ঢাকা বুধবার, ১৯ আগস্ট, ২০২৬

উলিপুরে দেড় মন ধানের মূল্যে মিলছে এক শ্রমিক ধান কাটা নিয়ে বিপাকে কৃষক


উলিপুর প্রতিনিধি photo উলিপুর প্রতিনিধি
প্রকাশিত: ৮-৫-২০২৬ দুপুর ১:৫৩
কুড়িগ্রামের উলিপুরে চলতি ইরি বোরো  মৌসুমে চাষিরা ধান কাটা মাড়াইয়ের কাজে ব্যস্ত সময় পার করছেন। বৈরী আবহাওয়ায় বৃষ্টি পর মাঝে মাঝে রোদের দেখা মিললেও অতিরিক্ত শ্রমিক মজুরির কারণে বিপাকে পড়েছেন কৃষকরা। মাঝে মাঝে বৃষ্টি তারপর রোদের দেখা মিলছে। এরমধ্যে বিশেষ আগাম জাতের ধান বিআর ২৮ জাতের ধান পাকতে শুরু করেছে। নিয়মিত বৃষ্টিপাতের কারণে বোরো ধান কাটা মাড়াইয়ে অনেক সমস্যা হচ্ছে বলে কৃষকরা জানান। অনেকে ভেজা ধান নিয়ে বিপাকে পড়েছেন। রৌদ্র না থাকায় ধান শুকাতে পারছেন না। অপরদিকে খোলা বাজারে ধানের দাম ৭'শ থেকে ৮'শ টাকার মধ্যে উঠা নামা করছে। এ নিয়ে কৃষকদের কপালে চিন্তার ভাঁজ পড়েছে। উপজেলার হাতিয়া ইউনিয়নের নুতন অনন্তপুরের কৃষক জোবেদ আলী, সাজু মিয়া, রসুল মিয়া জানান, দেড় মন ধান দিয়ে একজন শ্রমিকের মজুরি দিতে হচ্ছে। তারপরও তারা চুক্তি ছাড়া ধান কাটে না। শতাংশ প্রতি ১৪০ থেকে ১৫০ টাকায় ধান কাটে। এভাবে চললে ও  বাজারদর এ অবস্থায় থাকলে ধান লাগানোর খরচ উঠবেনা আমরা বাধ্য হয়ে অন্য ক্ষেত লাগাবো। 
উপজেলা কৃষি অফিস সূত্রে জানা যায়, চলতি বছরে উপজেলার একটি পৌরসভাসহ ১৩টি ইউনিয়নে হাইব্রিড ৮৩৯০ হেক্টর, উফসি ১৪০০০ হেক্টর ও স্থানীয় ১৪০ হেক্টর মোট ২২ হাজার ৫’শ ৩০ হেক্টর বোরো চাষের লক্ষ্য মাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে। চলতি মৌসুমে বোরো ধানের উৎপাদন লক্ষ্য মাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে ২ লাখ ৪৩ হাজার ৭’শ ৭৫ মেট্রিকটন। এছাড়া এবারে বীজতলা তৈরির লক্ষ্য মাত্রা ছিল ১৩’শ ৬ হেক্টর অর্জিত হয়েছে ১২’শ ৪৫ হেক্টর।
সরেজমিন উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় ঘুরে দেখা যায়, মাঠে রাস্তায় চলছে বোরো ধান কাটা মাড়াইয়ের মহোৎসব।  তারা জানান, এভাবে বাজারদর থাকলে খরচের টাকাই উঠবেনা। এছাড়া বৈরী আবহাওয়া ও বেশি দামেও শ্রমিক সংকটে চিন্তিত তারা। উপজেলার প্রায় সব এলাকায় জমিতে ধান পেঁকেছে। বৈরি আবহাওয়া বিশেষ করে শিলা বৃষ্টির কারণে ধানের ক্ষতির সম্ভাবনায় তারা চিন্তিত। তার পরেও কৃষকেরা বসে না থেকে যে ভাবেই হোক ধান কেটে ঘরে নিতে ব্যস্ত সময় পার করছেন। 
উপজেলার থেতরাই ইউনিয়নের হারুনেফড়া খলিফার মোড় এলাকার কৃষক আশরাফ আলী জানান, প্রায় ৮ বিঘা জমিতে হাইব্রিড সহ বিভিন্ন জাতের বোরো ধানের চারা রোপণ করেছে কিন্তু বৈরী আবহাওয়ার কারণে কঠিন চিন্তায় আছেন।
উপজেলার বিভিন্ন এলাকার কৃষকরা জানান, একদিকে বৈরি আবহাওয়া অপরদিকে ধানের দাম কম থাকায় আমাদের মত কৃষকদের বাঁচার উপায় নেই।
এদিকে কুড়িগ্রাম রাজারহাট আবহাওয়া অফিসের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা সুবল চন্দ্র জানান, জেলায় আবহাওয়ার পরিবর্তন হবে। মাঝে মাঝে রোদের দেখা মিলবে।
উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা কৃষিবিদ মোশারফ হোসেন বলেন, উপজেলা কৃষি অফিসের উদ্যোগে মাঠ পর্যায়ে কৃষকদের লাইন-লোগো পদ্ধতি ব্যবহার করার পরামর্শ দেওয়ায় বোরো ধানের ফলন অনেক ভালো হয়েছে। এছাড়া বৈরি আবহাওয়া থাকায় জমিতে থাকা পাকা ধান দ্রুত কেটে ঘরে উঠানোর পরামর্শ দেয়া হচ্ছে। নিয়মিত রোদ হলে ধানের বাজার ভালো হবে তখন বোরো চাষিরা অনেক লাভবান হবেন বলে জানান তিনি।

