ঢাকা বুধবার, ১৯ আগস্ট, ২০২৬

নতুন পদ্ধতিতে উচ্চে চাষে বাজিমাত অবসারপ্রাপ্ত সেনাসদস্য ফারুকের


ইমাম হোসেন সাগর, চৌগাছা photo ইমাম হোসেন সাগর, চৌগাছা
প্রকাশিত: ২৩-৪-২০২৬ দুপুর ১:৪৯

যশোরের চৌগাছায় সনাতন পদ্ধতি বাদ দিয়ে আধুনিক চাষাবাদে ব্যাপক সাফল্য পেয়েছে অবসরপ্রাপ্ত সেনাসদস্য ফারুক হোসেন। তিনি নতুন পদ্ধতিতে উচ্চে চাষ করে বছরের শুরুতে প্রায় আড়াই লাখ টাকার উচ্চে বিক্রি করেছেন। শুধু উচ্চে না সে উন্নত জাতের কাঁচা মরিচ ও তরমুজের চাষও করেছেন। জমিতে সেচের জন্য নিজস্ব ভবে স্থাপন করেছেন সৌর বিদ্যুত। বর্তমানে তার এই প্রজেক্ট দেখতে অনন্য কৃষকরা প্রতি দিনই ভিড় করছেন।
চৌগাছার জগদীশপুর গ্রামের মতিয়ার রহমানের ছেলে ফারুক হোসেন। সেনবাহিনীতে চাকরী শেষ করে তিনি বাড়িতে ফিরে অলস বসে সময় পার করেননি। ২০২২ সালে অবসরে এসে পরের বছর থেকেই নেমে যান নিজের জমি চাষে। কর্ম পরিকল্পনা করেন নতুন ভাবে কিছু করতে হবে। যেমন ইচ্ছা তেমন কাজ। নিজের এক বিঘা জমিতে উন্নত হাইব্রিড জাতের গুটি উচ্চের চাষ করেন। প্রথম বছরেই বিক্রি করেন ২ লাখ ৩০ হাজার টাকা। এরপর ও মাচায় তুলে দেন শশা এবং ৭৫ হাজার টাকার শশা বিক্রি করেন। বর্তমানে একই মাচায় পুনরায় চাষ করেছেন উচ্চে ইতোমধ্যে ৫০ হাজার টাকার উচ্চে বিক্রি করা হয়েছে।
গতকাল সরেজমিনে যেয়ে দেখা যায় (অবঃ) সেনাসদস্য উচ্চে ক্ষেতে কাজ করছেন। এ সময় কথা হয় তার সাথে। তিনি বলেন, ছোট বেলাতে দেখেছি বাবা দাদারা মাটিতে উচ্চে চাষ করতেন। উচ্চে লাগানোর পর মাটিতেই খড় কুটা দিয়ে রাখতেন তার উপরেই গাছ লতিয়ে উচ্চে হতো। আমি চাকরি হতে অবসরে এসে মনে করলাম নিজের জায়গা জমিতে ভিন্ন ভাবে চাষাবাদ করবো। প্রথম বছরে আমি এক বিঘা জমিতে উচ্চে চাষ করি। এরজন্য প্রথমে জমিতে বেড তৈরী করি এবং বীজ বপন করি। সম্পূর্ণ বেড পলি দিয়ে ঢেকে রাখি শুধুমাত্র উচ্চের বীজ লাগানো স্থানটি খালি রাখি। চারা বের হওয়ার পর পরিচর্জা করতে থাকি। কিছুটা বড় হলে আমি বাঁশের চাঁচ দিয়ে ছই আকৃতির মাচা তৈরী করি এবং বেশ উচু করে। এরপর নাইলনের সুতা ও তারের মাধ্যমে মাচা পরিপূর্ণ করি। উচ্চে গাছ মাচায় উঠে যায়। সময় মত সার কীটনাশক এবং পরিচর্জা করায় ওই বছরেই আমি প্রায় আড়াই লাখ টাকার উচ্চে বিক্রি করি। এরজন্য আমার ব্যয় হয়েছিল মাত্র ৩০ হাজার টাকা। নতুন বছরে উচ্চের পাশাপাশি ১০ কাটা জমিতে ছোট তরমুজের চাষ করেছি। চারা বের হয়েছে এটিও উন্নত পদ্ধতিতে চাষ করার পরিকল্পনা নেয়া হয়েছে। এছাড়া হাইব্রিড জাতের কাচা মরিচের চারা তৈরী করা হচ্ছে। কিছু দিন পরেই চারা জমিতে লাগানো হবে। যে পদ্ধতিতে চাষ করা হবে তাতে করে সাফল্য আসবে বলে মনে করা হচ্ছে। একই সাথে প্রায় ৫ বিঘা জমিতে ইরি বোরো ধানের চাষ করা হয়েছে। আমি আশা করছি ধানে বাম্পার ফলন হবে।
চাষাবাদ করার জন্য জমিতে সেচ অপরিহার্য। সেকারনে আমি নিজের অর্থায়নে জমির এক কোনে সৌর বিদ্যুতের প্লান্ট করেছি। যখন ইচ্ছা তখন এই বিদ্যুতের সহযোগীতায় জমিতে সেচ প্রদান করছি এরজন্য কিন্তু বাড়তি কোন টাকা আমাকে খরচ করতে হচ্ছে না, খরচ যা একবারই করেছি। সব মিলিয়ে নতুন পদ্ধতিতে চাষাবাদ করে আমি সফল মনে করছি।
স্থানীয় কৃষক বাবু, আব্দুর রশিদ, হারুন অর রশিদ বলেন, ফারুক সবজি ও ধান চাষে ব্যাপক সাফল্য পেয়েছেন। নতুন ভাবে চাষ করায় এই সাফল্য বলে আমাদের মনে হচ্ছে। আগামীতে তাকে অনুসরণ করে আমরাও চাষাবাদ করবো। 
উপজেলা কৃষি অফিসার মুসাব্বির হুসাইন বলেন, ফারুক সাহেব একটি প্রজেক্ট করেছেন খবর পেয়েছি দ্রুতই তার প্রজেক্ট পরিদর্শনে যাওয়া হবে। 

