বায়ুদূষণ। আর বৃষ্টির সময় এসকল আবর্জনার জীবাণু পানির সাথে মিশে ছড়িয়ে পড়ছে সর্বত্র। পরিবেশ অধিদপ্তরে অনুমোদন বিহীন বেসরকারি প্রতিষ্ঠান দিয়েই চলছে পৌরবর্জ্য অপসারনের কাজ। মানা হচ্ছেনা চিকিৎসা বর্জ্য (ব্যবস্থাপনা ও প্রক্রিয়াকরণ) বিধিমালা ও পরিবেশ সংরক্ষণ আইন। বর্জ্য পরিচ্ছন্ন কর্মীরা রয়েছেন স্বাস্থ্য ঝুঁকিতে, অর্থনৈতিক ভাবেও হচ্ছেন শোষণের শিকার। 

ভুগছে সাধারণ মানুষ: 

উপজেলার নদনা ইউনিয়নের পূর্ব কালুয়াই এলাকার মহাসড়কের সাথেই রয়েছে পৌরসভার ময়লার ভাগারটি। যেখানে ইলিয়াস ভূইয়া বাড়ির বাসিন্দারা বসবাস করছেন দীর্ঘদিন থেকে। এই বাড়িতে ৬ মাস থেকে ৫ বছরের ছয়টি শিশু রয়েছে। যারা বর্তমানে ডায়রিয়া, কাশি-শ্বাসকষ্ট, চুলকানি সহ নানা রোগে ভুগছে। এই বাড়ির বাসিন্দা মো: অনিক জানান- তাদের বাড়ির পাশে ময়লা ফেলা শুরু হওয়ার পর থেকে নানা রোগে আক্রান্ত হচ্ছেন তারা। বিগত ২-৩ বছরের ভেতরে শুধু ডায়রিয়াতে এই বাড়ির তাজুল ইসলাম, নুরুন্নাহার ও আজিম নামের তিনজন সদস্য মারা গিয়েছেন। শিশুদের নানা রোগ লেগেই থাকছে। আর দিনে মাছি ও রাতে মশার উপদ্রবে বেঁচে থাকা দুস্কর হয়ে পড়েছে।

এই বাড়ির বাসিন্দা সালমা আক্তার বলেন-  ৬ মাসের বাচ্চা রয়েছে আমার। ময়লার স্তুপে যখন আগুন দেওয়া হয় তখন দম বন্ধ হয়ে যাওয়ার উপক্রম হয়। বাচ্চার শ্বাসকষ্ট শুরু হয়ে যায়। সারদিন ঘরের ভেতরে দুর্গন্ধ আর মাছির অত্যাচারে নাজেহাল হয়ে পড়েছি। দুর্গন্ধ আর মশা-মাছির কারনে কোন আত্মীয়-স্বজনেরা বাড়িতে আসে না। এই বিষয়ে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা বরাবর অভিযোগ দিয়েও কোন সমাধান পাওয়া যায়নি। তারা বছরের পর বছর আশ্বাস দিচ্ছেন এখান থেকে ময়লার ভাগাড় সরিয়ে নিবেন। তবে আজও সমাধান হয়নি। 

অননুমোদিত প্রতিষ্ঠানের সাথেই বারেবারে পৌরসভার চুক্তি:

তথ্য বলছে, সোনাইমুড়ী পৌরসভাটি ৯টি ওয়ার্ড এবং ১৮টি মহল্লা নিয়ে গঠিত। যার মোট আয়তন প্রায় ১৩.১১ বর্গ কিলোমিটার। 'ক' শ্রেণীর এই পৌর এলাকার বর্জ্য অপসারণে ২০১৬ সালে বেসরকারি প্রতিষ্ঠান ‘সার্ভ বাংলাদেশ লিমিটেড’এর সাথে চুক্তি করে পৌরসভা। প্রতি মাসে এক লাখ টাকা চুক্তিতে কাজ শুরু করে প্রতিষ্ঠানটি। সর্বশেষ ২০২২ সালে চুক্তি নবায়ন করা হয় প্রতিষ্ঠানটির সাথে। তবে গত ১০ বছর থেকে কাজ করলেও পরিবেশ অধিদপ্তরের ছাড়পত্র নেই প্রতিষ্ঠানটির। পৌর এলাকার ৫টি ক্লিনিক-হাসপাতাল ও ডায়াগনস্টিক সেন্টার থেকে চিকিৎসা-বর্জ্য সংগ্রহ করছে প্রতিষ্ঠানটি। আর সেগুলো ক্লিনিক থেকে নিয়ে ফেলছে খোলা জায়গায়। এছাড়া ‘সার্ভ বাংলাদেশ লিমিটেড’এর পক্ষে কর্মরত পরিচ্ছন্ন কর্মীদের কেউই ব্যবহার করছেনা সুরক্ষা সরঞ্জাম। নামমাত্র বেতনে উদয়াস্ত পরিশ্রম করলেও মিলছেনা ন্যায্য পারিশ্রমিক, প্রতিনিয়ত বাড়ছে স্বাস্থ্যঝুঁকি।

