উলিপুরে দেড় মন ধানের মূল্যে মিলছে এক শ্রমিক ধান কাটা নিয়ে বিপাকে কৃষক
কুড়িগ্রামের উলিপুরে চলতি ইরি বোরো মৌসুমে চাষিরা ধান কাটা মাড়াইয়ের কাজে ব্যস্ত সময় পার করছেন। বৈরী আবহাওয়ায় বৃষ্টি পর মাঝে মাঝে রোদের দেখা মিললেও অতিরিক্ত শ্রমিক মজুরির কারণে বিপাকে পড়েছেন কৃষকরা। মাঝে মাঝে বৃষ্টি তারপর রোদের দেখা মিলছে। এরমধ্যে বিশেষ আগাম জাতের ধান বিআর ২৮ জাতের ধান পাকতে শুরু করেছে। নিয়মিত বৃষ্টিপাতের কারণে বোরো ধান কাটা মাড়াইয়ে অনেক সমস্যা হচ্ছে বলে কৃষকরা জানান। অনেকে ভেজা ধান নিয়ে বিপাকে পড়েছেন। রৌদ্র না থাকায় ধান শুকাতে পারছেন না। অপরদিকে খোলা বাজারে ধানের দাম ৭'শ থেকে ৮'শ টাকার মধ্যে উঠা নামা করছে। এ নিয়ে কৃষকদের কপালে চিন্তার ভাঁজ পড়েছে। উপজেলার হাতিয়া ইউনিয়নের নুতন অনন্তপুরের কৃষক জোবেদ আলী, সাজু মিয়া, রসুল মিয়া জানান, দেড় মন ধান দিয়ে একজন শ্রমিকের মজুরি দিতে হচ্ছে। তারপরও তারা চুক্তি ছাড়া ধান কাটে না। শতাংশ প্রতি ১৪০ থেকে ১৫০ টাকায় ধান কাটে। এভাবে চললে ও বাজারদর এ অবস্থায় থাকলে ধান লাগানোর খরচ উঠবেনা আমরা বাধ্য হয়ে অন্য ক্ষেত লাগাবো।
উপজেলা কৃষি অফিস সূত্রে জানা যায়, চলতি বছরে উপজেলার একটি পৌরসভাসহ ১৩টি ইউনিয়নে হাইব্রিড ৮৩৯০ হেক্টর, উফসি ১৪০০০ হেক্টর ও স্থানীয় ১৪০ হেক্টর মোট ২২ হাজার ৫’শ ৩০ হেক্টর বোরো চাষের লক্ষ্য মাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে। চলতি মৌসুমে বোরো ধানের উৎপাদন লক্ষ্য মাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে ২ লাখ ৪৩ হাজার ৭’শ ৭৫ মেট্রিকটন। এছাড়া এবারে বীজতলা তৈরির লক্ষ্য মাত্রা ছিল ১৩’শ ৬ হেক্টর অর্জিত হয়েছে ১২’শ ৪৫ হেক্টর।
সরেজমিন উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় ঘুরে দেখা যায়, মাঠে রাস্তায় চলছে বোরো ধান কাটা মাড়াইয়ের মহোৎসব। তারা জানান, এভাবে বাজারদর থাকলে খরচের টাকাই উঠবেনা। এছাড়া বৈরী আবহাওয়া ও বেশি দামেও শ্রমিক সংকটে চিন্তিত তারা। উপজেলার প্রায় সব এলাকায় জমিতে ধান পেঁকেছে। বৈরি আবহাওয়া বিশেষ করে শিলা বৃষ্টির কারণে ধানের ক্ষতির সম্ভাবনায় তারা চিন্তিত। তার পরেও কৃষকেরা বসে না থেকে যে ভাবেই হোক ধান কেটে ঘরে নিতে ব্যস্ত সময় পার করছেন।
উপজেলার থেতরাই ইউনিয়নের হারুনেফড়া খলিফার মোড় এলাকার কৃষক আশরাফ আলী জানান, প্রায় ৮ বিঘা জমিতে হাইব্রিড সহ বিভিন্ন জাতের বোরো ধানের চারা রোপণ করেছে কিন্তু বৈরী আবহাওয়ার কারণে কঠিন চিন্তায় আছেন।
উপজেলার বিভিন্ন এলাকার কৃষকরা জানান, একদিকে বৈরি আবহাওয়া অপরদিকে ধানের দাম কম থাকায় আমাদের মত কৃষকদের বাঁচার উপায় নেই।
এদিকে কুড়িগ্রাম রাজারহাট আবহাওয়া অফিসের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা সুবল চন্দ্র জানান, জেলায় আবহাওয়ার পরিবর্তন হবে। মাঝে মাঝে রোদের দেখা মিলবে।
উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা কৃষিবিদ মোশারফ হোসেন বলেন, উপজেলা কৃষি অফিসের উদ্যোগে মাঠ পর্যায়ে কৃষকদের লাইন-লোগো পদ্ধতি ব্যবহার করার পরামর্শ দেওয়ায় বোরো ধানের ফলন অনেক ভালো হয়েছে। এছাড়া বৈরি আবহাওয়া থাকায় জমিতে থাকা পাকা ধান দ্রুত কেটে ঘরে উঠানোর পরামর্শ দেয়া হচ্ছে। নিয়মিত রোদ হলে ধানের বাজার ভালো হবে তখন বোরো চাষিরা অনেক লাভবান হবেন বলে জানান তিনি।
এমএসএম / এমএসএম
সিলেটের ১১ নম্বর ওয়ার্ডে মির্জা সম্রাটের উদ্যোগে মশা নিধন অভিযান
হাতিয়ায় ১৫ হাজার কেজি শুল্ক ফাঁকি দিয়ে আনা লাল চিনি জব্দ।
ধুনটে ছুরিকাঘাতে গুরুতর আহত তুলসী রায়, আইসিইউতে ভর্তি
শিবগঞ্জে বাল্যবিয়ে ও শিশুর প্রতি সহিংসতা বন্ধ সভা ও অবসর জনিত বিদায়ী সংবর্ধনা অনুষ্ঠিত ।
বন্দরে মাকসুদা হত্যার প্রধান আসামি সাদ্দাম গ্রেপ্তার: মূল হোতা সামাউনকে খুঁজছে পুলিশ
চৌগাছায় বেড়গোবিন্দপুর বাওড় নিয়ে নোংরা রাজনীতির অভিযোগ: সংবাদ সম্মেলন
আদমদীঘির চাঁপাপুর ইউনিয়ন বিএনপির পূজামন্ডপ পরিদর্শন ও আর্থিক অনুদান বিতরণ
কুড়িগ্রামে সদর হাসপাতালে ৪ মাস বেতনহীন ৪৭ কর্মচারী, নতুন নিয়োগে টাকা দাবির অভিযোগ মানববন্ধন
ধামইরহাটে ১৪ বিজিবি কর্তৃক ভারতীয় নেশাজাতীয় ট্যাপেন্টাডলসহ ১ কারবারি আটক
নেত্রকোণার মদনে নবযোগদানকৃত নির্বাহী কর্মকর্তার সঙ্গে পরিচিতি সভা অনুষ্ঠিত
কৃষিজমির মাটি কাটায় ৩ লাখ টাকা জরিমানা
আদমদীঘিতে ২ মাদক কারবারির জেল-জরিমানা
ধামইরহাটে এম.পি এনামুল হক কর্তৃক দূর্গাপুজা উপলক্ষে ১৫০ পরিবারে নতুন শাড়ী বিতরণ
Link Copied