এমএসএম / এমএসএম

পুলিশ জনগণের প্রত্যাশা পূরণ করতে পারেনি - ডিআইজি

ফুলছড়িতে সারের বাজারে নৈরাজ্য, বিপাকে চরাঞ্চলের হাজারো কৃষক

বিলাইছড়িতে স্বাস্থ্যের ঝুঁকিতে ১৫০০ পরিবার: নেই পয়ো-নিস্কাশনের সুব্যবস্থা

রাজারহাটে বাসের ধাক্কায় মাদ্রাসাছাত্র নিহত

রাণীনগরে বেশি দামে সার বিক্রির দায়ে ব্যবসায়ীকে ১২ হাজার টাকা জরিমানা

বারহাট্টায় কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের ফিল্ড ভিজিটে থাকা শিক্ষার্থীদের সাথে সাংবাদিকদের মতবিনিময়

সাবেক শিক্ষামন্ত্রী দীপু মনির স্বামী মারা গেছেন

নজরুল বর্ষ উপলক্ষ্যে সাংস্কৃতিক প্রতিযোগিতা সুষ্ঠুভাবে বাস্তবায়নে ময়মনসিংহে মতবিনিময় সভা

নেত্রকোণার কেন্দুয়া পৌরসভার অনুমোদন ছাড়াই বাসা নির্মাণকাজ--নির্বাহী কর্মকর্তার পরিদর্শনে কাজ বন্ধ 

লোকালয় থেকে উদ্ধারকৃত অজগর কাপ্তাই জাতীয় উদ্যানে অবমুক্ত

উত্তরাঞ্চলের শিক্ষা ব্যবস্থায় আরেকটি মাইলফলক

সুবর্ণচরে নারী, শিশু, ব্রাককর্মীসহ ৩ মরদেহ উদ্ধার

ঠাকুরগাঁওয়ের রুহিয়া উচ্চ বিদ্যালয় পরিদর্শনে ইউএনও শিক্ষার মান উন্নয়ন ও ৪টি ক্লাব গঠনের নির্দেশ