সংক্রামিত রোগের ঝুঁকির সাথে শোষণের শিকার পরিচ্ছন্ন কর্মীরা:

সরেজমিনে দেখা যায়, ভরদুপুরে ঘন সাদা ধোঁয়ার কুন্ডলি উঠছে ময়লার স্তুপের বিভিন্ন জায়গা থেকে। এর মাঝে ভ্যান থেকে ময়লা নামাচ্ছে কয়েকজন পরিচ্ছন্নকর্মী। পরনে লুঙ্গি আর হাফহাতা গেঞ্জি, পায়ে চটি জুতা পরে ঘেমে-নেয়ে কাজ করছেন সাইনুর রহমান। ১৫ মাস পূর্বে সুপারভাইজার আবু সামার মাধ্যমে এখানে কাজ শুরু করেন তিনি। মাস শেষে বেতন বাবদ ৬ হাজার টাকা পান। এর বাইরে ১৮০টি বাসা-বাড়ির ময়লা বাবদ মাথাপিছু  ৬০-১০০ টাকা পেয়ে থাকেন। যা থেকে প্রতি মাসে ৮ হাজার ৭০০ টাকা তুলে দিতে হয় আবু সামার হাতে। মাস শেষে ১৫ হাজারের মত টাকা থাকে যা দিয়ে খাবার-চিকিৎসা-ঘর ভাড়ার খরচ মেটাতে হয় তাকে।

আরেক পরিচ্ছন্নকর্মী আমিন আলি তিনিও এসেছেন পাবনা জেলা থেকে। জানান, সোনাইমুড়ী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স থেকে শুরু করে উপজেলার সকল ক্লিনিক-হাসপাতালের ময়লা আনেন তারা। ৬ হাজার টাকা বেতন গত ৯ মাস থেকে কাজ করছেন তিনি। প্রতিষ্ঠান থেকে এক জোড়া জুতা দিয়েছে। এর বাইরে কোন সুরক্ষা পোশাক তিনি পাননি। ক্লিনিকের বর্জ্য পরিস্কারের জন্য কোন প্রশিক্ষণও পাননি তিনি।

এমন আরো দু'জন পরিচ্ছন্নকর্মীর সাথে কথা হয় প্রতিবেদকের। তারা জানান, মোট দশজন কর্মী পুরো উপজেলার ময়লা পরিস্কার করছেন। একজন রংপুর এলাকার বাকি সবাই পাবনা জেলার। সকলেরই বেতন ৬ হাজার টাকা। এর বাইরে বাসাবাড়ি থেকে ময়লা নেওয়া বাবদ যা পায় সেখান থেকে প্রতি মাসে সুপারভাইজার আবু সামাকে ৭ থেকে সাড়ে ৮ হাজার টাকা দিতে হয়। ভ্যান ভাড়ার অযুহাতে শ্রমিকদের থেকে প্রতিমাসে মোটা অংকের এই টাকা হাতিয়ে নিচ্ছেন বলে জানান পরিচ্ছন্ন কর্মীরা। 

দায়সারা ভূমিকায় পৌর সেনেটারি ইন্সপেক্টর:

এবিষয়ে সোনাইমুড়ী পৌরসভার সেনেটারি ইন্সপেক্টর সামসুল আলম জানান, দীর্ঘদিন থেকে পৌরসভার বর্জ্য অপসারণ করছে 'সার্ভ বাংলাদেশ লিমিটেড’। ১০ জন কর্মীর বিপরীতে এক লাখ টাকা প্রতি মাসে দেওয়া হয় প্রতিষ্ঠানটিকে। হাসপাতাল বর্জ্য ব্যবস্থাপনা আইন লঙ্ঘণ, দূষণ ও পরিচ্ছন্ন কর্মীদের স্বাস্থ্য ঝুঁকির বাস্তব চিত্র তুলে ধরে প্রশ্ন তুললে তিনি প্রতিবেদকে পরিচ্ছন্ন কর্মীদের প্রশিক্ষণ দিতে বলেন। আর পরিচ্ছন্ন কর্মীদের বেতন বৈষম্যের বিষয়ে প্রশ্ন করলে তিনি বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের সুপারভাইজার আবু সামার সাথে কথা বলতে বলেন।

এবিষয়ে কথা হলে 'সার্ভ বাংলাদেশ লিমিটেড’ এর সোনাইমুড়ী উপজেলার সুপারভাইজার আবু সামা কোন কর্মীদের থেকে টাকা নেওয়া হয় না বলে দাবি করেন। এসময় ক্লিনিক ও পৌর এলাকার কতগুলো হোটেল থেকে মাসে কত টাকা আদাই করা হয় এমন প্রশ্নের সদুত্তর দিতে পারেননি তিনি।

আইনের তোয়াক্কা নেই সার্ভ বাংলাদেশ লিমিটেডের:

অনুসন্ধানে দেখা যায়, ২০২৩ সালে সোনাইমুড়ীর বেসরকারি ক্লিনিক গুলোর সাথে বর্জ্য ব্যবস্থাপনার জন্য চুক্তি করেছে পৌরসভা। পৌর প্রশাসক নাছরিন আকতার স্বাক্ষরিত সেই চুক্তিতে উভয়পক্ষকে পরিবেশ সংরক্ষণ আইন ১৯৯৫ এবং মেডিকেল বর্জ্য ব্যবস্থাপনা ও প্রক্রিয়াজাতকরণ বিধিমালা ২০০৮ মেনে চলার বাধ্য বাধকতা দেওয়া হয়।
চুক্তি বাবদ পৌর কর্তৃপক্ষকে এককালিন ৫ হাজার টাকা পরিশোধ করে ক্লিনিক কর্তৃপক্ষ। এছাড়া সার্ভ বাংলাদেশ ও সোনাইমুড়ী পৌরসভার যৌথ লোগো সম্বলিত রশিদের মাধ্যমে ক্লিনিক থেকে প্রতি মাসে ২ হাজার থেকে ২২০০ টাকা উত্তোলন করছেন সার্ভ বাংলাদেশ লিমিটেডের এর সুপারভাইজার আবু সামা। মাস শেষে পরিচ্ছন্ন বিল ঠিকঠাক আদাই কররেও বর্জ্য ব্যবস্থাপনায় সরকারি নীতিমালা মান্য বা চুক্তির শর্ত অনুযায়ী কাজ করছেনা প্রতিষ্ঠানটি। 

চিকিৎসা-বর্জ্য (ব্যবস্থাপনা ও প্রক্রিয়াজাতকরণ) বিধিমালা, ২০০৮’ অনুযায়ী, কোনো বেসরকারি সংস্থা বর্জ্য ব্যবস্থাপনা ও প্রক্রিয়াজাতকরণ কাজে যুক্ত হতে চাইলে প্রথমেই পরিবেশ অধিদপ্তর থেকে লাইসেন্স থাকতে হবে।

আইন অনুযায়ী, এসব প্রতিষ্ঠানের সাধারণ যানবাহনের পরিবর্তে লিকেজ-মুক্ত বিশেষ হলুদ কাভার্ড ভ্যান থাকা আবশ্যক। সংগৃহীত বর্জ্য যত্রতত্র না ফেলে বৈজ্ঞানিক পদ্ধতিতে ধ্বংসের জন্য ইনসিনারেটর (পুড়িয়ে ফেলা) বা অটোক্লেভ (জীবাণুমুক্তকরণ) প্রযুক্তি থাকা বাধ্যতামূলক।