এমএসএম / এমএসএম

নজরুল বর্ষ উপলক্ষ্যে সাংস্কৃতিক প্রতিযোগিতা সুষ্ঠুভাবে বাস্তবায়নে ময়মনসিংহে মতবিনিময় সভা

নেত্রকোণার কেন্দুয়া পৌরসভার অনুমোদন ছাড়াই বাসা নির্মাণকাজ--নির্বাহী কর্মকর্তার পরিদর্শনে কাজ বন্ধ 

লোকালয় থেকে উদ্ধারকৃত অজগর কাপ্তাই জাতীয় উদ্যানে অবমুক্ত

উত্তরাঞ্চলের শিক্ষা ব্যবস্থায় আরেকটি মাইলফলক

সুবর্ণচরে নারী, শিশু, ব্রাককর্মীসহ ৩ মরদেহ উদ্ধার

ঠাকুরগাঁওয়ের রুহিয়া উচ্চ বিদ্যালয় পরিদর্শনে ইউএনও শিক্ষার মান উন্নয়ন ও ৪টি ক্লাব গঠনের নির্দেশ

কুড়িগ্রামে জমিজমা নিয়ে সংঘর্ষ, স্বামী-স্ত্রীসহ আহত ৫

হানিট্রাপের অভিযোগ সেনাসদস্যের সম্মানহানি তদন্ত দাবি

চাঁদপুর যাত্রী টার্মিনাল প্রকল্প নিয়ে প্রকাশিত সংবাদের প্রতিবাদ জানিয়েছে মায়ার লিমিটেড ও কবিরস সিন্ডিকেট জেভি

ভূরুঙ্গামারী থানা জেলার শ্রেষ্ঠ, সেরা সার্কেল এএসপি মুনতাসির ও ওসি আজিম

শাহরাস্তিতে সরকারি গাছ কাটার টাকা ফেরত দিলেন বিএনপি নেতা

মেহেরপুরে ৭০ মেধাবী শিক্ষার্থীকে জেলা পরিষদের বৃত্তি প্রদান

কেডিএর সেবা ও মাস্টার প্ল্যান নিয়ে অভয়নগরে মতবিনিময়