চৌগাছার যুবদল নেতা হত্যা মামলার প্রধান আসামী আবু ওবাইদা গোপালগঞ্জে আটক
যশোরের চৌগাছার জগদীশপুর ইউনিয়নের মাড়ুয়া গ্রামের আলোচিত যুবদল নেতা ঝন্টু মিয়া হত্যা মামলার এজাহারভুক্ত প্রধান আসামী আবু ওবাইদাকে আটক করেছে থানা পুলিশ। এ সময় তার শিকারোক্তিতে হত্যাকান্ডে ব্যবহৃত ছুরি উদ্ধার করা হয়। হত্যাকান্ডের পায় দুই সপ্তাহ পর পুলিশ মামলার একজন আসামীকে আটক করতে সক্ষম হলো। শুক্রবার আদালতের মাধ্যমে তাকে জেল হাজতে প্রেরণ করা হয়েছে।
থানা সূত্রে জানা গেছে, আলোচিত হত্যা মামলার সকল আসামী হত্যাকান্ড ঘঠিয়ে গা ঢাকা দেয়। মামলার পরপরই পুলিশ আসামী আটকে ছিলো ব্যাপক তৎপর কিন্তু তারা ঘনঘন স্থান পরিবর্তন করায় আটকে বেশ বেগ পেতে হয়। অবশেষে বৃহস্পতিবার রাতে প্রযুক্তির সহযোগীতায় চৌগাছা থানার অফিসার ইনচার্জ মামুনুর রশিদের নেতৃত্বে পুলিশের একটি দল ঢাকা রেঞ্জের গোপালগঞ্জ জেলা হতে মামলার প্রধান আসামীকে আটক করতে সক্ষম হন। আটক আবু ওবাইদা দক্ষিনসাগর গ্রামের মৃত দাউদ মুন্সির ছেলে। ওই রাতেই আসামীর শিকারোক্তিতে দক্ষিনসাগর গ্রাম হতে হত্যায় ব্যবহৃত ছুরি উদ্ধার করেন পুলিশ।
এদিকে হত্যাকান্ডের পর কোন আসামী আটক না হওয়ায় ক্ষোভ দেখা দেয় নিহতের স্বজনসহ এলাকাবাসির মধ্যে। অবশেষে আসামী আটকের খবরে স্বস্তি এসেছে স্থানীয়দের মাঝে।
নিহতের চাচা বিল্লাল হোসেন বলেন, খুনিরা পরিকল্পিত ভাবে আমার ভাইপো ঝন্টুকে হত্যা করেছে। হত্যাকান্ডের প্রায় দুই সপ্তাহ পার হয়েছে কিন্তু শোকে কাতর গোটা পরিবার। ঝন্টুর অবুঝ দুই শিশু সন্তান ঘুম থেকে উঠে পুনরায় ঘুমাতে যাওয়ার আগ পর্যন্ত তার বাবাকে খুজে বেড়ায়। দুই শিশু সন্তানের বাবা হারানো কষ্টে পরিবারের সকলেই হতবিহবল হয়ে পড়েছে।
বৃহস্পতিবার রাতে প্রধান আসামী আটক হয়েছে। আমরা আশা করবো সুষ্ঠু বিচারে দেশের প্রচোলিত আইনে সকল আসামীকে যেন সর্বোচ্চ সাজা হয়।
চৌগাছা থানার অফিসার ইনচার্জ মামুনুর রশিদ আটকের সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, তার শিকারোক্তিতে হত্যায় ব্যবহৃত ছুরি উদ্ধার করা হয়েছে। শুক্রবার আদালতের মাধ্যমে আসামীকে জেল হাজতে প্রেরণ করা হয়েছে।
উল্লেখ্য, গত ১৯ মে সন্ধ্যা রাতে বাড়ির অদুরে দক্ষিনসাগর সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয় মাঠে বন্ধুদের সাথে গল্প করছিলো যুবদল নেতা ঝন্টু মিয়া। এ সময় পূর্ব শত্রুতার জের ধরে সেখানে আটক আবু ওবাইদা সহ আসামীরা উপস্থিত হয়ে ঝন্টু ও তার আরেক ভাই আশানুর রহমানকে ছুরি দিয়ে এলোপাতাড়ি কুপিয়ে মারাত্মক আহত করে। স্থানীয়রা আহদের উদ্ধার করে চৌগাছা হাসপাতালে নিলে চিকিৎসক ঝন্টুকে মৃত ঘোষনা করেন এবং আশানুরকে মুমুর্ষ অবস্থায় যশোরে রেফার করেন। আহত আশানুর রহমান বর্তমানে কিছুট সুস্থ্য বলে স্বজনরা জানান। এই ঘটনার একদিন পর নিহত ঝন্টুর পিতা শফিয়ার রহমান বাদি হয়ে চৌগাছা থানায় হত্যা মামলা করেন।
এমএসএম / এমএসএম
নজরুল বর্ষ উপলক্ষ্যে সাংস্কৃতিক প্রতিযোগিতা সুষ্ঠুভাবে বাস্তবায়নে ময়মনসিংহে মতবিনিময় সভা
নেত্রকোণার কেন্দুয়া পৌরসভার অনুমোদন ছাড়াই বাসা নির্মাণকাজ--নির্বাহী কর্মকর্তার পরিদর্শনে কাজ বন্ধ
লোকালয় থেকে উদ্ধারকৃত অজগর কাপ্তাই জাতীয় উদ্যানে অবমুক্ত
উত্তরাঞ্চলের শিক্ষা ব্যবস্থায় আরেকটি মাইলফলক
সুবর্ণচরে নারী, শিশু, ব্রাককর্মীসহ ৩ মরদেহ উদ্ধার
ঠাকুরগাঁওয়ের রুহিয়া উচ্চ বিদ্যালয় পরিদর্শনে ইউএনও শিক্ষার মান উন্নয়ন ও ৪টি ক্লাব গঠনের নির্দেশ
কুড়িগ্রামে জমিজমা নিয়ে সংঘর্ষ, স্বামী-স্ত্রীসহ আহত ৫
হানিট্রাপের অভিযোগ সেনাসদস্যের সম্মানহানি তদন্ত দাবি
চাঁদপুর যাত্রী টার্মিনাল প্রকল্প নিয়ে প্রকাশিত সংবাদের প্রতিবাদ জানিয়েছে মায়ার লিমিটেড ও কবিরস সিন্ডিকেট জেভি
ভূরুঙ্গামারী থানা জেলার শ্রেষ্ঠ, সেরা সার্কেল এএসপি মুনতাসির ও ওসি আজিম
শাহরাস্তিতে সরকারি গাছ কাটার টাকা ফেরত দিলেন বিএনপি নেতা
মেহেরপুরে ৭০ মেধাবী শিক্ষার্থীকে জেলা পরিষদের বৃত্তি প্রদান