এছাড়া ধারালো বর্জ্যের জন্য নিরাপদ কংক্রিট পিট ব্যবহার এবং কর্মীদের পর্যাপ্ত সুরক্ষা সরঞ্জাম (PPE) নিশ্চিত করার নির্দেশনা রয়েছে। বিধিমালা লঙ্ঘন করে সাধারণ ময়লার সাথে ক্লিনিক্যাল বর্জ্য মিশিয়ে ভাগাড়ে ফেললে সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠান বা ক্লিনিকের বিরুদ্ধে জেল ও জরিমানার বিধান রয়েছে।

তবে এসব নিয়মের তোয়াক্কা না করে পৌরসভার সাথে চুক্তিবদ্ধ সার্ভ বাংলাদেশ লিমিটেড মেডিকেল বর্জ্য পরিবহন করছে সাধারণ ময়লা পরিবহনের ভ্যানে করে। আর অন্যান্য সাধারণ বর্জ্যের সাথে মেডিকেল বর্জ্যের সুচ, রক্ত-পুজ মিশ্রিত ব্যন্ডেজ, গজ, তুলা ও অন্যান্য চিকিৎসা সামগ্রী ফেলছে খোলা যায়গায়। যার ফলে ময়লার স্তুপের আশপাশের বাসিন্দাদের মাঝে সংক্রামিত রোগ ছড়িয়ে পড়ার আশঙ্কা বাড়ছে। এছাড়া অন্যান্য বর্জ্যের সাথে হাসপাতালে বর্জ্যে আগুন দেওয়ায় ভয়াবহ ভাবে বাড়ছে পরিবেশ দূষণ।

এক সেবা দিয়ে টাকা নিচ্ছে দুই প্রতিষ্ঠান:

এছাড়া পৌরসভার আওতাধীন প্রায় ৪০টি হোটেল থেকে প্রতি মাসে ১৫০০ থেকে ২ হাজার টাকা আর প্রতিটি বাসা-বাড়ি থেকে ৬০-১০০ টাকা উত্তোলন করা হচ্ছে ময়লা বাবদ। যার বার্ষিক হিসেব দাঁড়ায় কয়েক লক্ষ টাকায়। এদিকে কঞ্জারভেন্সি (বর্জ্য বা ময়লা অপসারণ) বিলের নামেও নাগরিকদের বার্ষিক পৌর কর থেকে টাকা আদাই করছে পৌরসভা। যার মাধ্যমে পরিচ্ছন্নতা বাবদ পৌরসভার ও বেসরকারি প্রতিষ্ঠান সার্ভ বাংলাদেশ লিমিটেড আলাদা আলাদা ভাবে পকেট কাটছে পৌরবাসীর। 

পৌরসভার সূত্রে জানা যায় তারা, বর্জ্য বা ময়লা অপসারণ বাবদ ভবন বা জমির বার্ষিক মূল্যের ওপর সর্বোচ্চ ৭% পর্যন্ত চার্জ গ্রহণ করছে। তবে এর পরেও দূষণমুক্ত বর্জ্য ব্যবস্থাপনার পরিবর্তে দূষণ যুক্ত হচ্ছে পরিবেশের সাথে।


সংশ্লিষ্টরা যা বলছেন:

সার্ভ বাংলাদেশ লিমিটেডের স্বত্বাধিকারী মোঃ ফারুকের সাথে কথা হলে তিনি জানান, প্রতিষ্ঠানের লাইসেন্স রয়েছে। পরিবেশ অধিদপ্তরের ছাড়পত্র নেই তাদের। তবে ছাড় পত্রের জন্য আবেদন করা হয়েছে। ক্লিনিক্যাল বর্জ্য ব্যবস্থাপনার জন্য নিজস্ব ব্যবস্থাপনা আছে কি না এমন প্রশ্ন করলে ৫মিনিট পর কথা বলবেন জানিয়ে কল কেটে দেন। এর পরে তিনি আর যোগাযোগ করেননি।

এবিষয়ে নোয়াখালী জেলা পরিবেশ অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক মোসাম্মৎ শওকত আরা কলি একুশে পত্রিকাকে জানান, নোয়াখালীতে 'সার্ভ বাংলাদেশ লিমিটেড' নামের কোন প্রতিষ্ঠান ছাড় পত্রের জন্য আবেদন করেনি। বর্জ্য ব্যবস্থাপনা এবং হাসপাতালে বর্জ্য পরিস্কারের জন্য অবশ্যই প্রতিষ্ঠানের নিজস্ব ব্যবস্থাপনা থাকতে হবে। আর সেগুলো যাচাই করে পরিবেশ অধিদপ্তরের ছাড়পত্র দেয়। অনুমোদনহীন প্রতিষ্ঠান বিধি বহির্ভূত ভাবে হাসপাতালের বর্জ্য পরিবহন কিংবা ব্যবস্থাপনা করতে পারে না উল্লেখ করে তিনি বলেন "'সার্ভ বাংলাদেশ লিমিটেড নামক প্রতিষ্ঠানকে লিখিত নোটিশ দেওয়া হবে। তাদের কাগজপত্র দেখে পরবর্তী ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।"

পৌরসভার ময়লা খোলা স্থানে ফেলে পরিবেশ দূষণ ও অনুমোদনহীন প্রতিষ্ঠানের সাথে বর্জ্য ব্যবস্থাপনা চুক্তি কিভাবে করা হলো এমন প্রশ্ন রাখা হয় সোনাইমুড়ী পৌর প্রশাসক ও সোনাইমুড়ী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা নাছরিন আকতারের কাছে। তবে পরিবেশ অধিদপ্তরের ছাড়পত্র বিহীন প্রতিষ্ঠানের সাথে চুক্তির প্রশ্নের কোন উত্তর না দিয়ে জানান, পৌরসভার বর্জ্য ব্যবস্থাপনায় একটি ওয়েস্ট ম্যানেজমেন্ট প্লান্টের কাজ চলছে। কাজ শেষ না হওয়া পর্যন্ত যেভাব চলছে সেভাবেই চলবে। আর ক্ষতিগ্রস্ত বাসিন্দাদের দুর্ভোগের বিষয়ে তিনি দুঃখ প্রকাশ করে বলেন "আমি সরি তাদের জন্য, কিন্তু আমরা অপারগ"

এমএসএম / এমএসএম

ঘোড়াঘাটে দূটি ট্রাকের মুখোমুখি সংঘর্ষে নিহত এক

বিলাইছড়িতে পুষ্টি সপ্তাহ উপলক্ষে র‍্যালী ও আলোচনা সভা

এলাসিন শামসুল হক সেতুর স্থায়ীভাবে টোল বন্ধের দাবিতে নাগরপুরে মানববন্ধন

রায়গঞ্জে একাধিক দায়িত্বে ব্যস্ত ইউএনও, থমকে ভূমি সেবা কার্যক্রম

জমির ভাগ বাটোয়ারার সূত্র; সকল জমি পাওয়ার আশাই ভাগনের পরিকল্পনা

জমির ভাগ বাটোয়ারার সূত্র; সকল জমি পাওয়ার আশাই ভাগনের পরিকল্পনা

কুমিল্লায় তনু হত্যা মামলায় গ্রেপ্তার ওয়ারেন্ট অফিসার হাফিজুর ৩ দিনের রিমান্ডে

রাজারহাট-আনন্দবাজার সড়কের কাজ বন্ধ, চরম ভোগান্তিতে ৩০ হাজার মানুষ

৭ মাসের শিশুকে নিয়ে নিখোঁজ নারী, এলাকায় চাঞ্চল্য

ধুনটের চৌকিবাড়ীতে উন্নয়ন ও জনসেবায় আস্থার প্রতীক চেয়ারম্যান পুটু

রাজস্থলীতে আন্তজার্তিক টেবিল টেনিস খেলোয়াড় খই খই মারমার ঘর ঠাই স্বপ্ন পূরণ

নন্দীগ্রামে অবৈধ ভাবে পেট্রোল মজুদ করে বেশি দামে বিক্রির অপরাধে জরিমানা

খোলা আকাশের নিচে চিকিৎসা বর্জ্য, বিষাক্ত ধোঁয়ায় পাঁচ বছর ধরে অতিষ্ঠ সোনাইমুড়ী